খুলনায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় পুলিশ-আনসারের ১১ সহস্রাধিক সদস্য

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচাইতে বড় উৎসব দুর্গাপূজা আগামীকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। শারদীয় উৎসব পালনে খুলনার জেলা ও মহানগরীর ৯৫৬টি পূজামণ্ডপে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সারা দেশ

View more
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে পীরগঞ্জ পৌরভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন ১৩ শ্রমিক। বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ ছাদ ঢালাইয়ের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাঠামো (সাটারিং) ভেঙে পড়ে। এতে কয়েকজন শ্রমিক তার নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে

Video news
Readysell
Readysell

https://www.youtube.com/watch?v=8tpROnMtdbk

সারা বিশ্ব
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?
ভারতে ৬৫০ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদের অংশ কেন ভাঙতে চায় প্রশাসন?

হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।

ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ
ভারতে সাবান-শ্যাম্পুর প্যাকেটেও নিরামিষের চিহ্ন দেওয়ার নির্দেশ

সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।

তথ্যপ্রযুক্তি
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে
বাংলাদেশ আমাদের পথ দেখিয়েছে

ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা) এর সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরার জানিয়েছেন, দেশটিতে ছড়িয়ে পড়া তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনে বাংলাদেশ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: মার্কিন জেনারেল
ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে অভিজ্ঞতা নিচ্ছে উত্তর কোরিয়া: মার্কিন জেনারেল

উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার পক্ষে ইউক্রেন যুদ্ধ অংশ নিয়ে সেনা মোতায়েনের দক্ষতা অর্জন করেছে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন ফোর্সেস কোরিয়ার কমান্ডার জেনারেল জেভিয়ার ব্রুনসন।

ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু
ইজিবাইকের চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে নারী পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।

‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত
ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

চকরিয়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১
চকরিয়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় ১৭ হাজার ইয়াবা, গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অস্থায়ী চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেলের চাকার ভেতর থেকে ১৭ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

পাবনায় মাদকাসক্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা
পাবনায় মাদকাসক্ত যুবককে কুপিয়ে হত্যা

পাবনার সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নে সুমন হোসেন (৩২) নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও খুঁচিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

চাকরির প্রলোভনে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
চাকরির প্রলোভনে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন আটকে রেখে এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল। 

গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ, ২৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার
গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ, ২৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার

শেরপুরে নিখোঁজের প্রায় ২৬ ঘণ্টা পর নদী থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সম্পর্ক মজবুত করে যেভাবে
সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা সম্পর্ক মজবুত করে যেভাবে

একটি সম্পর্কে ঝগড়া কম হলেই কি দুজন মানুষ সুখী? সম্পর্ক ভালো রাখতে ভালোবাসার পাশাপাশি সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করাও জরুরি।

স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা
স্বর্ণের দামে পতন, ভরিতে কমল ৩২৬৬ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। একই সঙ্গে রূপার দামও কিছুটা কমানো হয়েছে।

তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল
তুষারঝড়ে ফিরে যায় দুই দল, থামেননি শাকিল

চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।

নীল দহন
নীল দহন

টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা

কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর
কনসিলার, ব্লাশ আর নিউড লিপ: মাত্র ৩ প্রোডাক্টেই কীভাবে ন্যাচারাল গ্ল্যাম আনেন জাহ্নবী কাপুর

মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।

ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা
ফরমাল পোশাকে গ্ল্যামারাস দেখালেন কিয়ারা

ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা  এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই

ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়
ঘুম ঠিক না হলে কী হয়? জানুন সুস্থ থাকার সহজ উপায়

ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট: জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ

বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।

বন্ধুতা, সম্পর্ক ও মানসিক সুস্থতা: কীভাবে সামলাবেন ব্যস্ত জীবনে
বন্ধুতা, সম্পর্ক ও মানসিক সুস্থতা: কীভাবে সামলাবেন ব্যস্ত জীবনে

