ইরানের স্থলবাণিজ্য বন্ধে এবার যুক্তরাষ্ট্রের নতুন টাস্কফোর্স

ইরানের ওপর কয়েক মাস ধরে চলা নৌ-অবরোধের পর, মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করছে। এর লক্ষ্য হলো—তেহরান যাতে স্থল সীমান্ত এবং কাস্পিয়ান সাগরের মধ্য দিয়ে উন্নত অস্ত্রশস্ত্র ও নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত অন্যান্য সামগ্রী স্থানান্তর করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের প্রচেষ্টাকে আরো জোরদার করা। শনিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

ভারী বৃষ্টিতে গাজার বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুগুলো প্লাবিত

ভারী বর্ষণের ফলে গাজা উপত্যকাজুড়ে গড়ে ওঠা আশ্রয়শিবিরগুলোতে গাদাগাদি করে থাকা বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের হাজার হাজার তাঁবু প্লাবিত হয়েছে। এতে অনেক আশ্রয়স্থল ভেসে গেছে এবং কম্বল ও তোশক ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে...

ভারী বৃষ্টিতে গাজার বাস্তুচ্যুতদের তাঁবুগুলো প্লাবিত
স্কেল দিয়ে আঘাত শিক্ষকের, অবশের পথে স্কুলছাত্রীর হাত

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র গলায় না পরায় শিক্ষকের স্টিলের স্কেলের আঘাতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর হাতের রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ধীরে ধীরে শক্তি হারাচ্ছে তার হাত। বেঁকে...

স্কেল দিয়ে আঘাত শিক্ষকের, অবশের পথে স্কুলছাত্রীর হাত
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের দাপুটে জয়

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আহসান আল মুমিন ও এস কে জারিফ সিয়ামের ব্যাটে ভর করে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এর পর বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৪৫ রানে হারিয়ে...

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের দাপুটে জয়
কিস্তি গ্রাহকের মৃত্যুতে পরিবারকে লাখ টাকা সহায়তা ওয়ালটনের

কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারী গ্রাহকের মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। কিস্তি সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় প্রয়াত গ্রাহক মো. সাইদুর রহমানের মনোনীত নমিনি ছাকেদা খাতুনকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহ...

কিস্তি গ্রাহকের মৃত্যুতে পরিবারকে লাখ টাকা সহায়তা ওয়ালটনের
নারায়ণগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে মো. নাঈম খান (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে নাসিকের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শিমরাইল উত্তরপাড়া এলাক...

নারায়ণগঞ্জে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
সৌদিতে নিহত ৭ বাংলাদেশির ৪ জন চকরিয়ার হতে পারে: ইউএনও

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে একই পরিবারের চারজন কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৌদিতে নিহত ৭ বাংলাদেশির ৪ জন চকরিয়ার হতে পারে: ইউএনও

সারা দেশ

View more
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার
দড়ি টেনে চলে প্রতিবন্ধী জনির ৬ সদস্যের সংসার

সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।

Video news

Rss feed news

কার্তিকে বসন্তের সাজে নজর কাড়লেন তটিনী, ভক্তরা লিখলেন, ওহে হলদে পরি
কার্তিকে বসন্তের সাজে নজর কাড়লেন তটিনী, ভক্তরা লিখলেন, ওহে হলদে পরি

হালকা সাজ, রঙিন পোশাক আর মিষ্টি হাসিতে তাঁর ছবিগুলোয় ধরা দিয়েছে বসন্ত ঋতুর আবেশ। বসন্তের এই সাজে তটিনীর কিছু মুহূর্ত।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্বের সমাধান ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে: শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্বের সমাধান ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে: শুভেন্দু অধিকারী

<p>আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় যোগ্য সব আবেদনকারীর নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হবে। আজ শনিবার নদীয়া জেলায় একটি কালীপূজা প্যান্ডেলের উদ্বোধনে গিয়ে এই ঘোষণা দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সিএএ বাস্তবায়নে সহযোগিতা না করায় প্রায় আড়াই লাখ আবেদন এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।</p><p>বিজেপির অভিযোগ, সীমান্তবর্তী নদীয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় কথিত বাংলাদেশ থেকে আসা বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাস রয়েছে।</p><p>শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কেবল এই দুটি জেলাতেই প্রায় আড়াই লাখ আবেদন বিবেচনাধীন। তবে কোনো যোগ্য আবেদনকারী নাগরিকত্ব থেকে বাদ পড়বেন না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তাঁদের হাতে নাগরিকত্ব সনদ তুলে দেওয়া হবে।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ লক্ষ্যে তাঁর প্রশাসন ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকদের (ডিএম) প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসকেরা (এসডিও) মাঠপর্যায়ে সব আবেদন যাচাই এবং এ–সংক্রান্ত গণশুনানি তদারক করবেন।</p><p>২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ভারতের পার্লামেন্টে সিএএ বিল পাস হয়। এতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিষ্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান রাখা হলেও মুসলিমদের রাখা হয়নি। এ আইন পাসের পর পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক বিক্ষোভ, সড়ক ও রেলপথ অবরোধ এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।</p><p>পরে ২০২৪ সালের ৬ মার্চ কেন্দ্র সরকার এ আইনের বিধিমালা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করে। বিশেষ করে নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে এই নাগরিকত্বের বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।</p><p>২০২৬ সালের জুন মাসে বর্তমান প্রশাসন সিএএবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনাগুলো আবার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে এবং এ জন্য পুলিশের একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে।</p>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে
এইচএসসিতে ১০ লাখের বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদন, সময় আরও বেড়েছে

<p>চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফল না হওয়ায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য আবেদন করেছেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ জন শিক্ষার্থী। তাঁরা মোট ১০ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৭টি উত্তরপত্র (বিষয়) পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়ন চেয়েছেন।</p><p>পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আজ ৭ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের শেষ সময় ছিল। তবে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান  আজ রাতে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের সময় বাড়ানো হয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/6xg2a4l10z">এইচএসসির ফলাফলে ২২ বছরে এত বড় অবনতি যেসব কারণে</a></aside><p>এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষায় ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। এবার প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।<br>পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদনও করেছেন বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কর্তৃপক্ষ পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছে। এ জন্যই সময় বাড়ানো হয়েছে, যাতে আগ্রহী কোনো শিক্ষার্থী বাদ না পড়ে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/39446qlmdh">এইচএসসিতে পাস কম, উচ্চশিক্ষায় খালি থাকবে ৮ লাখের বেশি আসন</a></aside><p>এর আগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছিল। নতুন করে জিপিএ–৫ পেয়েছিল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী। আর ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৮৫ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। আর নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের।<br>এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন মোট পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তাদের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছিল ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/02mauylt2d">ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ–৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী</a></aside>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
জেমসের নগরবাউলসহ ৭ ব্যান্ডের কনসার্ট চলছে
জেমসের নগরবাউলসহ ৭ ব্যান্ডের কনসার্ট চলছে

<p>রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জেমসের নগরবাউলসহ ৭ ব্যান্ডের কনসার্ট চলছে। কনসার্টটির আয়োজন করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিস্তারিত ভিডিওতে..</p><figure></figure>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার
কীভাবে চলে মারিয়া–রমেশের সংসার

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/azff2hsm/IMG_20261015_140530_1792082466759edit_jpg.jpeg"><figcaption>রান্নার জ্বালানি জোগাতে গাছের ডালপালা থেকে খড়ি সংগ্রহ করছেন কৃষিশ্রমিক মারিয়া মর্মু। সম্প্রতি নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ফুরকুটিডাংগা এলাকায়</figcaption></figure><p>সড়কের পাশের একটি আমগাছে উঠে ডাল কাটছিলেন রমেশ বাস্কী। বাগানমালিকের কাছ থেকে আগেই অনুমতি নেওয়া ছিল। নিচে দাঁড়িয়ে সেই ডালগুলো কেটে এক জায়গায় জড়ো করছিলেন তাঁর স্ত্রী মারিয়া মুর্মু। তাঁরা রান্নার লাকড়ি সংগ্রহ করছিলেন। একসময় তাঁরা যে মাঠে ধান রোপণ, কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত থাকতেন, সেই মাঠের অনেকটাই এখন আমবাগান। ফলে কৃষিশ্রমিকের কাজ কমেছে। আমের মৌসুম শেষ হলে কাজের সন্ধানে অন্যের জমিতে ছুটতে হয়। সারা বছর কাজ মেলে না।</p><p> নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ফুরকুটিডাংগা গ্রামের বাসিন্দা মারিয়া (২৬) ও তাঁর স্বামী রমেশ (৩০) কৃষিশ্রমিক। তাঁরা সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর মানুষ। বরেন্দ্র অঞ্চলের ধানখেতে বহু প্রজন্ম ধরে যাঁরা শ্রম দিয়ে আসছেন, তাঁদের বড় একটা অংশ সাঁওতালসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর। মারিয়া ও রমেশের আবাদি জমি নেই, আছে শুধু বসতভিটা। দুই মেয়েকে নিয়ে চার সদস্যের সংসার। বড় মেয়ের বয়স ছয় বছর, ছোটটির মাত্র তিন মাস। মারিয়ার উপার্জন বন্ধ থাকলে স্বামীর একার আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।</p><p> সম্প্রতি ফুরকুটিডাংগায় কথা হয় এই দম্পতির সঙ্গে। সংসারের আয়-ব্যয়ের কথা বলতে গিয়ে মারিয়া বলেন, দিন যত যাচ্ছে, সংসার চালানো তত কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আগে দুজনের আয় দিয়ে কোনো রকমে চলে যেত। এখন তো এলাকায় কাজই নাই। তিন বেলা শাক-ভাত জোটানোর ব্যবস্থাও হয় না।</p><p>বিয়ের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জাতাহার গ্রামের বাবার বাড়ি থেকে সাপাহারে আসেন মারিয়া। তখন আশপাশের মাঠে আমন ও বোরো ধানের চাষ হতো। কৃষিশ্রমিকেরা ধান রোপণ, কাটা ও মাড়াইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য ফসলের আবাদেও কাজ পেতেন।</p><blockquote>মারিয়া ও রমেশের জীবনে কাজের নিশ্চয়তার চেয়ে অনিশ্চয়তাই বেশি। আমের মৌসুমে কিছু টাকা জমলেও তা দিয়ে সারা বছরের সংসার চালানো সম্ভব হয় না।</blockquote><p>মারিয়া বলেন, ‘যখন বিয়া হয়ে স্বামীর বাড়িত আসি, তখন গাঁয়ের আশপাশের মাঠত বর্ষালি ধান ও ইরি আবাদ হতো। তখন বছরের চার-পাঁচ মাস ধান লাগানো, কাটা-মাড়াইয়ের কাজ থাকত। আবার মাঠত সারা বছর অন্যান্য আবাদও হতো। কিন্তু দেখতে দেখতে এলাকার সব মাঠ আমবাগান হয়ে গেল। এখন আর মাঠত আবাদ তেমন নাই। লোকজন কামত নেয় না।’</p><h3>আমের মৌসুমেই আয়ের ভরসা</h3><p>এখন মারিয়া আম পাড়ার মৌসুমে এক-দুই মাস কাজ পান। সব মিলিয়ে ৪০ থেকে ৫০ দিন। দৈনিক মজুরি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। সে হিসাবে আমের মৌসুমে আয় হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। অথচ আগে ধানের আবাদের সময় চার-পাঁচ মাসের কৃষিকাজ থেকে আয় হতো প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।</p><p>আম পাড়ার কাজ শেষ হলে উপার্জনের পথ সংকুচিত হয়ে আসে। তখন অন্যের ধানখেতে রোপণ, কাটা বা মাড়াইয়ের কাজ খোঁজেন। কিন্তু ধানের আবাদ কমে যাওয়ায় সেই কাজও আগের মতো মেলে না। তিন মাসের শিশুকে সামলে কাজ করা আরেক চ্যালেঞ্জ। সন্তান রেখে দূরে গিয়ে কাজের সুযোগ নেই, আবার কাজ না করলে সংসার চলে না। তাই স্থানীয়ভাবে কাজের অপেক্ষায় থাকতে হয় তাঁকে।</p><h3>ধানখেতের জায়গায় আমবাগান</h3><p>স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় সাপাহার ও পোরশা উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে ধানসহ নানা ফসলের চাষ হতো, শ্রমিকেরা কাজ পেতেন। দিনে দিনে অনেক জমিতে আমবাগান গড়ে উঠেছে। তাঁদের হিসাবে, দুই উপজেলার ফসলি মাঠের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এখন আমবাগান। কৃষি বিভাগের চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলের হিসাবে, সাপাহার ও পোরশায় আমবাগান আছে প্রায় ২১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে, পুরো জেলায় ৩০ হাজার ৬০০ হেক্টরে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/7qd9cnxq/omor-FarukeNaoga.jpeg"><figcaption>ওমর ফারুক, প্রথম আলোর নওগাঁ প্রতিনিধি</figcaption></figure><p>রমেশ বাস্কী বলেন, আমবাগানের শুরুতে পরিচর্যা আর সেচে শ্রমিক লাগে। গাছ বড় হলে কাজ কমে আসে; থাকে শুধু মুকুলের আগে-পরে কীটনাশক দেওয়া, গোড়ায় সার আর সেচের মতো কিছু কাজ। অথচ ধানের আবাদে জমি তৈরি থেকে মাড়াই পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে শ্রমিক লাগে। তাঁর হিসাবে, জমির ব্যবহার বদলে যাওয়ায় কৃষিশ্রমিকদের কাজ বছরে কয়েক মাস কমে গেছে।</p><h3>কাজের খোঁজে দূরের জেলায়</h3><p>নিজের এলাকায় কাজ না পেলে রমেশকে জীবিকার সন্ধানে দূরে যেতে হয়। কখনো রাজশাহী গিয়ে পানের বরজে কাজ করেন, কখনো পঞ্চগড়ে পাথর তোলার কাজে যান। এসব কাজের সুযোগ কখন আসবে, কত দিন চলবে, তা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা যায় না। তাঁর দৈনিক মজুরি প্রায় ৬০০ টাকা। তবে প্রতিদিন কাজ না মেলে না।</p><blockquote>ফলের বাগান বেড়েছে, কিন্তু সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কৃষিশ্রমিকদের সারা বছরের কাজের নিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। তাই আমের মৌসুম শেষ হলেই মারিয়ার সামনে নতুন করে শুরু হয় কাজের সন্ধান।</blockquote><p>মারিয়া ও রমেশের জীবনে কাজের নিশ্চয়তার চেয়ে অনিশ্চয়তাই বেশি। আমের মৌসুমে কিছু টাকা জমলেও তা দিয়ে সারা বছরের সংসার চালানো সম্ভব হয় না। অন্যদিকে কৃষিকাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় বিকল্প কাজের সন্ধানে তাঁদের ছুটতে হচ্ছে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়।</p><p>নিজেদের আবাদি জমি নেই, স্থায়ী কর্মসংস্থানও নেই। অন্যের জমিতে শ্রম বিক্রি করেই চলে এই দম্পতির সংসার। ফলের বাগান বেড়েছে, কিন্তু সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কৃষিশ্রমিকদের সারা বছরের কাজের নিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। তাই আমের মৌসুম শেষ হলেই মারিয়ার সামনে নতুন করে শুরু হয় কাজের সন্ধান।</p><h3>সোহরাই আর কারামের অপেক্ষা</h3><p>এত অনিশ্চয়তার মধ্যে আনন্দ কোথায় খুঁজে পান? মারিয়া বলেন, ‘সৎভাবে পরিশ্রম করে উপার্জন করে স্বামী-সন্তানের মুখেত দুবেলা খাবার জোটলেই হামরা অনেক খুশি। এর বাইরে বছরের বিভিন্ন সময় হামাগের পালাপার্বণে সবাই মিলে আনন্দ করি। বিশেষ করে অগ্রহায়ণ মাসে সোহরাই আর ভাদ্র মাসে ডালপূজা বা কারামপূজার সময় অনেক আনন্দ হয়। এই দুইটা উৎসবের জন্য হামাগের সম্প্রদায়ের মানুষ সারা বছর অপেক্ষা করে।’ সোহরাই সাঁওতালদের ফসল কাটার উৎসব।</p><p>বড় মেয়ে গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। দুই মেয়েকেই লেখাপড়া করাতে চান মারিয়া। তিনি বলেন, ‘হামাগের বাপ-দাদা, মা-চাচিরা অন্যের জমিত কৃষিকাজ করে খাইছে। এখন হামরাও সেটাই করোছি। এসব কাজ করে তো উন্নতি হছে না। সামর্থ্য থাকলে মেয়ে দুটাক লেখাপড়া করাতে চাই। লেখাপড়া করাতে পারলে ওরা হয়তো চাকরি-বাকরি করে নিজের জীবনে উন্নতি করতে পারবে।’</p>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচনে সমঝোতা প্রয়োজন, আলাদা প্রার্থী ঐক্যে বিভেদ তৈরি করবে: মামুনুল হক
স্থানীয় নির্বাচনে সমঝোতা প্রয়োজন, আলাদা প্রার্থী ঐক্যে বিভেদ তৈরি করবে: মামুনুল হক

<figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-07/l8dmdpom/Mamunul-Haq.jpeg"><figcaption>বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন। পুরানা পল্টন, ঢাকা। ৭ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরোধী জোটের দলগুলো আলাদা আলাদা প্রার্থী দিলে ১১ দলীয় ঐক্যে বিভেদ সৃষ্টি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দলগুলো আলাদা আলাদা প্রার্থী দিলে ঐক্যে দুর্বলতা এবং মাঠপর্যায়ে বিভেদ দেখা দিতে পারে।</p><p>আজ শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামুনুল হক এসব কথা বলেন।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে মামুনুল হক বলেন, আন্দোলনে ঐক্যের স্বার্থেই নির্বাচনী সমঝোতা প্রয়োজন। এর জন্য বড় দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে মূল ভূমিকা পালন করতে হবে। সমঝোতা না হলে ব্যর্থতার দায়ও তাদের নিতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মামুনুল হক। তিনি জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদুল আলম সিদ্দিক। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে দলটির প্রার্থী হিসেবে লড়বেন কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুবুল হক।</p><p>মামুনুল হক আরও বলেন, সারা দেশে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মেয়র, চেয়ারম্যান এবং সদস্যপদে দলের প্রার্থী বাছাইপ্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে অনেক জায়গায় স্থানীয়ভাবে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে যদি সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রার্থী দেওয়ার পরিবেশ তৈরি হয়, সে ক্ষেত্রে আলোচনার দরজা খোলা রাখা হবে বলেও জানান তিনি।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ইউসুফ আশরাফ ও রেজাউল করিম, যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন ও আতাউল্লাহ আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক ও মো. ফয়সাল প্রমুখ।</p>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা করতে চেয়েছিলেন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য খবর
নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা করতে চেয়েছিলেন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য খবর

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যারা পরাজিত হয়েছে তারা আবার মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া দিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর শুনুন অডিও সংবাদে।</p><figure></figure>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের
কুড়িয়ে পাওয়া টাকার মালিকের খোঁজে মাইকিং টেক্সটাইল শ্রমিকের

<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/kuriye-pawa-takar-maliker-khonnje-maiking-tekstail-srmiker</figure>

নভেম্বর ৭, ২০২৬
২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে যে চার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে
২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে যে চার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হতে না হতেই রাজনৈতিক অঙ্গন এরই মধ্যে ২০২৮ সালের হোয়াইট হাউস দৌড়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফলাফল এবং ডেমোক্র্যাটদের ঐতিহাসিক বিশাল সাফল্য হোয়াইট হাউসের দৌড়কে নানাভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
রান্নার হাঁড়ি পাতিলে বিষাক্ত সিসা, 'খোঁজখবর নেওয়ারও কেউ নেই'
রান্নার হাঁড়ি পাতিলে বিষাক্ত সিসা, 'খোঁজখবর নেওয়ারও কেউ নেই'

গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের পাত্রে রান্না করা ভাত খেলে একটি শিশুর খাবারের মাধ্যমে দৈনিক সিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে পাঁচ গুণেরও বেশি সিসা গ্রহণ করতে পারে। আইসিডিডিআরবি বলছে, সিসা একটি বিষাক্ত ধাতু, যা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতি করতে পারে।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
বন্দীদশা থেকে যেভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান
বন্দীদশা থেকে যেভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান

১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। অস্থির এক সময় পার করছিল বাংলাদেশ। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার সময় ঢাকা সেনানিবাসে কিছু লিফলেট বিতরণ করা হয়। ঐ লিফলেট যারা পেয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারছিলেন যে রাতে 'কিছু একটা' ঘটতে যাচ্ছে।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
বৃহৎ শিল্পের জন্য ল্যান্ড-ব্যাংক বানাতে চান শুভেন্দু, কিন্তু বাধা কোথায়?
বৃহৎ শিল্পের জন্য ল্যান্ড-ব্যাংক বানাতে চান শুভেন্দু, কিন্তু বাধা কোথায়?

পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পায়নে উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি জমি নীতি নিয়েও একাধিক সংস্কারের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে অন্যতম আলোচিত হলো সরকারি উদ্যোগে ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির ঘোষণা।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
ঝগড়ার সময় গালাগালি কেন মা-বোনকে নিয়ে?
ঝগড়ার সময় গালাগালি কেন মা-বোনকে নিয়ে?

বিরোধ যখন দু'জন মানুষের মধ্যে, তখন অপমানের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠেন তাদের পরিবারের নারীরা কেন? এটি কি নিছকই প্রচলিত ভাষার অভ্যাস, নাকি এর পেছনে রয়েছে নারীকে ঘিরে সমাজের দীর্ঘদিনের কিছু ধারণা?

নভেম্বর ৭, ২০২৬
প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট অভিশংসনে  ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গৃহবন্দি
প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট অভিশংসনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গৃহবন্দি

পেনিয়াকে অভিশংসনের প্রস্তাবের পক্ষে সিনেটের ৪৫ সদস্যের মধ্যে ৪৪ জন ভোট দেন। একজন আইনপ্রণেতা অনুপস্থিত ছিলেন। পরে সিনেটের প্রেসিডেন্ট বাসিলিও নুনিয়েজ বলেন, দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায়ে পেনিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এরপর প্যারাগুয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পেদ্রো আলিয়ানা অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
পত্রিকা: 'হাসিনার দেশে ফেরাকে ঘিরে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা'
পত্রিকা: 'হাসিনার দেশে ফেরাকে ঘিরে কলকাতায় জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতারা'

শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে ফিরছেন; বিমান চলাচল সংক্রান্ত বিভিন্ন মাশুল বৃদ্ধির পরিকল্পনায় বিমান ভাড়া বৃদ্ধির শঙ্কা এবং এনবিআরের ঢালাও ব্যাংক হিসাব জব্দে ব্যবসায়ী মহলে উৎকণ্ঠা - এ সংক্রান্ত খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প। এতে ভারতকে নিয়ে সংশয় কেন?

নভেম্বর ৭, ২০২৬
ময়মনসিংহে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত
ময়মনসিংহে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ছয়জন।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
দিনাজপুরে শীতের আমেজ, তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি
দিনাজপুরে শীতের আমেজ, তাপমাত্রা ১৯.৫ ডিগ্রি

উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরে ধীরে ধীরে শীতের আমেজ বাড়তে শুরু করেছে। দিনে গরম অনুভূত হলেও সন্ধ্যার পর থেকে বাড়ছে শীতের অনুভূতি। বিশেষ ভোরে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীতের আগমনী বার্তায় অনেকে গরম কাপড় বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
৭৫ সালের সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক কর্নেল তাহের
৭৫ সালের সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক কর্নেল তাহের

“১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ছিল ক্ষমতালোভী উশৃঙ্খল  অফিসারদের বিশৃঙ্খলা থামাতে এবং ঔপনিবেশিক আমলের বৈষম্যমূলক নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তনের লক্ষ্যে সাধারণ সিপাহীদের একটি সুশৃঙ্খল বিপ্লবী প্রচেষ্টা। মুক্তিযুদ্ধে মৃত্যুঞ্জয়ী সেক্টর কমান্ডার, জাসদ নেতা, মহান বিপ্লবী শহীদ কর্নেল আবু তাহের বীর উত্তম ও বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার নেতৃত্বে সিপাহী-জনতার এই ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান হয়েছিল।”

নভেম্বর ৭, ২০২৬
কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত
কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন কুড়িগ্রাম পৌরসভার কর্মচারী মনছুর আলী। এ সময় তার স্ত্রী স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ে আ.লীগের হামলা, আহত ৫
লাঠিসোঁটা নিয়ে বিএনপি কার্যালয়ে আ.লীগের হামলা, আহত ৫

খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বিএনপি কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

নভেম্বর ৭, ২০২৬
সরকার হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে, এমপি কয়ছর আহমেদ
সরকার হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে, এমপি কয়ছর আহমেদ

ভারতে থাকা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে সরকারিভাবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ। 

নভেম্বর ৭, ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি মমতার
সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুমকি মমতার

পরিস্থিতি চরম রূপ নিলে প্রয়োজনে বিচার চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালত—সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, পুলিশের পরোক্ষ মদতে সারা রাত ধরে তাণ্ডব চালিয়েছে বিজেপির গুন্ডারা।

নভেম্বর ৭, ২০২৬
নিউ গিনি প্রোপার্টিজে আবার সংঘর্ষ, কয়েকজন আটক 
নিউ গিনি প্রোপার্টিজে আবার সংঘর্ষ, কয়েকজন আটক 

রাজধানীর ইসিবি চত্বর-সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত নিউ গিনি প্রোপার্টিজের আবাসন প্রকল্পে জমির মালিকানা নিয়ে আবার সংঘর্ষ হয়েছে। 

নভেম্বর ৭, ২০২৬