গাজীপুরে ছুরিকাঘাতে গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার বড়বাড়ি এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কার্তিক নামে এক পোশাকশ্রমিক নিহত হয়েছেন। 

‘বড় ভাইরা’ কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে?

নগরীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন (ছদ্মনাম)। বাবা-মা দুজনই সরকারি চাকরিজীবী।

‘বড় ভাইরা’ কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে?
বাবাকে হত্যা, প্রতিবেশীর বাড়িতে মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে ধরা

প্রতিবেশীর বাড়িতে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাবা হত্যার অভিযোগে পলাতক ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৫)।

বাবাকে হত্যা, প্রতিবেশীর বাড়িতে মোবাইল চার্জ দিতে গিয়ে ধরা
ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজ ও রবি শস্য চাষের ধুম

অনুকূল আবহাওয়া আর বিগত মৌসুমের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ার সুবাদে ভোলার উপকূলীয় এবং বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলগুলোতে এখন চলছে আগাম তরমুজ ও অন্যান্য রবি শস্যের বীজতলা তৈরির ব্যস্ততা। 

ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজ ও রবি শস্য চাষের ধুম
মুশফিককে একাদশে না রাখার ব্যাখ্যা দিল বিসিবি

আঙুলের চোট শেষ পর্যন্ত খেলতে দিল না মুশফিকুর রহিমকে। অনুশীলনে পাওয়া চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় তাকে ছাড়াই একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ।

মুশফিককে একাদশে না রাখার ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও বিরোধীজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু'র নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী দলগুলোর জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। তবে বুথফে...

ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও বিরোধীজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে দস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, ৫ জেলে উদ্ধার

সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় বনদস্যু দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে।

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে দস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, ৫ জেলে উদ্ধার

সারা দেশ

View more
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা
পর্যটক বরণে প্রস্তুত সেন্টমার্টিন, জেটি নিয়ে শঙ্কা

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

Video news

Rss feed news

মঞ্চে ইসরায়েলের পতাকা মাড়িয়ে আলোচনায় কলম্বিয়ান র‍্যাপার
নাটোরে ছাত্রদল নেতার জানাজা শেষে এমপির ছেলের ঘনিষ্ঠ প্রবাসীর শপিংমলে হামলা–লুটপাট
নাটোরে ছাত্রদল নেতার জানাজা শেষে এমপির ছেলের ঘনিষ্ঠ প্রবাসীর শপিংমলে হামলা–লুটপাট

নাটোরের গুরুদাসপুরে নিহত ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের জানাজার পরপরই এক প্রবাসীর মালিকানাধীন শপিং মলে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
রাশিয়ায় যুদ্ধে জোর করে বাংলাদেশিদের নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ, জড়িত দালালেরা
রাশিয়ায় যুদ্ধে জোর করে বাংলাদেশিদের নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ, জড়িত দালালেরা

ইউক্রেন যুদ্ধে লড়তে রাশিয়ার বাহিনীতে বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতারণা বা জবরদস্তির প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
পিএইচপি কী? কেন ঝুঁকিতে হাজারো ওয়েবসাইট
পিএইচপি কী? কেন ঝুঁকিতে হাজারো ওয়েবসাইট

<p>পিএইচপির দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সার্ভারে অননুমোদিত কোড চালানো ও সংবেদনশীল তথ্য চুরির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। দ্রুত নিরাপত্তা আপডেট প্রয়োগ জরুরি। দেখুন ভিডিওতে... </p><figure></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের মানুষ-দর্শন
ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের মানুষ-দর্শন

