<p>ঢাকার দোহারের রাধানগর গ্রামে এক মাসের ব্যবধানে মা–বাবা হারানো পাঁচ বোনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) খন্দকার আবু আশফাক এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’। দুটি পৃথক প্রতিনিধিদল আজ শুক্রবার পরিবারটির সঙ্গে দেখা করে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।</p><p>দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন ও ঋণের চাপে মাত্র ৩১ দিনের ব্যবধানে আত্মহত্যা করেন কৃষক আবুল কালাম আজাদ ও তাঁর স্ত্রী ফরিদা বেগম। প্রথমে ফরিদার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এক মাস পর ২৯ সেপ্টেম্বর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর স্বামী আজাদের। এই দম্পতি পাঁচ বছরের এক কন্যাশিশুসহ পাঁচ মেয়ে রেখে গেছেন।</p><p>আজ দুপুরে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাধানগর গ্রামে ওই দম্পতির বাড়িতে যায়। প্রতিনিধিদলটি জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘এক মাসের ব্যবধানে মা–বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভাবের সংসারে পাঁচ মেয়ের কী হবে’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়।</p><p>প্রতিবেদনটি দেখে প্রধানমন্ত্রী তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা ও উপহারসামগ্রী নিয়ে প্রতিনিধিদলটি আজ ওই বাড়িতে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-02/yh44p3t3/dhaka2.jpg"><figcaption>দোহার–নবাবগঞ্জ আসনে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে আর্থিক অনুদান দেয়</figcaption></figure><p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমে এই পরিবারের দুর্দশার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তাঁর পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে আমরা আজ এখানে এসেছি।’</p><p>এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন ও মুস্তাকিম বিল্লাহ, দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফসহ স্থানীয় নেতারা।</p><p>এর আগে আজ দোহার–নবাবগঞ্জ আসনে বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল ওই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং আর্থিক অনুদান দেন। এ সময় ওই পরিবারকে ঘর করে দেওয়া হবে বলে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেন যুবদল নেতা আলী আব্বাস।</p><p>নিহত দম্পতির বড় মেয়ে সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘বাবা–মা নেই। পাঁচ বোনের অভাবের সংসার। এমপি সাহেব যেন আমাদের একটি ঘর করে দেন। আমাদের টিনের চালার ভাঙ্গা ঘর।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/lj3kvq3qmx">এক মাসের ব্যবধানে মা–বাবার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, অভাবের সংসারে পাঁচ মেয়ের কী হবে</a></aside>
<p>রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ওষুধ বিক্রেতাকে আগ্নেয়াস্ত্রের বাঁট দিয়ে আঘাত এবং ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ (৩৮) চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।</p><p> আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন মো. ওমর (৩২), মো. মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।</p><p> রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত প্রধান আসামি ফেরদৌসের চার দিন এবং বাকি তিনজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।</p><p>এদিন বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসিম। শুনানিতে আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিল না।</p><p>মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাড়ির সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন বাদীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফেরদৌস পিস্তল বের করে তাঁর বুকে গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ফেরদৌস পিস্তলের বাঁট দিয়ে বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাঁকে মারধর করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।</p><p>মামলায় আরও বলা হয়, আহত বাদী স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে বাদীর ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তাঁর কাছে আসেন। এ সময় ফেরদৌসসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে এসে আবারও বাদীকে মারধরের চেষ্টা করেন। ফেরদৌস পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করেন। ফেরদৌসও পালানোর চেষ্টার সময় আটক হন। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়। পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সোহান বাদী হয়ে মামলা করেন।</p><p>রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিরা সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে রিমান্ডে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এই আসামিদের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল ও কলাবাগান থানায় বিভিন্ন মাদক মামলা রয়েছে বলে আদালতকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।</p><p>মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও হাতিরঝিল থানার এসআই নাসিম প্রথম আলোকে বলেন, আসামি চারজনকে একই জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে।</p>
আগামীকাল কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। আজ ম্যাচটি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের একটি কথা দলটি বারবার বলে, ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়।’ বেগম খালেদা জিয়াও তাঁর জীবদ্দশায় বারবার নেতা-কর্মীদের এ কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো: কথাটা কি শুধু মুখে মুখেই থাকবে, নাকি বাস্তবেও সেটার প্রতিফলন দেখা যাবে? লিখেছেন মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার
মুম্বাইয়ের মিঠি নদীর পলি অপসারণ প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের মামলায় বলিউড অভিনেতা দিনো মোরিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর তীর রক্ষা বাঁধের একটি অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে প্রায় ৭০ বছরের পুরোনো সুরেশ্বর মাছবাজার
<p>সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির (২) মনিরুল ইসলামের বাসা থেকে ১৮ বস্তা (৯০০ কেজি) ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় তাঁর দলীয় পদ স্থগিত করেছে জামায়াতে ইসলামী।</p><p> গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি এলাকায় কামারখন্দ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লা আল মামুনের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।</p><p> অর্থদণ্ড পাওয়া মনিরুল ইসলাম কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির (২) ও উপজেলার ধোপাকান্দি গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে।</p><p>ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাত একটার দিকে একটি অটোরিকশায় কয়েক বস্তা ইউরিয়া সার মনিরুল ইসলামের বাসায় নেওয়া হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তাঁরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।</p><p>পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেখানে অভিযান চালান। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাসা থেকে ৫০ কেজি ওজনের ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। তিনি একজন ডিলারের কাছ থেকে ইউরিয়া সারগুলো নিয়ে তাঁর বাসায় মজুত করে রেখেছিলেন।</p><p>উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লা আল মামুন বলেন, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে ইউরিয়া সারগুলো জব্দ করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সার মজুত করে রাখার অপরাধে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত সার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের কৃষকদের কাছে সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হবে।</p><p>এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন, কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পেরেছি, আইন লঙ্ঘন করেই তিনি ইউরিয়া সারগুলো মজুত করেছিলেন। যে কারণে জেলা জামায়াতের জরুরি সভা ডেকে কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির (২) মনিরুল ইসলামের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে। যেকোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড জামায়াতে ইসলামী সমর্থন করে না।’</p>
<p>বর্ষা শেষ হওয়ার পর গ্রামবাংলার খাল-বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ে ধীরে ধীরে পানি কমতে শুরু করে। এ সময় অনেক এলাকায় দেশি কুচো চিংড়ি সহজলভ্য হয়ে ওঠে। বাজারেও মৌসুমি কুচো চিংড়ি পাওয়া যায় বলে এই সময়টায় অনেকেই কুচো চিংড়ির ভুনা করে থাকেন। কুচো চিংড়ির লাল ঝাল ভুনার রেসিপি দিয়েছেন <strong>শাহনাজ সেতু</strong></p><h3>উপকরণ</h3><ul><li><p>কুচো চিংড়ি ২৫০ গ্রাম</p></li><li><p>পেঁয়াজকুচি দুই কাপ</p></li><li><p>টমেটোকুচি আধা কাপ</p></li><li><p>রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ</p></li><li><p>আদাবাটা ১ চা–চামচ</p></li><li><p>কাঁচা মরিচ ৪–৫টি</p></li><li><p>মরিচগুঁড়া দেড় চা–চামচ</p></li><li><p>হলুদ আধা চা–চামচ</p></li><li><p>জিরাগুঁড়া আধা চা–চামচ</p></li><li><p>লবণ স্বাদমতো</p></li><li><p>শর্ষের তেল আধা কাপ</p></li><li><p>টমেটো ১টি ছোট (ঐচ্ছিক)</p></li><li><p>ধনেপাতা সামান্য</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/l6mtpw2a0p">বরিশালের চিংড়ির জলটোবা খেয়েছেন? রেসিপি দেখুন</a></aside><h3>প্রণালি</h3><ul><li><p>কুচো চিংড়ি ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রাখুন।</p></li><li><p>কড়াইয়ে বাকি শর্ষের তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিন। ভালো করে লালচে বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।</p></li><li><p>এরপর টমেটোকুচি দিয়ে একটু ভাজুন। নরম হলে মরিচগুঁড়া দিন।</p></li><li><p>একটু ভেজে রসুন ও আদাবাটা দিয়ে ভাজুন। ধনে, জিরা ও হলুদ সামান্য পানি দিয়ে ভালো করে কষান।</p></li><li><p>চিংড়ি দিয়ে মসলার সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে কম আঁচে ৫–৭ মিনিট ভুনে নিন।</p></li><li><p>তেল আলাদা হয়ে এলে কাঁচা মরিচ দিন। শেষে ধনেপাতা দিয়ে চুলা বন্ধ করুন।</p></li></ul><h3>নোট</h3><ul><li><p>চাইলে অল্প লবণ–হলুদ মেখে মাছ সামান্য ভেজেও নিতে পারেন।</p></li><li><p>তবে বেশি পেঁয়াজে অনেকক্ষণ ভুনা হয় বলে না ভাজলেও স্বাদ ভালো হয়।</p></li><li><p>এই রান্নায় মরিচ বেশি দিলেই মজা।</p></li></ul><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/fa10kbsxw3">ঢাকার কোন কোন রেস্তোরাঁয় গ্রামীণ স্বাদের ভাত-ভর্তা পাবেন</a></aside>
আইনস্টাইনের থিওরি অনুযায়ী, আপনি যদি আলোর গতির (প্রতি সেকেন্ডে ৩ লাখ কিলোমিটার) কাছাকাছি গতিতে ছুটতে পারেন, তবে আপনার জন্য সময় ধীর হয়ে যাবে এবং আপনি ভবিষ্যতে পৌঁছে যাবেন। কিন্তু মানুষের তৈরি সবচেয়ে দ্রুতগতির মহাকাশযান ‘পার্কার সোলার প্রোব’-এর গতি আলোর গতির মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৬৪ শতাংশ।
শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা। ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে। সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।” জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর। সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে। চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন