নিজে সফল হয়ে অন্যদেরও সাবলম্বী করার চেষ্টায় জাকিয়া
সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন গোপালগঞ্জের জাকিয়া সুলতানা রুমা।
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর বলেছেন, “চাঁদাবাজ বলেলেই সাধারণ মানুষ বুঝে ফেলেন কোন দলের কথা বলা হচ্ছে।
পোষ্য এখন অনেক পরিবারের কাছেই কেবল প্রাণী নয়, পরিবারেরই একজন সদস্য। তার মৃত্যুতে স্বজন হারানোর মতোই শোক অনুভব করেন অনেকেই। অথচ প্রিয় পোষ্যটির মৃত্যুর পর সম্মানজনকভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার উপযুক্ত ব্য...
কুমিল্লায় মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে চালিয়ে ৩৫১ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ১ জুলাই থেকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের বিষয়ে সরকার নতুন সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করেছে।
এ প্রসঙ্গ টেনে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন দায়সারা বক্তব্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোক...
লিড ৫০ পেরোলেও স্বস্তি ফিরল না বাংলাদেশ শিবিরে
দেশের ৮ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
<p>একজন ব্যক্তি জানতেন যে তিনি একটি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত। তা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ দিনের মতো কর্মস্থলে গেলেন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা করলেন। কয়েক দিন পর তাঁর এক সহকর্মী একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন।</p><p>প্রশ্ন হলো, এই মৃত্যুর দায় কি ওই অসচেতন ব্যক্তির ওপর বর্তাবে? ইসলামের দৃষ্টিতে একে কি ‘অপরাধমূলক অবহেলাজনিত মৃত্যু’ বা ‘ভুলবশত হত্যা’ বলা যাবে? নাকি শুধুই একটি দুর্ঘটনামূলক ঘটনা বলে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব?</p><p>সবচেয়ে বড় কথা, সংক্রামিত ব্যক্তি থেকেই যে ভাইরাসের উৎপত্তি এবং তার ফলেই যে মৃত্যু ঘটেছে, তা আদালতে শতভাগ নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করার উপায় কী?</p><p>প্রথম দৃষ্টিতে ঘটনাটিকে একটি সাধারণ অপরাধমূলক কাঠামোর মতো মনে হলেও, স্রেফ সন্দেহ থেকে অপরাধ প্রমাণের আইনি চত্বরে পৌঁছানোর পথটি জটিল।</p><p>কারণ সংক্রামক ব্যাধি কোনো উপসর্গহীন ব্যক্তির থেকেও ছড়াতে পারে, আক্রান্ত ব্যক্তির একাধিক উৎস থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ থাকে, আবার পুরোপুরি সতর্ক থাকার পরও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।</p><p>তাই সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানোর কারণে আইনি বা ইসলামি দায় নির্ধারণ করতে হলে চিকিৎসাবিজ্ঞান, ইসলামি ফিকহ এবং বিচার বিভাগীয় প্রমাণাদির সমন্বিত বিশ্লেষণ অপরিহার্য।</p><blockquote>মহামারি বা ছোঁয়াচে রোগের সংক্রমণকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত বিষয় থাকে না, বরং তা অন্যের অধিকার ও সার্বজনীন সুরক্ষার অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।</blockquote><h3>স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী </h3><p>ইসলামি আইনে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং অন্যের ক্ষতি না করার নীতিকে মৌলিক অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মহানবী (সা.) একটি সার্বজনীন নীতি ঘোষণা করে বলেছেন, “কারো ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাল্টা ক্ষতিও করা যাবে না।” (সহিহ ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৩৪০)</p><p>সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার রোধে অসুস্থ ও সুস্থ ব্যক্তির মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখার দিকনির্দেশনা দিয়ে মহানবী (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, “রোগাক্রান্ত পশুকে যেন সুস্থ পশুর কাছে নেওয়া না হয়।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৭৭১)</p><p>মহামারি বা ছোঁয়াচে রোগের সংক্রমণকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুধু ব্যক্তিগত বিষয় থাকে না, বরং তা অন্যের অধিকার ও সার্বজনীন সুরক্ষার অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়।