<p>ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র তার মানুষ অধ্যয়ন শুরু করে কিছু মৌলিক প্রশ্নের আশ্রয়ে। মানুষ কে, এবং সৃষ্টিজগতের মধ্যে তার অবস্থান ও ভূমিকা কী?</p><p>এই প্রশ্নের উত্তর থেকে নির্ধারিত হয় মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে কেমন সম্পর্ক স্থাপন করবে, তার জ্ঞানতাত্ত্বিক অবস্থান কী হবে, তার নৈতিক দায়িত্ব কত দূর বিস্তৃত হবে, এবং সভ্যতার দিকনির্দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে। কারণ, প্রকৃতির প্রতি মানুষের আচরণ মানুষের আত্মপরিচয়বোধের সরাসরি প্রতিফলন।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই আত্মপরিচয়কে এমন এক মানবতাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করে। যেখানে মানুষকে বোঝা হয় তিনটি পরস্পরসংলগ্ন পরিচয় দ্বারা। ক. খলিফা, খ. অংশগ্রহণকারী, গ. জবাবদিহিসম্পন্ন সত্তা।</p><p>এই তিন পরিচয়ের সমন্বয়ে মানুষের প্রকৃত অবস্থান নির্ধারিত হয়।</p><p>আধুনিক মানবকেন্দ্রিক সভ্যতা সাধারণত মানুষকে প্রকৃতির ওপর আরোপিত এক ব্যতিক্রমী শক্তি হিসেবে কল্পনা করে। এখানে মানুষকে এমন এক সত্তা হিসেবে দেখা হয়, যে প্রকৃতির সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার জন্য জন্মেছে; যার বুদ্ধিমত্তা তাকে নিয়ন্ত্রণ, রূপান্তর এবং আধিপত্য বিস্তারের বৈধতা দিয়েছে।</p><p>এই দৃষ্টিভঙ্গি মানবসভ্যতার প্রযুক্তিগত অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করলেও এর অন্তর্নিহিত প্রিমাইজ অত্যন্ত সমস্যাজনক। কারণ এটি মানুষকে সৃষ্টির সমগ্রতা থেকে বিচ্ছিন্ন করে এক প্রভুত্বশালী অবস্থানে নিয়ে যায়।</p><p>এই বিচ্ছিন্নতা থেকেই জন্ম নেয় কর্তৃত্ববাদী প্যারাডাইম। যেখানে প্রকৃতি হয়ে উঠে প্রতিপক্ষ; জয়ের অঞ্চল, ব্যবহারের উপাদান।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে। সে মানুষকে প্রকৃতির বাইরে অবস্থিত কোনো সার্বভৌম সত্তা হিসেবে দেখে না। তার বিচারে মানুষ সৃষ্টির অন্তর্গত এক নৈতিক-সচেতন উপস্থিতি।</p><p>মানুষের স্বাতন্ত্র্য আছে, কিন্তু সেই স্বাতন্ত্র্য বিচ্ছিন্নতার নয়; দায়িত্বের।</p><blockquote>লিফা মানে প্রভু নয়। এর অর্থ এমন এক প্রতিনিধি, যার ক্ষমতা স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়; বরং অর্পিত। তার কার্যকারিতা শর্তসাপেক্ষ। সেই শর্তের কেন্দ্রবিন্দু হলো জবাবদিহি।</blockquote><h3>খলিফা কর্তৃত্বের জন্য নয়, দায়িত্বের প্রতিনিধিত্ব </h3><p>মানুষ প্রথমত খলিফা। এই ধারণার দার্শনিক তাৎপর্য বিশ্লেষণযোগ্য। খলিফা মানে প্রভু নয়। এর অর্থ এমন এক প্রতিনিধি, যার ক্ষমতা স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়; বরং অর্পিত। তার কার্যকারিতা শর্তসাপেক্ষ। সেই শর্তের কেন্দ্রবিন্দু হলো জবাবদিহি।</p><p>অতএব খিলাফত কোনো সার্বভৌম দাবি নয়; এটি অর্পিত জিম্মাদারি।</p><p>এই বিচারে মানুষের সৃজনশীল ক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা, প্রযুক্তিনির্মাণের সামর্থ্য ইত্যাদি তাকে অধিকতর ভোগের লাইসেন্স দেয় না; বরং তার ওপর অধিকতর দায়িত্ব আরোপ করে।</p><p>এখানে যত বেশি ক্ষমতা, তত বেশি জবাবদিহি।</p><p>এই পুনর্বিন্যাস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এটি মানুষের শ্রেষ্ঠত্বকে পুনঃসংজ্ঞায়িত করে।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দৃষ্টিতে আধিপত্য বিস্তারের সামর্থ্য মানুষকে শ্রেষ্ঠত্ব দেয় না। মানুষের অনন্যতা তার দায়িত্ব গ্রহণের সক্ষমতায়।</p><p>ফিতরাতি বাস্ততন্ত্র সরাসরি বাতিল করে দেয় এমন ধারণাকে, যার দাবি হলো—একটি সভ্যতা যত বেশি প্রকৃতিকে শোষণ করতে পারে, তত বেশি উন্নত!</p><p>তার বিচারে একটি সভ্যতা তখনই উন্নত, যখন সে তার শক্তিকে সংযত করতে পারে, তার প্রযুক্তিকে নৈতিকতার আওতাধীন রাখতে পারে, এবং তার উন্নয়নকে সৃষ্টির ভারসাম্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/pwqoaxbl4h">ন্যায় থেকে ইহসান: ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার নৈতিক দর্শন</a></aside><h3>মানুষ অংশগ্রহণকারী</h3><p>ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র মানুষকে বুঝে অংশগ্রহণকারী সত্তা হিসেবে। এর অর্থ হলো মানুষ প্রকৃতির বাইরে দাঁড়িয়ে নেই। সে নিজেই এখানে প্রকৃতির একটি সক্রিয় উপাদান।</p><p>মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাস বৃক্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত, তার খাদ্য মাটির সঙ্গে সম্পর্কিত, তার জলের জরুরত বৃষ্টি ও নদীর সঙ্গে সম্পর্কিত, তার মানসিক ও সাংস্কৃতিক গঠন ভূদৃশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।</p><p>মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্ক কোনো জাহেরি ব্যবহারিক রিশতা নয়। মূলত এ রিশতা অস্তিত্বগত পারস্পরিক নির্ভরতা। প্রকৃতি ছাড়া মানুষের কোনো অস্তিত্ব টিকে থাকা সম্ভব নয়।</p><p>এই উপলব্ধি আধুনিক আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শনের কতিপয় বিচারকে চ্যালেঞ্জ করে। বিশেষত যখন সে মানুষকে ‘সাবজেক্ট’ বা কর্তা (যে দেখছে ও ব্যবহার করছে) এবং প্রকৃতিকে ‘অবজেক্ট’ বা জড় বস্তু (যা ব্যবহার করা হচ্ছে) মনে করে।</p><p>যদি মানুষ প্রকৃতির অংশ হয়, তবে প্রকৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা মানে নিজেকেই ক্ষতিগ্রস্ত করা। এই সম্পর্ক তাই অস্তিত্বগত।</p><p>একটি নগরায়িত মানুষ হয়তো নিজেকে প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবতে পারে, কিন্তু তার প্রতিটি নিশ্বাস, প্রতিটি আহার, প্রতিটি কোষীয় ক্রিয়া পৃথিবীর বৃহত্তর পরিবেশগত মেটাবলিজমের অংশ।</p><p>‘মেটাবলিজম’ বা বিপাক মানে, একটি জীবন্ত শরীরের ভেতরে শক্তির আদান-প্রদান ও রূপান্তর। পৃথিবী নামক বাস্তুতন্ত্রটি একটি বিশাল জীবন্ত শরীরের মতো। মানুষ যতই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করুক না কেন, সে আসলে এই বিশাল বৈশ্বিক শরীরের একটি অতি ক্ষুদ্র কোষ মাত্র। পৃথিবী যেভাবে শ্বাস নেয়, জলবায়ু পরিবর্তন করে এবং শক্তি আদান-প্রদান করে, মানুষ সেই চক্রেরই একটি অংশ।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা এই অংশগ্রহণমূলক অবস্থানকে মানবতত্ত্বের কেন্দ্রে স্থাপন করে।</p><p>কারণ মানুষ যদি নিজেকে অংশগ্রহণকারী হিসেবে অনুভব না করে, তবে তার মধ্যে প্রকৃতির প্রতি নৈতিক দায় জন্মায় না।</p><p>দায়িত্ববোধ জন্মায় কেবল তখন, যখন সম্পর্কের বোধ জন্মায়।</p><blockquote>যে মানুষ ধ্বংসকে উন্নয়ন বলে দাবি করে, সে নিজের অস্তিত্বগত সম্মানকে ক্ষুণ্ন করে। প্রকৃতি ধ্বংস করে নিজেকে উন্নত দাবি করা একধরনের আত্মপ্রবঞ্চনা বা ভণ্ডামি।</blockquote><h3>মানুষ জবাবদিহিসম্পন্ন সত্তা </h3><p>মানুষের তৃতীয় দিক হলো জবাবদিহিসম্পন্ন সত্তা। এটি মানুষের নৈতিক এজেন্সির ভিত্তি। তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং সেই অনুযায়ী কাজ করার স্বাধীন ক্ষমতা আছে।</p><p>প্রকৃতির অন্যান্য সত্তাও অস্তিত্বের ভারসাম্যের অংশ। কিন্তু তাদের কোনো নৈতিক আত্মসচেতনতা নেই। একটি বাঘ যখন শিকার করে, সে আত্মজিজ্ঞাসা করতে পারে না যে ‘আমার এই কাজ কি ন্যায়সংগত হলো?’ সে প্রকৃতির অবচেতন নিয়মেই চলে।</p><p>অন্যদিকে, মানুষ অনন্য। কারণ, সে নিজের দিকে তাকাতে পারে, নিজের কাজের ‘অর্থ’ ও ‘উদ্দেশ্য’ বিচার করতে পারে। কোনো কাজ করার আগে বা পরে মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করতে পারে। এই ক্ষমতাকে দর্শনে ‘রিফ্লেক্সিভিটি’ বা আত্মসচেতনতা বলা হয়।</p><p>এই সক্ষমতাই মানুষকে জবাবদিহির পরিসরে আনে।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার মতে, আমরা যখন একটা বনাঞ্চল কেটে ফেলি, নদী ভরাট করি বা কলকারখানার বর্জ্য দিয়ে মাটি দূষণ করি, তখন এর মধ্য দিয়ে আসলে নিজেদের ‘মানুষ হিসেবে নিজের পরিচয়’ (অ্যান্থোপ্রলজিক্যাল সেল্‌ফ–ডেফিনিশন) ঠিক করি।</p><p>যে মানুষ সৃষ্টির ভারসাম্য রক্ষা করে, সে নিজেকে দায়িত্ববান সত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</p><p>যে মানুষ ধ্বংসকে উন্নয়ন বলে দাবি করে, সে নিজের অস্তিত্বগত সম্মানকে ক্ষুণ্ন করে। প্রকৃতি ধ্বংস করে নিজেকে উন্নত দাবি করা একধরনের আত্মপ্রবঞ্চনা বা ভণ্ডামি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/k01gmlncyi">ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্র : অস্তিত্বের ভারসাম্য ও নৈতিক জবাবদিহি</a></aside><h3>মানুষের তিনটি বিচ্যুতি </h3><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা মনে করে, মানুষের পরিবেশগত বিপর্যয় মূলত মানবতাত্ত্বিক বিচ্যুতির ফল। এই বিচ্যুতি তিনভাবে ঘটে।</p><p><strong>১. যখন মানুষ প্রকৃতিকে পণ্য বানায়: </strong>যখন প্রকৃতির মূল্য কেবল বাজারমূল্যে নির্ধারিত হয়, তখন তার সত্তাগত মর্যাদা বিলুপ্ত হয়। প্রকৃতিকে এই ‘পণ্যকরণ’ বা ক্যাপিটালিস্টিক কমেডিফিকেশন মানুষের এক মৌলিক বিচ্যুতি।</p><p>দার্শনিক বিচারে এটি সংকীর্ণতাবাদ বা অবমাননাকরণ (রিডাকশনিজম), যা কোনো বিশাল এবং মহান বিষয়ের আসল রূপকে ছোট করে দেখে। প্রকৃতির বিশাল অস্তিত্ব, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতাকে যখন মানুষ কেবল ‘উপযোগিতা’ বা ‘আমার কী কাজে লাগবে’-ধরনের স্বার্থপর চিন্তার ভেতর বন্দী করে ফেলে, তখন প্রকৃতির পুরো অস্তিত্বটাই মানুষের কাছে সংকুচিত বা ছোট হয়ে যায়।</p><p><strong>২. যখন উন্নয়ন ধ্বংসের ছদ্মনামে পরিণত হয়: </strong>মানুষের আরেক বিচ্যুতি ঘটে তখন, যখন উন্নয়নকে এমন এক সর্বজনগ্রাহ্য আদর্শে রূপ দেওয়া হয়, যার নামে যেকোনো ধ্বংস বৈধতা পায়।</p><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যা উন্নয়নের বিরোধিতা করে না। বরং প্রশ্ন তোলে-উন্নয়ন কিসের, কার জন্য, কত দূর, এবং কোন মূল্যে?</p><p>যদি উন্নয়ন এমন হয় যে সে নদী মেরে শহর গড়ে, বন ধ্বংস করে শিল্পায়ন ঘটায়, মাটি বিষিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ায়—তবে তা প্রকৃত উন্নয়ন নয়; এটি গুরুতর বিচ্যুতি।</p><p>এটি এমন অগ্রগতি, যার ভেতরেই ভবিষ্যৎ বিপর্যয়ের বীজ নিহিত।</p><p><strong>৩. যখন মানুষ নিজের ফিতরাত ভুলে যায় </strong>এটাই সবচেয়ে গভীর বিচ্যুতি। ফিতরাত মানে মানুষের সেই অন্তর্গত নৈতিক-অস্তিত্বগত গঠন, যা তাকে সামঞ্জস্য, সংযম, সৌন্দর্যবোধ এবং সম্পর্কের দিকে আহ্বান করে।</p><p>যখন মানুষ নিজের ফিতরাত থেকে বিচ্যুত হয়, তখন তার প্রযুক্তি হতে থাকে নৈতিকতাহীন, তার জ্ঞান হয় প্রজ্ঞাহীন, তার উন্নয়ন সীমাহীন ভোগে পরিণত হয়।</p><p>এই বিচ্যুতির ফলেই মানুষ এমনভাবে পৃথিবীর ওপর কাজ করতে শুরু করে, যেন সে নিজেই অস্তিত্বের চূড়ান্ত মানদণ্ড। এটি মানবিক অহংকারের চরম রূপ।</p><blockquote>মানুষকে আবার শিখতে হবে সে কে। সে প্রকৃতির মালিক নয়, অংশীদার। সে বিধ্বংসী নিয়ন্তা নয়, জবাবদিহিসম্পন্ন প্রতিনিধি। সে বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়, সৃষ্টির সমগ্রতার অন্তর্গত এক নৈতিক উপস্থিতি।</blockquote><h3>পরিবেশ সংকটের প্রকৃত ব্যাখ্যা</h3><p>ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দাবি হলো-পরিবেশ সংকট মূলত প্রকৃতিতে নিহিত নয়; সংকট নিহিত মানুষের মধ্যেই ।</p><p>মূল রোগ মানুষের আত্মপরিচয়ের বিপর্যয়। যে মানুষ নিজেকে প্রভু মনে করে, সে শোষণ করবে। যে মানুষ নিজেকে বিচ্ছিন্ন ভাবে, সে ধ্বংস করবে। যে মানুষ নিজের ফিতরাত ভুলে যায়, সে ভারসাম্য হত্যা করবে।</p><p>অতএব পরিবেশ পুনরুদ্ধারের প্রকৃত সূচনা হবে মানুষের আত্মবোধের পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে ।</p><p>মানুষকে আবার শিখতে হবে সে কে। সে প্রকৃতির মালিক নয়, অংশীদার। সে বিধ্বংসী নিয়ন্তা নয়, জবাবদিহিসম্পন্ন প্রতিনিধি। সে বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়, সৃষ্টির সমগ্রতার অন্তর্গত এক নৈতিক উপস্থিতি।</p><p>এই আত্মস্মরণে নিহিত আছে ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার মানবতাত্ত্বিক পুনর্জাগরণ। এই পুনর্জাগরণ ছাড়া কোনো পরিবেশগত পুনরুদ্ধার স্থায়ী হতে পারে না।</p><ul><li><p><em><strong>মুসা আল হাফিজ :</strong> লেখক, গবেষক এবং ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের চেয়ারম্যান</em></p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/3wqjj2l4jv">জ্ঞান ও আমলের সম্পর্ক: ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের কর্মতত্ত্ব</a></aside>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাণী কি মশা!
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রাণী কি মশা!

<p>রাতে ঘুমাতে গেছেন। ঘর অন্ধকার, চারপাশ নিস্তব্ধ। হঠাৎ কানের কাছে ভেসে এল একটা ভনভন শব্দ। হাত বাড়িয়ে মশাটা মারতে গেলেন। কিন্তু ওটা ততক্ষণে উধাও। একটু পর আবার ফিরে এল। এবার হয়তো হাতের আঙুলে, নয়তো পায়ের পাতায় বসে রক্ত খাওয়ার চেষ্টা করছে।</p><p>একটা মশা নিয়ে এত কাণ্ড! আকারে এত ছোট যে হাতের এক চিমটিতেই ধরে ফেলা যায়। অথচ পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণীদের সঙ্গে মৃত্যুর হিসাব মেলালে এই ক্ষুদ্র প্রাণীটিই অনেককে পেছনে ফেলে দেবে। হাঙর, কুমির কিংবা সাপের চেয়েও বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী মশা। তবে সরাসরি কামড়ে নয়। মশা যে রোগজীবাণু ছড়িয়ে দেয়, বিপদটা মূলত সেখানেই।</p><p>একটি হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতিবছর মশাবাহিত রোগে প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এই মৃত্যুর বড় অংশের জন্য দায়ী ম্যালেরিয়া। অথচ মশার শরীরে বাঘের মতো শক্তি নেই, সাপের মতো বিষ নেই, কুমিরের মতো ধারালো দাঁতও নেই। মশার অস্ত্র চোখেও দেখা যায় না। মশা শুধু নিরবে রোগ ছড়িয়ে দেয়। এটাই ওদের ক্ষমতা।</p><p>আপনি হয়তো জানেন, সব মশা কিন্তু মানুষকে কামড়ায় না। মানুষের রক্ত খায় স্ত্রী মশা। পুরুষ মশা সাধারণত ফুলের মধু ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে খাবার সংগ্রহ করে। স্ত্রী মশাও মধু খেতে পারে, তবে ডিম তৈরির জন্য তার রক্তের প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি দরকার হয়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/uphbxzv649">মশা কেন আমাদের রক্ত চুষে খায়</a></aside><blockquote>পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণীদের সঙ্গে মৃত্যুর হিসাব মেলালে এই ক্ষুদ্র প্রাণীটিই অনেককে পেছনে ফেলে দেবে। হাঙর, কুমির কিংবা সাপের চেয়েও বেশি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী মশা।</blockquote><p>রক্ত খাওয়ার সময় স্ত্রী মশা সরু, সূচের মতো মুখের অংশ ত্বকের ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। এই অংশটির নাম প্রোবোসিস। এর সাহায্যে স্ত্রী মশা রক্ত টেনে নেয়। একটি স্ত্রী মশা নিজের ওজনের দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত রক্ত শুষে নিতে পারে।</p><p>অবশ্য মশা কামড়ালেই যে আপনার কোনো রোগ হবে, এমন নয়। বেশির ভাগ মশার কামড়ে রোগ ছড়ায় না। কামড়ানোর পর ত্বকে যে ছোট্ট ফোলা দাগ হয়, চুলকায়, তার পেছনে রয়েছে মশার লালা। রক্ত খাওয়ার সময় মশা এই লালা ত্বকের ভেতর ছাড়ে। লালার কিছু উপাদানের কারণে ত্বকে সামান্য অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া হয়। তাই চুলকানি শুরু হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-20/pspqpex7/%E0%A6%AE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20.jpg"><figcaption>বেশির ভাগ মশার কামড়ে রোগ ছড়ায় না</figcaption></figure><p>মশার লালায় এমন উপাদান থাকে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। তা না হলে রক্ত টানার সময় রক্ত জমে গিয়ে মশার খাবার সংগ্রহে অসুবিধা হতো। আবার লালার কিছু উপাদান ত্বকে সূচ ফোটানোর অনুভূতিও কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। অর্থাৎ মশা যখন আপনার রক্ত খেতে আসে, তখন তার শরীর এমনভাবে কাজ করে, যাতে খাবার সংগ্রহ করতে সুবিধা হয়।</p><p>কামড়ের জায়গায় চুলকানি সাধারণত নিজে থেকেই কমে যায়। তবে চুলকাতে গিয়ে ত্বক কেটে ফেললে সমস্যা বাড়তে পারে। চুলকানি বেশি হলে উপযুক্ত ওষুধ ব্যবহারের বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/93jf41mujx">পৃথিবীর সব মশা মেরে ফেললে কি হতো</a></aside><blockquote>অবশ্য মশা কামড়ালেই যে আপনার কোনো রোগ হবে, এমন নয়। বেশির ভাগ মশার কামড়ে রোগ ছড়ায় না। কামড়ানোর পর ত্বকে যে ছোট্ট ফোলা দাগ হয়, চুলকায়, তার পেছনে রয়েছে মশার লালা।</blockquote><h2><strong>মশা রোগ ছড়ায় কীভাবে</strong></h2><p>একজন অসুস্থ মানুষের রক্ত থেকে রোগজীবাণু মশার শরীরে ঢুকতে পারে। পরে সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে জীবাণু তার শরীরেও পৌঁছাতে পারে। এভাবে মশা এক মানুষের কাছ থেকে অন্য মানুষের মধ্যে রোগ ছড়িয়ে দেওয়ার বাহক হয়ে ওঠে।</p><p>মশার মাধ্যমে ছড়ানো রোগের মধ্যে রয়েছে ডেঙ্গু, ওয়েস্ট নাইল ভাইরাসজনিত রোগ এবং আরও কিছু ভাইরাসের সংক্রমণ। তবে পৃথিবীজুড়ে মশাবাহিত রোগগুলোর মধ্যে ম্যালেরিয়া বিশেষভাবে ভয়ংকর। এটি হয় <em>প্লাজমোডিয়াম</em> নামের একধরনের পরজীবীর কারণে। এই পরজীবী বহন করতে পারে <em>অ্যানোফিলিস</em> গণের স্ত্রী মশা।</p><p>ধরুন, একটি মশা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত কাউকে কামড়াল। রক্তের সঙ্গে পরজীবীও মশার শরীরে ঢুকে পড়তে পারে। এরপর পরজীবী মশার শরীরে বিকশিত হয়ে তার লালাগ্রন্থিতে পৌঁছাতে পারে। সেই মশা যখন আরেকজন মানুষকে কামড়ায়, তখন পরজীবী নতুন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এভাবেই সংক্রমণ ছড়ায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/cv2dysd9/Mosquito_human_Asia_malaria_vector.webp"><figcaption>প্লাজমোডিয়াম পরজীবী বহন করতে পারে অ্যানোফিলিস গণের স্ত্রী মশা</figcaption></figure><p>ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে জ্বর, কাঁপুনি এবং ফ্লুর মতো নানা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। রোগটি গুরুতরও হতে পারে; কখনো কখনো মৃত্যুও ঘটে। একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, মশা নিজে কোনো রোগে আক্রান্ত না হয়েও রোগজীবাণু ছড়াতে পারে। আবার সব মশা সব রোগ ছড়ায় না। নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতির মশা নির্দিষ্ট রোগের জীবাণু বহন করে।</p><p>আরেকটি স্বস্তির খবর আছে। মশার কামড়ে এইচআইভি সংক্রমণ হয়, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ মশা মানুষের রক্ত খেলেও এইচআইভি একজনের শরীর থেকে আরেকজনের শরীরে এভাবে ছড়িয়ে দেয় না।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/wk7w9qdhfc">মশা কামড়ালে চুলকায় কেন</a></aside><blockquote>ধরুন, একটি মশা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত কাউকে কামড়াল। রক্তের সঙ্গে পরজীবীও মশার শরীরে ঢুকে পড়তে পারে। এরপর পরজীবী মশার শরীরে বিকশিত হয়ে তার লালাগ্রন্থিতে পৌঁছাতে পারে।