আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালানোর সময় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুণ্ডুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। 

সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত মো. আলী (৬০) নামের একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা

প্রতিবছ‌রের ম‌তো ঢাকায় শুরু হ‌চ্ছে সুফিবাদী বৃহৎ অরাজ‌নৈ‌তিক দ্বী‌নি সংগঠন ‘দাওয়াতে ইসলামী’র তিন দিনের সুন্নাতে ভরা ইজতেমা। 

ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটছে। শুক্রবার জেলেনস্কি সাফ জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের ডিজেল চুক্তিকে মানেন না। 

আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নির্দেশে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানী...

মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণরাই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই তরুণ। তরুণরা সব সময় আন্দোলন করেছে সামাজিক মর্...

জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

সারা দেশ

View more
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত
রংপুরের পীরগঞ্জে পৌরভবনের ছাদ ধসে ২ শ্রমিক নিহত

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকে পীরগঞ্জ পৌরভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন ১৩ শ্রমিক। বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ ছাদ ঢালাইয়ের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাঠামো (সাটারিং) ভেঙে পড়ে। এতে কয়েকজন শ্রমিক তার নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে

Video news
Readysell
Readysell

https://www.youtube.com/watch?v=8tpROnMtdbk

Rss feed news

পূজার ফ্যাশনে টালি তারকারা, সবার লুকে উৎসবের আমেজ
পূজার ফ্যাশনে টালি তারকারা, সবার লুকে উৎসবের আমেজ

কলকাতায় ইতিমধ্যেই পূজার ধুম। টালি তারকাদের সাজপোশাকেও স্পষ্ট এই উৎসবমুখর আমেজ। এথনিক লুকে ধরা দিয়েছেন সবাই। ছবির গল্পে তাঁদের লুকের বিস্তারিত জেনে আসি চলুন—

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ঘরের লাইট–ফ্যান আছে, কিন্তু আট বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই আড়াই হাজার গ্রাহকের
ঘরের লাইট–ফ্যান আছে, কিন্তু আট বছর ধরে বিদ্যুৎ নেই আড়াই হাজার গ্রাহকের

<p>নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চার গ্রামে বিদ্যুতায়নের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। কিন্তু আট বছর পেরিয়ে গেলেও চালু হয়নি বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure></figure>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ইহুদিদের আলাদা রাষ্ট্র না থাকলেই ভালো হতো বলা কে এই ইসরায়েলি রাবাই, কেন তিনি এমন বলছেন
ইহুদিদের আলাদা রাষ্ট্র না থাকলেই ভালো হতো বলা কে এই ইসরায়েলি রাবাই, কেন তিনি এমন বলছেন

<p>জায়নবাদের কড়া সমালোচনা করে ইসরায়েলে তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ কট্টরপন্থী ইহুদি ধর্মীয় নেতা ডভ লান্দো। সম্প্রতি তাঁর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ৯৬ বছর বয়সী এই ধর্মীয় পণ্ডিতকে সেখানে বলতে শোনা যায়, জায়নবাদী আদর্শই ইহুদিদের জীবনে চরম দুর্ভোগ ডেকে এনেছে। ইসরায়েলের ইহুদিদের আলাদা কোনো রাষ্ট্র না থাকলেই বরং ভালো হতো।</p><p> সামনে ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচন। তার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে লান্দোর এমন মন্তব্যে খেপেছেন দেশটির রাজনীতিকেরা। এবার নির্বাচনে কট্টরপন্থীদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে। পরবর্তী সরকার গঠনের সমীকরণেও এই ধর্মীয় দলগুলোর অবস্থান বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p><p> ডভ লান্দোকে ইসরায়েলের লিথুয়ানিয়ান ধারার কট্টরপন্থী ইহুদি সম্প্রদায়ের মূল কাণ্ডারি মনে করা হয়। পোল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই নেতা লিথুয়ানিয়ান ধর্মীয় ঐতিহ্যে ভেতরে বড় হয়েছেন। বনের ব্রাক শহরে ঐতিহ্যবাহী ইহুদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা ‘ইয়েশিভা’র প্রধান তিনি। শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের নীতিনির্ধারণী পরিষদেরও তিনি অন্যতম সদস্য। ইসরায়েলের রাজনৈতিক দল ‘দেগেল হাতোরাহ’র আধ্যাত্মিক গুরুও এই রাবাই। তাঁর এই দল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের শরিক ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (ইউটিজে) জোটের অংশ।</p><p>সম্প্রতি ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওটি প্রায় এক বছর আগের। সেখানে লান্দো জায়নবাদ, সেনাবাহিনীতে বাধ্যতামূলক যাওয়া ও ধর্মনিরপেক্ষ ইসরায়েলিদের একহাত নেন। তিনি বলেন, এই জায়নবাদের কারণে আরবেরা ইহুদিদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে। এই মতবাদ ইহুদিদের জাগতিক ও আত্মিক দিক দিয়ে শেষ করে দিয়েছে। রাষ্ট্র ছাড়াও আরবদের সঙ্গে শান্তিতে থাকা সম্ভব বলে মত দেন তিনি। ইহুদিদের জন্য আন্তর্জাতিক কিংবা ফিলিস্তিনি শাসনব্যবস্থাই সবচেয়ে নিরাপদ পরিবেশ হতে পারত বলেও তাঁর দাবি।</p><p>জায়নবাদে বিশ্বাসী ধর্মীয় সেনাদের বিরুদ্ধেও কড়া কথা বলেন লান্দো। তিনি বলেন, ‘এই সেনারা প্রাণ হারাচ্ছেন, কারণ তাঁদের রাবাইরা তোরাহ বিকৃত করে শেখাচ্ছেন।’ তাঁর মতে, বহু সামরিক অভিযান জীবন বাঁচানোর জন্য চালানো হয় না, বরং রাষ্ট্রের অহংকার টিকিয়ে রাখতে চালানো হয়।</p><p>ধর্মনিরপেক্ষ ইসরায়েলিদেরও ছেড়ে কথা বলেননি এই ইহুদি রাবাই। তাঁর দাবি, এই ধর্মনিরপেক্ষদের সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। এরা ধর্মদ্রোহ আর অবিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে একটা রাষ্ট্র বানিয়ে রেখেছে।</p><p>লান্দোর এই বক্তব্যে ফুঁসে উঠেছেন ইসরায়েলের রাজনীতিকেরা। বিশেষ করে নেতানিয়াহুবিরোধী জোটের নেতারা একযোগে তাঁর ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন। বিরোধী জোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ও ইয়াশার দলের প্রধান গাদি আইজেনকোট ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, লান্দোর এই অগ্রহণযোগ্য বক্তব্য সরাসরি জায়নবাদবিরোধিতারই বহিঃপ্রকাশ।</p><p>প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ একে প্রতিটি ইহুদির জন্য ‘লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের মতে, লান্দোর বক্তব্য নিরেট ইহুদিবিদ্বেষী, জায়নবাদবিরোধী ও সরাসরি সেনাবাহিনীর ওপর আঘাত।</p><p>লান্দোর এই ভিডিও নিয়ে নেতানিয়াহু এখনো মুখ খোলেননি। তবে গত জুলাইয়ে ধর্মীয় শিক্ষার্থীদের সেনাবাহিনীতে নেওয়ার বিরোধিতায় লান্দো যখন হত্যার উসকানির অভিযোগ তুলেছিলেন, তখন তাঁর সমালোচনা করেছিলেন নেতানিয়াহু। বিরোধী নেতারা এখন স্পষ্ট দাবি তুলেছেন, ভবিষ্যতে কোনো সরকারে যেন ইউটিজেকে রাখা না হয়। এমন একটি দলের সঙ্গে আঁতাত করায় তাঁরা নেতানিয়াহুকেও তুলোধোনা করছেন।</p><p>ডেমোক্র্যাটস দলের প্রধান ইয়ার গোলান সোজাসাপটা বলেছেন, নেতানিয়াহু মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন একটাই কারণে। সেটি হলো, লান্দো আর তাঁর দোসরদের সমর্থন ছাড়া নেতানিয়াহুর সরকার টিকবে না। নেতানিয়াহুর কাছে নিজের গদি রক্ষা করাটাই সবচেয়ে বড়। জায়নবাদ, সবার সমান দায়িত্ব কিংবা সেনাদের রক্তের কোনো দামই তাঁর কাছে নেই।</p><p>ইউটিজের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলে নেতানিয়াহুর জন্য বিপদ অনেক। আগামী নির্বাচনে টিকে থাকতে তাঁকে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হচ্ছে। জরিপে দেখা যাচ্ছে, সরকার গড়তে দরকারি ৬১টি আসনের চেয়ে বেশ পিছিয়ে তাঁর জোট। চ্যানেল ১২-এর এক জরিপ বলছে, ইউটিজে একাই পার্লামেন্টে ৮টি আসন পেতে পারে।</p><p>ইসরায়েলবিষয়ক বিশ্লেষক ইহাব জাবারিনের চোখে পরিস্থিতি বেশ জটিল। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু কড়া জবাব দিলে সরকার টেকাতে জরুরি এই কট্টরপন্থীদের সমর্থন হারাবেন। আবার চুপ করে থাকলে বিরোধীরা ডানপন্থী ভোটারদের বোঝাবে, নিরাপত্তা আর জায়নবাদের বুলি আওড়ানো নেতা আসলে এমন এক ধর্মীয় গোষ্ঠীর দয়ায় টিকে আছে, যারা খোদ জায়নবাদকেই মানে না।’</p>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
নিজের অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে না পারলে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে
নিজের অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে না পারলে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে

<p>অধিকাংশ ক্ষেত্রে আপনিই আপনার ভাগ্যনিয়ন্ত্রক। গ্রহ-নক্ষত্রের প্রভাব জীবনে ভূমিকা রাখলেও আপনার সিদ্ধান্ত ও কর্মই চূড়ান্ত পরিণতি নির্ধারণ করে। সাহস, ধৈর্য ও সঠিক মানসিকতা আপনাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতি শনিবার ‘এ সপ্তাহের রাশিফল’ লিখছেন জ্যোতিষী <strong>চিন্ময় বড়ুয়া</strong></p><ul><li><p>এ সপ্তাহের রাশিফল (১৭-২৩‍ অক্টোবর ২০২৬)</p></li></ul><h3>মেষ রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/1lrhk4rs/1Mesh-Rashi.jpg"><figcaption>মেষ রাশি</figcaption></figure><p>সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমঝোতা ও কূটনৈতিক বুদ্ধির প্রয়োজন বাড়বে। দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কোনো পুরোনো মতবিরোধ মিটিয়ে সম্পর্ককে নতুনভাবে সাজানোর সুযোগও আসবে। ব্যবসায়িক অংশীদারির ক্ষেত্রে নতুন প্রস্তাব আকর্ষণীয় মনে হলেও শর্তগুলো ভালোভাবে যাচাই করে নিন।</p><p>কর্মক্ষেত্রে নিজের বক্তব্য সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে পারলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সমর্থন পাওয়া সম্ভব। আর্থিক বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ বা অংশীদারির মাধ্যমে লাভের সম্ভাবনা থাকলেও আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। অবিবাহিতদের জীবনে নতুন পরিচয় বিশেষ আগ্রহ তৈরি করতে পারে। তবে প্রথম আকর্ষণকে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখবেন না। অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের প্রয়োজনকে অবহেলা করার প্রবণতা কমাতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে এগোতে পারলে ব্যক্তিগত ও পেশাগত—দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।</p><h3>বৃষ রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/37la7wit/2Brisho-Rashi.jpg"><figcaption>বৃষ রাশি </figcaption></figure><p>দৈনন্দিন জীবনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কাজের পরিবেশ উন্নত করার দিকে মনোযোগ বাড়বে। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার পাশাপাশি নিজের দায়িত্বের সীমা বুঝে চলা জরুরি। কোনো জটিল কাজ আলোচনার মাধ্যমে সহজ হতে পারে। যাঁরা চাকরি পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তাঁরা নতুন সুযোগ খোঁজার পাশাপাশি বর্তমান দক্ষতাকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করুন। স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার ক্ষেত্রেও সচেতনতা বাড়তে পারে। তবে সৌন্দর্যচর্চা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ব্যয় করা ঠিক হবে না।</p><p>আর্থিক পরিকল্পনায় ছোট ছোট সাশ্রয় ভবিষ্যতে উপকার দেবে। কর্মক্ষেত্রে কারও সঙ্গে মতবিরোধ হলে সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে যুক্তির সাহায্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করুন। ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সময়ের অভাব কিছুটা দূরত্ব তৈরি করতে পারে। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও কাছের মানুষদের জন্য সময় রাখুন। নিয়মিত প্রচেষ্টা ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাই এবার আপনার অগ্রগতির পথ তৈরি করবে।</p><h3>মিথুন রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/dh6xqijg/3Mithun-Rashi.jpg"><figcaption>মিথুন রাশি</figcaption></figure><p>সৃজনশীল চিন্তা ও ব্যক্তিগত আনন্দের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা খুঁজে পাবেন। লেখালেখি, সংগীত, অভিনয়, নকশা কিংবা অন্য কোনো সৃষ্টিশীল কাজে যুক্ত থাকলে নিজের প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে। শিক্ষার্থীদের জন্য মনোযোগ ধরে রেখে কাজ করলে ভালো অগ্রগতি সম্ভব। প্রেমের সম্পর্কে আন্তরিকতা বাড়বে, তবে অতিরিক্ত প্রত্যাশা বা সামান্য বিষয়ে অভিমান পরিস্থিতি জটিল করতে পারে। সন্তানদের প্রতিভা ও শিক্ষার বিষয়ে আনন্দদায়ক কোনো অভিজ্ঞতা হতে পারে। যাঁরা নতুন প্রকল্প শুরু করতে চান, তাঁদের জন্য পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সময় এটি। বিনোদন বা শখের পেছনে খরচ বাড়তে পারে, তাই আর্থিক সীমা মনে রাখা দরকার।</p><p>কর্মক্ষেত্রে নতুন ধারণা অন্যদের আগ্রহ আকর্ষণ করতে পারে। তবে শুধু পরিকল্পনা করেই থেমে থাকলে চলবে না, নিয়মিত কাজের মাধ্যমে সেটি এগিয়ে নিতে হবে। নিজের আনন্দকে গুরুত্ব দিন, কিন্তু দায়িত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নয়। প্রতিভা ও অধ্যবসায়ের সমন্বয় আপনাকে এগিয়ে রাখবে।</p><h3>কর্কট রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/4vwk0y43/4Korkot-Rashi.jpg"><figcaption>কর্কট রাশি</figcaption></figure><p>পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ঘরের পরিবেশকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভাবনা তৈরি হতে পারে। বাড়ি সাজানো, সংস্কার করা কিংবা বসবাসের পরিবেশ উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল–বোঝাবুঝি কমবে। সম্পত্তি বা আবাসনসংক্রান্ত বিষয়ে আগ্রহ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আর্থিক দিক ভালোভাবে যাচাই করুন।</p><p>কর্মক্ষেত্রের চাপ ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে, তাই কাজ ও পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। ঘনিষ্ঠ কারও সঙ্গে পুরোনো কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যা সম্পর্ককে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। নিজের মানসিক স্বস্তির জন্য পরিচিত পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানো উপকারী হতে পারে। পরিবারের কোনো আনন্দের আয়োজনও সামনে আসতে পারে। বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবার প্রয়োজন বিবেচনা করুন। ঘর ও মনের শান্তি—দুটিকে গুরুত্ব দিতে পারলে এই সপ্তাহে ব্যক্তিগত জীবনে স্থিতিশীলতা বাড়বে।</p><h3>সিংহ রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/yzqqxo20/5Shingho-Rashi.jpg"><figcaption>সিংহ রাশি</figcaption></figure><p>আপনার কথা বলার ধরন ও যোগাযোগের দক্ষতা এই সপ্তাহে বিশেষভাবে কাজে লাগতে পারে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা, দর-কষাকষি কিংবা নতুন পরিচয়ের মাধ্যমে উপকারী সুযোগ তৈরি হতে পারে। লেখালেখি, শিক্ষা, বিপণন ও প্রচারমূলক কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য সময়টি ইতিবাচক হতে পারে। ভাই–বোন বা ঘনিষ্ঠ পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়বে। কারও সঙ্গে পুরোনো ভুল–বোঝাবুঝি থাকলে তা মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ছোট কোনো ভ্রমণ বা নতুন অভিজ্ঞতা আপনার চিন্তায় পরিবর্তন আনতে পারে। তবে কথার প্রভাবে কাউকে এমন প্রতিশ্রুতি দেবেন না, যা পরে পালন করা কঠিন হয়ে পড়ে।</p><p>অর্থের ক্ষেত্রে কেনাকাটা ও ব্যক্তিগত শখের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা ভালো। কর্মক্ষেত্রে নিজের ধারণা তুলে ধরুন, তবে অন্যের মতামতকেও গুরুত্ব দিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আপনার বক্তব্যের স্পষ্টতা ও আত্মবিশ্বাস অন্যদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে—যদি তার সঙ্গে বাস্তব প্রস্তুতিও থাকে।</p><h3>কন্যা রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/0qmnx6m1/6Konya-Rashi.jpg"><figcaption>কন্যা রাশি</figcaption></figure><p>আর্থিক স্থিতি এবং নিজের প্রাপ্য মূল্যায়ন নিয়ে ভাবনাচিন্তা বাড়বে। আয়-ব্যয়ের হিসাব নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন হতে পারে। বেতন, পাওনা বা আর্থিক সুবিধা নিয়ে আলোচনার সুযোগ এলে নিজের বক্তব্য যুক্তিসহ তুলে ধরুন। পরিবারের কোনো প্রয়োজন মেটাতে বাড়তি অর্থ ব্যয় হতে পারে, তাই সঞ্চয়ের পরিকল্পনা অবহেলা করবেন না।</p><p>কর্মক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্য পাচ্ছেন কি না, সেটিও বিবেচনায় আসতে পারে। নতুন চাকরি বা বিকল্প আয়ের সুযোগ নিয়ে খোঁজখবর শুরু করতে পারেন। তবে বর্তমান অবস্থান ছেড়ে দেওয়ার আগে নতুন সম্ভাবনার বাস্তবতা যাচাই করা জরুরি। ব্যক্তিগত সম্পর্কে আন্তরিক কথাবার্তা ও ছোটখাটো যত্ন সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। নিজের মূল্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন, কিন্তু আবেগের বশে বিরোধ তৈরি করবেন না। হিসাবি সিদ্ধান্ত ও স্পষ্ট যোগাযোগ এই সপ্তাহে আপনাকে অনেকটাই এগিয়ে রাখতে পারে।</p><h3>তুলা রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/sb0keuhr/7Tula-Rashi.jpg"><figcaption>তুলা রাশি </figcaption></figure><p>নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার ইচ্ছা বাড়বে। পোশাক, ব্যক্তিগত পরিচর্যা কিংবা জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনতে পারেন। অন্যদের সঙ্গে মেলামেশায় আপনার আকর্ষণ ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো আলোচনায় নিজের মতামত সুন্দরভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। তবে সবাইকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভুগবেন না।</p><p>কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা নতুন কোনো পরিকল্পনা সামনে আনার জন্য সময়টি কাজে লাগাতে পারেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা বাড়বে এবং অবিবাহিতদের নতুন কারও প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে। দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নত করার সুযোগও রয়েছে। অর্থের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের জিনিস কেনার প্রবণতা বাড়তে পারে, তাই বাজেটের সীমা মনে রাখা জরুরি। নিজের যত্ন নেওয়া ভালো, কিন্তু তা যেন অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ের কারণ না হয়। আত্মবিশ্বাস ও সংযম বজায় রেখে এগোতে পারলে ব্যক্তিগত জীবনে নতুন উদ্যম অনুভব করবেন।</p><h3>বৃশ্চিক রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/puiylo95/8Brishchik-Rashi.jpg"><figcaption>বৃশ্চিক রাশি</figcaption></figure><p>কাজের ব্যস্ততার আড়ালে নিজের প্রয়োজন ও মানসিক স্বস্তির দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিছু বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনা করার বদলে নীরবে পরিকল্পনা করে এগোতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। বিদেশি প্রতিষ্ঠান, দূরের কোনো সংস্থা কিংবা অনলাইনভিত্তিক কাজের সঙ্গে যুক্তদের জন্য নতুন যোগাযোগের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোনো প্রস্তাব বাস্তবায়নে দেরি হলে হতাশ না হয়ে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখুন। ব্যক্তিগত খরচ, ভ্রমণ বা প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় ব্যয় বাড়তে পারে। ফলে আর্থিক বিষয়ে কিছুটা সংযম জরুরি।</p><p>সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিজের অনুভূতি স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে না পারলে ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে আলোচনা করলে মানসিক চাপ কমতে পারে। অসমাপ্ত কাজ গুছিয়ে নেওয়া এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতি তৈরির জন্য সময়টি কাজে লাগান। বাহ্যিক স্বীকৃতির পেছনে অতিরিক্ত না ছুটে নিজের কাজের ভিত্তি শক্ত করুন। ধৈর্য ও পরিকল্পনা বজায় রাখলে পরবর্তী সময়ে এই প্রচেষ্টার সুফল পাওয়া সম্ভব।</p><h3>ধনু রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/nkj6osch/9Dhonu-Rashi.jpg"><figcaption>ধনু রাশি </figcaption></figure><p>বন্ধুবান্ধব, পরিচিত মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। কোনো দলগত উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আসতে পারে, যেখানে আপনার মতামত ও যোগাযোগের দক্ষতা কাজে লাগবে। ব্যবসায়ীরা নতুন গ্রাহক বা পরিচিতির মাধ্যমে কাজের পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। তবে শুধু আশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে প্রস্তাবের বাস্তব দিক যাচাই করুন।</p><p>দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য পূরণের জন্য পরিকল্পনা সাজানোর উপযুক্ত সময় এটি। কোনো পুরোনো যোগাযোগ আবার সক্রিয় হতে পারে এবং তার সূত্রে উপকারী তথ্য হাতে আসতে পারে। আর্থিক ক্ষেত্রে আয় বাড়ানোর চিন্তা থাকলেও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ-আয়োজনে খরচ বাড়তে পারে। প্রেমের ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব থেকে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সম্পর্কের বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করাই ভালো। নিজের দক্ষতা ও পরিচিতির পরিধি বাড়াতে সচেষ্ট থাকুন। সহযোগিতা গ্রহণ করুন, কিন্তু নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা বজায় রাখুন। সঠিক মানুষের সঙ্গে সংযোগ ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।</p><h3>মকর রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/duvl9coe/10Mokor-Rashi.jpg"><figcaption>মকর রাশি</figcaption></figure><p>পেশাগত জীবনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগ আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, নতুন দায়িত্ব কিংবা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় নিজের যোগ্যতা প্রকাশ করতে পারবেন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্বীকৃতি বা পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকলে নিজের কাজের ফল যথাযথভাবে তুলে ধরুন। ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন চুক্তি, গ্রাহকের সঙ্গে সুসম্পর্ক কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সৌহার্দ্য বজায় রাখার পাশাপাশি পেশাগত নিয়মও মেনে চলতে হবে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ কমে গেলে কাছের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখুন।</p><p>আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা থাকলেও ভবিষ্যতের সঞ্চয়কে অগ্রাধিকার দিন। কর্মক্ষেত্রে নিজের বক্তব্য স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করুন, তবে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষেত্রেও এমন কারও সঙ্গে পরিচয় হতে পারে, যিনি ভবিষ্যতে উপকারী সহযোগী হয়ে উঠবেন। দায়িত্বশীল আচরণ, কৌশলী যোগাযোগ ও ধারাবাহিক পরিশ্রম আপনাকে পেশাগত অগ্রগতির পথে এগিয়ে দেবে।</p><h3>কুম্ভ রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/gixkdjtf/11Kumbho-Rashi.jpg"><figcaption>কুম্ভ রাশি</figcaption></figure><p>জ্ঞান অর্জন, নতুন অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়বে। উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ, ভ্রমণ কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের কাজ আরও গোছানোভাবে উপস্থাপন করার সুযোগ পাবেন। কর্মক্ষেত্রে নতুন ধারণা প্রয়োগ করতে চাইলে বাস্তব পরিস্থিতি ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বিবেচনা করুন। দূরের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ ভবিষ্যতের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে সব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়িত হবে, এমন প্রত্যাশা না রাখাই ভালো।</p><p>আর্থিক বিষয়ে বড় ঝুঁকি না নিয়ে ধাপে ধাপে এগোনো বুদ্ধিমানের কাজ। ব্যক্তিগত সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করুন। নিজের চিন্তার স্বাধীনতা বজায় রাখুন, কিন্তু অন্যের অভিজ্ঞতাকেও অবহেলা করবেন না। নতুন কিছু শেখা বা পুরোনো দক্ষতাকে উন্নত করার উদ্যোগ নিলে তার সুফল পরবর্তী সময়ে পাওয়া যেতে পারে। বাস্তব প্রস্তুতি ও খোলা মন নিয়ে এগোনোই এই সপ্তাহের মূল কৌশল।</p><h3>মীন রাশি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-26/7wmpz9sx/12Meen-Rashi.jpg"><figcaption>মীন রাশি</figcaption></figure><p>যৌথ অর্থ এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। জীবনসঙ্গী বা ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন হলে খোলামেলা থাকুন। কোনো বড় লেনদেন বা দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে সব শর্ত ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি। ব্যক্তিগত সম্পর্কে আবেগ ও আকর্ষণ বাড়লেও একে অপরের প্রত্যাশা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গীর সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আরও গভীর হতে পারে। অবিবাহিতদের নতুন পরিচয় আকর্ষণীয় মনে হলেও সম্পর্কের স্থায়িত্ব বুঝতে সময় দিন।</p><p>অর্থনৈতিক বিষয়ে হঠাৎ লাভের আশায় ঝুঁকি নেওয়া উচিত হবে না। কোনো পুরোনো জটিলতা সামনে এলে সেটিকে এড়িয়ে না গিয়ে সমাধানের চেষ্টা করুন। অন্যের প্রতি বিশ্বাস বজায় রাখার পাশাপাশি নিজের সীমারেখাও স্পষ্ট রাখুন। আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও বাস্তববাদী সিদ্ধান্তের সমন্বয় সম্পর্ক এবং আর্থিক পরিকল্পনা—দুই ক্ষেত্রেই স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/horoscope/d9e21jx9q2">সবকিছুর মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে ফেলার প্রয়োজন নেই কোন রাশির জাতকের</a></aside>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
প্লাস্টিক বর্জ‍্য ব‍্যবস্থাপনা: উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর ২০২৬)
প্লাস্টিক বর্জ‍্য ব‍্যবস্থাপনা: উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর ২০২৬)