প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এবার দেশের স্কুল পর্যায়ে রোবটিক্স শিক্ষা চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলের শতাধিক স্কুলে এ পাঠ্যক্রম চালু করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় “ভূমিকা ভিত্তিক রোবটিক্স” শীর্ষক একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে। এতে থাকবে সহজ প্রোগ্রামিং, সেন্সর ব্যবহার, অটোমেশন ধারণা, এবং ছোটখাটো রোবট তৈরি ও পরিচালনার হাতে-কলমে শিক্ষা।   ভবিষ্যতের কর্মদক্ষতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, “বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রযুক্তি-ভিত্তিক দক্ষতা সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্যই এই প্রস্তুতি।” তিনি আরও জানান, শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে যাতে তারা ক্লাসে রোবটিক্স বিষয়টি সহজভাবে তুলে ধরতে পারেন।   শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে ইতোমধ্যে কিছু বেসরকারি স্কুল পরীক্ষামূলকভাবে রোবটিক্স ক্লাব পরিচালনা করছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষার্থী সানজিদা রহমান জানায়, “আমরা নিজেরাই ছোট একটি রোবট বানিয়েছি, সেটি চলতে পারে এবং নির্দেশ মানতে পারে—এটা ভীষণ রোমাঞ্চকর।”   কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে দেশীয় স্টার্টআপ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে একাধিক দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ‘টেকল্যাবস বাংলাদেশ’ নামের একটি স্টার্টআপ ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে লো-কোস্ট রোবটিক্স কিট সরবরাহ শুরু করেছে।   বিশেষজ্ঞদের মত প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রাথমিক স্তরে রোবটিক্স শিক্ষা ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মেকাট্রনিক্স এবং অটোমেশন সেক্টরে দক্ষ কর্মশক্তি গড়ার ভিত্তি তৈরি করবে।

শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?
শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব?

শহুরে জীবনে গ্রিন লাইফস্টাইল: চাইলেই কি সম্ভব? শহর মানেই ব্যস্ততা, কংক্রিটের জঙ্গল, দূষিত বাতাস, এবং অনিয়ন্ত্রিত শব্দ। এই যান্ত্রিক পরিবেশে বসবাস করা মানুষ প্রতিদিন একটু সবুজ, একটু প্রশান্তি খোঁজে। তাই ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ বা পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের ধারণা শহরের মানুষদের মাঝেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই শহুরে বাস্তবতায় আমরা কি সত্যিই গ্রিন লাইফস্টাইল মেনে চলতে পারি? গ্রিন লাইফস্টাইল মানে শুধু গাছ লাগানো নয়। এটি একটি সামগ্রিক জীবনধারা, যেখানে প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে সহাবস্থানের চেষ্টা থাকে। যেমন—প্লাস্টিক ব্যবহার না করা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করা, গাছ লাগানো, অর্গানিক খাবার খাওয়া, কম দূষণ হয় এমন বাহনে চলাচল করা, বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয় করা, এমনকি নিজস্ব ছাদে সবজি চাষ করাও এর অংশ হতে পারে। কিন্তু শহরে এই সবকিছু কি সহজে করা যায়? উত্তরটা একদম সরল নয়। শহরের বাসিন্দাদের জন্য অনেক সময় জায়গার অভাব বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফ্ল্যাটে থাকলে ছাদে বাগান করা যায় না, রান্নার সময় প্লাস্টিক প্যাকেট এড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ে কারণ বাজারে সহজলভ্য জিনিসপত্রের বেশিরভাগই প্লাস্টিক মোড়ানো। তাছাড়া, ব্যস্ত জীবনযাপনের কারণে সময় বের করাও কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আশার কথা হলো, ইচ্ছা থাকলে উপায় বের করা যায়। শহুরে জীবনে কিছু ছোট ছোট অভ্যাস বদলেই শুরু করা যায় সবুজ যাত্রা। যেমন ধরুন, কেউ যদি বাজারের ব্যাগ হিসেবে কাপড়ের ব্যাগ ব্যবহার করেন, বা পানির বোতল বারবার রিফিল করেন, তবুও তিনি পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখছেন। অফিসে যাওয়ার সময় যদি বাস বা সাইকেল ব্যবহার করা যায়, তাহলেও কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমে। অনেক শহরেই এখন কমিউনিটি গার্ডেন, ছাদ কৃষি, সোলার প্যানেল স্থাপন, কিংবা জিরো ওয়েস্ট মুভমেন্ট জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। মানুষ নিজেরাই উদ্যোগ নিচ্ছে। ঢাকার মতো ব্যস্ত শহরেও অনেকে নিজেদের ব্যালকনিতে টব বসিয়ে ছোট পরিসরে সবজি ফলাচ্ছেন, কেউ আবার সোলার লাইট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছেন। তবে এই চর্চা টেকসই করতে হলে প্রয়োজন নীতিনির্ধারকদের সহায়তা। শহরের পরিকল্পনায় আরও বেশি সবুজ এলাকা, হাঁটার রাস্তা, বাইসাইকেল লেন, এবং রিসাইক্লিং ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি জরুরি। সরকার যদি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে ভর্তুকি দেয় বা সচেতনতা বাড়ায়, তাহলে মানুষ আরও সহজে গ্রিন লাইফস্টাইল গ্রহণ করতে পারবে। শহুরে জীবন যতই ব্যস্ত হোক না কেন, যদি সচেতনতা থাকে এবং ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে ‘গ্রিন লাইফস্টাইল’ একেবারেই অসম্ভব নয়। বরং, এটি হতে পারে একটি শান্ত, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই জীবনের সূচনা। আমাদের সবারই উচিত নিজ নিজ জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব, পরিবেশবান্ধব পন্থায় জীবনযাপন করার চেষ্টা করা। কারণ প্রকৃতি বাঁচলেই আমরা বাঁচব—এই সত্যটা আজ আরও বাস্তব হয়ে উঠেছে।

Follow us

Top week

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’
জাতীয়

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

News অক্টোবর ১১, ২০২৬ 0

Rss feed news

আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ২ পুলিশ সদস্য আহত
আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, ২ পুলিশ সদস্য আহত

<p>আটক দুই মাদক কারবারিকে ছিনিয়ে নিতে অস্ত্র নিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p> <figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
অর্থনীতিতে এবার নোবেল কে পেলেন, কেন পেলেন
অর্থনীতিতে এবার নোবেল কে পেলেন, কেন পেলেন

<p>সাংবাদিক শওকত হোসেনের বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনায় দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব অর্থনীতি ও বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা নিতে দেখুন ‘প্রাইম ব্যাংক অর্থনীতি -অনর্থনীতি’ </p><figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
বহুমাত্রিক জ্বালানি ব্যবহারে ভারসাম্য রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ: ওয়ার্টসিলা
বহুমাত্রিক জ্বালানি ব্যবহারে ভারসাম্য রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ: ওয়ার্টসিলা

<p>বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে কয়েক দশকে উৎপাদন সক্ষমতা ও জ্বালানির উৎস দুটোই বেড়েছে। তবু দেশটির বিদ্যুৎ খাত এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ওয়ার্টসিলা। তারা বলছে, বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত উৎপাদন বাড়ানো বা কমানোর সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির ব্যবহারে ভারসাম্য রাখতে হবে।</p><p>বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী ইঞ্জিন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্টসিলা আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ এনার্জি ট্রানজিশন ফোরাম’ নামের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির বক্তারা এ কথা বলেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্ভরযোগ্য রাখতে ফ্লেক্সিবল পাওয়ার (চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো বা কমানোর সক্ষমতা) গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>ওয়ার্টসিলা বলছে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গত প্রায় তিন দশকে কয়েক গুণ বেড়েছে। জ্বালানির উৎসেও বৈচিত্র্য এসেছে। এখন বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার কার্যকর ব্যবহার, জ্বালানিনিরাপত্তা এবং আর্থিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয় সামনে রেখে খাতটির পরবর্তী পথ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।</p><p>ফোরামে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎব্যবস্থাকে আরও নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। এ জন্য কী ধরনের ফ্লেক্সিবল পাওয়ার উৎপাদনব্যবস্থা, বিকল্প জ্বালানি এবং গ্রিড-সহায়ক প্রযুক্তি দরকার, তা নিয়েও কথা বলেন বক্তারা।</p><p>অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে ওয়ার্টসিলা এনার্জির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের এনার্জি বিজনেস ডিরেক্টর গোরান রিচার্ডসন বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে প্রতিষ্ঠানটির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বাংলাদেশে ওয়ার্টসিলার ২৮ বছরের কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেন তিনি।</p><p>পরে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়া অঞ্চলের গ্রোথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার প্যাট্রিক ফারকাস বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বহুমাত্রিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রবণতা তুলে ধরেন। ফ্লেক্সিবল পাওয়ার উৎপাদনব্যবস্থার গুরুত্বও ব্যাখ্যা করেন তিনি। যেসব দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বেশি, সেসব দেশের বিদ্যুৎব্যবস্থার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন প্যাট্রিক ফারকাস।</p><p>ওয়ার্টসিলা এনার্জি সার্ভিসেসের সিনিয়র প্রোডাক্ট ম্যানেজার উলরিক ফ্রিস বিদ্যমান তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে এলএনজি ও এলপিজি ব্যবহারের উপযোগী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। ভবিষ্যতের জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনসহ অন্যান্য টেকসই জ্বালানির সম্ভাবনাও তুলে ধরেন তিনি।</p><p>ওয়ার্টসিলা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জাহেদ হোসেন বলেন, প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে ওয়ার্টসিলা যুক্ত রয়েছে। এ সময়ে খাতটির বিভিন্ন পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গ্রাহক ও অংশীজনদের পাশে থেকেছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>মোস্তফা জাহেদ বলেন, ওয়ার্টসিলার সরবরাহ করা ইঞ্জিনভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো এখনো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটির দক্ষ জনবল এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ওয়ার্টসিলার বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেবাকাজে যুক্ত রয়েছেন।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
কুমিল্লা মহানগর জামায়াত সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুরে এবি পার্টির নেতা সামদানী, দল থেকে অব্যাহতি
কুমিল্লা মহানগর জামায়াত সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুরে এবি পার্টির নেতা সামদানী, দল থেকে অব্যাহতি

<p>জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কার্যালয় চত্বরে গতকাল বুধবার দলটির মহানগর সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে দলটি।</p><p>আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এবি পার্টির দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ অব্যাহতির কথা জানানো হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এবি পার্টির কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p><p>তবে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সামদানী। রাত আটটার দিকে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে তাঁর অসুস্থ বাবার সঙ্গে ছিলেন।</p><p>গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে কুমিল্লা শহরের মোগলটুলী এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর মহানগর কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। জামায়াতের মহানগর কমিটি গঠন ও আমির নির্বাচন নিয়ে দলটির অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে বলে নেতাদের একাংশের ভাষ্য। ওই সময় কার্যালয়ের ভেতরে দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মাছুমসহ মহানগরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p><blockquote>মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের অনুসারী নেতা-কর্মীদের একাংশ বৈঠক চলাকালে হট্টগোল করেন বলে দলের একাংশের নেতাদের অভিযোগ। পরে তাঁরা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এলে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে থাকা জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, সামদানী ওই ঘটনায় অংশ নেন।</blockquote><p><strong>‘আমি শিবির করে বড় হয়েছি, এখন আমার বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছে’</strong></p><p>বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে সাদা কাপড় বাঁধা এক ব্যক্তি ভারী কিছু দিয়ে জামায়াতের মহানগর সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়িতে আঘাত করছেন। গাড়িটির চারপাশে ঘুরে ঘুরে তিনি আঘাত করেন। এ সময় কয়েকজন তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও তিনি গাড়ির কাচ ভাঙতে থাকেন।</p><p>কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামারুজ্জামান সোহেল আজ রাত পৌনে ৯টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে আমাদের কার্যালয়ের আঙিনায় থাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারির গাড়ি ভাঙচুর করতে দেখা গেছে। তাঁর দলের নেতারাও তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে। এ জন্য তাঁকে এবি পার্টি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-15/shsrk26d/abpartycumilla2.jpeg"><figcaption>মুখে সাদা কাপড় বাঁধা এক ব্যক্তি ভারী কিছু দিয়ে জামায়াতের মহানগর সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত গাড়িতে আঘাত করছেন</figcaption></figure><p>কামারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটি দেখছে। কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের বিষয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নেবেন।’</p><p>মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির এ কে এম এমদাদুল হক মামুনের অনুসারী নেতা-কর্মীদের একাংশ বৈঠক চলাকালে হট্টগোল করেন বলে দলের একাংশের নেতাদের অভিযোগ। পরে তাঁরা কার্যালয় থেকে বেরিয়ে এলে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে থাকা জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, সামদানী ওই ঘটনায় অংশ নেন।</p><p>এসব অভিযোগের বিষয়ে এমদাদুল হক মামুনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সময়ে তাঁর মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।</p><p>সামদানী আগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা মহানগর ইনকিলাব মঞ্চেরও আহ্বায়ক।</p><p>বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলোর কাছে গোলাম মোহাম্মদ সামদানী দাবি করেন, বুধবার সন্ধ্যায় তিনি কুমিল্লা টাওয়ার হাসপাতালে ছিলেন। তাঁর বাবা স্ট্রোক করায় তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। প্রথমে হাসপাতালের পুরোনো ভবনের তৃতীয় তলায় এবং পরে নতুন ভবনে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যান। সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত তিনি হাসপাতালেই ছিলেন বলে দাবি সামদানীর।</p><p>সিসিটিভি ফুটেজে দেখা ব্যক্তি তিনি ছিলেন—এমন অভিযোগের বিষয়ে সামদানী বলেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত থাকলে তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে আটকানো বা জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো না কেন। তাঁর দাবি, জামায়াতের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ঘটনায় তাঁকে জড়ানো হচ্ছে।</p><p>সামদানী আরও বলেন, দীর্ঘদিন ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁকে বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এখন সেই সংগঠনের লোকজনই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন বলে তিনি দাবি করেন। সামদানী বলেন, ‘আমি ছাত্রশিবির করে বড় হয়েছি। আমার বাবা ছাত্রশিবির করার জন্য একটা চোখ হারিয়েছে। সেই সংগঠন এখন আমার বিরুদ্ধে অপবাদ দিচ্ছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-14/6fq4351p/CumillaDH175220261014IMG20261014213508.jpg"><figcaption>কুমিল্লার মোগলটুলি এলাকার ফারুকিয়া হাউজিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর মহানগর কার্যালয় চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বুধবার রাতের ছবি</figcaption></figure><p><strong>পদ থেকে অব্যাহতি, শোকজ দেওয়া হবে</strong></p><p>বৃহস্পতিবার বিকেলে এবি পার্টির কুমিল্লা জেলার আহ্বায়ক মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, জামায়াতের মহানগর কার্যালয়ের ঘটনায় গোলাম মোহাম্মদ সামদানীর সম্পৃক্ততার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত খবর তাঁদের নজরে এসেছে। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বিষয়টি অবগত হয়েছেন। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে দলীয় শৃঙ্খলা কমিটিতে উপস্থাপনের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>ওই পোস্টে মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক আরও বলেন, জামায়াতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সৃষ্ট জটিলতায় এবি পার্টির কুমিল্লা মহানগর ও জেলা শাখা কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নয়। কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে এমন কিছু করে থাকলে তার দায় দল বহন করবে না।</p><p>এরপর সন্ধ্যায় এবি পার্টির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়কের পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সে বিষয়ে অবিলম্বে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হবে।</p><p>এদিকে জানতে চাইলে রাত নয়টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার প্রথম আলোকে বলেন, জামায়াতের কার্যালয়ে বুধবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট: নতুন ট্রাস্টি
বোর্ডের কার্যক্রমে বাধা কাটল
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট: নতুন ট্রাস্টি বোর্ডের কার্যক্রমে বাধা কাটল