</blockquote><h2><strong>আপনাকেই কেন বেশি কামড়ায়</strong></h2><p>একই ঘরে কয়েকজন মানুষ বসে আছেন। অথচ কিছুক্ষণ পর দেখা গেল, একজনের হাত-পা মশার কামড়ে ভরে গেছে, অন্যজন প্রায় অক্ষত। এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। তাহলে কি মশা কাউকে বেশি পছন্দ করে?</p><p>মশা তার লক্ষ্য খুঁজে পেতে শ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসা কার্বন ডাই-অক্সাইড শনাক্ত করতে পারে। মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী নিঃশ্বাস ছাড়ার সময় এই গ্যাস বের করে। স্ত্রী মশা সেই সংকেত অনুসরণ করে সম্ভাব্য খাবারের উৎসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-05/5dwiuarh/mosha.jpg"><figcaption>মশা তার লক্ষ্য খুঁজে পেতে শ্বাসের সঙ্গে বেরিয়ে আসা কার্বন ডাই-অক্সাইড শনাক্ত করতে পারে</figcaption></figure><p>তবে শুধু কার্বন ডাই-অক্সাইড দিয়েই মশা তার লক্ষ্য ঠিক করে না। শরীরের তাপমাত্রা, ঘামের সঙ্গে বের হওয়া কিছু রাসায়নিক পদার্থ এবং রক্তের গ্রুপের কারণেও মশার কাউকে বেশি কামড়াতে পারে। ঠিক কী কারণে কোনো কোনো মানুষকে মশা বেশি কামড়ায়, তা বিজ্ঞানীরা এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারেননি। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের একটি অংশ অন্যদের তুলনায় বেশি মশার কামড়ের শিকার হয়।</p><p>তাই আপনার পাশে বসা বন্ধুটিকে মশা বেশি কামড়ালে ধরে নেওয়ার কারণ নেই যে সে অপরিষ্কার। এর পেছনে শরীর থেকে বের হওয়া বিভিন্ন সংকেতের ভূমিকা থাকতে পারে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/mfn71q1hsh">মশা পায়ের পাতায় বেশি কামড়ায় কেন</a></aside><blockquote>মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী নিঃশ্বাস ছাড়ার সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস বের করে। স্ত্রী মশা সেই সংকেত অনুসরণ করে সম্ভাব্য খাবারের উৎসের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।</blockquote><h2><strong>মশা তাড়ানোর সব উপায় কি কাজে লাগে</strong></h2><p>মশা ঠেকাতে বাজারে নানা ধরনের যন্ত্র পাওয়া যায়। কিছু যন্ত্র আলো দিয়ে পোকামাকড় আকর্ষণ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে মারে। আবার কিছু যন্ত্র শব্দের মাধ্যমে মশা দূরে রাখার দাবি করে। কিন্তু এসব পদ্ধতি যে মশা নিয়ন্ত্রণে খুব কার্যকর, তার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। বিশেষ করে আলো দিয়ে পোকা মারার যন্ত্রে অনেক উপকারী পতঙ্গও মারা পড়তে পারে।</p><p>কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে মশা ধরার ফাঁদ তৈরি করা যায়। তবে শুধু এমন ফাঁদের ওপর নির্ভর করলেও হবে না। মশার সংখ্যা কমাতে ঘরের আশপাশে জমে থাকা পানি সরাতে হবে। এলাকার সবাই মিলে মশা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-12/6u6qrh8b/%E0%A7%A7%E0%A7%AF.jpg"><figcaption>বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকলে সেখানে মশা জন্মানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে</figcaption></figure><p>কারণ, মশার বংশবিস্তারের জন্য জমে থাকা পানির মতো উপযুক্ত জায়গা গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমে থাকলে সেখানে মশা জন্মানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই ফুলের টব, ফেলে রাখা পাত্র কিংবা অন্য কোথাও পানি জমে আছে কি না, খেয়াল রাখা দরকার।</p><p>মশার কামড় এড়াতে উপযুক্ত প্রতিরোধকও ব্যবহার করা যায়। এ ক্ষেত্রে ডিইইটি ও পিকারিডিন কাজে লাগতে পারে। লেবু ইউক্যালিপটাস তেল থেকে তৈরি পিএমডি এবং আইআর৩৫৩৫-যুক্ত পণ্যও ব্যবহার করা হয়। তবে যে পণ্যই ব্যবহার করুন, তার গায়ে লেখা নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি। শিশুদের ক্ষেত্রে পণ্যটি তাদের বয়সের জন্য উপযুক্ত কি না, সেটাও দেখে নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/07p43ncwkw">ফুসফুসে কি মশা ঢুকতে পারে</a></aside><blockquote>কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে মশা ধরার ফাঁদ তৈরি করা যায়। তবে শুধু এমন ফাঁদের ওপর নির্ভর করলেও হবে না। মশার সংখ্যা কমাতে ঘরের আশপাশে জমে থাকা পানি সরাতে হবে।</blockquote><h2><strong>মশা অনেক পুরোনো শত্রু</strong></h2><p>মশার ইতিহাসও বেশ দীর্ঘ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, জুরাসিক যুগ থেকেই পৃথিবীতে মশার অস্তিত্ব রয়েছে। অর্থাৎ এদের বয়স ১৫ কোটি বছরেরও বেশি। প্রাগৈতিহাসিক যুগের মশার জীবাশ্ম দেখে গবেষকেরা ধারণা করেন, এত দীর্ঘ সময়ে এদের শরীরের গঠনে তুলনামূলকভাবে খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি।</p><p>মশক বা ইংরেজি <em>mosquito</em> শব্দটির উৎস স্প্যানিশ ভাষার <em>mosca </em>থেকে। এর অর্থ মাছি। এর সঙ্গে ছোট বোঝাতে <em>-ito</em> যোগ হলে শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় ‘ছোট মাছি’।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-04/kb8xe4r5/mosquito.webp"><figcaption>বিজ্ঞানীদের ধারণা, জুরাসিক যুগ থেকেই পৃথিবীতে মশার অস্তিত্ব রয়েছে</figcaption></figure><p>মানুষের সভ্যতা বদলেছে, চিকিৎসাবিজ্ঞান এগিয়েছে, রোগ শনাক্ত করার পদ্ধতি আরও উন্নত হয়েছে। তবু মশাবাহিত রোগ এখনো পৃথিবীর বহু মানুষের জন্য বড় বিপদ। মশা এত ছোট যে খালি চোখেই দেখা যায়, কিন্তু এর বহন করা জীবাণু একেকটি জীবন কেড়ে নিতে পারে।</p><p>এ কারণে মশাকে শুধু বিরক্তিকর পতঙ্গ হিসেবে দেখলে চলবে না। কানের পাশে ভনভন শব্দ শুনে তাকে তাড়ানো দরকার অবশ্যই, কিন্তু তার চেয়েও জরুরি মশার বংশবিস্তার রোধ করা, প্রয়োজনীয় প্রতিরোধক ব্যবহার করা এবং মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকা।</p><h4>লেখক: প্রদায়ক, বিজ্ঞানচিন্তা</h4><h4>সূত্র: হেলথ চ্যানেল ও আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডেটা</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/en3bbpbfye">মশা নিয়ে অজানা ৬</a></aside>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
বাজারে আসার পরপরই আইফোন ডুও ফোনের পর্দায় ফাটল, অভিযোগ গ্রাহকদের
বাজারে আসার পরপরই আইফোন ডুও ফোনের পর্দায় ফাটল, অভিযোগ গ্রাহকদের

<p>অ্যাপলের নতুন ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুও বাজারে এসেছে ২৩ অক্টোবর। এরই মধ্যে ফোনটির পর্দায় ফাটল, ডেড পিক্সেল ও রেখা দেখা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন গ্রাহক। তাদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, ফোন কেনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পর্দা ফেটে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশ করে ক্ষোভ জানাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। কেউ কেউ সমস্যাটির নাম দিয়েছেন ‘ক্র্যাকগেট’।</p><p> গ্রাহকদের অভিযোগ, ফোনটি ভাঁজ করে খোলার সময় প্রথমে কবজায় (হিঞ্জ) অস্বাভাবিক শক্তভাব অনুভূত হয়। এরপর একটি শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে পর্দায় ফাটল দেখা দেয়। কারও কারও দাবি, ফোনটি স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে গিয়েই এমন সমস্যার মুখে পড়েছেন তাঁরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক আইফোন ডুওর পর্দায় প্রায় একই ধরনের ফাটল দেখা গেছে। পর্দার মাঝখানের ভাঁজ বরাবর লম্বা ফাটল তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি পর্দার একাংশে ভাঙা বা চিপ উঠে যাওয়ার মতো ক্ষতিও দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো ফোনের ডান পাশের পর্দাজুড়ে উজ্জ্বল রেখা তৈরি হয়েছে, যা ডেড পিক্সেলের কারণে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবহারকারীরা। ফোনটির সরবরাহসংকটও গ্রাহকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। অনলাইনে আইফোন ডুওর সব রং ও স্টোরেজের সংস্করণ বিক্রি হয়ে গেছে। নতুন অর্ডার দিলে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারির আগে ফোন পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ত্রুটিপূর্ণ ফোন বদলে নিতে চাইলেও গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।</p><p>অ্যাপলের দাবি, আইফোন ডুওর কবজা এমনভাবে নকশা করা হয়েছে, যাতে পর্দার মাঝখানে ভাঁজের দাগ কম থাকে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও ফোনটি নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে। তবে বাজারে আসার কয়েক দিনের মধ্যেই পর্দা ফেটে যাওয়ার এসব অভিযোগ ফোনটির স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রেডিটে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, আইফোন ডুও কেনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর ফোনের পর্দায় ফাটল দেখা দেয়। এর আগে তিনি ফোনটি বড়জোর ২০ বার খুলেছিলেন। এরপর হঠাৎ একটি ‘পপ’ শব্দ শুনতে পান। পরে দেখতে পান, পর্দা ফেটে গেছে।</p><p>আরেক ব্যবহারকারী জানান, ফোনটি হাতে পাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে ২০ বারের কম খুলেছিলেন তিনি। এক বন্ধুকে এটি দেখানোর জন্য খোলার সময় ভেতরের কবজার কাছে অস্বাভাবিক কিছু অনুভব করেন। ফোনটি আরও খুলতেই ফাটার শব্দ হয় এবং কবজার বরাবর পর্দা ভেঙে যায়।</p><p>অন্য এক গ্রাহকের দাবি, ফোনের প্রাথমিক সেটআপ শেষ করার আগেই পর্দায় ফাটল দেখা দেয়। মাত্র চারবার ফোনটি খোলার পর এ ঘটনা ঘটে। তাঁর ভাষ্য, কবজাটি শক্ত হয়ে যাওয়ার পর একটু বেশি চাপ দিয়ে ফোনটি খুলতে গেলে বিকট শব্দ হয়। এরপরই পর্দা ফেটে যায়। একাধিক ব্যবহারকারীর অভিযোগে একই ধরনের লক্ষণ উঠে এসেছে। তাঁদের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথমে কবজায় অস্বাভাবিক শক্তভাব অনুভূত হয়, এরপর শব্দের সঙ্গে পর্দায় ফাটল তৈরি হয়। ফাটলগুলোর আকৃতিও প্রায় একই রকম। ইংরেজি ‘টি’ অক্ষরের মতো।</p><p>তবে সমস্যাটির কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের ত্রুটির বিষয়ে অবগত কি না, তা-ও নিশ্চিত করেনি। এদিকে প্রযুক্তিপণ্য মেরামতবিষয়ক ওয়েবসাইট আইফিক্সিট ফোনটির ভেতরের যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধান করেছে। নতুন আইফোন ডুওর মেরামতযোগ্যতা যাচাই করতে ফোনটি খুলে পরীক্ষা করেছে আইফিক্সিট। তাদের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এটির কবজার কাঠামো বেশ জটিল। এর কোনো একটি অংশ ঠিকভাবে নড়াচড়া না করলে পর্দার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফোনের ভেতরে থাকা একটি তারও এমন জায়গা দিয়ে গেছে, যেখান থেকে ব্যবহারকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী পর্দায় ফাটল ছড়িয়ে পড়ছে। কবজার কোনো অংশ ঠিকমতো ভাঁজ না হওয়া এবং ভেতরের যন্ত্রাংশগুলোর অবস্থানের কারণে পর্দায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/znt9j4zh/duo02.jpg"><figcaption>আইফোন ডুওর ফাটল</figcaption></figure><p>দক্ষিণ কোরিয়ার ইউটিউবার কিউরিয়াসহাগিও ফোনটির স্থায়িত্ব পরীক্ষা করার সময় একই ধরনের ফাটল তৈরির ঘটনা পুনরায় ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন। পরে ফোনটি খুলে পরীক্ষা করে তিনি দেখতে পান, কবজার ভেতরের একটি ছোট যন্ত্রাংশ ভেঙে গেছে। তাঁর পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই যন্ত্রাংশ ভেঙে যাওয়ার প্রভাবেই পর্দায় ফাটল তৈরি হয়েছে। যন্ত্রাংশটি কবজার আশপাশের অন্য অংশগুলোর তুলনায় পাতলা। ফলে কবজার যান্ত্রিক ব্যবস্থা আটকে গেলে বা ঠিকভাবে কাজ না করলে এটি ভেঙে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সমস্যাটির প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।</p><p>এ ধরনের ত্রুটি মেরামতে খরচও কম নয়। অ্যাপলের ওয়ারেন্টি নীতিমালা অনুযায়ী, দুর্ঘটনা বা অসতর্ক ব্যবহারের কারণে নয়, স্বাভাবিক ব্যবহারের সময় কবজায় ত্রুটি দেখা দিলে এক বছরের ওয়ারেন্টির আওতায় মেরামতের সুযোগ রয়েছে। তবে ওয়ারেন্টির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আইফোন ডুওর মেরামত খরচ সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হতে পারে, যা অনেক নতুন স্মার্টফোনের দামের তুলনায় বেশি।</p><p>তবে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু গ্রাহক অ্যাপলের কাছ থেকে পুরো টাকা ফেরত পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। রেডিটে কয়েকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, অনলাইনে নতুন ফোনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সরাসরি অ্যাপল স্টোরে গিয়ে প্রতিস্থাপনের আবেদন করেছিলেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ নতুন ফোনও পেয়েছেন।</p><p>আইফোন ডুওর পর্দায় ফাটল তৈরির কারণ সম্পর্কে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে কবজার নকশা, কোনো যন্ত্রাংশের ত্রুটি নাকি অন্য কোনো কারণে এ সমস্যা হচ্ছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p>সূত্র: ডেইলি মেইল ডটকম</p>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
আগুনে পুড়ল দক্ষিণ কোরিয়ার গুরিয়ং বস্তি
আগুনে পুড়ল দক্ষিণ কোরিয়ার গুরিয়ং বস্তি

<p>দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের অভিজাত গাংনাম এলাকার উপকণ্ঠে অবস্থিত গুরিয়ং বস্তিতে মঙ্গলবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটে আসেন দমকলকর্মীরা, আকাশ থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে ছিটানো হয় পানি। বস্তির সেই আগুন, উদ্ধার তৎপরতা ও দুর্যোগের নানা মুহূর্ত উঠে এসেছে বার্তা সংস্থা এএফপির আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/uvwxoppb/1.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>বস্তিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাস্থলের অদূরে ভিড় জমান উৎসুক মানুষ। সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/qvzni8ea/2.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>বস্তির ভেতর লেলিহান শিখা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা। পাশে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখছেন এক ব্যক্তি। সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/i42vcj57/3.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>কুণ্ডলী পাকিয়ে ওঠা কালো ধোঁয়ার ভেতর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুন নেভাতে ব্যস্ত দমকলকর্মীরা। গুরিয়ং বস্তি, সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/3d0xhwbs/4.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>বস্তিতে ছড়িয়ে পড়া আগুন বাগে আনতে আকাশ থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে। সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/ihn9v4rj/5.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>আগুনের মূল উৎসের কাছে পৌঁছে কাজ করে যাচ্ছেন এক দমকলকর্মী। গুরিয়ং বস্তি, সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/qzzc0oh1/6.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>দীর্ঘ সময় ধরে টানা আগুন নেভানোর পর ক্লান্ত-বিধ্বস্ত হয়ে মাটিতে বসেই বিশ্রাম নিচ্ছেন এক দমকলকর্মী। গুরিয়ং বস্তি, সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/zyj6f3px/7.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে উদ্ধার তৎপরতা চালাতে সতর্কতার সঙ্গে হেঁটে যাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। গুরিয়ং বস্তি, সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/dye8jatm/8.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>আগুনে পুড়ছে ঘরবাড়ি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্কাবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন পুলিশ সদস্যরা। সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/gu4z4oel/9.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>চারপাশ নিরাপত্তাবেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রেখেছেন পুলিশ সদস্যরা, আর ওপর থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে পানি ছিটানো হচ্ছে। গুরিয়ং বস্তি, সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/3iy2skye/10.-South-KoreaSeoulGuryeong-slumfirefirefightersrescue-operation27102026.jpg"><figcaption>আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়ার পেছনে দৃশ্যমান পুড়ে যাওয়া বস্তির এক গির্জার ক্রুশযুক্ত চূড়া। সিউল, ২৭ অক্টোবর</figcaption></figure>

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক বিমান ও তেল শোধনাগারে হামলার দাবি হুথিদের
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সামরিক বিমান ও তেল শোধনাগারে হামলার দাবি হুথিদের

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী দাবি করেছে যে তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এদিকে, অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট 'অর্ণব'। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও বিরোধীজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও বিরোধীজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু'র নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী দলগুলোর জোটের সঙ্গে গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। তবে বুথফেরত জরিপে এখন পর্যন্ত যে ফলাফলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, তাতে কোনো দলই সরকার গঠন করার মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
পত্রিকা: 'নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার'
পত্রিকা: 'নতুন পে-স্কেলে বেতন দিতে ব্যাংক ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে সরকার'

পহেলা নভেম্বর নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেবে সরকার। এজন্য বাড়তি ব্যয় সংস্থানে সরকার চলতি মাসে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের বিষয়টি রয়েছে মঙ্গলবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত অধিকাংশ সংবাদপত্রের প্রধান শিরোনামে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
মাশরুম চাষ কি বাড়ছে, এটিই কি ব্যাঙের ছাতা?
মাশরুম চাষ কি বাড়ছে, এটিই কি ব্যাঙের ছাতা?

বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা মাশরুমের মতো দেখতে 'ব্যাঙের ছাতা'কে অনেকে মাশরুম মনে করে থাকেন। গবেষকরা ব্যাখ্যা করেছেন বিষয়টা।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দু'দেশের নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব থাকবে বিশ্বব্যাপী
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দু'দেশের নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব থাকবে বিশ্বব্যাপী

আগামী সপ্তাহে দুইটি পৃথক মহাদেশে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যার ফলাফল পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করতে পারে। অভাবনীয়ভাবে মিলে যাওয়া নির্বাচনী ক্যালেন্ডারে প্রায় ছয় হাজার মাইল দূরত্বের দুইটি দেশের ভোটাররা মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
'বিগ-বি' কী এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতকেও কেন এতে রাখতে চায় জাপান?
'বিগ-বি' কী এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতকেও কেন এতে রাখতে চায় জাপান?

২০১৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশের তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরের সময় দেশটির তখনকার প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বিগ-বি ধারণাটি প্রথমে সামনে নিয়ে এসেছিলেন। ২০২৩ সালে জাপানের তখনকার প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার ভারত সফরের সময় বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে এই শিল্পাঞ্চলের প্রস্তাব ও এতে ভারতের যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গটি উঠে আসে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে
'বিএনপি সরকারকে ভোট দিয়া আজকে এই ভুক্তভোগী' বলা ময়মনসিংহের নারী ব্যবসায়ী কারাগারে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে বিএনপি সরকার ও বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পর ময়মনসিংহে একজন নারী ব্যবসায়ীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট কে?
ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট কে?

ইসরায়েলের সাবেক সামরিক কমান্ডার গাদি আইজেনকোট দেশটির সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কেবল রাজনৈতিক কারণই নয়, নেতানিয়াহুর বিরোধিতায় তার ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬
কিশোররা অপরাধী নয়, তারা ভুল করে: মো. এমরান খান
কিশোররা অপরাধী নয়, তারা ভুল করে: মো. এমরান খান

শিশু-কিশোরদের বয়স ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাদের প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীদের সঙ্গে সাধারণ কারাগারে না রেখে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
খুলনায় ২২ সন্ত্রাসী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে কিশোর গ্যাং
খুলনায় ২২ সন্ত্রাসী গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে কিশোর গ্যাং

মহানগরী ও জেলাজুড়ে কিশোর অপরাধ এখন খুলনাবাসীর জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরীতে বর্তমানে ছোট-বড় মিলিয়ে অন্তত ২২টিরও বেশি কিশোর গ্যাং সক্রিয় রয়েছে। গ্যাংগুলোর দ্বন্দ্বে নগরীতে জোড়া হত্যাকাণ্ডও ঘটেছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
কিশোর গ্যাং নিয়ে যা মিলল গবেষণায়
কিশোর গ্যাং নিয়ে যা মিলল গবেষণায়

কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির বিস্তার, এর নেপথ্যের কারণ এবং উত্তরণের উপায় নিয়ে গবেষণা করেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম আনোয়ার হোসেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
দূরত্বের গুঞ্জন উড়িয়ে শুভশ্রীর স্বামীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেব
দূরত্বের গুঞ্জন উড়িয়ে শুভশ্রীর স্বামীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেব

সিনেমাটির নাম ঘোষণার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের অতীত জীবন নিয়ে চর্চা ও ট্রলিং শুরু হয়।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
মিরপুর টেস্টে শুরুর ধাক্কা সামলে নিচ্ছেন মুমিনুল-সাদমান
মিরপুর টেস্টে শুরুর ধাক্কা সামলে নিচ্ছেন মুমিনুল-সাদমান

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই পেসার জেইডেন সিলস ও শামার জোসেফের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই চাপে পড়েছে স্বাগতিকরা।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
এবার স্বর্ণের দাম বাড়ল
এবার স্বর্ণের দাম বাড়ল

দেশের বাজারে টানা চারবার কমার পর এবার স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
মুশফিককে একাদশে না রাখার ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
মুশফিককে একাদশে না রাখার ব্যাখ্যা দিল বিসিবি

আঙুলের চোট শেষ পর্যন্ত খেলতে দিল না মুশফিকুর রহিমকে। অনুশীলনে পাওয়া চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় তাকে ছাড়াই একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজ ও রবি শস্য চাষের ধুম
ভোলার চরাঞ্চলে তরমুজ ও রবি শস্য চাষের ধুম

অনুকূল আবহাওয়া আর বিগত মৌসুমের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ার সুবাদে ভোলার উপকূলীয় এবং বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলগুলোতে এখন চলছে আগাম তরমুজ ও অন্যান্য রবি শস্যের বীজতলা তৈরির ব্যস্ততা। 

অক্টোবর ২৮, ২০২৬