<p>ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও প্রথম আলোর উদ্যোগে ‘প্লাস্টিক বর্জ‍্য ব‍্যবস্থাপনা: উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর ২০২৬)’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকার প্রথম আলো কার্যালয়ে। এ আয়োজনে সহযোগিতা করেছে সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত ওয়াটারএইড ও সুইসকন্টাক্ট কনসোর্টিয়ামের ‘গো–ফর–ইমপ্যাক্ট’ কর্মসূচি।</p><h3>অংশগ্রহণকারী:</h3><p><strong>আবদুল আউয়াল মিন্টু</strong> এমপি</p><p>মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।</p> <p><strong>আব্দুল্লাহ আল মামুন</strong></p><p>উপপরিচালক, বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ অধিদপ্তর।</p> <p><strong>সামিম  আহমেদ</strong></p><p>সভাপতি, বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।</p> <p><strong>মালিক মোহাম্মদ সাঈদ</strong></p><p>প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড।</p> <p><strong>আজমান আহমেদ চৌধুরী</strong></p><p>কান্ট্রি ডিরেক্টর, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ।</p> <p><strong>শিরিন লিরা</strong></p><p>সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার, গভর্ন্যান্স, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট, বাংলাদেশস্থ সুইজারল্যান্ড দূতাবাস।</p> <p><strong>মাহাবুবুর রহমান তালুকদার</strong><br>এয়ার কমোডর ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।</p> <p><strong>ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী</strong><br>ক্যাপ্টেন ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।</p> <p><strong>তানভীর আহমেদ</strong></p><p> অধ্যাপক, পুরকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। </p> <p><strong>সুমাইয়া টি আহমেদ</strong></p><p>হেড অব সাসটেইনেবিলিটি, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপ।</p> <p><strong>খাদেম মাহমুদ ইউসুফ</strong></p><p>ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বাংলাদেশ পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (বিপিসিএল)।</p> <p><strong>সিদ্দীকা সুলতানা</strong></p><p>নির্বাহী পরিচালক, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন।</p> <p><strong>শাহরিয়ার মান্নান</strong></p><p>হেড অব প্রোগ্রাম, ভয়েস, ইনক্লুশন অ্যান্ড কোহেশন, হেলভেটাস বাংলাদেশ।</p> <p><strong>রাজু বসাক</strong></p><p>সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানাজার ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ব্র্যাক।</p> <p><strong>সৈয়দ মনজুরুল হক</strong></p><p>প্রজেক্ট ম্যানেজার, প্লাস্টিক সার্কুলারিটি পোর্টফোলিও, ইউএনডিপি।</p> <p><strong>মো. নাহিদ আলম</strong></p><p>কো-ফাউন্ডার ও সিইও, দ্য স্কেইট লিমিটেড</p> <p><strong>রঞ্জন কুমার ঘোষ</strong></p><p>পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ।</p> <p><strong>সাইফ মনজুর-আল-ইসলাম</strong></p><p>টিম লিডার, গো–ফর–ইমপ্যাক্ট, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ।</p> <p>সঞ্চালক<strong>: ফিরোজ চৌধুরী</strong></p><p>সহকারী সম্পাদক, প্রথম আলো।</p> <h3>আলোচনা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/jru4ip7t/01Abdul-Awal-Mintu.JPG"></figure><p> <strong>আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি</strong></p><p><strong>মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়</strong></p><p><strong> </strong></p><p>প্লাস্টিকের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে, কমছে না। প্লাস্টিকদূষণ আমাদের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে, প্লাস্টিক বর্জ্য পানিনিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে। নদীনালা ও জলাশয়েও জমছে প্লাস্টিক। বুড়িগঙ্গার পানির নিচে ছয় থেকে আট ফুট পর্যন্ত বর্জ্য জমার কথা আমরা শুনেছি। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিং নিশ্চিত করা জরুরি।</p><p>বাংলাদেশে বছরে প্রায় আট লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়। অথচ আমাদের সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এখনো দুর্বল। এত দিন বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও ভরাটের দায়িত্ব মূলত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও অনানুষ্ঠানিক খাতের ওপর ছিল। পণ্য বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব তেমনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে আমরা উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) নির্দেশিকা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি।</p><p>ইপিআরের আওতায় প্রথম দুই বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ শতাংশ ও রিসাইক্লিংয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রথম দুই বছর বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান, পরবর্তী সময়ে মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পকে এর আওতায় আনা হবে। তবে এসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উৎপাদক, ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী ও অনানুষ্ঠানিক খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণ জরুরি।</p><p>ইপিআর বাস্তবায়নে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য তথ্য, কার্যকর সংগ্রহব্যবস্থা ও রিসাইক্লিং নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ইপিআরকে বাড়তি ব্যয় নয়, বিনিয়োগের সুযোগ হিসেবে দেখুক। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/sji6jwwi/02Dr.-Abdullah-Al-Mamun.JPG"></figure><p><strong>আব্দুল্লাহ আল মামুন</strong></p><p>উপপরিচালক, বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ অধিদপ্তর</p> <p>ইপিআর নির্দেশিকা তৈরির শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজটি করা। আমরা ইপিআরকে ব্যবসাবান্ধব করার চেষ্টা করেছি, যাতে কারও ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।</p><p>ইপিআর বাস্তবায়নে আমরা প্রচলিত ফি পদ্ধতি ও সার্টিফিকেটভিত্তিক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করেছি। শেষ পর্যন্ত এমন একটি পদ্ধতি নিয়েছি, যাতে অংশীজনদের অন্তর্ভুক্তি ও বাস্তবায়ন সহজ হয়। ব্র্যান্ড মালিকেরা পিআরওর মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁদের দায় শেষ হবে না। প্রোডিউসার রেসপন্সিবিলিটি অর্গানাইজেশন (পিআরও) ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁদেরই থাকবে। একইভাবে, তৃতীয় পক্ষের নিরীক্ষার মাধ্যমে সংগ্রহ ও রিসাইক্লিংয়ের তথ্য যাচাই করা হবে, যাতে একই বর্জ্য একাধিকবার হিসাবের মধ্যে না আসে।</p><p>স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করলেই তাদের সংগ্রহ করা বর্জ্য ইপিআরের লক্ষ্যমাত্রায় অন্তর্ভুক্ত</p><p>করা যাবে। বর্জ্যের ধরন ও সংগ্রহের প্রক্রিয়াভেদে ব্যবস্থাপনার ব্যয়ও ভিন্ন হবে।</p><p>আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীদের এ ব্যবস্থায় যুক্ত করা। তাঁদের আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় আনতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধাও বিবেচনায় নিতে হবে। একই সঙ্গে পিআরও নির্বাচনে অভিজ্ঞতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/e43coirh/03Shamim-Ahmed.JPG"></figure><p><strong>সামিম  আহমেদ</strong></p><p>সভাপতি, বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন</p> <p>বড় প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের চ্যালেঞ্জ বেশি ইপিআর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম মেনে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে বলে আমি মনে করি। কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা ও কিছু ছাড়ের ব্যবস্থা না থাকলে ইপিআর তাঁদের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p><p>ইপিআর নির্দেশিকার ভাষা অনেক ছোট ব্যবসায়ীর কাছে কঠিন মনে হতে পারে। তাই সহজ বাংলায় সংক্ষিপ্ত করে এটি আমাদের সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করব, যাতে তাঁরা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে পারেন।</p><p>বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৩ লাখ টন প্লাস্টিক রেজিন আমদানি হয়, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয় আরও দুই লাখ টন। প্লাস্টিকের বিভিন্ন ধরনের মধ্যে এলডিপিই, এলএলডিপিই ও মাল্টিলেয়ার প্লাস্টিক সবচেয়ে সমস্যাজনক। এসব প্লাস্টিকের প্রায় সাড়ে তিন লাখ টন রেজিন আমদানি হয়। বর্জ্য সংগ্রহকারীরা এর প্রায় এক লাখ টন পুনরুদ্ধার করেন। বাকিটা পুনরুদ্ধার করা কঠিন, কারণ এর অর্থনৈতিক মূল্য কম। অন্যদিকে, পিইটি প্লাস্টিকের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুনরুদ্ধার হয়।</p><p>একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্য পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার সুপারিশ করেছি আমরা। তবে প্লাস্টিকের ব্যবহার একবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়; পরিকল্পিতভাবে বিকল্প তৈরি করতে হবে। বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করাও জরুরি।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/bsb8ngtf/04Malik-Muhammad-Sayed.JPG"></figure><p><strong>মালিক মোহাম্মদ সাঈদ</strong></p><p>প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড</p> <p>উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইপিআর ২০২৬ নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা দায়িত্ব নিতে চাই। এ উদ্যোগ কার্যকর করতে স্থানীয় সরকার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। বর্জ্য রাখার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন না থাকলে বর্জ্য আলাদা করা কঠিন হয়। তাই সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোকে ইপিআর সম্পর্কে সচেতন করতে হবে, যাতে উৎপাদনকারীদের সহযোগিতা করতে পারে।</p><p>নির্দেশনায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে পিআরও হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আবার স্থানীয় সরকারের সংগৃহীত বর্জ্য অর্জিত হারের হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না বলা হয়েছে। এই বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। পিআরও হিসেবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানেরও কাজ করার সুযোগ থাকা উচিত। গ্রুপ পিআরওর ধারণা থাকলে আমরা অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের পাশাপাশি নিজেরাও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাব।</p><p>প্লাস্টিকের ধরন শনাক্ত করার জন্য পণ্যের গায়ে স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা দরকার। এইচডিপিই বা পিপির মতো উপাদানের নাম ছোট অক্ষরে লেখা থাকলে তা বোঝা যায় না। ফলে বর্জ্য আলাদা করা কঠিন হয় এবং রিসাইক্লিংয়ের বাণিজ্যিক মূল্য কমে যায়। পাত্রের আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপাদানের নাম লেখার নির্দিষ্ট নির্দেশিকা থাকা প্রয়োজন।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/wlff0u06/05Azman-Ahmed-Chowdhury.JPG"></figure><p><strong>আজমান আহমেদ চৌধুরী</strong></p><p>কান্ট্রি ডিরেক্টর ওয়াটারএইড বাংলাদেশ</p> <p>অতিবৃষ্টিতে ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ প্লাস্টিক বর্জ্য। এ পরিস্থিতিতে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদকের সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) ২০২৬ নির্দেশিকা সময়োপযোগী উদ্যোগ। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।</p><p>ইপিআর বাস্তবায়নে চারটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা শুধু বড় শহরে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না; ছোট শহর ও প্রান্তিক এলাকাতেও কার্যক্রম নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, বাসাবাড়ি, বাজার ও দোকান থেকেই প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথক করার ব্যবস্থা করতে হবে। তৃতীয়ত, সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদেও বর্জ্য সংগ্রহের নির্দিষ্ট স্থান বা বর্জ্য ব্যাংক গড়ে তুলতে হবে। এ কাজে এনজিওগুলো সহযোগিতা করতে পারে।</p><p>চতুর্থত, পরিবেশ অধিদপ্তরের ই-পোর্টাল বা ড্যাশবোর্ডে উৎপাদক ও ব্র্যান্ড মালিকদের নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে। এতে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ ও প্রবাহ অনুসরণ করা সহজ হবে। এ বিষয়ে ওয়াটারএইডের তৈরি ‘ওয়েস্ট ফ্লো ডায়াগ্রাম’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে আমরা আগ্রহী।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/uis3utyo/06Shirin-Lira.JPG"></figure><p><strong>শিরিন লিরা</strong></p><p>সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার গভর্ন্যান্স, ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট, বাংলাদেশস্থ সুইজারল্যান্ড দূতাবাস</p> <p>প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ইপিআর ২০২৬। তবে শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; এর কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি। প্লাস্টিক উৎপাদন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে অনেক মানুষের জীবিকা ও ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িত। তাই বিকল্প ব্যবস্থা ও প্রণোদনা নিশ্চিত না করে কোনো কিছু নিষিদ্ধ করলে তা কার্যকর হবে না।</p><p>সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে পরিবেশ, জলবায়ু, সমন্বিত পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে। আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বর্জ্য শেষ পর্যন্ত পানি ও জলাশয়ে গিয়ে পড়ে। তাই পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে দেখতে হবে। ইপিআর বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও অনানুষ্ঠানিক বর্জ্যকর্মীদের যুক্ত করা জরুরি।</p><p>প্রকল্পনির্ভর উদ্যোগের বাইরে গিয়ে টেকসই অর্থায়নের মডেল তৈরি করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে বেসরকারি খাত ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সবার দায়িত্ব—উৎপাদক, সরকার ও ভোক্তা, সবারই ভূমিকা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্কুল থেকে শিশুদের সচেতন করা কার্যকর যেতে পারে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/8qurbniq/07Md.-Mahbubur-Rahman-Talukdar.JPG"></figure><p><strong>মাহাবুবুর রহমান তালুকদার</strong> <br>এয়ার কমোডর ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন</p> <p>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিদিন সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৫০ থেকে ৫০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়। এর সবটুকু সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না; কিছু বর্জ্য ড্রেন, নদী ও খালবিলে চলে যায়। এ বর্জ্য রোধে খালগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>এ বছর প্রায় এক লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়েছি। যেসব এলাকায় প্লাস্টিক বর্জ্য বেশি, সেখানে বর্জ্যের বিনিময়ে বাজার চালু করেছি। বর্জ্য জমা দিয়ে মানুষ টোকেনের মাধ্যমে ডিম, মাছ, মুরগি, চাল, ডালসহ প্রয়োজনীয় পণ্য নিতে পারেন। মতিঝিলে স্থায়ী স্টলও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি।</p><p>উৎসে বর্জ্য পৃথক করার উদ্যোগ আগে নিয়েও প্রত্যাশিত ফল পাইনি। জিগাতলা ও ধানমন্ডিতে আলাদা বিন দেওয়ার পরও অনেকে সেগুলো অন্য কাজে ব্যবহার করেছেন। তাই আগামী মাস থেকে তিন বছর মেয়াদি কর্মসূচি আবার শুরু করব। এ ক্ষেত্রে জনসচেতনতা জরুরি। বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, ইকোব্রিক, বিকল্প জ্বালানি ও পাইরোলাইসিস তেল তৈরির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি সফটওয়্যারের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ ও নাগরিক অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করছি। এতে কোন এলাকায় বা বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ হয়নি, তা জানা যাবে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/ry1nij4o/08Ikhtiar-Uddin-Ahmed-Chowdhury.JPG"></figure><p><strong>ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ চৌধুরী</strong> <br>ক্যাপ্টেন ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন</p> <p>ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এখনো ইপিআর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন। বর্তমানে বিভিন্ন দোকানের সামনে পড়ে থাকা প্লাস্টিক রাতে সংগ্রহ করে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) মাধ্যমে ল্যান্ডফিলে নেওয়া হচ্ছে।</p><p>প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ে আলোচনায় চিকিৎসাবর্জ্যকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে সুচ, স্যালাইনের প্যাকেটসহ বিভিন্ন প্লাস্টিকের বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হয়। পরে অন্ধকার জায়গায় শিশুরা খালি হাতে এসব বর্জ্য বাছাই করে। যথাযথ ব্যবস্থাপনা না হলে এটি ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এই জায়গা থেকে আমাদের এখনই সতর্ক থাকার সুযোগ রয়েছে।