রাজধানী

দুই দিনে ছয় বাসে আগুন, আতঙ্কে পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকেরা

নভেম্বর ৮, ২০২৬
দুই দিনে ছয় বাসে আগুন, আতঙ্কে পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকেরা
দুই দিনে ছয় বাসে আগুন, আতঙ্কে পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকেরা
<p>রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকেরা। ৬ ও ৭ নভেম্বর দুর্বৃত্তরা ঢাকা ও আন্তজেলা রুটের ছয়টি গাড়িতে আগুন দিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।</p><p> এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের কাছে আজ রোববার চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতকারীরা ঢাকাসহ সারা দেশে চলাচলকারী গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এতে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।</p><p>ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির একটি সূত্র জানিয়েছে, সংগঠনটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয়ে পরিবহনমালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে পুলিশ।</p><p>এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার পেছনে নাশকতা ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্য দেখছে পুলিশ। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।</p><p>ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার আকতার হোসেন বলেছেন, ওই গ্রুপ নাশকতার উদ্দেশ্যে ও জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে কাজগুলো করছে।</p><p>আজ রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আকতার হোসেন। তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। এসব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ও একটি দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা রয়েছেন।</p>

Prothomalo

View more
তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ
তিন বছরে পোশাকশ্রমিকের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে তিন ভাগের এক ভাগ

<p>তিন বছর আগে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৮ হাজার থেকে বেড়ে হয়েছিল সাড়ে ১২ হাজার টাকা। তখন এই টাকায় যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা কেনা যেত, বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে একই পণ্য ও সেবা কিনতে অন্তত ২৯ শতাংশ অর্থ বেশি লাগছে। তার মানে, তিন বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতা কমছে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ।</p><p> শ্রমবিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে চারজনের একটি শ্রমিক পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় আমলে নিতে হবে। অতীতে কখনোই এটি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। অতীতে সব সময়ই জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে। সে জন্য মজুরি কিছুটা বাড়লেও শ্রমিকের জীবনযাপনের মান উন্নয়ন হয়নি। তবে মজুরি নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিল্পের সক্ষমতাও বিবেচনায় নিতে হবে।</p><p> নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ছিল ৬২৭ টাকা। ১৯৯৪ সালে সেই মজুরি ৪৮ শতাংশ বেড়ে ৯৩০ টাকা হয়। তারপর প্রায় ৩০ বছরে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি বেড়েছে ১১ হাজার ৫৭০ টাকা। সর্বশেষ ২০২৩ সালে নিম্নতম মজুরি বেড়েছিল ৫৬ শতাংশ।</p><p>বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মূল্য সূচকের মান বেড়েছে ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ। তার মানে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে যে পরিমাণ পণ্য ও সেবা কেনা যেত, একই পরিমাণ পণ্য ও সেবা কিনতে এখন প্রয়োজন হবে ১৬ হাজার ৮৭ টাকা। শুধু তা-ই নয়, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে ডলারের হিসাবে শ্রমিকের মজুরি কমেছে সাড়ে ১১ ডলার।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান ছিল ১১০ দশমিক ৫ টাকা। তার বিপরীতে শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ছিল ১১৩ দশমিক ১২ ডলার। গত অক্টোবরে প্রতি ডলারের মূল্যমান দাঁড়িয়েছে ১২৩ দশমিক শূন্য ৩ টাকা। সেই হিসাবে শ্রমিকের মজুরি দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ৬ ডলার।</p><p>শ্রমিকেরা বাংলাদেশি মুদ্রায় মজুরি পেলেও মালিকেরা তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় করেন ডলারে। টাকার অবমূল্যায়নের কারণে সেই ডলারের বিপরীতে বাড়তি অর্থ পাচ্ছেন মালিকেরা। ২০২৩ সালের নভেম্বরের তুলনায় গত অক্টোবরে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১১ শতাংশ। তার মানে, তিন বছর আগে ১০০ ডলারের পোশাক রপ্তানি করলে মালিকেরা পেতেন ১১ হাজার ৫০ টাকা। আর এখন পাচ্ছেন ১২ হাজার ৩০৩ টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-08/8ayme9ah/WhatsApp-Image-2026-11-08-at-11.04.14-PM.jpeg"></figure><p>গত মাসে প্রকাশিত বিবিএসের এক জরিপে উঠে এসেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় সবচেয়ে বেশি—৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা। আর শহরাঞ্চলে প্রতি পরিবারের মাসিক ব্যয় ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। জাতীয় পর্যায়ে পরিবারের মাসিক ব্যয়ের অর্ধেক খাবার এবং অর্ধেক খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।</p><p>জানতে চাইলে গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রথম আলোকে বলেন, শুধু মূল্যস্ফীতি আমলে নিলে হবে না, শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের বিষয়টিও দেখতে হবে। মজুরি নির্ধারণে মূল্যস্ফীতি ছাড়াও ১০টি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ত্রিপক্ষীয় সভায় নির্মোহভাবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অন্য খাতগুলোর মজুরিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।</p><aside><cite>সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক, বিলস</cite>একটি পরিবার যেন স্বচ্ছন্দে চলতে পারে, সেভাবে মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি সস্তা মজুরি তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার শক্তি—এমন ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের।</aside><p>মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত মাস থেকে আন্দোলন করছেন তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকেরা। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ নভেম্বর সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে। তারপরও শিল্পাঞ্চলে শ্রম পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে আজ সোমবার নিম্নতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি প্রাথমিক মজুরি প্রস্তাব জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। মালিকপক্ষ এ সভায় মজুরি প্রস্তাব দেবে কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিন বছর আগে পোশাকশ্রমিকদের যে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল, সেটি গ্রহণযোগ্য মজুরি ছিল না। এবার সেটিকে ভিত্তি ধরে মজুরি নির্ধারণ করলে হবে না। মজুরি নির্ধারণের সরকারি কর্মকর্তাদের নতুন পে স্কেল ও বিবিএসের জরিপ আমলে নিতে হবে।’</p><p>সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘শ্রমিকেরা অনেক বেশি মজুরি চান, তা কিন্তু নয়। শ্রমিকেরা বলছেন, বর্তমান মজুরিতে বাসা ভাড়া দিয়ে তাঁরা চলতে পারছেন না। সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ। ফলে একটি পরিবার যেন স্বচ্ছন্দে চলতে পারে, সেভাবে মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি সস্তা মজুরি তৈরি পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতার শক্তি—এমন ধারণা থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের। তা না হলে অর্থনীতিতে গতি ফিরবে না।’</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
শব্দের মানচিত্র
শব্দের মানচিত্র

<p> কেবল একটি কবিতার জন্য<br> অহোরাত্র শব্দের সাথে যাপন।<br> অবাধ্য অক্ষরেরা চঞ্চল, অতিশয় অস্থির—<br> সহসা ভেঙে দেয় শৃঙ্খলা।<br> আমি তবু বিন্যাসে বিন্যাসে আঁকি এক মানচিত্র।<br> দাবাড়ুর মাপা দানে যেভাবে চেনা যায় খেলা,<br> শব্দের অভিঘাতে ঠিক সেভাবেই সরে যায় দৃশ্যপট—<br> ভেসে ওঠে বিচিত্র আখ্যান;<br> কখনো বিষাদলিপি, কখনো তীব্র কোলাহল,<br> কখনো সাম্য ও সংহতির স্বর,<br> কখনো বা নিস্পৃহ একাকিত্ব ও শাশ্বত অমরতা।<br> কেবল একটি কবিতার জন্য শব্দ সাজাই।<br> অথচ শব্দেরা এখানে গড়ে তোলে নিজস্ব খেরোখাতা—<br> রাজনীতি, অপশক্তি ও অপসংস্কৃতির চোরাবালি;<br> কখনো দেশপ্রেমের কুশলী মুখোশ,<br> কখনো দেশদ্রোহের সুনিপুণ অভিনয়।<br> অক্ষরেরা ফের অবাধ্যতায় মাতে।<br> পুনরায় বিন্যস্ত করি, আঘাত হানি—<br> তাতে কার কী বা এসে যায়!<br> ওরা তো নিজস্ব ব্যাকরণে শুধু বহুরূপী।<br> কখনো পাশে এসে দাঁড়ায় এক দীর্ঘ প্রশ্নচিহ্ন,<br> কখনো স্তব্ধ বিস্ময়—<br> জিজ্ঞাসা বাড়ে, বিস্ময় ঘনীভূত হয়,<br> কিন্তু উত্তর মেলে না।<br> কেবল একটি কবিতার জন্য<br> তবু আমি অবাধ্য শব্দ কুড়োই।<br> হঠাৎ সেখানে মূর্ত হয় যুদ্ধাহত শিশুর কম্পমান ওষ্ঠাধর,<br> অন্নসন্ধানী জননীর চোখের প্লাবন,<br> অসহায় বৃদ্ধের বুকফাটা চিৎকার—<br> ‘বাঁচতে চাই, বাঁচতে দাও!’<br> ভূগোলের গণ্ডি বেয়ে নুয়ে পড়ে জল,<br> সীমানা মুছে যায় কান্নার রেখায়।<br> আর সেই মানচিত্রের ব্যবচ্ছেদ ছিঁড়ে,<br> ধীরে ধীরে জেগে ওঠে—<br> একটি ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত কবিতা। </p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
বিল নিয়ে তর্ক করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেলেন সেই গ্রাহক
বিল নিয়ে তর্ক করায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেলেন সেই গ্রাহক

<p>নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযোগ ওঠার তিন দিন পর বিদ্যুৎ পেয়েছেন গ্রাহক স্বপন মিয়া। আজ রোববার দুপুরে তাঁর বাড়িতে বিদ্যুৎ–সংযোগ পুনঃস্থাপন করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।</p><p> বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় গতকাল শনিবার প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে এবং আজ রোববার ছাপা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়।</p><p> আজ সন্ধ্যায় মুঠোফোনে স্বপন মিয়ার স্ত্রী আসমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, বেলা আড়াইটার দিকে যাঁরা আগে তাঁদের বাড়ির বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন, তাঁদের দুজনসহ মোট তিনজন বাড়িতে আসেন। পরে মিটারে তার সংযুক্ত করে বিদ্যুৎ–সংযোগ চালু করে দেন।</p><p>আসমা আক্তার বলেন, সংযোগ দেওয়ার আগে ওই ব্যক্তিরা তাঁর কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতে চেয়েছিলেন। তবে তিনি তাতে স্বাক্ষর করেননি।</p><p>শুধু বিল বেশি আসার কারণ জানতে চাওয়ায় তাঁকে এভাবে হয়রানি করা হলো কেন, পল্লী বিদ্যুতের কর্মীদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বলে জানান আসমা আক্তার। তখন ওই দুই ব্যক্তি তাঁদের ভুল বুঝতে পেরে তাঁর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।</p><p>আসমা আক্তার বলেন, ‘তাঁরা আমাকে বলেছেন, যেন আর কাউকে গালিগালাজ না করি। আমি তাঁদের বলেছি, কাউকে কোনো গালিগালাজ করিনি। শুধু জানতে চেয়েছি, আমার বিদ্যুৎ বিল বেশি এসেছে কেন। যেহেতু তাঁরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর আবার সংযোগ দিয়ে গেছেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তাই এখন তাঁদের বিরুদ্ধে আমার আর কোনো অভিযোগ নেই।’</p><p>এ বিষয়ে নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা কলমাকান্দা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শাহ আলম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম আলোয় সংবাদ প্রকাশের পর তিনি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছেন। আজই সংযোগ পুনঃস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন। সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখে সংযোগ দেওয়ার জন্য ওই দুই কর্মীর সঙ্গে একজন কর্মকর্তাকেও পাঠানো হয়েছিল।</p><p>শাহ আলম আরও বলেন, গ্রাহকের বিদ্যুৎ–সংযোগ এভাবে বিচ্ছিন্ন করা হলো কেন, বিষয়টি তাঁরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছেন।</p><p>গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহনগঞ্জ উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের স্বপন মিয়ার বাড়ির বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বিল একসঙ্গে ৩ হাজার ১০০ টাকা পরিশোধের পর অক্টোবর মাসের বিল আসে ৮৭০ টাকা। এ বিল নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্বপন মিয়ার স্ত্রী আসমা আক্তার। পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের দাবি ছিল, বিল দিতে গেলে কর্মীদের গালিগালাজ ও কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/4nfga2s6xj">বিল নিয়ে তর্ক করায় গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল পল্লী বিদ্যুৎ</a></aside>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভেতরে ও পল্লবী থানা ফটকে ককটেল বিস্ফোরণ
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভেতরে ও পল্লবী থানা ফটকে ককটেল বিস্ফোরণ

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভেতরে ও পল্লবী থানা ফটকে ককটেল বিস্ফোরণ

নভেম্বর ৮, ২০২৬
সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য সম্মাননা পেল স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন
সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য সম্মাননা পেল স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন

<p>মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক পেয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন। গত শুক্রবার রাজধানীর গুলশানে রেনেসাঁ ঢাকা গুলশান হোটেলে ট্যালেন্ট শার্পনার আয়োজিত ‘পিংক ওয়েলবিয়িং: আ জার্নি অব ব্রেস্ট ক্যানসার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইন।</p><p>অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ও সংসদ সদস্য বীথিকা বিনতে হোসাইনের কাছ থেকে এ সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আশরাফুল আলম হান্নান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিল ট্যালেন্ট শার্পনার–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েকা হক এবং স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভোকেট তাসলিম হোসেন।</p><p>সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় আশরাফুল আলম হান্নান বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি মানুষের ভালোবাসা। এ স্বীকৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে নতুন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>স্বপ্ন নিয়ে ফাউন্ডেশন মানবিক ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ১৯৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে কৃত্রিম পা সংযোজন, ৩১৭ জনকে স্বাবলম্বী করা, শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ প্রদান, শতাধিক শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপ ও চাকরির ব্যবস্থা, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ, ‘স্বপ্ন নিয়ে নিবাস’ প্রতিষ্ঠা, হুইলচেয়ার ও টিউবওয়েল বিতরণ, প্রবীণদের সহায়তা, শহীদ মিনার নির্মাণ, রক্তদান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং বন্যা ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
ভাটারায় স্কুলবাসে আগুন
ভাটারায় স্কুলবাসে আগুন

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্কুলবাসে আগুন দেওয়া হয়েছে। ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে

নভেম্বর ৮, ২০২৬
দেবীদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, এমপির গাড়িবহরে হামলা–ভাঙচুর
দেবীদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, এমপির গাড়িবহরে হামলা–ভাঙচুর

বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিএনপির দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগমের (হীরা) গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।

নভেম্বর ৮, ২০২৬
অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম
অ্যাটকোর নতুন সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম

<p>বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অঞ্জন চৌধুরী। সহসভাপতি কাজী জাহেদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন জহিরুদ্দিন মাহমুদ মামুন।</p><p> আজ রোববার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে অ্যাটকোর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষে নতুন এই কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সংগঠনের সদস্য, কার্যনির্বাহী কমিটির নেতারা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p><p>নবগঠিত কমিটির পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোস্তফা কামাল, মোহাম্মদ মোসাদ্দেক আলী, মো. জসিম উদ্দিন, মো. লিয়াকত আলী খান মুকুল, টিপু আলম মিলন, মো. হাসান, নাভিদুল হক, শামীম ইসলাম ও সৈয়দ সামাদুল হক।</p><p>বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বিগত সময়ের কার্যক্রম, সাংগঠনিক অগ্রগতি, আর্থিক প্রতিবেদন এবং দেশের টেলিভিশন সম্প্রচার খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং টেলিভিশন শিল্পের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন উপস্থিত সদস্যরা।</p><p>নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সদস্য টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বার্থ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষা এবং দেশের সম্প্রচারশিল্পের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
রিয়াদে আরামকোর ভবনে হামলা, ইয়েমেনে বিমান হামলায় নিহত ৭২
রিয়াদে আরামকোর ভবনে হামলা, ইয়েমেনে বিমান হামলায় নিহত ৭২

<p>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর ভবনে হামলা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলায় বহুতল ভবন আরামকো টাওয়ারের বেশ কয়েকটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।</p><p> আজ রোববার ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করার কথা জানিয়েছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় হুতিরা প্রায় নিয়মিত আরামকোর বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলা চালাচ্ছে। তেলবাহী জাহাজ, শোধনাগার, সংরক্ষণাগার এবং কোম্পানির প্রধান কার্যালয় লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।</p><p> রিয়াদে কিং আবদুল্লাহ ফিন্যান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্ট (কেএএফডি) এলাকায় আরামকো টাওয়ারের অবস্থান। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, কেএএফডির আরামকো টাওয়ারে হামলা হয়েছে, এটা নিশ্চিত। অপর দুজন প্রত্যক্ষদর্শী হামলা ও ভবনটির ক্ষয়ক্ষতি দেখার কথা নিশ্চিত করেছেন।</p><p>আরামকো টাওয়ার এলাকার একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি গোলা বা ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানতে দেখেছেন। তবে সেটি ঠিক কী ধরনের অস্ত্র ছিল, তা তিনি নিশ্চিত হতে পারেননি।</p><p>২০১৪ সালে ইরান-সমর্থিত হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে। এর এক বছর পর ইয়েমেন সরকারের সমর্থনে সরাসরি এ যুদ্ধে অংশ নেয় সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। ইয়েমেনের হুতিবিরোধী সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে সৌদি আরব। আর হুতিরা রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের অনেক এলাকাজুড়ে নিজেদের শাসন জারি রেখেছে। দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের লড়াইয়ের পর ২০২২ সালে দুই পক্ষে যুদ্ধবিরতি সংঘাত বন্ধ হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধের ফলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। গত জুলাই মাস থেকে ইরান-সমর্থিত হুতিদের সঙ্গে সৌদি আরবের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে।</p><h3>আরামকো টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত </h3><p>হামলায় আরামকো টাওয়ারের বেশ কয়েকটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তিনি বলেন, ভবনের জানালার কাচ ভেঙে পড়েছে এবং ভবনের সামনের অংশের কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p><p>তবে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রিয়াদে আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলার চেষ্টা হয়েছে। বিস্ফোরণের ফলে ছিটকে আসা ধাতব টুকরার আঘাতে ভবনটির সামান্য ক্ষতি হয়েছে। সৌভাগ্যবশত কোনো ব্যক্তি হতাহত হননি।</p><p>রিয়াদে ধারাবাহিক হামলার কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় অনলাইন ক্লাস চলছিল। সৌদি শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত শনিবার রাতে সশরীর ক্লাস শুরুর ঘোষণা দেয়। এ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মাথায় নতুন করে হামলার ঘটনা ঘটল।</p><p>সৌদি সামরিক জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, রিয়াদের দিকে হুতি মিলিশিয়াদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে।</p><p>রিয়াদের যে এলাকায় হামলা হয়েছে, সেখানে দেশি-বিদেশি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় অবস্থিত। সৌদির স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়ের অবস্থানও এ এলাকায়। এ ছাড়া এলাকাটিতে আবাসিক ভবন ও বড় একটি মেট্রোস্টেশন রয়েছে। সকালের ব্যস্ত সময়ে সেখানে বিপুলসংখ্যক অফিসযাত্রী যাতায়াত করেন। ফলে এ এলাকা লক্ষ্য করে চালানো হামলা সৌদি আরব ও হুতিদের চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><h3>সৌদি বিমান হামলায় নিহত অন্তত ৭২ </h3><p>ইয়েমেনের আটটি প্রদেশে ৪৮ ঘণ্টায় সৌদি আরবের বিমান হামলায় অন্তত ৭২ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে হুতি। গতকাল ঘটনাস্থল থেকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, হুতিরা দাবি করেছে, রাজধানী সানার পূর্বাঞ্চলীয় বনি হুশাইশ এলাকাটি হামলার মূল কেন্দ্র ছিল। সেখানে সৌদি আরবের বিমান হামলায় অন্তত ৩৩ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত হয়েছেন। অন্য ৩৯ জন নিহত হয়েছেন অন্যান্য এলাকায়।</p><p>রাজধানী সানার সেহাতুনা হাসপাতালের পরিচালক আবদুল-আজিজ আল-দাইলামি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজন এমন আহত ব্যক্তিকে পেয়েছি, যাঁদের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাঁদের মাথা, বুক ও পায়ে আঘাত লেগেছে।’ এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘একটার পর একটা হামলা চলছেই। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবার হামলা হচ্ছে। এমনকি আমরা আমাদের কয়েকজন চিকিৎসাকর্মীও হারিয়েছি। তাঁরা হামলায় নিহত হয়েছেন।’</p><p>জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইয়েমেনে নতুন করে লড়াই শুরুর পর থেকে ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৩ লাখের বেশি মানুষ।</p>

নভেম্বর ৮, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

হাসপাতালে খালেদা আক্তার কল্পনা

অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী খালেদা আক্তার কল্পনাকে।