<p>হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন স্থগিত করে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।</p><p>ফলে গত ২ সেপ্টেম্বর গঠিত নতুন বোর্ড কার্যকর থাকবে ও তারা স্বাভাবিকভাবে ট্রাস্টের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।</p><p>২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অব্যাহতি দিয়ে ২ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি নতুন বোর্ড গঠন করা হয়। এ অনুযায়ী পদাধিকারবলে ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী। সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও সংসদ সদস্য সুবর্ণা সিকদারকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং তপন চন্দ্র মজুমদারকে সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়।</p><p>ওই প্রজ্ঞাপনের ভাষ্য, পদাধিকারবলে নিযুক্ত ট্রাস্টি ছাড়া অন্য ট্রাস্টিদের মেয়াদ হবে তিন বছর। নতুন ট্রাস্টি নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন। তবে সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় অন্য ট্রাস্টিদের পরিবর্তন বা পদ শূন্য ঘোষণা করতে পারবে।</p><p>ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে রিট করেন আগের ট্রাস্টি বোর্ডের দীপক কুমার পালিত। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ১৩ অক্টোবর রুল দিয়ে নতুন বোর্ড গঠনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন স্থগিত করেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব আবেদন করেন, যা চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় ওঠে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।</p><p>পরে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক প্রথম আলোকে বলেন, ২০২৪-২৫ সালে একটি বোর্ড গঠিত হয়েছিল। তবে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আইনে পরিষ্কার বলা আছে, সরকার যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে ট্রাস্টিদের পরিবর্তন ও ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করতে পারে। চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন। ফলে ২ সেপ্টেম্বর গঠিত নতুন ট্রাস্টি বোর্ড কার্যকর থাকবে এবং তারা স্বাভাবিকভাবে ট্রাস্টের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
টিসিবির ডিজিটাল ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি ও লোকসান হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার তাগিদ
টিসিবির ডিজিটাল ব্যবস্থায় চাঁদাবাজি ও লোকসান হচ্ছে কি না খতিয়ে দেখার তাগিদ