</p><p>ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প চালু হয়েছে। উৎসে বর্জ্য পৃথক না হওয়ায় মিশ্র বর্জ্য সংগ্রহ করে ইনসিনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, তিন বছরের মধ্যে ভালো ফল পাওয়া যাবে।</p><p>প্লাস্টিকের পাশাপাশি ই-বর্জ্য ও শিল্পবর্জ্য নিয়েও আলোচনা জরুরি। ব্যাটারি, তার ও অন্যান্য ই-বর্জ্য এবং রাসায়নিক শিল্পবর্জ্য ল্যান্ডফিলে দেওয়া যায় না। এসব বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ল্যান্ডফিলের বর্জ্যের তাপ উৎপাদনক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/fu5a4gmo/09Tanvir-Ahmed.JPG"></figure><p><strong>তানভীর আহমেদ</strong></p><p>অধ্যাপক, পুরকৌশল বিভাগ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়</p> <p>ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ইপিআরে অংশ নেওয়া কঠিন হতে পারে। তাদের প্রণোদনা দিতে হবে। সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রাও উচ্চাভিলাষী। আমাদের বর্জ্য বাছাইয়ের অবকাঠামো দুর্বল। আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়া নির্ভুলভাবে পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য আলাদা করা কঠিন। অনানুষ্ঠানিক খাতকেও এ ব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে।</p><p>ইপিআর ২০২৬-এর গাইডলাইনের সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবে কতটা পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারছি, তার ওপর। কোম্পানিভিত্তিক পুনর্ব্যবহারের হার নির্ধারণ ও প্রতিবেদন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বর্জ্য মিশে যাওয়ায় ব্র্যান্ডভিত্তিক বাছাই ও পুনর্ব্যবহারের হার হিসাব করা কঠিন।</p><p>কোম্পানিগুলোর দেওয়া তথ্য যাচাইয়ে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের ব্যবস্থা জরুরি। এ জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের পৃথক ইউনিট গঠন করে নিয়মিত পরিদর্শন, নিরীক্ষা ও বার্ষিক প্রতিবেদন যাচাই করতে হবে। প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি অর্গানাইজেশনকে (পিআরও) সক্ষম করতেও বিনিয়োগ প্রয়োজন।</p><p>পুনর্ব্যবহৃত পণ্যের বাজার তৈরি করাও জরুরি। সরকারি ক্রয়ে পুনর্ব্যবহৃত উপকরণের ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি পিআরওকে দেওয়া অর্থের হিসাবের  জন্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণের ন্যূনতম একক ব্যয় নির্ধারণ করা দরকার।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/7ld8pyaq/10Sumaiya-T-Ahmed.JPG"></figure><p><strong>সুমাইয়া টি আহমেদ</strong></p><p>হেড অব সাসটেইনেবিলিটি প্রাণ আরএফএল গ্রুপ</p> <p>২০১২ সাল থেকে আমরা প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করছি। বর্তমানে বছরে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টন প্লাস্টিক রিসাইক্লিং করে সাশ্রয়ী মূল্যে নতুন পণ্য তৈরি করছি। ইপিআরকে শুধু করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা হিসেবে দেখলে হবে না, এর কার্যকর ব্যবসায়িক মডেল থাকতে হবে। পরিবার থেকে বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই ও রিসাইক্লিং পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রত্যেককে অর্থনৈতিক প্রণোদনা দিতে হবে।</p><p>বাসায় বর্জ্য সঠিকভাবে আলাদা করা গেলে রিসাইক্লিংয়ে পানি, জ্বালানি ও শ্রমের খরচ কমবে। আমরা ঢাকা ও যাত্রাবাড়ীতে প্লাস্টিক ফেরত নেওয়ার পরীক্ষামূলক উদ্যোগও চালাচ্ছি।</p><p>রিসাইক্লিং প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরকারি স্বীকৃতি, যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্কছাড় ও রিসাইকেল পণ্যে কর-সুবিধা প্রয়োজন। এতে ছোট প্রতিষ্ঠানও এ খাতে উৎসাহিত হবে। একই সঙ্গে মাল্টিলেয়ার প্যাকেজিং রিসাইক্লিংয়ের সাশ্রয়ী পদ্ধতি খুঁজতে শিল্প ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণা জরুরি।</p><p>বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনানুষ্ঠানিক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তাদের আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থায় আসার জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/5v7w78t6/11Kadem-Mahmud-Yusuf.JPG"></figure><p><strong>খাদেম মাহমুদ ইউসুফ</strong></p><p>ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বাংলাদেশ পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (বিপিসিএল)</p> <p>পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রচেষ্টায় প্রায় ছয় বছর পর আমরা ইপিআর ২০২৬ নির্দেশিকা পেয়েছি। তবে বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে কত প্রতিষ্ঠান প্লাস্টিক উৎপাদন করে, তার নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার নেই। প্লাস্টিকের মোট ব্যবহার কত, তা নিয়েও স্পষ্ট ধারণা নেই। এই তথ্য ছাড়া বর্জ্যের পরিমাণ নিরূপণ কঠিন। তাই উৎপাদকদের তথ্যভান্ডার তৈরি ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নির্ধারণ জরুরি।</p><p>পলিথিন উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদেরও এ ব্যবস্থায় আনতে হবে। আমাদের বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিংয়ের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাদের যুক্ত করা ছাড়া ইপিআর সফল করা কঠিন। তবে তারা মূলত পিইটি ও এইচডিপিইর মতো বিক্রয়মূল্য আছে এমন প্লাস্টিক সংগ্রহ করে। পলিথিন ও মাল্টিলেয়ার প্যাকেজিংয়ের মতো কম মূল্যমানের বর্জ্য সংগ্রহে প্রণোদনা দিতে হবে।</p><p>ইপিআর বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার, পরিবেশ অধিদপ্তর, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সমন্বয় প্রয়োজন। উৎপাদকদের পাশাপাশি পিআরওকে শক্তিশালী করতে হবে, যাতে তারা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে পারে। ছোট পৌরসভাগুলোর বর্জ্য ফেলার উপযুক্ত স্থানও দরকার।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/hwddhyf0/12SiddikaSultana.JPG"></figure><p><strong>সিদ্দীকা সুলতানা</strong></p><p>নির্বাহী পরিচালক, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন</p> <p>প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইপিআর নিয়ে সরকারের উদ্যোগ আমাদের আশাবাদী করেছে। তবে এটি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ইপিআরের মূল কথা হলো, কোনো কোম্পানির দায়িত্ব পণ্য তৈরি ও বিক্রির মধ্যেই শেষ হবে না; পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নিতে হবে। সংগ্রহ, পরিবহন, বাছাই, পুনর্ব্যবহার ও অবশিষ্ট বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনাও নিশ্চিত করতে হবে। ইপিআর যেন স্বেচ্ছামূলক অবদান না হয়ে বাধ্যতামূলক উদ্যোগ হয়।</p><p>দূষণকারীকে ব্যয় বহন করতে হবে—এই নীতি অনুযায়ী উৎপাদক ও আমদানিকারকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রকৃত খরচ বহনের দায়িত্ব কার্যকর করা জরুরি। পাশাপাশি স্বচ্ছ পরিবীক্ষণ, ডিজিটাল ইপিআর নিবন্ধন, স্বাধীন সনদায়ন ও জনসমক্ষে প্রতিবেদন প্রকাশ নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত পুনর্ব্যবহার ও বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা যাচাইয়ের পাশাপাশি প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার কমানো, পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্যাকেজিং বাড়ানো এবং বর্জ্যকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/g8mse63x/13Shahriar-Mannan.JPG"></figure><p><strong>শাহরিয়ার মান্নান</strong></p><p>হেড অব প্রোগ্রাম, ভয়েস, ইনক্লুশন অ্যান্ড কোহেশন, হেলভেটাস বাংলাদেশ</p> <p> স্থানীয় সরকারকে ইপিআরে সম্পৃক্ত করতে ইউনিয়ন পরিষদের বার্ষিক বাজেটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বরাদ্দ এবং উৎপাদকদের সঙ্গে কাজের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া জরুরি। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ও উৎপাদক দায়িত্ব সংস্থাগুলোকে তালিকাভুক্ত করে বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে।</p><p>সুন্দরবন এলাকায়  বাজারের বর্জ্য সরাসরি বনে ফেলা হচ্ছে। গত এক বছরে পর্যটন মৌসুমের বর্জ্য সংগ্রহ করে ১৬ টন বর্জ্য পাওয়া গেলেও তা ফেলার জায়গা পাওয়া যায়নি। স্থানীয় মানুষ প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে পারলেও পলিথিন ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন অধিদপ্তরের সমন্বয় ছাড়া এ অঞ্চলে ইপিআর বাস্তবায়ন কঠিন হবে।</p><p>২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে। বর্জ্য ফেলার জায়গা না থাকায় গ্রামে পলিথিন পোড়ানো বা মাটিতে পুঁতে রাখা হচ্ছে, যা মাটি ও বায়ুদূষণ বাড়াচ্ছে। তাই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/x5gzkao1/14Raju-Bashak.JPG"></figure><p><strong>রাজু বসাক</strong></p><p>সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন অ্যান্ড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, ব্র্যাক</p> <p>উৎস থেকেই বর্জ্য আলাদা করা ও জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। ইপিআর বাস্তবায়নে প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো বর্জ্য বিষয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া। প্লাস্টিক বর্জ্য অন্য বর্জ্যের সঙ্গে মিশে গেলে তা সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহার কঠিন হয়। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলো ভূমিকা রাখতে পারে।</p><p>বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের পর্যাপ্ত জনবল, সম্পদ ও সক্ষমতা নেই। তাই তাদের শুধু সেবাদানকারী নয়, পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদকেও সম্পৃক্ত করা জরুরি। পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক বর্জ্য সংগ্রাহক ও ভাঙারিদের আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থায় আনতে হবে।</p><p>উৎপাদক ও পৌরসভার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে, যাতে সংগ্রহের পাশাপাশি পুনর্ব্যবহার ও আবার ব্যবহার নিশ্চিত হয়।</p><p>কয়েকটি পৌরসভায় পরীক্ষামূলকভাবে ইপিআর বাস্তবায়ন করে বাধাগুলো চিহ্নিত করা যেতে পারে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/5dp6phum/15Sayed-Manzurul-Haque.JPG"></figure><p><strong>সৈয়দ মনজুরুল হক</strong></p><p>প্রজেক্ট ম্যানেজার, প্লাস্টিক সার্কুলারিটি পোর্টফোলিও, ইউএনডিপি</p> <p>আমাদের দেশে অনেক নীতিমালা থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি রয়েছে। ইপিআর কার্যকর করতে সুনির্দিষ্ট কৌশল প্রয়োজন। এক থেকে চার বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পরিবেশ অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ে একটি সমন্বয় সেল গঠন করা যেতে পারে।</p><p>প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শুধু বেসরকারি খাতের দায়িত্ব নিয়ে ভাবলে হবে না, আমরাও ভোক্তা। বাসাবাড়িতে বর্জ্য আলাদা করা হলেও সংগ্রহের সময় তা আবার মিশে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ভাগাড়ে চলে যায়। ফলে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয় না।</p><p>মূল্যবান উপকরণ সংগ্রহ করা হলেও কম মূল্যবান বর্জ্য পড়ে থাকে। অনেক উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও স্টার্টআপ থাকলেও বাজারের অভাবে সেগুলো টেকসই হচ্ছে না।</p><p>পলিথিনের বিকল্প পণ্যের সহজলভ্যতা ও বাজার তৈরিতে কৌশলগত উদ্যোগ প্রয়োজন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর পণ্য সরবরাহের চ্যানেল ব্যবহার করে বর্জ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/qvxcfkpj/16Md.-Nahid-Alam.JPG"></figure><p><strong>মো. নাহিদ আলম</strong></p><p>কো-ফাউন্ডার ও সিইও দ্য স্কেইট লিমিটেড</p> <p> ২০১৭ সাল থেকে আমরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছি। প্রথমে জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি করলেও পৌরসভার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও শুরু করি। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে হবে, তবে বর্তমান বাস্তবতায় একে পুরোপুরি বাদ দেওয়া কঠিন। তাই এর ধরন বুঝে কার্যকর সমাধান খুঁজতে হবে।</p><p>ইপিআর ও পুনর্ব্যবহারব্যবস্থাকে অর্থনৈতিকভাবে টেকসই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি), উপযোগী প্রযুক্তি ও কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন।</p><p>আমরা জৈব বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি করি ও প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিই। জৈব বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বা বায়োগ্যাস তৈরির চেয়ে আমাদের বেশি প্রয়োজন কম্পোস্ট। অন্যদিকে গবেষণার মাধ্যমে প্লাস্টিককে বিভিন্ন খাতে পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব। ইপিআর নির্দেশিকা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও গবেষণায় বিনিয়োগ করা গেলে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-16/6nhxd3xc/17Ranjan-Kumar-Gosh.JPG"></figure><p><strong>রঞ্জন কুমার ঘোষ</strong></p><p>পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ</p><p>দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ বা জাতীয় থ্রি-আর কৌশল, ২০১০ থাকলেও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারীর সম্প্রসারিত দায়িত্ব (ইপিআর) বিষয়ক সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকাটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে নির্দেশিকা জারি করলেই হবে না, কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় নওগাঁ ও সাতক্ষীরায় আমরা স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করছি। আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এসব পক্ষের অংশগ্রহণের পাশাপাশি উৎপাদকদের দায়িত্বশীলতা এবং আর্থিক প্রণোদনা নিশ্চিত করা গেলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের মূল ভাবনা—‘বর্জ্য যার, দায়িত্ব তার’।</p><p>আমরা সবাই বর্জ্য তৈরি করি; পরিবারও করে, কোম্পানিও করে। তাই ব্যবহারের পর প্যাকেটসহ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের কার্যকর ব্যবস্থা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যশৃঙ্খল গড়ে তোলা জরুরি। ইপিআর ২০২৬ যেন আগের অনেক নীতিমালার মতো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।</p> <h3>সুপারিশসমূহ </h3><ul><li><p> <strong>সমন্বয় সেল গঠন:</strong> ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ কার্যকর করতে পরিবেশ অধিদপ্তরের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সমন্বয় সেল গঠন করে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সময়সীমা নির্ধারণ করা জরুরি।</p></li><li><p><strong>উৎপাদক ও আমদানিকারকদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ:</strong> প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদক ও আমদানিকারকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (সংগ্রহ, পরিবহন ও পুনঃচক্রায়ন) দায়িত্ব নিশ্চিত করতে আর্থিক দায়িত্বসহ অবলাইজড এনটিটি ডিপোজিট স্কিম, বাই ব্যাক-টেক ব্যাক স্কিমসহ অন্যান্য স্কিম গ্রহণ করতে হবে।</p></li><li><p><strong>তৃণমূল পর্যায়ে সমন্বয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা বাড়ানো:</strong> স্থানীয় সরকারের নেতৃত্বে উৎপাদক, পিআরও, বেসরকারি খাত এবং এনজিওগুলোর সমন্বয় বাড়িয়ে তৃণমূল পর্যায়ে বর্জ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। শুধু বড় শহর নয়, ইপিআর বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ ও ছোট পৌরসভাগুলোকেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।</p></li><li><p><strong>নিবন্ধন সহজীকরণ ও ডেটাবেজ তৈরি:</strong> উৎপাদক, আমদানিকারক, ব্র্যান্ড, পিআরও এবং রিসাইক্লারদের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সহজ ও ডিজিটালাইজড করার পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্যের একটি নির্ভরযোগ্য ও কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার গড়ে তুলতে হবে।</p></li><li><p><strong>পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ:</strong> রিসাইকেলকৃত পণ্যের বাজার তৈরি ও সম্প্রসারণে সরকারি পণ্য ক্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবেশবান্ধব ও রিসাক্লিং পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে, প্রয়োজনে প্রযুক্তিগত ও নীতিগত সহায়তা দিতে হবে।</p></li><li><p><strong>বর্জ্যকর্মীদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি:</strong> প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিংয়ের সঙ্গে জড়িত অনানুষ্ঠানিক খাত ও বর্জ্যকর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও প্রণোদনার আওতায় আনতে হবে।</p></li><li><p><strong>সহজবোধ্য গাইডলাইন ও সচেতনতা বৃদ্ধি:</strong> ইপিআর নির্দেশিকা ২০২৬ সফল করতে সবার জন্য সহজবোধ্য নির্দেশনাবলি (গাইডলাইন) প্রণয়ন এবং স্কুলসহ তৃণমূল স্তর পর্যন্ত ব্যাপক উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।</p></li></ul>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দেখা গেল মনোমুগ্ধকর স্পেস জেলিফিশ, কারণ কী
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দেখা গেল মনোমুগ্ধকর স্পেস জেলিফিশ, কারণ কী