</p><p>বিশেষ করে রোগটি যদি হাঁচি-কাশি, বাতাস বা দৈহিক সংস্পর্শে দ্রুত ছড়ায়, তবে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর আইসোলেশন, কোয়ারেন্টাইন কিংবা মাস্ক ব্যবহারের মতো নির্দেশনাবলি পালন বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/lph0ufiwyv">বিবাহপূর্ব রোগ: কতটা প্রকাশ বাধ্যতামূলক, কতটা ব্যক্তিগত</a></aside><p>চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা ইসলামে জীবন রক্ষার (হিফজুন নাফস) অন্তর্ভুক্ত এবং এটি আল্লাহর ওপর সঠিক তাওয়াক্কুলেরই বাস্তব রূপ। (মুহাম্মদ আলী বালাও, <em>মাউসুআতু নাওয়াজিলিল আমরাদ ওয়াল আওবিআ: জাদু আল-মুফতি ওয়া মারজিউ আল-মুস্তাফতি,</em> ১/৯৯–১০৬, দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যা, বৈরুত, ২০১৪)</p><h3>‘সরাসরি ক্ষতি’ ও ‘পরোক্ষ কারণ’ </h3><p>ইসলামি আইনশাস্ত্রে ক্ষয়ক্ষতি বা অপরাধের দায় নির্ধারণে দুটি ভিন্ন পরিভাষা ব্যবহার করা হয়: সরাসরি সম্পাদন ও পরোক্ষ কারণ সৃষ্টি।</p><p>সরাসরি সম্পাদন মানে যখন কারো সরাসরি কাজের ফলে তাৎক্ষণিক ক্ষতি ঘটে; যেমন—কারো শরীরে ক্ষতিকর বা সংক্রামিত পদার্থ প্রয়োগ করা কিংবা খাবারে জীবাণু মিশিয়ে দেওয়া। একে বলে ‘মুবাশারা’।</p><p>আর পরোক্ষ কারণ মানে যখন কোনো ব্যক্তির আচরণের মধ্য দিয়ে একটি ক্ষতিকর পরিবেশ বা মধ্যবর্তী মাধ্যমের সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীকালে ক্ষতির রূপ নেয়। একে বলা হয় ‘তাসাব্বুর’।</p><aside><cite></cite>চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাস্ক, দূরত্ব বা অন্যান্য নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপরও যদি দুর্ঘটনাবশত কেউ সংক্রামিত হয়, তবে এর জন্য তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।</aside><p>দৈনন্দিন মেলামেশার মাধ্যমে ছড়ানো অধিকাংশ সংক্রামক ব্যাধি তাসাব্বুরের আওতায় পড়ে। কারণ বাতাসের মান, আক্রান্ত ব্যক্তির অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, সান্নিধ্যের সময়সীমা ইত্যাদি অনেকগুলো মধ্যবর্তী উপাদান এখানে কাজ করে।</p><p>পরোক্ষ কারণের ওপর ভিত্তি করে আইনি দায় চাপাতে হলে তিনটি শর্ত পূরণ হওয়া আবশ্যক: স্পষ্ট অবহেলা বা সীমালঙ্ঘন, সুনির্দিষ্ট শারীরিক ক্ষতি এবং ব্যক্তির আচরণের সঙ্গেই ক্ষতির সরাসরি যোগসূত্র।</p><h3>সংক্রমণ ছড়ানোর ৪ পরিস্থিতি </h3><p>চিকিৎসা আইনশাস্ত্রের আলোকে সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনাকে মূলত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়:</p><p>১. <strong>না জেনে সংক্রমণ ছড়ানো:</strong> কোনো ব্যক্তি নিজের রোগের বিষয়ে একদমই অজ্ঞ এবং কোনো উপসর্গও প্রকাশ পায়নি। এই অবস্থায় সাধারণ মেলামেশায় যদি অন্য কেউ সংক্রামিত হয়, তবে ওই ব্যক্তি ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নির্দোষ। কারণ ইসলামের জবাবদিহিতা জ্ঞান ও সক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল।</p><p>২. <strong>জেনেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলা:</strong> ব্যক্তি নিজের ব্যাধি সম্পর্কে সচেতন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মাস্ক, দূরত্ব বা অন্যান্য নিয়ম মেনে চলেছেন। এরপরও যদি দুর্ঘটনাবশত কেউ সংক্রামিত হয়, তবে এর জন্য তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না। কারণ তিনি সাধ্যমতো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/pimyj3pobj">প্রাকৃতিক খাদ্যেই আল্লাহর রোগ নিরাময়ের প্রতিশ্রতি</a></aside><p>৩. <strong>জেনে শুনে অবহেলা প্রদর্শন:</strong> ব্যক্তি নিজের সংক্রামক রোগের কথা জেনেও লোকালয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন, আইসোলেশন মানেননি কিংবা তথ্য গোপন করেছেন। এমন আচরণ ইসলামের দৃষ্টিতে মারাত্মক পাপ ও অবহেলা হিসেবে গণ্য।</p><p>যদি প্রমাণিত হয় যে তাঁর এই অবহেলার কারণে কেউ সংক্রামিত হয়ে মারা গেছেন, তবে তা ‘অপরাধমূলক অবহেলাজনিত মৃত্যু’ বা ভুলবশত হত্যার শামিল হতে পারে এবং তাঁর ওপর আর্থিক ক্ষতিপূরণ (দিয়াত) কিংবা প্রশাসনিক দণ্ড বর্তাতে পারে। (মুহাম্মদ আলী বালাও, <em>মাউসুআতু নাওয়াজিলিল আমরাদ ওয়াল আওবিআ, </em>২/৩৫২)</p><p>৪. <strong>ইচ্ছাকৃতভাবে রোগ ছড়ানো:</strong> যদি কেউ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে নিজের সংক্রামক রক্ত বা জীবাণু ছড়ায়, তবে তা সবচেয়ে গুরতর অপরাধ। ইচ্ছাকৃতভাবে সংক্রামক ব্যাধি (যেমন এইচআইভি) ছড়ানো সম্পূর্ণ হারাম এবং অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী কঠোর দণ্ড প্রদানযোগ্য। (আন্তর্জাতিক ইসলামিক ফিকহ একাডেমি, প্রস্তাবনা নম্বর: ৯০ (৯/৭), <em>বিষয়: এইডস রোগ ও এর ফিকহি বিধান,</em> ১৯৯৫)</p><h3>প্রমাণের জটিলতা </h3><p>ফিকহি বিচারে শুধু দুই ঘটনার সময়ক্রম দেখে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। শুধু ‘ক’ ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই ‘খ’ ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছে—এই ঘটনাটিই অপরাধ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়।