সিলেটে হৃদয়ময় দিনে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ
চার দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিকেও কাপ ৭ম আন্তর্জাতিক ওপেন কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার কারাতেকারা।
প্যারাগুয়ের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট সান্তিয়াগো পেনা অভিশংসিত হয়েছেন এবং তাকে গৃহবন্দি করা হয়েছে। শনিবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
আজ দিনটাই যেন শুধুই তাওহিদ হৃদয়ময়। দলের একের পর এক ব্যাটসম্যান ফিরেছেন, কিন্তু এক প্রান্তে অটল ছিলেন তিনি। প্রথমে সেঞ্চুরি, তারপর ডাবল সেঞ্চুরি, এরপরও থামেননি।
বৃষ্টির বাধা, ডিএলএস পদ্ধতির হিসাব-নিকাশ আর শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস লড়াই। সব মিলিয়ে ওয়েলিংটনে রোমাঞ্চকর এক জয় তুলে নিয়েছে ভারত।
সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে পরিচালনাগত বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ-সৌদি রুটে ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যাতে তারা জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র পরিদর্শকদের ইরানের বোমা হামলার শিকার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের...
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চেয়েছিলেন, সেই প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবার প্রসঙ্গ টেনেছেন সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবিন।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>হাতে কালো মার্কার। শ্রেণিকক্ষের সাদা বোর্ডে আরবিতে একের পর এক বাক্য লিখে চলেছেন মাওলানা মুনির আহমেদ। বিমানবন্দরে আরবিতে কীভাবে কথা বলতে হয়, তারই সংলাপ। এরপর সামনে ডেকে আনেন এক ছাত্র ও এক ছাত্রীকে। দুজন দুই ভূমিকায় বোর্ডের সংলাপ বলে যায়, ভুল হলে শিক্ষক ধরিয়ে দেন। অন্য শিক্ষার্থীরা মনোযোগ দিয়ে দেখে। </p><p>দৃশ্যটি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গর্জনীয়া রহমানিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার। শহর থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরের এই মাদ্রাসায় আরবির প্রভাষক মুনির আহমেদ (৪৪)। গত ১৫ অক্টোবর মাদ্রাসায় গিয়ে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। </p><p>এভাবে পড়ানোর কারণও জানালেন মুনির আহমেদ। জীবিকার খোঁজে এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ মধ্যপ্রাচ্যে যান, কিন্তু ভাষা না জানায় অনেকে বিপাকে পড়েন। তাই কমিউনিকেটিভ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের আরবিতে কথা বলা শেখান তিনি। তাঁর মতে, ভাষাটা রপ্ত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে কাজ, ব্যবসা বা পড়াশোনায় সুবিধা হয়। </p><p>তবে পাঠ্যবই বা ভাষা শেখানোয় থেমে থাকতে চান না মুনির আহমেদ। পবিত্র কোরআন-হাদিস আর ইসলামি মনীষীদের জীবনাদর্শের আলোকে শিক্ষার্থীদের সততা, মানুষের উপকার করা আর সুদ-ঘুষ থেকে দূরে থাকার শিক্ষা দেন তিনি। বললেন, শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনে এসব মূল্যবোধ মেনে চললে শিক্ষক হিসেবে গর্ব হয়।</p><p>মুনির আহমেদের দিন শুরু হয় ফজরের নামাজ পড়ে ও পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। সকাল পৌনে ১০টার দিকে মাদ্রাসায় আসেন, দিনে চার-পাঁচটি ক্লাস নেন। নবম শ্রেণি থেকে ফাজিল পর্যন্ত পড়ান পবিত্র কোরআন-হাদিস, আরবি সাহিত্য, আকাইদ ও ফিকহ। বিকেল চারটায় মাদ্রাসা থেকে ফেরেন, মাগরিবের পর নেন পরদিনের ক্লাসের প্রস্তুতি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/w95fc3fp/Gazi-Firoz.jpg"><figcaption>গাজী ফিরোজ</figcaption></figure><p><strong>পরিবারের আগ্রহে মাদ্রাসায়, নিজ ইচ্ছায় শিক্ষকতা</strong></p><p>মুনির আহমেদের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার গহিরায়। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট, একমাত্র তিনিই পড়েছেন মাদ্রাসায়। বললেন, ‘ছোটবেলায় পরিবারের সবাই চাইতেন আমি মাদ্রাসায় পড়ি। সেই ইচ্ছা থেকেই পড়েছি। আর বড় হয়ে নিজের ইচ্ছায় মাদ্রাসায় শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি।’</p><p>২০০৪ সালে চট্টগ্রাম শহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে কামিল পাস করেন মুনির আহমেদ। পাশাপাশি চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর করেন। </p><p>মুনির আহমেদের ছাত্রজীবনে ফাজিল-কামিলের স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সমমানের স্বীকৃতি ছিল না। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আলাদা করে স্নাতক-স্নাতকোত্তর করতে হয়েছে। ২০১৬ সালে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রভাষক (আরবি) নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। কক্সবাজার ও বোয়ালখালীর দুটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার পর ২০১৯ সালে যোগ দেন গর্জনীয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায়। মাসের আয় নিয়ে মুনির আহমেদ বলেন, ‘কষ্ট হয় না, তা বলব না। তারপরও কোনোভাবে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি।</p><p>মাদ্রাসাশিক্ষাকে যুগোপযোগী করার পক্ষে মুনির আহমেদ। তাঁর মতে, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, গণিত, তথ্যপ্রযুক্তি ও ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে হবে। </p><p><strong>‘সন্তানেরা যেন ভালো মানুষ’</strong></p><p>মুনির আহমেদের স্ত্রী ও দুই মেয়ে থাকেন চট্টগ্রাম শহরে। তিনি থাকেন মাদ্রাসার পাশেই, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শহরে যান পরিবারের কাছে। বড় মেয়ে একটি মহিলা মাদ্রাসায় শিশু শ্রেণিতে পড়ে, ছোটটির বয়স আড়াই বছর। দুই মেয়েকেই মাদ্রাসায় পড়াতে চান তিনি। তাঁর ইচ্ছা, তারা হাফেজে কোরআন হওয়ার পাশাপাশি যোগ্য ও সুনাগরিক হয়ে উঠুক। </p><p>মেয়েদের পেশা নিয়ে অবশ্য কোনো বাঁধাধরা চাওয়া নেই মুনির আহমেদের। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসক-প্রকৌশলী নয়, সন্তানদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে চাই। তারা সৎ ও ন্যায়পরায়ণ থাকুক। বড় হয়ে অন্য কোনো পেশা বেছে নিতে চাইলে আমার আপত্তি নেই।’</p> <p><strong>গাজী ফিরোজ</strong></p><p>জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, প্রথম আলো</p>
<p>মেঘনা নদীতে ইলিশের আকাল। এর মধ্যে ভোলার ইলিশা চরডারমাথা মাছঘাটে ধরা পড়েছে ১৭ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি কাতলা। নিলামে মাছটি বিক্রি হয়েছে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায়। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>
এআই যদি সফটওয়্যার তৈরির গতি বহুগুণ বাড়ায়, কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ারিং সক্ষমতা একইভাবে না বাড়লে সফটওয়্যার সরবরাহের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হয়ে উঠতে পারে মান নিশ্চিতকরণ।
<p>রাজধানীর উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরে অবস্থিত বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটিরে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে দানোত্তম কঠিন চীবর দান। গতকাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এ দানানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ভিক্ষু সংঘের প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত শাসনরক্ষিত মহাথেরসহ বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘ। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, অন্তর্বতী সরকারে সাবেক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ ঢাকা মহানগরে বসবাসরত বৌদ্ধ উপাসক-উপাসিকারা অংশগ্রহণ করেন।</p><p>পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকায় আসা ও বসবাসরত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরের নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিএসএসপি বিশ্ব শান্তি কুটির। এই নবপ্রতিষ্ঠিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রথমবারের মতো কঠিন চীবর দান আয়োজন স্থানীয় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।</p><p>বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে কঠিন চীবর দান অন্যতম শ্রেষ্ঠ দান হিসেবে বিবেচিত। বৌদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে প্রবারণা পূর্ণিমার পর থেকে কার্তিকী পূর্ণিমার মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়। এ দানকে ‘দানোত্তম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। বৌদ্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, কঠিন চীবর দানের মাধ্যমে অসীম পুণ্য অর্জিত হয়। পরিশেষে বিশ্বের সবার সুখ-শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে অনুষ্ঠান শেষ হয়।</p>