<p>যুক্তরাষ্ট্রের রাতের আকাশে সম্প্রতি মনোমুগ্ধকর স্পেস জেলিফিশ দেখা গেছে। সূর্য ওঠার ঠিক আগে দেশটির আকাশে বিশাল ও উজ্জ্বল একটি স্পেস জেলিফিশ ভাসতে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের হাজার হাজার মহাকাশপ্রেমী মানুষ এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছেন। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, রকেট উৎক্ষেপণের সময় বায়ুমণ্ডলের উচ্চ স্তরে তৈরি হওয়া বিশেষ আলোকচ্ছটা বা অপটিক্যাল ফেনোমেননের কারণে এ ধরনের দৃশ্য তৈরি হয়ে থাকে।</p><p>ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়, আকাশে স্বচ্ছ সামুদ্রিক জেলিফিশের মতো একটি প্রতিকৃতি রয়েছে। প্রতিকৃতিটিতে বিভিন্ন রঙের আভা থাকায় এই দৃশ্য মুগ্ধ করেছে মহাকাশপ্রেমীদের। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফ্লোরিডা থেকে উৎক্ষেপণ করা স্পেসএক্সের একটি রকেটের রেখে যাওয়া ধোঁয়ার মেঘের কারণে আকাশে সামুদ্রিক জেলিফিশের মতো প্রতিকৃতি তৈরি হয়েছিল। রকেটের নির্গত জ্বালানির বাষ্প মহাশূন্যের ঠান্ডায় জমে স্ফটিক বা বরফে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে সূর্যের আলো সেই হিমায়িত কণাগুলোর ওপর পড়ায় তা উজ্জ্বল হয়ে আকাশে জ্বলে ওঠে।</p><p>ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে সূর্যোদয়ের ৪৮ মিনিট আগে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। এর ফলে তৈরি হওয়া রঙিন দৃশ্যটি পৃথিবী থেকে স্পষ্ট দেখা গেছে। ফ্যালকন ৯ রকেট আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে প্রয়োজনীয় রসদ ও বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম নিয়ে যাচ্ছিল। রকেটটি নাসার বিশেষ বাণিজ্যিক সরবরাহ মিশনের অংশ হিসেবে কাজ করছে।</p><p>মহাকাশযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাসার জন্য পরিচালনা করা স্পেসএক্সের ৩৫তম বাণিজ্যিক পুনর্ব্যবহারযোগ্য সরবরাহ মিশনের অংশ হিসেবে ৬৩০০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক গবেষণা সামগ্রী এবং পণ্যসামগ্রী মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হচ্ছে। এ অভিযানের মাধ্যমে মহাকাশ স্টেশনে গবেষণা চালান বিজ্ঞানী ও মহাকাশচারীরা। উচ্চ বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় নির্গমনের এমন বিশেষ প্রতিক্রিয়া বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে রকেট প্রযুক্তির প্রভাব ও বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিফলন সম্পর্কে নতুন ধারণা পাওয়া যায়।</p><p>সূত্র: ডেইলি মেইল</p>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সৌদি ও হুতির সামনে এখন যে দুই পথ খোলা রয়েছে
সৌদি ও হুতির সামনে এখন যে দুই পথ খোলা রয়েছে

<p>সৌদি আরবে ইরান-সমর্থিত হুতিদের সাম্প্রতিক হামলা ইয়েমেন যুদ্ধকে এক নতুন মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো এসব হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে লাল রেখা বা সীমারেখা মানার সব পথই বন্ধ হয়ে গেছে।</p><p>হুতিদের এটি একটি চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন বাজি, যা কোনোভাবেই তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবে না। তারা খুব ভালো করেই জানে এর পরিণতি এবং পাল্টা হামলা কতটা ভয়াবহ হতে পারে। তারপরও তারা সৌদি আরবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে মূলত মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের (মিডটার্ম) ঠিক আগে এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াতে ইরানের যে পরিকল্পনা, তা বাস্তবায়নের জন্য।</p><p>পরিস্থিতি যেহেতু ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, তাই বর্তমান প্রেক্ষাপট দুটি বড় ধরনের দৃশ্যপটের জন্ম দিতে পারে: হুতিদের বিরুদ্ধে একটি বড় আঞ্চলিক সামরিক অভিযান অথবা একটি দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ (ওয়ার অব অ্যাট্রিশন)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/c3yp0uk2zc">হুতি যেভাবে ইরানের ‘বিপ্লবী গার্ড’ হয়ে উঠেছে</a></aside><h3>প্রথম দৃশ্যপট: হুতিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জোট</h3><p>হুতিদের ক্রমাগত উসকানির জবাবে সৌদি আরব এখন আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার চেষ্টা করছে। লক্ষ্য একটাই—একটি শক্তিশালী ঐক্যবদ্ধ জোট গঠন করা, যা আঞ্চলিক হুমকিতে পরিণত হওয়া এই গোষ্ঠীকে প্রতিহত করতে পারবে।</p><p>রিয়াদ স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে; কারণ, অঞ্চলটির চলমান অশান্তির আঁচ তাদের গায়েও লাগছে। সবার মধ্যেই এখন এই উপলব্ধি তৈরি হয়েছে যে বিপদটি শুধু সৌদির একার নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জন্য।</p><p>ফলে ওমান ছাড়া বাকি উপসাগরীয় দেশগুলো ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে রিয়াদকে পূর্ণ সমর্থন দিতে পারে।</p><p>অন্যদিকে পাকিস্তানের পাশাপাশি তুরস্কও এই জোটে যুক্ত হতে পারে। কারণ, সৌদি আরবের সঙ্গে তাদের ‘মক্কা চুক্তি’ নামে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে। চুক্তিটি তুর্কি সংসদে অনুমোদন পেলেই সৌদি আরবকে সহায়তায় সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েনের পথ সহজ হবে। অবশ্য আড়ালে তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক সহায়তা, রসদ ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ ইতিমধ্যেই পুরোদমে চালু রয়েছে।</p><blockquote>ইয়েমেন সংকটের একমাত্র সমাধান হলো—ইয়েমেন সরকারের নেতৃত্বে এবং একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোটের সমর্থনে একটি চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক সামরিক অভিযান। আর তা বাস্তবায়ন করতে হলে ইয়েমেন সরকারকে অবশ্যই সবার আগে নিজের ঘর সামলাতে হবে এবং তাদের মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে হবে।</blockquote><p>যুক্তরাষ্ট্রের এ যুদ্ধের সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ঘটার সম্ভাবনা বেশ কম। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে কোনো নতুন সামরিক অভিযানে জড়ানোকে মার্কিন ভোটাররা ইতিবাচকভাবে দেখেন না।</p><p>একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোট ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিশ্বস্ত বাহিনীকে শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ চালাতে সাহায্য করতে পারে। এটি বাব আল-মানদেব ও ধুবাব ছাড়িয়ে পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল আবার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।</p><p>উপকূলীয় এই সাফল্যগুলো লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেবে এবং যুদ্ধের পাল্লা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। ইয়েমেনের অন্যান্য শহর ও প্রদেশে নতুন সামরিক ফ্রন্ট খুলে দেওয়া সম্ভব হলে হুতিদের মনোযোগ ও রসদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এতে সরকারি বাহিনীকে আরও দ্রুত সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/1jyhow25h0">হুতিরা যে কারণে সরাসরি ইরান যুদ্ধে জড়াল</a></aside><p>এর ফলে রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের পথও হয়তো উন্মোচিত হতে পারে। তবে সরকারের পক্ষে সানা পুনর্দখলের প্রধান বাধা হলো তাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল। বাইরের নেতিবাচক হস্তক্ষেপ বা প্রভাব এই কোন্দলকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং হুতিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইকে দুর্বল করে ফেলতে পারে।</p><p>তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেন সরকার তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে এক ছাতার নিচে আনা এবং সামরিক কমান্ডকে সংহত করতে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তার সুফল মাঠে ইতিবাচকভাবে দেখা যাচ্ছে। তা সত্ত্বেও রাজধানী সানা পুনর্দখলের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে তাদের লাগাতার প্রচেষ্টা ও অবিচল রাজনৈতিক সংকল্প প্রয়োজন।</p><p>সরকারি বাহিনী যদি কৌশলগতভাবে বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে পারে, তবে হুতিরা সাময়িক যুদ্ধবিরতি বা বিরতির বিনিময়ে কিছু ছাড় দিতে বাধ্য হতে পারে। অতীতেও তারা এমনটা করেছে। তবে তাদের আসল উদ্দেশ্য শান্তি প্রতিষ্ঠা নয়; বরং কিছুটা সময় নিয়ে নিজেদের নতুন করে গুছিয়ে নেওয়া এবং পুনরায় নতুন শক্তিতে হামলা চালানো। হুতিদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার সময় কূটনীতিক ও মধ্যস্থতাকারীদের এ বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-11/pudo8rcj/Capture.PNG"><figcaption>সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান–সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলার পর ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী দেখা যায়। ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এ হামলা হয়</figcaption></figure><h3>দ্বিতীয় দৃশ্যপট: দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ</h3><p>যদি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইয়েমেন সরকার নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও মতপার্থক্য মেটাতে ব্যর্থ হয়, তবে হুতিদের বিরুদ্ধে তাদের অগ্রযাত্রা অনেকটাই থমকে যাবে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে হুতি যোদ্ধারা কেবল নিজেদের অবস্থানই শক্ত করবে না, বরং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ শহরের ওপর চাপ বাড়াবে এবং সৌদির বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাবে।</p><p>এমন পরিস্থিতি সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলবে। ফলে বেসামরিক প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা বহুগুণ বাড়বে এবং কোনো চূড়ান্ত ফলাফল ছাড়াই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকবে।</p><p>এর একটি বড় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে সৌদি আরবের ওপর। প্রতিরক্ষা খাতে অস্বাভাবিক খরচ বেড়ে যাওয়ার ফলে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়বে।</p><p>যেহেতু সৌদি আরব এই অঞ্চলের অর্থনীতির চালিকা শক্তি, তাই পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতেই এর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তা ছাড়া হুতিদের কাছে ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার অর্থ হলো হরমুজ প্রণালির সংকট অব্যাহত থাকা, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত করবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/pnub1ix25q">সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ হামলা, যুক্তরাষ্ট্র এখন কী করবে</a></aside><p>এই দ্বিতীয় দৃশ্যপটের ফল হবে একটি স্থবির অবস্থা বা অচলাবস্থা, যেখানে ‘কেউ বিজয়ী নয়, কেউ পরাজিত নয়’। তবে আড়ালে আসল লাভটা হবে ইরানের। লোহিত সাগর উপকূলে একটি ক্ষয়িষ্ণু দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চলতে থাকলে তেহরান সামরিক ও রাজনৈতিক চাপ থেকে অনেকটাই হালকা হতে পারবে।</p><p>এর ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ের আলোচনায় ইরান ‘হুতি কার্ড’কে দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে এবং নিজেদের শর্ত ও দাবিগুলো আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ পাবে।</p><p>অতএব ইয়েমেন সংকটের একমাত্র সমাধান হলো—ইয়েমেন সরকারের নেতৃত্বে এবং একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক জোটের সমর্থনে একটি চূড়ান্ত ও নির্ণায়ক সামরিক অভিযান। আর তা বাস্তবায়ন করতে হলে ইয়েমেন সরকারকে অবশ্যই সবার আগে নিজের ঘর সামলাতে হবে এবং তাদের মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে হবে।</p><ul><li><p><strong>আব্দুলসামাদ আলফাগি</strong> ওয়াশিংটন সেন্টার ফর ইয়েমেন স্টাডিজের প্রতিষ্ঠাতা।</p><p>আল-জাজিরা থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।</p></li></ul>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
সঙ্গীহীন জীবনে চিড়িয়াখানার প্রাণীরা
সঙ্গীহীন জীবনে চিড়িয়াখানার প্রাণীরা

<p>প্রাণীদেরও প্রয়োজন হয় সঙ্গের। কিন্তু রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় দশটি প্রাণীর দিন কাটছে সঙ্গীহীন অবস্থায়। এদের মধ্যে একটি আফ্রিকান গন্ডার ২০১৩ সাল থেকে একা। চারপাশে মানুষ আর পরিচিত পরিবেশ থাকলেও নেই নিজ প্রজাতির সঙ্গী। একা বসে থাকা, নির্দিষ্ট জায়গায় ঘুরে বেড়ানো আর নীরবে সময় কাটানো, এভাবেই কাটছে তাদের দিন। চিড়িয়াখানার এই প্রাণীগুলোর নিঃসঙ্গ জীবন মনে করিয়ে দেয়, বেঁচে থাকার জন্য খাবার ও আশ্রয়ের পাশাপাশি সঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/8nm2wffy/01.jpg"><figcaption>নিঃসঙ্গ একা মাটিতে শুয়ে আছে ডোরাকাটা হায়না। জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/wxj4duhu/02.jpg"><figcaption>খাঁচার এক পাশে বসে আছে হামাদ্রিয়াস বেবুনটি। ২০২২ সাল থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির দিন কাটছে এভাবেই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/64jjtgxq/03.jpg"><figcaption>একা ঘুরে বেড়াচ্ছে আফ্রিকান গন্ডারটি। একসময় তারও ছিল সঙ্গী, এখন দীর্ঘ ১৩ বছর কাটছে নিঃসঙ্গতায়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/h05mchvr/04.jpg"><figcaption>খাঁচার জালের আড়ালে ঝাপসা দেখা যায় আফ্রিকান সাদা সিংহ। স্বজাতির সঙ্গ ছাড়াই দিন কাটছে তার</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/5st8ey9y/05.jpg"><figcaption>জলাধারের পাশে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে ইন্ডিয়ান সারস ক্রেনটি। সঙ্গীহীন পাখিটির নিঃসঙ্গ জীবনের সাক্ষী চিড়িয়াখানার আবাস</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/u7vjrtph/06.jpg"><figcaption>গাছের আড়ালে একা শুয়ে আছে চিত্রা হায়েনা। চারপাশে সবুজের সমারোহ, কিন্তু নেই স্বজাতির সঙ্গ।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/42pq5wn9/07.jpg"><figcaption>দেয়ালের পাশে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে ক্যাঙারুটি। ২০২৩ সাল থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির দিন কাটছে একাকী।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/hhlnasdr/08.jpg"><figcaption>খাঁচার জাল আঁকড়ে বসে আছে উল্লুকটি। প্রকৃতিতে দলবদ্ধভাবে বসবাস করা এই প্রাণীটির চিড়িয়াখানার জীবন কাটছে সঙ্গী ছাড়াই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/l5sewmje/09.jpg"><figcaption>খাঁচার ভেতর খাবার খুঁজছে কেশোয়ারি পাখিটি। প্রায় ১৭ বছর ধরে সঙ্গীহীন এই পাখির দীর্ঘ জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে একাকিত্বে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-17/4seb1yg0/10.jpg"><figcaption>খাঁচার ভেতর মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে কুলু বানরটি। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে সঙ্গীহীন প্রাণীটির একাকী জীবন কাটছে। </figcaption></figure>

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি
ভুট্টা চাষীদের সার সংকটের যে চিত্র দেখেছে বিবিসি

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের চরের সাধারণ কৃষকরা জানান, সার পেতে এরকম সমস্য্যা গত দশ-পনেরো বছরে হয়নি। চলতি বছর অগাস্টে কুড়িগ্রাম জেলায় গুদাম থেকে সার লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা
জাতীয় পতাকা নিয়ে কর্মসূচিতে হাজির বহু মানুষ, দিল্লিতে এর আগেই আটক অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বা তেরঙ্গা ওড়াও কর্মসূচি, আটক এবং পুলিশ-প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার পারদ বেশ ঊর্ধ্বমুখী।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'
নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক আগে থেকেই 'ঝুঁকিতে ছিলেন'

নিহত ব্যক্তির নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি 'ডিটেকটিভ আর্টিকেল' নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন এবং সেখানে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধের বিষয়ে লেখালেখি করতেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা
ফিলিপিন্সে 'পেঁয়াজ সিন্ডিকেট'কে ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার জরিমানা

২০২২ সালে ফিলিপিন্সে পেঁয়াজের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে প্রতি কেজি ৮০০ পেসোতে পৌঁছায়, যা দেশটির দৈনিক ন্যূনতম মজুরি এবং মাংসের দামকেও ছাড়িয়ে যায়।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের
হেফাজতের নেতৃত্বে ঐক্য প্রক্রিয়ায় মতবিরোধ, সন্দেহ কেন জামায়াতের

এই ঐক্য প্রক্রিয়ার নেপথ্যে কী আছে, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে কারো কারো মধ্যে। কেউ এমনটাও মনে করেন, ঐক্য প্রক্রিয়ায় নেপথ্যে সরকার ভূমিকা রাখছে এবং সরকার চায় জামায়াতে ইসলামীর বাইরে ইসলামপন্থি দলগুলোর আলাদা একটা জোট গড়ে উঠুক।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার
আইফোন ১৭ থেকে ২০ কিলো বিরিয়ানি: পার্সেলের হিড়িকে হয়রান দক্ষিণ ভারতের ইনফ্লুয়েন্সার

দক্ষিণ ভারতের মাদুরাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শান্মুগানাথন গত কয়েকদিন ধরে 'অ্যামাজন', 'সুইগি' এবং অন্যান্য অনলাইন অ্যাপ মারফত একের পর এক পার্সেল পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে খাবার- টিভি, ফ্রিজ, আই ফোন এমনকি ২০ কেজি বিরিয়ানিও। এই পার্সেলই এখন তার পরিবারের কাছে মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের 'টোপ' হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশিদের 'টোপ' হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ

"কীভাবে কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যে প্রাণে বেঁচে ফিরছি, সে কথা বলে বোঝানো যাবে না," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরে আসা তরুণ রাজন হোসেন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে
'গরু জবাই' নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যা হচ্ছে

ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দিরের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার শুরু গত ১২ই অক্টোবর। সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চের কাছে গরুর মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্নার আয়োজন করেন।

অক্টোবর ১৫, ২০২৬
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু
ভোলায় দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু

ভোলার বোরহানউদ্দিনে দুই সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে আহত মো. আলী (৬০) নামের একজন মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত পাঁচজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯
সুগন্ধা নদীতে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় ইউএনওসহ আহত ৯

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান চালানোর সময় স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নলছিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রতীক কুমার কুণ্ডুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান
আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ঝালকাঠিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
ঝালকাঠিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

ঝালকাঠির রাজাপুরে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. আনিচ হাওলাদার (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 
জিপিএ-৫ এর পেছনে দৌড়ানোর দিন শেষ: ডেপুটি স্পিকার 

ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশে যত বড় বড় আন্দোলন হয়েছে, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছে তরুণরাই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের অনেকেই তরুণ। তরুণরা সব সময় আন্দোলন করেছে সামাজিক মর্যাদা এবং সমতার সুযোগ রক্ষার জন্য।”

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী
মস্তিষ্কে আটকে বুলেট, শরীরে ৪৭ ছররা গুলি: রীপা গোমেজের পাশে প্রধানমন্ত্রী

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নির্দেশে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর মধ্য বাড্ডায় রীপা গোমেজের বাসায় যায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধিদল।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে
আরো অবনতি ঘটছে ট্রাম্প-জেলেনস্কির সম্পর্কে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সম্পর্ক আরো অবনতি ঘটছে। শুক্রবার জেলেনস্কি সাফ জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের ডিজেল চুক্তিকে মানেন না। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা
ঢাকার দিয়াবাড়িতে ১৮ নভেম্বর শুরু হ‌চ্ছে  দাওয়াতে ইসলামীর ৩ দিনের ইজতেমা

প্রতিবছ‌রের ম‌তো ঢাকায় শুরু হ‌চ্ছে সুফিবাদী বৃহৎ অরাজ‌নৈ‌তিক দ্বী‌নি সংগঠন ‘দাওয়াতে ইসলামী’র তিন দিনের সুন্নাতে ভরা ইজতেমা। 

অক্টোবর ১৬, ২০২৬