<p>পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমে নিয়োজিত সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ডিজিটাল রূপান্তর একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে সংস্থাটির পণ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় চাঁদাবাজি হচ্ছে কি না, ব্যবসায়ীদের লোকসান হচ্ছে কি না এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা পণ্য পাচ্ছেন কি না—এগুলোও খতিয়ে দেখা জরুরি।</p><p>বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ এমন তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করলেই হবে না, এর কার্যকারিতাও নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার আর্মি গলফ ক্লাবের গলফ গার্ডেনে ‘ট্রেড উইথ টিসিবি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>টিসিবি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির প্রধান অতিথি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ হোসেন মাহবুব ও বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষক ও অধ্যাপক বদরুন নেসা আহমেদ।</p><p>সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও নিম্ন প্রবৃদ্ধির সময়ে সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে টিসিবির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে দরিদ্রতম মানুষের কাছে সঠিক সময়ে পণ্য পৌঁছানো নিশ্চিত না হলে সহায়তার মূল লক্ষ্য অর্জিত হবে না।</p><p>নাজনীন আহমেদ বলেন, টিসিবির কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো এবং আরও পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে থাকা অনেক মানুষও অর্থনৈতিক ধাক্কায় দরিদ্র হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন। তাঁদেরও সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার ক্ষেত্রে টিসিবি ভূমিকা রাখতে পারে।</p><p>সিপিডির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, টিসিবির কার্ডের কার্যকারিতা নিয়মিত পরিমাপ করতে হবে। শুধু সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নিলে হবে না, ভোক্তাদের কাছ থেকেও জানতে হবে তাঁরা কীভাবে সুবিধা পাচ্ছেন। ডিজিটাল ব্যবস্থা যেন কিছুদিন চালু থাকার পর অকার্যকর হয়ে না পড়ে, সে জন্য নজরদারি প্রয়োজন।</p><p><strong>বছরে ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের দাবি</strong></p><p>মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজিটাল কার্ড চালুর মাধ্যমে ডিলার থেকে সাধারণ ভোক্তা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নেয় টিসিবি। ডিলারদের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাংকে অর্থ জমা নেওয়ার ফলে বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। নিজস্ব গুদাম ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয় হচ্ছে আরও ২০ কোটি টাকা। দুই খাত মিলিয়ে বছরে পরিচালন ব্যয় কমছে ৮০ কোটি টাকা। সংস্থাটি এখন পণ্য বিক্রির আয় বাড়িয়ে ভর্তুকির চাপ কমানো এবং দীর্ঘ মেয়াদে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা করছে।</p><p>প্রবন্ধে আরও জানানো হয়, যাচাই করে এ পর্যন্ত ৭৯ লাখ ৯০ হাজার প্রকৃত সুবিধাভোগীকে ডিজিটাল তথ্যভান্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সক্রিয় করা হয়েছে প্রায় ৭৩ লাখ ৭ হাজার স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য যাচাই ও ই-কেওয়াইসি পদ্ধতিতে প্রায় ৫৯ লাখ ভুয়া ও অযোগ্য আবেদন বাতিল করা হয়েছে।</p><p>টিসিবির হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাণিজ্যিক ঋণের সুদ বাবদ তাদের ব্যয় হয়েছিল ৫৩৩ কোটি টাকা, যা চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কমে প্রায় ১০৬ কোটি টাকায় নামতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।</p><p><strong>৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কেনার পরিকল্পনা</strong></p><p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কেনার পরিকল্পনা করেছে টিসিবি। এ সময়ে মোট বিক্রয় রাজস্ব ৮৩ শতাংশ বাড়ানো এবং সুবিধাভোগীপ্রতি ভর্তুকি ১৭ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সাবান, ডিটারজেন্ট, লবণ, চা, আটা ও মসলার মতো পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>আরও বলা হয়, গ্রাহকসেবা সহজ করতে ‘উপকারী’ নামে স্মার্ট অ্যাপ চালু করেছে টিসিবি। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা নিকটস্থ বিক্রয়কেন্দ্রের তথ্য ও পণ্য পাওয়ার বিজ্ঞপ্তি পাবেন। পণ্য কেনাকাটায় শতভাগ ই-জিপি ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বাজারদর পর্যবেক্ষণ এবং স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তাসুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</p><p><strong>দ্রুত বিল পরিশোধ, স্বচ্ছ দরপত্র</strong></p><p>স্কয়ার টয়লেট্রিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মালিক মোহাম্মদ সাঈদ বলেন, আগে বিল জমা দেওয়ার পর অর্থ পেতে দীর্ঘ সময় লাগত, এখন তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে তা পরিশোধ করা হচ্ছে। টিসিবির মাধ্যমে স্যানিটারি ন্যাপকিনের মতো স্বাস্থ্য সুরক্ষার পণ্য নারীদের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগও দেখছে তাঁর প্রতিষ্ঠান।</p><p>টিকে গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির কারণে অর্থনীতিতে চাপের সময় টিসিবিকে কার্যক্রম প্রায় ১০ গুণ বাড়াতে হয়েছে। প্রতিকূলতার মধ্যেও সংস্থাটি সনাতন দরপদ্ধতি থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। এতে ক্রয়, সরবরাহ ও বিল পরিশোধের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বেড়েছে।</p><p>অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মার্ক শ্যান গোল্ডরিকও টিসিবির দরপত্রপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার প্রশংসা করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়া থেকে মসুর ডাল ও ছোলা এবং ব্রাজিল থেকে সয়াবিনজাত পণ্য সরবরাহ করে বলে জানান তিনি।</p>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা ও অন্যান্য খবর
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা ও অন্যান্য খবর

<p>মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা। রিয়াদ-দাম্মাম রুটে বিমান স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধি। এ ছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
শেষ হলো ‘সহমর্মিতার ঈদ’ ও ‘বৃক্ষরোপণে সেরা দশ’ বন্ধুসভা বাছাই
শেষ হলো ‘সহমর্মিতার ঈদ’ ও ‘বৃক্ষরোপণে সেরা দশ’ বন্ধুসভা বাছাই

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে ‘সহমর্মিতার ঈদে সেরা দশ’, ‘বৃক্ষরোপণে সেরা দশ’, ‘বর্ষসেরা দশ’ বন্ধুসভাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্থানীয় বন্ধুসভাগুলোকে সম্মাননা দেওয়া হবে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সামরিক মনোবিজ্ঞানী নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দৃশ্য সরাসরি লাইভ স্ট্রিম বা অনলাইনে প্রচারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে, মদিনার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি জোট, অস্বীকার করেছে হুথিরা।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলা কী, কেন চার বছর আগের এই ঘটনায় জড়িয়েছিল বিজেপি নেতার নাম?
অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যা মামলা কী, কেন চার বছর আগের এই ঘটনায় জড়িয়েছিল বিজেপি নেতার নাম?

অঙ্কিতা ভান্ডারী হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে দুষ্যন্ত কুমার গৌতমকে সিকিমের রাজ্যপালের পদে নিয়োগ স্থগিত রাখার দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন অঙ্কিতার বাবা-মা।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে

ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দিরের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার শুরু গত ১২ই অক্টোবর। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার আয়োজন করেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
শামীমের বিরুদ্ধে করা 'মবে' স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পরিবারের
শামীমের বিরুদ্ধে করা 'মবে' স্থানীয় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পরিবারের

নিহতের পরিবারের দাবি, ‘পরিকল্পিতভাবে’ শামীমকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় 'মব' তৈরির অভিযোগ উঠলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ৩৩ শিশু ও একজন শিক্ষক নিহত
পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ৩৩ শিশু ও একজন শিক্ষক নিহত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারের দির কলোনি এলাকায় একটি বেসরকারি স্কুলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
'যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে', 'জামা টেনে তুলে দিয়েছে' - দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা
'যৌনাঙ্গে বুট দিয়ে মেরেছে', 'জামা টেনে তুলে দিয়েছে' - দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের অভিজ্ঞতা

দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের সময় আটক হওয়া একাধিক ছাত্রছাত্রী ও বিক্ষোভকারী পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, দুর্ব্যবহার এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের
ইউক্রেনের ড্রোনের গতি কমানোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরকার থাকতে পারে, ইঙ্গিত ইলন মাস্কের

ইউক্রেনের ড্রোনসহ কিছু অস্ত্রের গতির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের পেছনে মার্কিন সরকার থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ইলন মাস্ক। মঙ্গলবার রাতে স্টারলিংকের ওপর এই বিধিনিষেধ এমন এক সময়ে আরোপ করা হয়, যখন ইউক্রেনে প্রাণঘাতী হামলা চালায় রাশিয়া।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?
বাংলাদেশে ৩৫ বছরের পরে আইনজীবী হতে বাধা কেন?

বাংলাদেশে আইন পেশায় এমন অনেকেই আছেন, যারা ৩৮, ৪০ বা ৫০ বছর বয়সেও এই পেশায় এসেছেন। তবে, এবার এমন সুযোগ বন্ধ করার কথা ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি সরকার।

অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ক্লিক ছাড়াই অনলাইনে ব্যবহারকারীদের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান
ক্লিক ছাড়াই অনলাইনে ব্যবহারকারীদের তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান

একটি ইসরায়েলি বিজ্ঞাপন সংস্থা অনলাইনে কোটি কোটি বিজ্ঞাপন প্রচার করছে। আর এই বিজ্ঞাপনগুলো লক্ষ্যবস্তু করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো-ক্লিক’ স্পাইওয়্যার ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির (৩৫) নামে এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলায় আহত ২ 
রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলায় আহত ২ 

আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে একদল মাদক কারবারি। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
বুড়িমারী স্থলবন্দর টানা ৮ দিন বন্ধ
বুড়িমারী স্থলবন্দর টানা ৮ দিন বন্ধ

সনাতন ধর্মালম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ৮ দিনের ছুটিতে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরের পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। 

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১
রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
২০২৬ সালেও দুর্গোৎসব হচ্ছে না সিকদার বাড়িতে
২০২৬ সালেও দুর্গোৎসব হচ্ছে না সিকদার বাড়িতে

বাগেরহাটের আলোচিত শিকদার বাড়িতে এবারও জমকালো দুর্গোৎসব হচ্ছে না। এক সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠত সদর উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের এই বাড়ি।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
চার দিন পর পর্যটকদের জন্য খুলল সাজেক ভ্যালি
চার দিন পর পর্যটকদের জন্য খুলল সাজেক ভ্যালি

চার দিন বন্ধ থাকার পর পর্যটকদের জন্য আবারও উন্মুক্ত করা হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে পর্যটকরা সাজেক ভ্রমণ করতে পারবেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত বাতিল করলেন ট্রাম্প
নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত বাতিল করলেন ট্রাম্প

নিদাল মালিক হাসানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনাটি বাতিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। 

অক্টোবর ১৫, ২০২৬