</p><p>ভাইরাসের জিনগত মিল থাকলেও স্রেফ ফাইলোজেনেটিক বিশ্লেষণ দিয়ে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় যে ঠিক কোন ব্যক্তি কার শরীরে রোগটি প্রথম সংক্রামিত করেছেন। (ভিলাবোনা-অ্যারেনাস, <em>কশন নিডেড ইন ফাইলোজেনেটিক ইন্টারপ্রিটেশন ডিউরিং আ প্যান্ডেমিক</em>, নেচার মাইক্রোবায়োলজি, ভল. ৫, নং ১২, ২০২০, পৃ. ১৪৩৫–১৪৩৭)</p><blockquote>এইডসে আক্রান্ত ব্যক্তির সামাজিক মেলামেশাকে অবহেলা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো শ্বাসযন্ত্রের সংক্রামক রোগ বায়ুবাহিত হওয়ায় এতে অবহেলার সুযোগ বেশি।</blockquote><p>তাই বিচারালয়ে জিনগত প্রমাণের পাশাপাশি অন্যান্য পারিপার্শ্বিক প্রমাণের (যেমন: সান্নিধ্যের সময়, মেলামেশার প্রকৃতি, অন্যান্য উৎসের অনুপস্থিতি) সমন্বয়েই চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়।</p><p>আবার এইচআইভি বা এইডস কোলাকুলি, করমর্দন বা সাধারণ সামাজিক মেলামেশায় ছড়ায় না। ফলে এইডসে আক্রান্ত ব্যক্তির সামাজিক মেলামেশাকে অবহেলা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো শ্বাসযন্ত্রের সংক্রামক রোগ বায়ুবাহিত হওয়ায় এতে অবহেলার সুযোগ বেশি। (রেসপিরেটরি ভাইরাস গাইডেন্স, <em>সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন</em>, ১ মার্চ ২০২৪, ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ.সিডিসি.গভ)</p><p>সুতরাং শুরুতে উল্লিখিত ঘটনাটিতে, স্রেফ মেলামেশার কারণে ওই অসুস্থ কর্মীকে সরাসরি ‘খুনি’ বলা ইসলামি বিচারব্যবস্থার নীতিবহির্ভূত। বিচার প্রক্রিয়ায় প্রথমে দেখতে হবে উক্ত কর্মী নিজের অসুস্থতার কথা জানতেন কি না, চিকিৎসকের স্পষ্ট আইসোলেশন নির্দেশ ছিল কি না এবং মৃত ব্যক্তি অন্য কোনো উৎস থেকে সংক্রামিত হওয়ার সুযোগ ছিল কি না।</p><p>যদি প্রমাণিত হয় যে কর্মী সম্পূর্ণ না জেনে কাজে এসেছিলেন, তবে তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আর যদি তিনি জেনেও অবহেলা করে স্বাস্থ্যবিধি ভাঙেন, তবে নৈতিক অপরাধের পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ক্ষতিপূরণ বা দণ্ড নির্ধারণ করতে পারে।</p><p>এভাবে ফিকহ ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের মেলবন্ধনে একদিকে যেমন সংক্রামিত রোগীর স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গের অপরাধের বিচার নিশ্চিত হয়, তেমনি অন্যদিকে নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা অভিযোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/8qsa660ch6">কোরআন থেকে রোগ নিরাময়ের সূত্র</a></aside>
<p>বিশ্বের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ যখন ক্ষুধার মুখে, তখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শস্য পরিবহন পথ আবারও হামলার শিকার হচ্ছে। কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগর, দানিয়ুব নদী ও স্থলপথ ব্যবহার করে ইউক্রেন। রাশিয়া এসব পথে ইউক্রেনের খাদ্য রপ্তানির সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করছে। দেশটির বন্দর, গুদাম, অভ্যন্তরীণ পরিবহনব্যবস্থা, পণ্যবাহী জাহাজ ও কৃষি অবকাঠামোয় পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, জ্বালানি ও সারের বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে। </p><p>এটি অর্থনৈতিক ও মানবিক বাস্তবতা। ইউক্রেন থেকে শস্য রপ্তানি বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে যায়, দাম বাড়ে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলো। </p><p>এ বছরের আগস্টে ইউক্রেনে ফসল কাটার মৌসুম শুরু হওয়ার পর পরিবহন পথ ও রপ্তানি স্থাপনায় হামলার কারণে শস্য, তৈলবীজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য দেশের ভেতরেই আটকে পড়ে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/e7a4t3s4uy">সারশিল্পকে না বাঁচালে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব না</a></aside><p>২০২৫ সালের আগস্টের তুলনায় চলতি বছরের আগস্টে দেশটির শস্য রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। </p><p>অক্টোবরের মধ্যে ইউক্রেনে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার সংকট দেখা দিতে পারে। নভেম্বর নাগাদ শস্য, তৈলবীজ ও প্রক্রিয়াজাত পশুখাদ্যসহ ৯০ লাখ টনের বেশি কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জায়গার অভাবে বাইরে পড়ে থাকতে পারে। যে ফসল লাখ লাখ মানুষের খাদ্যের জোগান দিতে পারত, তা-ই হয়তো আটকে থাকবে। কৃষকেরা এ মৌসুমের ফসল বিক্রি করতে না পারলে পরবর্তী মৌসুমে বীজ বপনের জন্য তাঁদের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ উৎপাদন কমবে এবং সংকট আগামী বছরেও ছড়িয়ে পড়বে। </p><blockquote>রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করে ইউক্রেনের বাণিজ্যিক জীবনরেখায় হামলা থামালে তার সুফল ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূরে পৌঁছাবে। বাংলাদেশও এর সুফল পাবে। কারণ, এ দেশের খাদ্যনিরাপত্তা শুধু দেশের ভেতরে কী উৎপাদিত হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে না; সমুদ্রপথে নিরাপদে কীভাবে খাদ্য আমদানি করা যাচ্ছে, তার ওপরও নির্ভরশীল।</blockquote><p>বিশ্বে ইতিমধ্যে আনুমানিক ৬৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার মুখে রয়েছে। তাই এই সংকটের গুরুত্ব অপরিসীম। সমুদ্রপথে পরিবহন, জ্বালানির বাজার, বাণিজ্যপ্রবাহ ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে তার প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে বহু দূরে ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটও এর প্রমাণ। খাদ্যের দাম ও সরবরাহে নতুন ধাক্কা সামাল দেওয়ার সামর্থ্য সবচেয়ে কম যেসব দেশ ও জনগোষ্ঠীর, তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। </p><p>বাংলাদেশের এ পরিস্থিতির দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া উচিত। এ দেশে গম দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত খাদ্যশস্য। গম ও গমজাতীয় খাবারের চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করে বাংলাদেশ। </p><p>এই নির্ভরতার কারণে বিশ্বের প্রধান গম উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোতে বিঘ্ন ঘটলে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে অস্থিরতা তৈরি হলে বাংলাদেশ সরাসরি ঝুঁকিতে পড়ে। এটি নিছক আশঙ্কা নয়। চার বছর আগে যুদ্ধের কারণে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার পর বাংলাদেশ দ্রুত এর প্রভাব টের পেয়েছিল। গম আমদানির খরচ বেড়ে যায়, বাড়ে দেশের বাজারে গম ও গমজাতীয় খাবারের দাম। দেশে মূল্যস্ফীতিও দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/rkxw97w9tx">লোকায়ত কৃষিকে উপেক্ষা করে খাদ্যনিরাপত্তা সম্ভব?</a></aside><p>রাশিয়া শুরু থেকেই বিষয়টি বুঝেছে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে খাদ্যসংকটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা দেশটির বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ইউক্রেনের রপ্তানি পথগুলোতে হামলা চালিয়ে রাশিয়া শুধু কিয়েভকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে না; খাদ্যকে যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির অংশ বানালে বাকি বিশ্ব কতটা চাপ সহ্য করবে, সেটিও পরীক্ষা করছে। এই ক্ষতির শিকার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। </p><p>বিশ্বের খাদ্যবাজারে ইউক্রেনের গুরুত্বের কারণেই পরিস্থিতিটি এত উদ্বেগজনক। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির আগে বিশ্বের মোট ভুট্টা রপ্তানির ১৫ শতাংশ, গম রপ্তানির ১০ শতাংশ, যব রপ্তানির ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এবং সূর্যমুখী তেল রপ্তানির পুরো ৫০ শতাংশ সরবরাহ করত ইউক্রেন। এশিয়ার বাজারেও দেশটির কৃষিপণ্যের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। চলতি বছরও ইউক্রেনে ভালো ফলনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কিন্তু ফসল উৎপাদন করলেই খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। সেই ফসল বন্দর, জাহাজ ও পরিবহন পথ পেরিয়ে যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের কাছে পৌঁছাতে হয়। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ygpynndzxe">সৌদি-হুতি যুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক কেন আলোচনার কেন্দ্রে</a></aside><p>ইউক্রেনের রপ্তানি সচল রাখতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগগুলো এখন গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ তৈরি করেছে। এগুলো দেশটির অর্থনীতির জন্যও জীবন রক্ষাকারী ভূমিকা পালন করছে। তবে স্থলপথ ও নদীপথের বিকল্প ব্যবস্থা ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কমাতে পারলেও বিশ্ববাজারের চাহিদা অনুযায়ী বিপুল পরিমাণ খাদ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিরাপদ সমুদ্রপথের বিকল্প হতে পারে না। সমুদ্রপথে অবাধে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা তাই বৈশ্বিক নিরাপত্তার বিষয়। বাংলাদেশের জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। </p><p>আন্তর্জাতিক খাদ্যবাণিজ্য অবাধ ও পূর্বানুমানযোগ্য থাকা কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়। দায়িত্বশীল দেশগুলোর এ বিষয়ে অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। এ কারণেই কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে শস্য রপ্তানির স্থাপনা, অবকাঠামো ও বেসামরিক জাহাজে হামলা অবিলম্বে বন্ধ রাখার আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। এমন পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করবে, খাদ্যবাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে এবং কৃষক, ব্যবসায়ী ও আমদানিনির্ভর দেশগুলোর সরকারকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা দেবে। </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/z9wrg3e40c">বিশ্ব খাদ্য দিবস: ‘মানুষকেন্দ্রিক’ খাদ্যব্যবস্থার বদল জরুরি</a></aside><p>বিশ্বকে খাদ্যকে যুদ্ধের আরেকটি অস্ত্র হতে দেওয়া চলবে না। ইউক্রেনীয়দের প্রতিদিনের দুর্ভোগ বন্ধ করতে এবং লাখ লাখ মানুষের নির্ভরশীল বৈশ্বিক খাদ্যব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ন্যায়সংগত ও স্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করে—এমন যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। </p><p>রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ করে ইউক্রেনের বাণিজ্যিক জীবনরেখায় হামলা থামালে তার সুফল ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে বহুদূরে পৌঁছাবে। বাংলাদেশও এর সুফল পাবে। কারণ, এ দেশের খাদ্যনিরাপত্তা শুধু দেশের ভেতরে কী উৎপাদিত হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে না; সমুদ্রপথে নিরাপদে কীভাবে খাদ্য আমদানি করা যাচ্ছে, তার ওপরও নির্ভরশীল।</p><p>● লেখকেরা বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেনের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার</p>
<p>ইসলাম মানবজীবনের সব ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ বিধান দিয়েছে। শক্তি-সামর্থ্য, অর্থ-সম্পদ ও সময়-সুযোগ; যা কিছু আমরা ব্যয় করি, বিনিয়োগ করি বা কাজে লাগাই, সেসব ক্ষেত্রেই মিতব্যয়িতা ও মধ্যপন্থা অবলম্বন দুনিয়ার শান্তি ও পরকালে মুক্তির জন্য অপরিহার্য। কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘন অনুমোদিত নয়। </p><p>মধ্যপন্থা ও মিতব্যয়িতা মুমিনের গুণ। মুসলিমরা কৃপণতা ও অপব্যয় থেকে মুক্ত থাকবেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আত্মীয়স্বজনকে তার হক দিয়ে দাও এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। আর কিছুতেই অপব্যয় কোরো না। নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। তুমি একেবারে ব্যয়কুণ্ঠ হয়ো না এবং একেবারে মুক্তহস্তও হয়ো না, তাহলে তুমি তিরস্কৃত ও নিঃস্ব হয়ে বসে থাকবে।’ (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ২৬-২৯)</p><p>আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘এমনিভাবে আমি তোমাদের মধ্যপন্থী জাতিরূপে প্রতিষ্ঠা করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষ্যদাতা হতে পারো।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৪৩)</p><p>অপচয়ের বিষয়ে আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তোমরা পানাহার করো; কিন্তু অপচয় কোরো না। তিনি (আল্লাহ) অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।’ (সুরা-৭ আরাফ, আয়াত: ৩১)</p><blockquote>যে ব্যক্তি অর্থ ব্যয়ে পরিমিতিবোধের চর্চা করবেন, অনটন তাঁর নাগাল পাবে না। ইসলামের এই মহান শিক্ষা যথাযথভাবে অনুসরণ না করার কারণেই অনেকে উপার্জনের কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হন।</blockquote><p>আল্লাহ আরও বলেন, ‘দয়াময় আল্লাহর প্রকৃত বান্দা তো তারাই, যারা অপব্যয় করে না আবার কৃপণতাও করে না। তাদের পন্থা হয় এই উভয়ের মধ্যবর্তী।’ (সুরা-২৫ ফুরকান, আয়াত: ৬৭)</p><p>জীবনের সব ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে। লোকদেখানো কাজ ও অহংকার করা যাবে না। এমনকি প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘অহংকারে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা কোরো না, পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে বিচরণ কোরো না; নিশ্চয়ই আল্লাহ উদ্ধত–অহংকারীকে পছন্দ করেন না। সংযতভাবে পদচারণ করো এবং তোমার কণ্ঠস্বর নিচু করো; নিশ্চয়ই গর্দভের স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।’ (সুরা-৩১ লুকমান, আয়াত: ১৮-১৯)</p><p>‘আর তুমি দম্ভভরে ভূপৃষ্ঠে বিচরণ কোরো না। নিশ্চয়ই তুমি পদক্ষেপে ভূমি বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় পর্বতসমান হতে পারবে না।’ (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ৩৭)</p><p>একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) হজরত সাদ (রা.)-কে অজুর সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করতে দেখে বললেন, ‘হে সাদ! অপচয় করছ কেন?’ সাদ (রা.) বললেন, ‘অজুতেও কি অপচয় হয়?’ নবীজি (সা.) বললেন, ‘হ্যাঁ। প্রবহমান নদীতে বসেও যদি তুমি অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করো, তা অপচয়।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস: ৪২৫)</p><p>মহান আল্লাহ মিতব্যয়ীদের দারিদ্র্যমুক্ত জীবন দান করবেন। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি পরিমিত ব্যয় করে, সে নিঃস্ব হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ, ৭/৩০৩) অর্থাৎ যে ব্যক্তি অর্থ ব্যয়ে পরিমিতিবোধের চর্চা করবেন, অনটন তাঁর নাগাল পাবে না। ইসলামের এই মহান শিক্ষা যথাযথভাবে অনুসরণ না করার কারণেই অনেকে উপার্জনের কাঙ্ক্ষিত সুফল থেকে বঞ্চিত হন।</p><p>ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হালাল রিজিক। হালাল উপার্জন ফরজ ইবাদত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘হালাল উপার্জনের সন্ধান অন্যান্য ফরজের পর একটি গুরুত্বপূর্ণ ফরজ।’ (বায়হাকি, হাদিস: ৬১২৮) তাই আমাদের আচার-আচরণ, আয়-উপার্জন, ব্যয় ও দানের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে। পিতা-মাতা, ভাই-বোন, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় করতে হবে।</p><p>কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে আল্লাহ–তাআলা বলবেন, ‘তুমি তোমার কিতাব (আমলনামা) পাঠ করো। আজ তোমার হিসাব-নিকাশের জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট।’ (সুরা-১৭ ইসরা, আয়াত: ১৪)</p><p>আত্মপ্রচার ও লোকদেখানোর উদ্দেশ্যে সম্পদ ব্যয় করলে পুণ্যের পরিবর্তে পাপ হবে। বিচারের দিনে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কেউ এক কদমও নড়তে পারবেন না। প্রশ্নগুলো হলো জীবন কী কাজে ব্যয় করেছেন, যৌবন কীভাবে কাটিয়েছেন, কোন পথে আয় করেছেন, কোন পথে ব্যয় করেছেন এবং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল করেছেন কি না। (তিরমিজি, ৪/৬১২; মিশকাত, হাদিস: ৫১৯৭; সহিহ আলবানি)</p><p>●<strong> অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী </strong></p><p>সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি; সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম</p><p>smusmangonee@gmail.com</p>
কুমিল্লায় আবার একযোগে কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ৬ ঘণ্টার অভিযানে ৩৫১ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গঠন করা এই কমিটিকে চার কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
কোনো প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নেই, শিক্ষক আছে; আবার কোথাও শিক্ষার্থী আছে, শিক্ষক নেই। সব স্তরেই চাহিদার সঙ্গে মিল না রেখে প্রতিষ্ঠান ও আসন বাড়ছে।
<p>মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। ভ্যাটের আওতায় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে সারা মাসের কার্যক্রমের হিসাব অর্থাৎ দাখিলপত্র বা রিটার্ন সাধারণত পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে অনলাইনে দাখিল করতে হয়।</p><p> গত বাজেটের সময় অর্থ আইনের মাধ্যমে মাসিক রিটার্ন দাখিলের নিয়ম পরিবর্তন করে ত্রৈমাসিক দাখিলের নিয়ম করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে প্রতি মাসের পরিবর্তে তিন মাস অন্তর রিটার্ন দাখিল করা ব্যবসা সহজীকরণ বলে মনে হলেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রাজস্ব সুরক্ষা ও হিসাববিজ্ঞানের মৌলিক নীতির আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে সিদ্ধান্তটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।</p><p> রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা যায়নি। মাঠপর্যায়ে ভ্যাট ব্যবস্থার সঙ্গে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের অনেকেই সে সময়ে বলেছিলেন যে সিদ্ধান্তটি সঠিক হয়নি। ভ্যাট রিটার্ন প্রতি মাসের পরিবর্তে তিন মাস অন্তর দাখিল করার অনেক প্রভাব রয়েছে।</p><p>সরকারের অর্থ তিন মাস ব্যবসায়ীর কাছে থাকলে প্রয়োজনে চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে ফেলতে পারেন তাঁরা। তিন মাস পর রিটার্ন দাখিল করার সময় বড় অঙ্কের ভ্যাট পরিশোধের সামর্থ্য না থাকলে তিনি ফাঁকি দেওয়ার পথ বেছে নিতে বাধ্য হতে পারেন। ইতিমধ্যে ব্যবসায়ে লোকসান হলে সংগৃহীত ভ্যাটের অর্থ নিজ প্রয়োজনে ব্যবহারে বাধ্য হতে পারেন।</p><p>স্বচ্ছভাবে হিসাব সংরক্ষণ করে—এমন প্রতিষ্ঠানের জন্য ত্রৈমাসিক রিটার্ন দাখিলে সুবিধার চেয়ে অসুবিধাই বেশি। তিন মাস পর রেয়াত নিতে গেলে অনেক ক্রয় দলিলের বিপরীতে হিসাব মেলানো জটিল। সাপ্লাই চেইনের একটা প্রতিষ্ঠান তিন মাস পর রিটার্ন দাখিল করলে রেয়াত দাবির সময়সীমা ও ইনভয়েস ট্র্যাকিং দুরূহ হবে। তিন মাসের ক্রয় হিসাব, বিক্রয় হিসাব ও চালানপত্র একসঙ্গে জমা হলে হিসাব বিভাগের ওপর সাময়িকভাবে কাজের চাপ বেড়ে যাবে। আবার রিটার্ন দাখিলের পর দীর্ঘদিন কাজের চাপ থাকবে না। এতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায়ও বিরূপ প্রভাব পড়বে।</p><p>দাখিল করা রিটার্নে কোনো ভুল হলে পরবর্তী মাসেই তা সংশোধন করা সহজ। ত্রৈমাসিক পদ্ধতিতে ভুলের প্রভাব তিন মাসের লেনদেনের ওপর পড়বে, যা উদ্ঘাটন ও সংশোধন করা জটিল। সরকারের প্রতি মাসে কিছু নির্দিষ্ট পরিচালনা ব্যয় ও উন্নয়ন ব্যয় থাকে। ভ্যাট প্রতি মাসে সরকারি কোষাগারে জমা না হয়ে তিন মাস পর জমা হলে সরকারের তাৎক্ষণিক নগদ অর্থের সংকট তৈরি হতে পারে।</p><p>ভ্যাট কর্মকর্তারা প্রতি মাসে দাখিলপত্র যাচাই–বাছাই করে ভ্যাট ফাঁকি রোধে কাজ করেন। তিন মাসের তথ্য ও দলিলপত্র একসঙ্গে জমা হলে সীমিত জনবল দিয়ে এত বেশি লেনদেন যাচাই করা দুরূহ হয়ে পড়বে। এভাবে ভ্যাট বকেয়া হয়ে গেলে তা আদায়ের জন্য ঘন ঘন কারণ দর্শানো নোটিশ, ডিমান্ড নোটিশ ইত্যাদি জারি করতে প্রশাসনিক জটিলতা ও মামলা জট বেড়ে যেতে পারে।</p><blockquote>সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি সঠিক নয়। কোনো অংশীজন এটা দাবি করেননি। তাহলে কেন করা হলো, কীভাবে করা হলো, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। কত বিষয় রয়েছে যা অংশীজনেরা দাবি করেন, তারপরও সেগুলো বাস্তবায়ন হয় না। অথচ এই বিষয় কেউ না চাইতেই বাস্তবায়িত হয়ে গেল। বোঝা যায় যে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার অভাব ছিল। এই ঘটনা থেকে আমরা আরও বুঝতে পারি যে, এভাবে এক পা এগিয়ে আবার এক পা পেছানো হলে নিজ স্থানেই দাঁড়িয়ে থাকা হয়—অগ্রসর হওয়া যায় না।</blockquote><p>জনগণের দেওয়া কর যা সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্য ব্যবসায়ীর কাছে রয়েছে, তা দীর্ঘদিন ব্যবসায়ীর কাছে রেখে দেওয়া সমীচীন নয়। জনগণের করের অর্থ রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ব্যয় হবে। ভোক্তা ক্রয়ের সঙ্গে সঙ্গে কর বাবদ অর্থ দিয়ে দেন, অথচ সরকার সেই অর্থ নিজের কোষাগারে না এনে তিন মাস ব্যবসায়ীর কাছে বিনা সুদে রেখে দেবে। আবার সরকার তাৎক্ষণিক খরচ মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে—এটা একধরনের বৈপরীত্য। তিন মাস ধরে শত শত কোটি টাকা ব্যবসায়ীদের হাতে থাকলে সরকার অর্থের সময়মূল্য থেকেও বঞ্চিত হবে।</p><p>ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা গত জুনে এক মাস থেকে তিন মাস করার পর জুলাই–আগস্ট মাসের রাজস্ব আহরণ বেশ কমে যায়। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য মতামত দেওয়া শুরু করেন। অবশেষে ১৪ অক্টোবর অধ্যাদেশ জারি করে আবার রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><p>এই ঘটনা থেকে প্রথমত আমরা বুঝতে পারি যে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি সঠিক নয়। কোনো অংশীজন এটা দাবি করেননি। তাহলে কেন করা হলো, কীভাবে করা হলো, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। কত বিষয় রয়েছে যা অংশীজনেরা দাবি করেন, তারপরও সেগুলো বাস্তবায়ন হয় না। অথচ এই বিষয় কেউ না চাইতেই বাস্তবায়িত হয়ে গেল। বোঝা যায় যে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার অভাব ছিল। এই ঘটনা থেকে আমরা আরও বুঝতে পারি যে, এভাবে এক পা এগিয়ে আবার এক পা পেছানো হলে নিজ স্থানেই দাঁড়িয়ে থাকা হয়—অগ্রসর হওয়া যায় না। আমাদের রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় বারবার এমন হচ্ছে। তাই অগ্রগতি হচ্ছে না।</p><p>শুনছি, নির্ধারিত পরিমাণ ভ্যাট আদায় করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ১২ লাখ ছোট প্রতিষ্ঠান নিবন্ধিত করে এক হাজার টাকা করে ভ্যাট আদায় করার কথা বলা হচ্ছে। এতে তেমন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভ্যাট আদায় হবে না। তারপরও এই কাজ করা হচ্ছে। ১৯৯৮ সালে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হয়েছিল। এবারও নিশ্চিত ব্যর্থ হবে। হুট করে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো এবং ফিরে আসা থেকে কোনো শিক্ষা নেওয়া হলো না।</p><p>দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব খাতের বিশেষজ্ঞরা অনেকেই বলে আসছেন যে রাজস্ব ফাঁকি হয় মূলত এবং প্রধানত ক্রয়–বিক্রয়ের তথ্য গোপন করে। তাই রাজস্ব সংস্কারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো ক্রয়–বিক্রয়ের সব তথ্য এনবিআরের কাছে নিয়ে আসা। তাহলে প্রকৃত বিক্রির ওপর ভ্যাট ও আয়কর সঠিক পরিমাণে আদায় করা সম্ভব হবে। এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে জোরালো পদক্ষেপ দরকার।</p><p>ইতিমধ্যে আবার আইএমএফের পদচারণ শুরু হয়েছে। তাদের তোতা পাখির বুলি—আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, করের ভিত্তি সম্প্রসারণ, অব্যাহতি কমানো, ইউনিফর্ম করহার চালু, টিআইএন–বিআইএন একীভূত করা, নীতি এবং বাস্তবায়ন আলাদা করা—আবার এসব বিষয় সামনে চলে আসবে। সবশেষে ব্যর্থ হবে। আবার নতুন করে শুরু হবে। এভাবে চলতে থাকলে রাজস্ব সংস্কার হবে না।</p><p><strong>মো. আব্দুর রউফ,</strong> সাবেক সদস্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড</p>
এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন হলো তথ্য আদান-প্রদানের এমন একটি নিরাপত্তাপদ্ধতি, যেখানে প্রেরকের যন্ত্রেই বার্তাকে সংকেতবদ্ধ করা হয়।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি 'আশঙ্কায়' ভুগছিলেন বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন- সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেছেন তারা বাবা এ এম এনায়েতুল করিম। বাসা থেকে বের হওয়ার একদিন পর বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় উত্তরখানের তুরাগ নদের পাশে রাজাবাড়ি ঘাটের কাছে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া গেছে। এদিকে, বিশ্বের খবরের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের নির্বাচনে বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অন্যতম একটি পর্যটন স্পট সাজেকে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। সরেজমিনে খাগড়াছড়ি ঘুরে পাহাড়ের আন্দোলনকারী, ব্যবসায়ী জনপ্রতিনিধি এবং পাহাড়ি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে।
প্যাট্রিক স্টুয়ার্টের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাকে "প্রজন্মের সবচেয়ে সম্মানিত ও প্রিয় অভিনেতা" বলে অভিহিত করেছেন স্যার ইয়ান ম্যাকেলান।
ইসরায়েলের আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। কাতার ও তুরস্ক থেকে অবৈধ তহবিল দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। যদিও এই দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েলের আরব দলগুলো।
সন্দেহভাজন পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে; তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির লাশ উদ্ধারের পর তার মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন; নাটোরের এমপি আব্দুল আজিজ এবং তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছে এলাকাবাসী– এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে। এদিকে, দেশটির বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একজন নেতা বলেছেন,"আমাদের লক্ষ্য, যতজন খ্রিস্টান আছেন, তাদের হিন্দু বানিয়ে দেব।"
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ব্যাপক কৌতুহল ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কিনা এ নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। কেন তাকে নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে?
৪৫ বছর বয়সী ফ্লাভিও বলসোনারো ব্রাজিলের একজন সেনেটর। তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বড় ছেলে। দীর্ঘদিন ধরেই তাকে বাবার রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছিল।
বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন উপকূলে মাছ আহরণ ও শুঁটকি তৈরির মৌসুম শুরু হতে না হতেই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে পড়েছেন জেলেরা।
লিড ৫০ পেরোলেও স্বস্তি ফিরল না বাংলাদেশ শিবিরে
এ প্রসঙ্গ টেনে ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন দায়সারা বক্তব্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামোকে ভেঙে দিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে প্রশাসনের কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ১ জুলাই থেকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের বিষয়ে সরকার নতুন সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করেছে।
কুমিল্লায় মাদক কারবার, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে চালিয়ে ৩৫১ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
পোষ্য এখন অনেক পরিবারের কাছেই কেবল প্রাণী নয়, পরিবারেরই একজন সদস্য। তার মৃত্যুতে স্বজন হারানোর মতোই শোক অনুভব করেন অনেকেই। অথচ প্রিয় পোষ্যটির মৃত্যুর পর সম্মানজনকভাবে শেষকৃত্য সম্পন্ন করার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় এত দিন সমস্যায় পড়তে হতো জম্মুর বাসিন্দাদের।
ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর বলেছেন, “চাঁদাবাজ বলেলেই সাধারণ মানুষ বুঝে ফেলেন কোন দলের কথা বলা হচ্ছে।
সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন গোপালগঞ্জের জাকিয়া সুলতানা রুমা।