গতকাল ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯–২ গোলে হেরে শেষ হলো বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ অভিযান।
<p>একাধিক মামলার আসামি কক্সবাজার থেকে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসবেন, এমন তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। ফ্লাইটটি আজ শুক্রবার বেলা দেড়টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। উড়োজাহাজ থেকে নামতেই নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ ও জাহাঙ্গীর আলমকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।</p><p>নাসির উদ্দিন মৃধা জর্জ (৫২) গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক। তিনি শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। জাহাঙ্গীর আলম (৪৪) শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি শ্রীপুরে মাওনা ইউনিয়নের মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।</p><p>ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, এই দুজন কক্সবাজার থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকায় আসবেন, এমন তথ্য তাঁরা জানতে পারেন। পরে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়।</p><p>ওসি কামরুল হাসান বলেন, দুজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে দুজনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।</p><p>কার্যক্রম নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই দুই নেতার বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলমও। তিনি জানান, তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>
গ্রুপটা যে কঠিন, এ নিয়ে এবার দ্বিধা নেই কারোরই। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চও তাই মনে করেন।
নরসিংদী শহরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িতে ঢুকে আবদুল্লাহ বাবু (২৬) নামের যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় তাঁর বড় ভাইসহ দুজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
দুর্গাপূজা বন্ধের হুমকির দাবিতে ছড়ানো ভিডিওটি ২০২৪ সালের। উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ঈদগাহ মাঠে পূজার আয়োজন অন্যত্র সরানোর দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মিছিল করেছিলেন; এটি সেই ঘটনার ভিডিও।
পেশায় রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন অন্তত দুই দশক ধরে গাজীপুরের শ্রীপুরে পরিবার নিয়ে থাকেন। তাঁরা জামালপুরে গ্রামের বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে আজ শুক্রবার তিনি মা, মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে গাজীপুরে ফিরছিলেন।
<p>সাদা-ক্রিম রঙের লোমশ বিড়ালটি বারবার মাথা ঘুরিয়ে তাকাচ্ছিল চারপাশে। গোল মুখ, চ্যাপ্টা নাক, বড় চোখ আর শরীরজুড়ে লম্বা নরম লোম। বিড়ালটিকে কোলে নিয়ে আদর করছিলেন বিক্রেতা শাহ আলম। তাঁর সামনে খাঁচার মধ্যে একই ধরনের আরও কয়েকটি বিড়াল রয়েছে। তবে এই বিড়ালের দামই সবচেয়ে বেশি বলে জানালেন বিক্রেতা। কেউ দাম জিজ্ঞাসা করতেই তাঁর উত্তর, ‘৪০ হাজার টাকা’।</p><p> আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী মাজার এলাকায় পোষা প্রাণীর হাটে চোখে পড়ে এমন চিত্র। সপ্তাহে এক দিন শুক্রবার বসে এই হাট। চলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা জড়ো হন এই হাটে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/aga55ken/Pet-bazaar%E2%80%931.jpeg"><figcaption>পার্সিয়ান জাতের এই বিড়ালের দাম চাওয়া হচ্ছে ৪০ হাজার টাকা</figcaption></figure><p>বিক্রেতা শাহ আলম জানালেন, তিনি মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা। ১৪ বছর ধরে বিড়াল লালন-পালন করেন। প্রতি সপ্তাহেই মিরপুরের হাটে বিড়াল বিক্রি করতে আসেন। বিড়ালের দাম এত চাওয়া হচ্ছে কেন জানতে চাইলে বলেন, বিড়ালটি পার্সিয়ান জাতের। এর বাবা-মা দুটিই পার্সিয়ান। মুখের গঠন ও ঘন লোমের কারণে এর দাম বেশি।</p><p>তবে ওই একই হাটে পার্সিয়ান বিড়াল বিক্রি হচ্ছে আরও কম দামে। যেমন উত্তরা থেকে এক জোড়া পার্সিয়ান বিড়াল এনেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী মো. নাফিস। এক বছর বয়সী দুটি বিড়ালের দাম চাইছেন দশ হাজার টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/4l3exxov/Pet-bazaar%E2%80%934.jpeg"><figcaption>আঙুলের ডগায় বসে রয়েছে সাদা রঙের ককাটিয়েল পাখিটি</figcaption></figure><p>আবার একই জাতের বিড়ালের তিন মাস বয়সী বাচ্চা হাটে এনেছেন মো. জুয়েল। প্রতিটির দাম চাইছেন ১৩ হাজার টাকা।