<p>সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ করেছে বাংলাদেশ। তৈরি করেছে গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ। কিন্তু সেসব সুযোগের বেশির ভাগই কাজে লাগানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত জয় এসেছে মাত্র ১-০ গোলে। তাতে গোলের জন্য আক্ষেপই থাকার কথা। তবে গোলের জন্য আক্ষেপ থাকলেও শেখ মোরছালিনের কাছে প্রথম ম্যাচে বেশি গোল না হওয়াটা একদিক থেকে ভালোই হয়েছে!</p><p>ভুটানের বিপক্ষে জয়ের পর ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচ সামনে রেখে আজ এবিজি স্পোর্টস সিটির অনুশীলন মাঠে অনুশীলন করেছে দল। অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভুটান ম্যাচে বেশি গোল না হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখেছেন মোরছালিন। তাঁর কথায়, ‘একদিক থেকে আমি মনে করি, ভালোই হয়েছে। অনেক সময় বেশি গোল দিয়ে ফেললে অতি আত্মবিশ্বাস কাজ করতে পারে (হাসি)। তেমন কিছুর সুযোগ নেই। আমরা এখন গোলের জন্য ক্ষুধার্ত।’</p><p>জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি মোরছালিন। তবে এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন এই মিডফিল্ডার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে ফেরার ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি, ‘এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ। দলে সুযোগ পেলে ভালো কিছু করতে পারব।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/824oks89/89582849021762430799921484047719057643035190n.jpg"><figcaption>বাংলাদেশ দলের অনুশীলনে শেখ মোরছালিন</figcaption></figure><p>শ্রীলঙ্কাকে অবশ্য মোটেও সহজ প্রতিপক্ষ ভাবছেন না মোরছালিন। তাঁর চোখে, এবারের শ্রীলঙ্কা দল বেশ ভালো। তাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সতর্ক থেকেই মাঠে নামতে চায় বাংলাদেশ। তবে ভুটানের বিপক্ষে জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে বলে মনে করেন মোরছালিন।</p><p>গত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার অভিজ্ঞতা এবার ঘরের মাঠে কাজে লাগাতে চান মোরছালিন। শুধু ভালো খেলাই নয়, ঘরের মাঠে শিরোপা জেতাই তাঁর লক্ষ্য। তাঁর কথায়, ‘এবার আমাদের ট্রফিটা জিততেই হবে। ঘরের মাঠে খেলা, আমাদের দারুণ একটা সুযোগ।’</p><p>ভুটানের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর জায়গায় উন্নতি করতে হবে বাংলাদেশকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/bn903vlfn0">সাত ফরোয়ার্ডের বাংলাদেশ দলে গোল করার লোকের অভাব কেন</a></aside>
বুয়েটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা ছিল না। ফলে কেবল লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছিল।
<p>বিশ্ব অর্থনীতিতে আজ একটি সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প অর্থব্যবস্থা হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে ইসলামি ব্যাংকিং। প্রচলিত সুদভিত্তিক ব্যবস্থার বিপরীতে অংশীদারি, ঝুঁকি ও মুনাফার ন্যায্য বণ্টন, সম্পদের উৎপাদনমুখী ব্যবহার, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং শরিয়তের অনুশাসনের অঙ্গীকার নিয়েই এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।</p><p>কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় একটি মৌলিক প্রশ্ন আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে—ইসলামি ব্যাংকিং কি শুধু সুদবিহীন কিছু আর্থিক পণ্যের বিকল্প ব্যবস্থা, নাকি এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক, মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক অর্থনৈতিক দর্শন?</p><p>প্রশ্নটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের আসল পরিচয় শুধু মুরাবাহা, মুদারাবা, মুশারাকা কিংবা ইজারা নামের কিছু আরবি পরিভাষার চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।</p><p>এর মূল চালিকাশক্তি হলো তাকওয়া, আমানতদারি, সততা, স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং মাকাসিদুশ শরিয়াহর (শরিয়তের মূল উদ্দেশ্য) বাস্তব প্রতিফলন।</p><p>ব্যাংকগুলোর প্রাত্যহিক কার্যক্রমে এসব নৈতিক মূল্যবোধ দৃশ্যমান না হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বাহ্যিকভাবে ইসলামি কাঠামো ধরে রাখলেও তাদের সঙ্গে প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের মৌলিক ফারাক ক্রমেই মুছে যায়।</p><p>এতে কেবল গ্রাহকের আস্থাই নষ্ট হয় না; বরং ইসলামি অর্থনীতির সামগ্রিক দর্শনই প্রশ্নের মুখে পড়ে।</p><blockquote>ব্যাংকের বিনিয়োগনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে, উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষক অর্থায়নের সুযোগ পান এবং জাতীয় সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।</blockquote><h3>নৈতিকতা: ইসলামি ব্যাংকিংয়ের প্রাণ </h3><p>নৈতিকতা বা ইথিকস বলতে প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ ও সিদ্ধান্তে ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং সততার অবিচল চর্চাকে বোঝায়। ইসলামি পরিভাষায় এর সঙ্গে আখলাক, আদব, আমানত, ইনসাফ ও তাকওয়ার গভীর যোগসূত্র রয়েছে।</p><p>ইসলামি নৈতিকতার বিশেষত্ব হলো, এটি কেবল সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বা রাষ্ট্রের আরোপিত আইন মেনে চলার মধ্যেই সীমিত নয়; বরং এর মূল ভিত্তি আল্লাহর কাছে চূড়ান্ত জবাবদিহি, হালাল-হারামের সার্বক্ষণিক সতর্কতা এবং আখেরাতের বিশ্বাস। </p><p>কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, তোমরা আমানত তার প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দেবে এবং মানুষের মধ্যে বিচার-মীমাংসা করলে ন্যায়বিচার করবে।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৫৮)</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা অত্যন্ত গভীর অর্থ বহন করে। কারণ, আমানতকারীর গচ্ছিত অর্থ, বিনিয়োগকারীর ন্যায্য স্বার্থ, সাধারণ গ্রাহকের অধিকার কিংবা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ—সবকিছুই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকদের কাছে এক পবিত্র আমানত।</p><p>ফলে এসব দায়িত্ব পালনে সামান্যতম অবহেলা, তথ্য গোপন, প্রতারণা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার নিছক কোনো প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়; বরং তা স্পষ্ট খেয়ানত ও ধর্মীয় অনুশাসনের গুরুতর লঙ্ঘন।</p><p>রাসুল (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, ‘যে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে, সে আমাদের আদর্শের অনুসারী নয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১)</p><p>সুতরাং ইসলামি ব্যাংকিংয়ে নৈতিকতা কোনো বাড়তি অলংকার বা ঐচ্ছিক বিষয় নয়; এটি তার অস্তিত্বের অন্যতম মৌলিক শর্ত।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/thzxyozs81">প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং কতটা শরিয়া অনুসরণ করছে</a></aside><h3>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য </h3><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘মাকাসিদুশ শরিয়াহ’ বা শরিয়তের মূল উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়ন করা। ইসলামি আইনশাস্ত্রে এর পাঁচটি মৌলিক ভিত্তি বিশেষভাবে স্বীকৃত: দীন, জীবন, বুদ্ধি, বংশমর্যাদা ও সম্পদ সংরক্ষণ।</p><p>অর্থাৎ শরিয়তের যাবতীয় বিধিমালার লক্ষ্যই হলো মানুষের ইহলৌকিক ও পরলৌকিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধ করা।</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে সম্পদ সংরক্ষণের বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত। তবে এর অর্থ শুধু ব্যাংকের নিজস্ব মূলধন বাড়ানো বা নিরাপদ মুনাফা নিশ্চিত করা নয়; বরং আমানতকারী, বিনিয়োগকারী ও গোটা সমাজের আর্থিক স্বার্থ সংরক্ষণ করাও এর অংশ।</p><p>একই সঙ্গে ব্যাংকের বিনিয়োগনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে, উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষক অর্থায়নের সুযোগ পান এবং জাতীয় সম্পদ গুটিকয়েক মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়।</p><p>আল্লাহ বলেছেন, ‘যাতে সম্পদ কেবল তোমাদের ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না থাকে।’ (সুরা হাশর, আয়াত: ৭)</p><p>অতএব, ইসলামি ব্যাংকগুলো যদি কেবল মুনাফা অর্জন ও বৃদ্ধিতেই মগ্ন থাকে, কিন্তু সামাজিক কল্যাণ ও সম্পদের উৎপাদনশীল বণ্টনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারে, তবে শরিয়তের বৃহত্তর ও মহৎ উদ্দেশ্য অপূর্ণই থেকে যায়।</p><blockquote>সাধারণ কর্মীরা যদি মনে করেন শরিয়া মেনে চলা শুধু ‘শরিয়াহ বিভাগ’-এর কাজ, তবে ব্যাংকে সামগ্রিক সততার চর্চা গড়ে ওঠে না। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকের কাজে নৈতিকতা থাকা জরুরি।</blockquote><h3>নৈতিকতা না থাকার ৮ ক্ষতি </h3><p>১. ইসলামি ব্যাংকিংয়ের মূল কথা হলো বাস্তব পণ্যের কেনাবেচা এবং ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু বাস্তবে পণ্য না কিনে যদি শুধু কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতায় ‘মুরাবাহা’ সাজানো হয়, তবে তা প্রচলিত সুদি ঋণেরই নামান্তর হয়ে দাঁড়ায় এবং ব্যাংকের স্বকীয়তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।</p><p>২. ব্যাংকের সবচেয়ে বড় সম্পদ মানুষের বিশ্বাস। লুকানো চার্জ, অস্পষ্ট শর্ত, তথ্য গোপন কিংবা সেবায় অবহেলা দেখা দিলে মানুষ দ্রুত মুখ ফিরিয়ে নেয়।</p><p>৩. ইসলাম শুধু সুদ বর্জন করতেই বলেনি; বরং যেকোনো ধরনের ঠকবাজি, অস্বচ্ছতা ও শোষণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সুদ এড়িয়েও যদি ব্যাংক অনৈতিক চাতুর্যের আশ্রয় নেয়, তবে তা ইসলামি অর্থনীতির মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।</p><p>৪. শরিয়তের অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্পদ যেন কেবল ধনীদের হাতে বন্দি না থাকে। কিন্তু ইসলামি ব্যাংকগুলো যদি কেবল বড় করপোরেট ও প্রভাবশালীদের পেছনে ছোটে, তবে কৃষক, ছোট ব্যবসায়ী ও প্রান্তিক মানুষ অর্থায়ন থেকে বঞ্চিত হন।</p><p>৫. কর্মকর্তাদের মধ্যে তাকওয়া বা জবাবদিহির মানসিকতা না থাকলে প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়ে।</p><p>৬. শরিয়াহ বোর্ড বা অডিট বিভাগ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে এবং কেবল নথিপত্রে সই করার আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকে, তবে শরিয়াহ তদারকির মূল উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়।</p><p>৭. সাধারণ কর্মীরা যদি মনে করেন শরিয়া মেনে চলা শুধু ‘শরিয়াহ বিভাগ’-এর কাজ, তবে ব্যাংকে সামগ্রিক সততার চর্চা গড়ে ওঠে না। তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত প্রত্যেকের কাজে নৈতিকতা থাকা জরুরি।</p><p>৮. নৈতিকতার ঘাটতি থাকলে অনিয়ম ও ঝুঁকিপূর্ণ খাতে যাচাই ছাড়া বিনিয়োগ বাড়ে। এর অনিবার্য পরিণতি হলো মাত্রাতিরিক্ত খেলাপি ঋণ, তারল্যসংকট ও প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সুনামহানি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/2pnudocx8q">‘ইসলামি শরিয়া’ কোনো ভীতিকর বিষয় নয়</a></aside><h3>আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কী বলে </h3><p>বিশ্বজুড়ে ইসলামি অর্থব্যবস্থাকে শৃঙ্খলায় রাখতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করেছে।</p><p>অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড অডিটিং অর্গানাইজেশন ফর ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস (আওফি) ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পেশাজীবীদের জন্য ‘কোড অব ইথিকস’ প্রণয়ন করেছে। এতে সততা, আমানতদারিতা, পেশাগত দক্ষতা, গোপনীয়তা, নৈতিক আচরণ এবং শরিয়াহর প্রতি অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বোর্ড (আইএফএসবি) ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক আচরণ, স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে।</p><p>অর্থাৎ আন্তর্জাতিক নিয়মেও ইসলামি ব্যাংকিংয়ের নৈতিকতা নিছক ব্যক্তিগত ধর্মচর্চা নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের অপরিহার্য অংশ।</p><blockquote>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের সাফল্য শুধু সুদমুক্তির প্রচার বা আরবি নামকরণের ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। সাইনবোর্ডে ‘ইসলামি’ লিখে ভেতরে প্রচলিত ব্যবস্থার মতো আচরণ করলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের আস্থা ধরে রাখা অসম্ভব।</blockquote><h3> উত্তরণের ৮ পথ </h3><p>বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ব্যাপক প্রসার ঘটলেও এর ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি:</p><p>১. প্রতিটি ব্যাংকে কার্যকর ‘ইথিকস পলিসি’ রাখা এবং এবং তা মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা।</p><p>২. কেবল সর্বোচ্চ মুনাফার পেছনে না ছুটে সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা।</p><p>৩. পরিচালনা পর্ষদ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের চাপমুক্ত হয়ে অভিজ্ঞ আলেম ও অর্থনীতিবিদদের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া।</p><p>৪. অডিট যেন কেবল টেবিলের ফাইলেই সীমাবদ্ধ না থাকে; প্রকৃত ব্যবসা ও পণ্য কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে যাচাই করা।</p><p>৫. বিনিয়োগের খরচ, মুনাফার হার, ঝুঁকি ও অতিরিক্ত চার্জ সম্পর্কে গ্রাহককে শুরুতেই সহজ ভাষায় পরিষ্কার ধারণা দেওয়া।</p><p>৬. বড় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষক, নারী উদ্যোক্তা ও কুটিরশিল্পে বিনিয়োগের পরিধি বাড়ানো।</p><p>৭. ব্যাংকের সব স্তরের কর্মকর্তাদের লেনদেনের ইসলামি নীতিমালা (ফিকহুল মুআমালাত), দুর্নীতি প্রতিরোধ ও পেশাগত সততার ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া।</p><p>৮. শরিয়াহ লঙ্ঘন বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিললে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।</p><p>ইসলামি ব্যাংকিংয়ের সাফল্য শুধু সুদমুক্তির প্রচার বা আরবি নামকরণের ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। সাইনবোর্ডে ‘ইসলামি’ লিখে ভেতরে প্রচলিত ব্যবস্থার মতো আচরণ করলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের আস্থা ধরে রাখা অসম্ভব।</p><ul><li><p><em><strong>ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি:</strong> চেয়ারম্যান: শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটি, এনসিসি ব্যাংক পিএলসি</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/5kk8ha9v5g">সুদকে বৈধ মনে করার ক্ষতি কী</a></aside>
শিখো জানিয়েছে, নতুন বিনিয়োগের ফলে আন্তর্জাতিক পুঁজির পাশাপাশি দেশের শিক্ষা খাতে বিনিয়োগকারীদের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগও কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। অস্থির এক সময় পার করছিল বাংলাদেশ। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার সময় ঢাকা সেনানিবাসে কিছু লিফলেট বিতরণ করা হয়। ঐ লিফলেট যারা পেয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারছিলেন যে রাতে 'কিছু একটা' ঘটতে যাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পায়নে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি জমি নীতি নিয়েও একাধিক সংস্কারের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে অন্যতম আলোচিত হলো সরকারি উদ্যোগে ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির ঘোষণা।
বিরোধ যখন দু'জন মানুষের মধ্যে, তখন অপমানের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন তাদের পরিবারের নারীরা কেন? এটি কি নিছকই প্রচলিত ভাষার অভ্যাস, নাকি এর পেছনে রয়েছে নারীকে ঘিরে সমাজের দীর্ঘদিনের কিছু ধারণা?
পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।
শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা এবং এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা - এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?
ডা. তাসনিম জারা এবং তাজনূভা জাবীন এর পর জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। এনসিপি থেকে আলোচিত নারী নেতাদের এই পদত্যাগের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেন তারা দল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, এই প্রশ্ন সামনে আসছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ানতোর বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছেন শত শত নারী। শনিবার এই বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
খুলনায় আবারও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে নগরীর ২৭৫ নম্বর খানজাহান আলী সড়কের নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশনে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান নিয়ে তথ্য দেওয়ার সন্দেহে আব্দুল্লাহ ফারুক হোসেন নামে এক সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে বৈধ প্রবেশপাস হাতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছিলেন হাজারো ভক্ত। কিন্তু, অনুষ্ঠানস্থলের গেট পর্যন্ত গিয়েও তাদের অনেককে ফিরতে হয়েছে হতাশ হয়ে।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১ হাজার ৩০০টি নিষিদ্ধ রং ফর্সাকারী ক্রিম জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট বিউটি ক্রিম’ নামের এসব ক্রিমের ওজন ৪০ কেজি। জব্দ করা ক্রিমের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮ লাখ টাকা।
শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, “দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।”
জীবনসঙ্গী হিসেবে কেমন মানুষ চেয়েছিলেন, সেই প্রত্যাশার কথা বলতে গিয়ে নিজের বাবার প্রসঙ্গ টেনেছেন সংগীতশিল্পী পারশা মাহজাবিন।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার তেহরানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে, যাতে তারা জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র পরিদর্শকদের ইরানের বোমা হামলার শিকার পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেয়। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানিয়েছে।