</p><p>মিরপুরের পোষা প্রাণীর হাট ঘুরে দেখা যায়, শাহ আলী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনের সড়কের কয়েক কিলোমিটারজুড়ে সারি সারি খাঁচা। কোথাও রঙিন টিয়া, কোথাও ককাটিয়েল, লাভবার্ড, বাজিগর। বিক্রি হচ্ছে কবুতর, খরগোশ, কুকুরও। হাটে জায়গা পেয়েছে চীনা হাঁস, দেশি মুরগি, কোয়েল, তিতির, টার্কিসহ আরও নানা ধরনের পাখি ও প্রাণী।</p><p>মানুষের ভিড়ের মধ্যে কোথাও চলছে পাখির দরদাম, কোথাও বিড়াল হাতে নিয়ে দেখছেন ক্রেতা। আবার কেউ খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে শুধু ছবি তুলছেন ও ভিডিও করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/vhspsf23/Pet-bazaar%E2%80%933.jpeg"><figcaption>পার্সিয়ান জাতের বিড়ালের বাচ্চা</figcaption></figure><p>হাটে আসা বিক্রেতাদের অনেকেই দীর্ঘদিন এই ব্যবসা করছেন। আবার কেউ কয়েক মাস আগে শুরু করেছেন। অনেকের এই হাটেই দোকান আছে। আবার অনেকে শখের বশে বাসায় পাখি পালন করেন, পরে হাটে এসে বিক্রি করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/hb565gl8/Pet-bazaar%E2%80%939.jpeg"><figcaption>আরও কিছু ককাটিয়েল পাখি</figcaption></figure><p>হাটে আসা বিক্রেতাদের অনেকেই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন। তেমনই একজন নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা মো. আরিফ। তিনি এনেছেন লাভবার্ড ও বাজিগর পাখি। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘১০-১২ বছর ধরে এই হাটে আসছি।’ পাখির ব্যবসার বড় একটি অংশ এখন অনলাইনেই হয়। তবে সরাসরি হাটে এসে বিক্রির সুযোগটি কাজে লাগাতে চান তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/h1rsa97o/Pet-bazaar%E2%80%932.jpeg"><figcaption>রিংনেক রেড টিয়া। দাম চাওয়া হচ্ছে ৮০ হাজার টাকা</figcaption></figure><p><strong>লাখ টাকার টিয়া</strong></p><p>বিড়ালের খাঁচা পার হয়ে একটু সামনে যেতেই বদলে যায় দৃশ্য। চারপাশে তখন পাখির কিচিরমিচির। হাটে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ছে রঙিন টিয়া আর ককাটিয়েল। ককাটিয়েলের জোড়ার দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই থেকে ৪ হাজার টাকা। বয়স ও রংভেদে লাভবার্ড বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকায়।</p><p>বিভিন্ন বয়সী ককাটিয়েল নিয়ে হাটে এসেছেন মিরপুরের বাসিন্দা শান্তা। তাঁর সামনে বেশ কয়েকটি ককাটিয়েল খাঁচার বাইরেই রাখা। সেগুলো বিভিন্ন খেলা দেখাচ্ছে। তাই দেখতে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/vcns584p/Pet-bazaar%E2%80%935.jpeg"><figcaption>হাটে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে কনুর পাখি</figcaption></figure><p>শান্তা প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর পাখির খামার রয়েছে। অনলাইনেও পাখি বিক্রি করেন। চার-পাঁচ বছর ধরে হাটে আসছেন। বিক্রিও বেশ ভালো হয়।</p><p>হাটে লাল, সাদা, হলুদ ও ভায়োলেট রিংনেক টিয়া নিয়ে এসেছেন মিরপুরের রূপনগর এলাকার বাসিন্দা কাসফিয়া নওশিন। সঙ্গে তাঁর ৯ বছরের মেয়ে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ১৯ বছর ধরে পাখি পালেন। আর ২০২১ সাল থেকে মিরপুরের হাটে আসেন।</p><p>কাসফিয়ার আনা পাখিগুলোর মধ্যে ভায়োলেট টিয়ার দাম সবচেয়ে বেশি। প্রতি জোড়ার দাম চাওয়া হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সাদাগুলো ৪০ হাজার এবং অন্য রঙেরগুলো ৩৫ হাজার টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/64wmpq7q/Pet-bazaar%E2%80%936.jpeg"><figcaption>রিংনেক ভায়োলেট টিয়ার দাম চাওয়া হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা</figcaption></figure><p><strong>কবুতরের সঙ্গে আছে বাহারি মুরগিও</strong></p><p>টিয়ার খাঁচার পরেই দেখা যায় নানা জাতের কবুতর। রেসার, জালালি, দেশি, গিরিবাজ, ম্যাগপাইসহ বিভিন্ন জাতের কবুতর রয়েছে হাটে। ম্যাগপাই জাতের এক জোড়া কবুতরের দাম চাওয়া হচ্ছে ২ হাজার টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/xaa076gp/Pet-bazaar%E2%80%937.jpeg"><figcaption>হাটে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে সেব্রাইট জাতের মুরগি</figcaption></figure><p>তবে হাটটি শুধু পাখির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সারি ধরে রাখা খাঁচায় রয়েছে হাঁস-মুরগি, কোয়েল, তিতির ও টার্কি। ছোট ছোট খাঁচায় থাকা পাখি ও মুরগিগুলো ঘিরেও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কৌতূহল। চীনা হাঁসের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা জোড়া। কোয়েল পাখির জোড়া ৯০ টাকা। আর ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা প্রতিটি ৩০ টাকা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/n5nwafpn/Pet-bazaar%E2%80%9310.jpeg"><figcaption>রয়েছে ডায়মন্ড ডাভ পাখি</figcaption></figure><p>গাজীপুর থেকে বাহারি জাতের মুরগি নিয়ে হাটে এসেছেন আবু হানিফ। তাঁর খাঁচায় রয়েছে জাপানি সিল্কি মুরগি, সেব্রাইট, টাইগার ও ফাইটার। একটি জাপানি সিল্কি মুরগির দাম তিনি চাইছেন ৪ হাজার টাকা। সেব্রাইটেরও প্রতিটির দাম ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফাইটার মুরগির একেকটির দাম ৩ হাজার টাকা।</p><p>ফাইটার মুরগির এত দাম কেন এবং কারা এসব মুরগি কেনেন—জানতে চাইলে আবু হানিফ বলেন, লড়াইয়ের জন্য এসব মুরগির সুনাম আছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/okc6elsq/Pet-bazaar%E2%80%938.jpeg"><figcaption>রয়েছে ম্যাগপাই জাতের কবুতর</figcaption></figure><p>স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিরপুরের এই পোষা প্রাণীর হাটের বয়স নেহাত কম নয়। কেউ ১০ বছর ধরে হাট দেখছেন। আবার কেউ ২০ বছর আগের কথা বলছেন।</p><p>স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. মিলন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কয়েক বছর ধইরা ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর থেইকা হাটে লোক বেশি আহে। তয় হেরা তো ক্রেতা না। বেশির ভাগই আইসা ভিডিও কইরা যায়গা।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/43l9jftc/Pet-bazaar%E2%80%9311.jpeg"><figcaption>মিরপুরের শাহ আলী এলাকার হাটে ক্রেতার অপেক্ষায় ছোট খাঁচায় পাখি হাতে এক বিক্রেতা</figcaption></figure>
অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন।
<p>প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঢাকার দোহারের মা-বাবাহারা সেই পাঁচ মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’–এর একটি প্রতিনিধিদল অসহায় পরিবারটির খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা ও উপহারসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে।</p><p>আজ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।</p><p>গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম আলো অনলাইনে ‘এক মাসের ব্যবধানে মা–বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভাবের সংসারে পাঁচ মেয়ের কী হবে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে সংসারের তীব্র অভাব–অনটনের কারণে কৃষক স্বামীর ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা করেন ফরিদা বেগম। স্ত্রীর মৃত্যুর এক মাস পর ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে তালাবদ্ধ বসতঘর থেকে স্বামী আবুল কালাম আজাদের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই কৃষক দম্পতি পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানসহ মোট পাঁচ মেয়ে রেখে যান। তাদের মধ্যে একজনের বিয়ে হলেও মা-বাবাকে হারিয়ে অভাবের সংসারে বাকি মেয়েদের ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তায় পড়ে।</p><p>ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রতিনিধিদল পাঠানোর নির্দেশ দেন। সে নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দোহারের রাধানগর গ্রামে ওই প্রয়াত কৃষক দম্পতির বাড়িতে যায়। প্রতিনিধিদলটি স্বজন ও এতিম পাঁচ কন্যার সঙ্গে কথা বলে এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা ও উপহারসামগ্রী তুলে দেয় তাদের হাতে।</p><p>সেখানে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে আমরা আজ এখানে এসেছি। এমন অসহায় ও বিপদগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, ইনশা আল্লাহ।’</p><p>এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান, বুয়েট শাখা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রমুখ।</p>
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন