sports

বিদায়বেলায় সতীর্থদের কৃতিত্ব দিয়ে গেলেন টিমপ্লেয়ার মেসি

অক্টোবর ৭, ২০২৬
বিদায়বেলায় সতীর্থদের কৃতিত্ব দিয়ে গেলেন টিমপ্লেয়ার মেসি
বিদায়বেলায় সতীর্থদের কৃতিত্ব দিয়ে গেলেন টিমপ্লেয়ার মেসি
কয়েক বছর ধরে বিশ্বের সবচাইতে ধারাবাহিক টিম হয়ে উঠেছে আর্জেন্টিনা। যার নেতা লিওনেল মেসি। দলটির সতীর্থদের বন্ধনের কথা চারদিকে প্রশংসিত। তবে নিজের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে বিদায়ী বক্তব্যে এই সাফল্যের পেছনে সব কৃতিত্ব সতীর্থদেরই দিলেন একসময় সমালোচকদের চোখে ‘নেতৃত্বগুণ না থাকা’ মেসি।

Prothomalo

View more
পৃথিবীতে মেসিরা একবারই আসে
পৃথিবীতে মেসিরা একবারই আসে

লেখক মেসির ২১ বছরের খেলা উপভোগ করেছেন। তাঁর মতে, মেসি একাধারে বিনয়ী মানুষ, লড়াকু খেলোয়াড় ও অসাধারণ নেতা; দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতেন এবং সতীর্থদের এগিয়ে দিতেন

অক্টোবর ৭, ২০২৬
ন্যায় থেকে ইহসান: ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার নৈতিক দর্শন
ন্যায় থেকে ইহসান: ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার নৈতিক দর্শন

কোনো বনকে বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য একজাতীয় গাছে পূর্ণ করে ফেলায় নির্মাণ নেই। কোনো জলাভূমিকে কৃত্রিম বিনোদন কেন্দ্রে রূপান্তর করার নাম পুনরুদ্ধার নয়।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
আল মাহমুদের সাক্ষাৎকার: চিত্রকল্পই কবিতা
আল মাহমুদের সাক্ষাৎকার: চিত্রকল্পই কবিতা

<p>২০০৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ার প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে <strong>আল মাহমুদের</strong> এ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। এত দিন শুধু ছাপা কাগজে থাকা এ সাক্ষাৎকারটি আজ অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।  সাক্ষাৎকার নিয়েছেন <strong>কামরুজ্জামান কামু</strong></p><p>বিরামপুরের যাত্রীর কবিতাগুলো পড়ে আপনার কবিতায় আবার নতুন একটা বাঁক বলে মনে হলো। মাঝখানে ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’জাতীয় কবিতাগুলোর চেয়ে বরং ‘সোনালী কাবিন’–এর সঙ্গে এসব কবিতার বেশি মিল আছে...</p><p><strong>আল মাহমুদ:</strong> আমি একটা বই দুবার লিখিনি। বখতিয়ারের ঘোড়াকে যে যেভাবেই দেখাক, এটা নতুন কবিতার বই একদম। কতগুলো উপমা, উৎপ্রেক্ষা, প্রতিতুলনা ওতে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো মুসলমান সমাজের কাছে খুবই চেনা। এর মধ্যে কোনো বিদ্বেষ নেই, দার্শনিকতা আছে।</p><p>বখতিয়ারের ঘোড়ার উপমা, উৎপ্রেক্ষা বা ভাবমণ্ডল যে আমাদের ঐতিহ্যের, এটা কীভাবে?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> আমাদের ভাষায় অনেকগুলো তুর্কি শব্দ আছে। যেমন বাবা, কাকা—এগুলো তুর্কি শব্দ। আমাদের ভাষার ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে তুর্কি ভাষা। বখতিয়ার খিলজির আগমনের পরই এটা সম্ভবত হয়েছে। তো এ দেশের এই কোটি কোটি মুসলমান, তারা তাদের ঐতিহ্যগত যে বীরত্বের কাহিনি, তা জানবে না? আর বখতিয়ার খিলজি যে এ দেশ আক্রমণ করেছিলেন, তাঁকে ডেকে এনেছিল রাজা লক্ষ্মণ সেনের সৈন্যবাহিনী।</p><blockquote>একটা সময়ে আমরা সবাই ইউরোপীয় হয়ে উঠতে চেয়েছি। আমরা ইংরেজ উপনিবেশে ছিলাম। চলনে-বলনে, বাঁচার প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয়, মানে ইংরেজ হতে চেয়েছি। ঔপনিবেশিক দাসত্বটাকে আমরা গৌরবের মনে করেছি<bha>;</bha> আর এটার নাম হলো আধুনিকতা। এখন যে কবিতা লেখা হচ্ছে, তা যথেষ্ট আধুনিক নয়। কারণ, তারা সেই ঔপনিবেশিক আধুনিকতাকে এখন পর্যন্ত আধুনিকতা মনে করছে। আমি সেটা করছি না।</blockquote><p>কারণ কী?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> এসব অঞ্চলে একটা কৌম সমাজ ছিল, অনেকটা প্রাইমারি সোশ্যালিজমের মতো। এই সমাজকে ভেঙে ক্ষত্রিয়, ব্রাহ্মণ ও শূদ্র—নানা ভাগে ভাগ করেছিলেন লক্ষ্মণ সেন! বাঙালি সমাজের শিকড়টাই তিনি মুচড়ে দিয়েছিলেন&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু তাঁর সেনাসদস্যরা ছিলেন কৈবর্ত সম্প্রদায়ের, দুর্ধর্ষ সেনাবাহিনী। এরা ছিল নিপীড়িত-নির্যাতিত। এরাই বখতিয়ার খিলজিকে ডেকে এনেছিল। এই প্রতীকটা যদি আমি ব্যবহার করি।</p><p>আমি অবশ্য সাম্প্রদায়িক বলতে চাইনি।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> এই বইয়ের খুব সমালোচনা করেছেন আমার বন্ধু শহীদ কাদরী। আমি এসবের জবাব দিতে চাই না। আমি মনে করি, ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ আমাদের কবিতায় একটা অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য বই। এর ইমেজারি চিত্রকল্প খুব সহজভাবে আমাদের আকৃষ্ট করে। বইটা বেরোবার সময়ই এটা আমি বুঝতে পেরেছিলাম।</p><p>আপনার সমকালীন অনেক কবির কবিতায় নেতিবোধ প্রবল। অন্ধকার, হতাশা, নগরের জীবনযন্ত্রণা তাদের প্রধান বিষয়। নগরে বসবাস করেও আপনার মধ্যে তা নেই। খুব আত্মবিশ্বাসী একটা ভঙ্গি আছে।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> আমার কবিতায়ও দুঃখ, বেদনা, হতাশা আছে&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু আমার আত্মবিশ্বাস প্রবল। আমি নেগেটিভ কবি নই, নঞর্থক বিষয় আমি উপস্থাপন করিনি। আমার যা ভালো লেগেছে, আমি সে বিষয় নিয়ে কবিতা লিখেছি&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; আর যে বিষয়ে আমার জ্ঞান নেই, আমি কম জানি, সে বিষয়ে আমি কোনো কবিতা লিখিনি।</p><blockquote>চিত্রকল্পই যে কবিতা, এটা আমি এই বইয়ে খুব বেশি করে দেখাতে চেষ্টা করেছি। আগে তো আমরা বলতাম, শব্দই কবিতা, এটা আমরা ফরাসিদের কাছে শিখেছিলাম। মালার্মে বলতেন এসব কথা। কিন্তু আমার নিজের অভিজ্ঞতায় বুঝেছি, চিত্রকল্পই কবিতা। ইউরোপ ভ্রমণ করে, বিভিন্ন দেশের কবিদের সঙ্গে মিশে, দিল্লিতে গিয়ে তামিল, মালয়ালামসহ বিভিন্ন ভাষার কবিদের সঙ্গে যে ভাববিনিময় করে দেখলাম, তাঁরাও ভাবছেন, কবিতা আসলে চিত্রকল্প।</blockquote><p>আপনার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, বাংলার নারী, পুরো বাংলাদেশ মূলসহ দুলে ওঠে। বাংলার কবি যে সেটি হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যায়।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> আমি তো প্রকৃতপক্ষে গ্রামের লোক। সে প্রভাব আমার মধ্যে সব সময় কাজ করেছে। যেটাকে বলে আরবানিটি, নগরযন্ত্রণা, এটা নিউইয়র্ক, লন্ডন, প্যারিস—পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শহরগুলোতে হয়তো আছে। আমি ঢাকায় এটা দেখিনি। কলকাতা, দিল্লি, বেঙ্গালুরু—আমি কোথাও আরবানিটি বা নাগরিকতা প্রত্যক্ষ করিনি। আমেরিকান বা ইউরোপীয় কবিরা যে নাগরিক যন্ত্রণার কথা বর্ণনা করেন, তা আমার মধ্যে নেই। আমরা এখনো পাশের ফ্ল্যাটে কে অসুস্থ হলো খবর নিচ্ছি। ইউরোপে পাশের ফ্ল্যাটে একজন লোক মরে পড়ে আছে। পচে দুর্গন্ধ না বেরোনো পর্যন্ত পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন জানতে পারেন না। এই পেইন অ্যাগোনি আমার নেই।</p><p>আমাদের জীবনে এখনো অবসর আছে। লন্ডন ও প্যারিসের মতো শহরে ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবাই যার যার কাজে ছুটছে&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু আমাদের এখানে তো তা না। একটি পরিবারের একজন সকালে চাকরি করতে বেরিয়ে যাচ্ছে, আরেকজন হয়তো বেকার, ঘরে বসে টিভি দেখছে। মানে অবসর এখনো নষ্ট হয়নি। কারণ, এখনো আমাদের যৌথ পরিবার আছে। পরিবার ছোট হয়ে এসেছে&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু এখনো একজন আরেকজনকে সাহায্য করে। যেটা নেই, সেটা আমি কোত্থেকে আনব। আর যেটুকু আছে তা আমার কবিতাতেও আছে।</p><p>একটা সময়ে আমরা সবাই ইউরোপীয় হয়ে উঠতে চেয়েছি। আমরা ইংরেজ উপনিবেশে ছিলাম। চলনে-বলনে, বাঁচার প্রক্রিয়ায় ইউরোপীয়, মানে ইংরেজ হতে চেয়েছি। ঔপনিবেশিক দাসত্বটাকে আমরা গৌরবের মনে করেছি&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; আর এটার নাম হলো আধুনিকতা। এখন যে কবিতা লেখা হচ্ছে, তা যথেষ্ট আধুনিক নয়। কারণ, তারা সেই ঔপনিবেশিক আধুনিকতাকে এখন পর্যন্ত আধুনিকতা মনে করছে। আমি সেটা করছি না।</p><p>এখানে ত্রিশের কবিতার প্রসঙ্গ আসে।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> ত্রিশের কবিরা সবাই ছিলেন বাংলা ভাষার ইংরেজ লেখক বা ফরাসি লেখক। তাঁরা বাংলা ভাষায় লিখেছেন&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু জীবনাচরণে ছিলেন প্রকৃতপক্ষে ইউরোপিয়ান। তারা প্রায় সবাই ইংরেজি ভাষার অধ্যাপক ছিলেন এবং তাঁরা ইউরোপীয় হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন। তাঁরা শুধু কবিতা, ইউরোপীয় বা ফরাসি কবিতাই অনুবাদ করেছেন। একটা বিশাল উপন্যাস অনুবাদ করে বিশাল একটা দরজা খুলে দেওয়া&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; সেটা কিন্তু তাঁরা করেননি। বলা হয়, জীবনানন্দে বেশি দেশজ বিষয় এসেছে। আমি মনে করি, তা–ও ইংরেজি কবিতা পড়ারই ফল। তার অসাধারণ কবিতা ‘বনলতা সেন’—এটিতেও বিদেশি প্রভাব আছে। ‘বনলতা সেন’-এর ‘চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা’, ‘হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা’—এ রকম লাইন অ্যাডগার অ্যালেন পোর ‘হেলেন’, কবিতায়ও আছে। ত্রিশের কবিদের মধ্যে ইউরোপিয়ানই বেশি ছিল। দেশ তাঁদের ছিল না। দেশ না থাকার ফলে তাঁরা শুধু ভাষাটাকে ব্যবহার করেছেন বাংলা ভাষাটাকে।</p><p>বাংলা ভাষায় তাঁরা ইউরোপীয় অনুভূতিকে প্রকাশ করতে চেয়েছেন?</p><p><strong>মাহমুদ :</strong> হ্যাঁ, তুমি যদি প্রমাণ চাও, তাহলে আমি বলতে পারি যে বুদ্ধদেব বসু যখন ৬০ পেরিয়ে গেলেন, তখন তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে কবির একটা দেশ লাগে। তখন তিনি ফিরলেন অবশ্য দেশে। কোন দেশে ফিরলেন? ‘মহাভারত’। ষাটের পর তাঁর সব কাজ হলো ‘মহাভারত’ নিয়ে। বিষ্ণু দে এক জায়গায় লিখেছেন, ‘আমরা খুঁজেছি হরেক বইয়ে আপন দেশ/ দেশের মানুষ ঘুরিয়েছি শুধু ডাইনে-বাঁয়ে।’ তিনি বলছেন, এখন আমি হয়রান হয়ে খুঁজছি—ফিরব মোড়ল সে কোন গাঁয়ে। তিনি সত্য উচ্চারণ করেছেন। তিনি ফিরলেন উপনিষদে। তো আমার ধারণা, এই বাংলায় সম্ভবত আমি এবং পশ্চিমবঙ্গে শক্তি চট্টোপাধ্যায়—ত্রিশের পরে আমরা প্রথম বাঙালি কবি। শক্তি চট্টোপাধ্যায় রাঢ় অঞ্চলের ব্রাহ্মণ ছিলেন। তাঁর কবিতায় সেই বৈষ্ণবীয় ভাব, বৈষ্ণবীয় প্রত্যাখ্যান, টান এগুলো আছে&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; আর রবীন্দ্রনাথ তো অসাধারণ ব্যাপার।</p><p>‘বিরামপুরের যাত্রী’ বইটাকে আপনি কীভাবে দেখেন?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> ‘বিরামপুরের যাত্রী’ অত্যন্ত আধুনিক কবিতার বই। সমকালীন আধুনিক কবিতার চূড়ান্ত একটা জায়গায় এসে এ বই লেখা হয়েছে। বিরামপুরের যাত্রীতে আছে কী? ইতিহাসচেতনা আছে, প্রকৃতিচেতনা আছে, নারীচেতনা-প্রত্নচিন্তা আছে। সর্বোপরি যেটা আছে, সেটা হলো যে মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত থাকা। মৃত্যুকে খুব দূর মনে করি না। এই যে নিশ্বাস টানছি, যেকোনো মুহূর্তে এটা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যতক্ষণ নিশ্বাস বইছে, ততক্ষণ তুমি আমাকে আল মাহমুদ বলছ। যখন আর নিশ্বাস বইছে না, বলছ আল মাহমুদের লাশ। কথাটা কিন্তু খুব ডিফারেন্ট হয়ে যায়। কী জিনিস না থাকলে আমি লাশ হয়ে যাই? আমাকে আর ওপরে রাখা যায় না? তাড়াতাড়ি কবর দিয়ে দিতে হয়? আধ্যাত্মিকতা দিয়ে, ধর্ম দিয়ে, সব ঐতিহ্যগত বিষয় উপস্থাপন করে, ইতিহাসের অভিজ্ঞতা থেকে এই জিনিসটা আমি বুঝতে চেষ্টা করেছি।</p><p>‘বিরামপুরের যাত্রী’র ছন্দের স্বভাব নিয়ে বলুন।</p><p><strong>মাহমুদ :</strong> অ্যাকচুয়ালি ‘বিরামপুরের যাত্রী’র কবিতাগুলো আমি গদ্যেই লিখেছি, দু-একটি ছন্দের চাল আছে। একটা মিশ্রছন্দে লিখতে চেয়েছিলাম। বাংলা কবিতায় পয়ার থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা তো আমরা সবাই করছি। চালটা পয়ারে চলে আসে। তুমি যদি এমন বিষয়বস্তু আনতে পারো যে পয়ারে চিড় ধরে যাবে, সেটা আমি গদ্যে করার চেষ্টা করেছি। আমার গদ্যকবিতা সমর সেনের গদ্যকবিতা নয়। একটু ডিফারেন্ট। আমি অবশ্য রবীন্দ্রনাথের শেষ দিকের কবিতা জন্মদিনে পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। যে রবীন্দ্রনাথ আমাদের ছন্দ শেখালেন—তাঁর এত ছন্দের খেলা, এত বড় লিরিক্যাল কবি তিনি, এত গীতের রচয়িতা, মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি হঠাৎ প্লেন গদ্যে নেমে এলেন কেন? প্রশ্নটা আমার মনে জেগেছিল। তো এ রকমই একটা কাজ ‘আমি বিরামপুরের যাত্রী’ এবং এ বইমেলায় প্রকাশিত ‘না কোন শূন্যতা মানি না’ বই দুটিতে করতে চেয়েছি। আমি তো আর এখানে বসে থাকব না, সঙ্গে সঙ্গে আমি আবার ফিরে এসেছি ছন্দে। আমার ধারণা যে কবির কাজ সহজাত ছন্দে চলে যাওয়া।</p><p>‘বেলা শেষে কে বালক’ কবিতায় কৈশোরের জন্য একটা হাহাকার আছে।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> হ্যাঁ, আছে। আমরা কেউ বাড়িতে নেই। আমাদের একটা বাড়ি আছে, কোথায় যেন একটা আছে, সেখানে ফিরে যেতে চাই। আমার ধরো কবরই এখন বাড়ি। আমি সেদিকেই ফিরে যেতে চাই। এই ফিরে যাওয়ার কথাটাই বলতে চেয়েছি এ কবিতায়। খেললাম তো বহু, মেলা থেকে, বাজার থেকে কিনলাম নানা পুতুল, এই খেলাধুলার শেষে এখন বলছি, চলো বাবা বাড়ি ফিরে যাই।</p><p>এই হাহাকার এ বইয়ের অন্যান্য কবিতায়ও...</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> হ্যাঁ, এই বইটা এ রকমই। একটু নস্টালজিক কবিতা।</p><p>‘বিরামপুরের যাত্রী’ মানে কী?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> প্রত্যেক মানুষই ব্যাক করে, এক জায়গায় চলে যায়। আমার আগে যারা—তসবিহ ঘোরাতে ঘোরাতে অন্তর্হিত হয়ে গেছে। এখন আমার পালা, এখন আমিও যাচ্ছি। ‘বিরামপুরের যাত্রী’ কথাটার মধ্য দিয়ে এটাই বলতে চেয়েছি।</p><p>আপনার কবিতার ভাঁজে ভাঁজে নারী।</p><p><strong>মাহমুদ :</strong> দেখো, আমি নারীনির্ভর মানুষ। অল্প বয়সে বিয়ে করার কারণে আমার নারীনির্ভরতা একটু বেশি। আমি কবি মানুষ, একটু উদাসীন—সবটাই আমার স্ত্রীর ঘাড়ে চেপে যায়। আমার পরিচর্যা করা, আমার সুখসুবিধা দেখা...আমি যে কবি, এটা সে জেনেই এসেছে, আমার লেখাপড়া ইত্যাদি, এসব মিলিয়ে আমার ওপর সে একটা গভীর প্রভাব বিস্তার করে আছে। ঋণও আছে। নারীর কাছে তো পুরুষ শুধু আসঙ্গলিপ্সাই কামনা করে না। এটা হচ্ছে জীবনের সামান্য একটা অংশ। তার কাছে পুরুষ দয়া, মায়া, শুশ্রূষা কামনা করে। যৌনতৃপ্তির পর সে এগুলোর জন্য কাতর হয়ে যায়। এটা একধরনের কৃতজ্ঞতা থেকে আসে, এটার নামই আসলে প্রেম। তুমি যেটা জানতে চাও, সেটা আমি বুঝি। কারণ, আমারও তো তোমার মতো বয়স ছিল&lt;bha&gt;;&lt;/bha&gt; কিন্তু আমি সংযত থেকেছি। সংযত থেকেছি সাহিত্যের জন্য, কবিতার জন্য। না হলে ওলট-পালট হয়ে যেত, কোথায় থেকে কোথায় চলে যেত।</p><p>একটা কবিতায় আপনি বলছেন, ‘...নারীর স্মৃতি শেষ।/ নারী বড় অনাহারি, সাততাড়াতাড়ি/ চোখের আগুনে ভস্ম করে ঘর-বাড়ি।’ এটা কী?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> এটা হয়তো কোনো আক্ষেপ থেকে এসেছে।</p><p>নারীর প্রতি আপনার আক্ষেপও আছে?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> এ তো স্বাভাবিক। বিতৃষ্ণাও সৃষ্টি হয় অনেক সময়, তাই না?</p><p>এ বইয়ে নাজিম হিকমতের জন্য একটি কবিতা আছে। এই কবিতার স্বভাব আবার একটু আলাদা মনে হয়।</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> নাজিম হিকমত ল্যুভর মিউজিয়ামের সামনে একটা জায়গায় বসতেন, আমি সেখানে গিয়ে একটু বসলাম। তখন নাজিম হিকমতের একটি ডায়েরি পড়েছিলাম। সেখানে কিছু ঠাট্টা-মশকরা, যা উনি করতেন আর কি, এই যে আর্টফার্ট নিয়ে, ভেনাসকে নিয়ে—এগুলোর কথা মনে পড়ল, তখন এ কবিতাটা লিখেছি। উনি আত্মা, পরকাল—এসব বিশ্বাস করতেন না। তো কোথায় ঢুকবে আত্মা, ঘুরছে পেঁজা তুলার মতো। খুব বড় কবি ছিলেন তিনি। তুর্কিরা তাঁকে শ্রদ্ধা করতেন।</p><p>আপনার এই বইয়ের কবিতার কোন দিকগুলো পরবর্তীকালে গুরুত্ব পাবে বলে মনে করেন?</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> চিত্রকল্পই যে কবিতা, এটা আমি এই বইয়ে খুব বেশি করে দেখাতে চেষ্টা করেছি। আগে তো আমরা বলতাম, শব্দই কবিতা, এটা আমরা ফরাসিদের কাছে শিখেছিলাম। মালার্মে বলতেন এসব কথা। কিন্তু আমার নিজের অভিজ্ঞতায় বুঝেছি, চিত্রকল্পই কবিতা। ইউরোপ ভ্রমণ করে, বিভিন্ন দেশের কবিদের সঙ্গে মিশে, দিল্লিতে গিয়ে তামিল, মালয়ালামসহ বিভিন্ন ভাষার কবিদের সঙ্গে যে ভাববিনিময় করে দেখলাম, তাঁরাও ভাবছেন, কবিতা আসলে চিত্রকল্প।</p><p>হ্যাঁ, ওই রকম, ওই যে ইতিহাসের সব প্রত্ন, মূর্তি, মুদ্রা আর যক্ষ্মিণীদের ভাঙা ঊরুর পাশ দিয়ে একটি মাত্র সোনার টাকা হাতে নিয়ে আপনি যেভাবে গোমতী পার হয়ে এলেন...</p><p><strong>মাহমুদ:</strong> ‘বিরামপুরের যাত্রী’ এবং এর পরের ‘না কোন শূন্যতা মানি না’ বই দুটিতে আমি চিত্রকল্পের কাজটা বেশি করে করতে চেয়েছি। তরুণদের এটা হয়তো ভালো লাগবে।</p>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
হামে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৯০ জন
হামে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৯০ জন

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ১ হাজার ৩৬ জন। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু ১০৪ জনের।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
এক সেঞ্চুরিতে ১৮ ধাপ এগোলেন আইয়ার, বোলিংয়ে শীর্ষস্থান খোয়ালেন আবরার
এক সেঞ্চুরিতে ১৮ ধাপ এগোলেন আইয়ার, বোলিংয়ে শীর্ষস্থান খোয়ালেন আবরার

পাকিস্তানের স্পিনার আবরার আহমেদ হারিয়েছেন টি-টুয়েন্টি বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান। তাঁকে সরিয়ে আবার শীর্ষে উঠেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
মাইকিং করে লোক জড়ো, পুলিশের সামনে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ
মাইকিং করে লোক জড়ো, পুলিশের সামনে চার গ্রামের বাসিন্দাদের সংঘর্ষ

রাতে গ্রামের মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় সকালে যাঁর যা আছে, তা–ই নিয়ে মাঠে উপস্থিত থাকার জন্য।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
এআই দিয়ে ওয়েব অ্যাপ বানিয়ে যেভাবে ভাইরাল হলেন সাব্বির
এআই দিয়ে ওয়েব অ্যাপ বানিয়ে যেভাবে ভাইরাল হলেন সাব্বির

সাব্বিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ সাত দিনে ওয়েব অ্যাপটিতে ২ কোটি ৪০ লাখ ভিজিট হয়েছে। এর মধ্যে ইউনিক ভিজিটরের সংখ্যা ১৯ লাখ ৮০ হাজার।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
যে ৩ বাউন্ডারি আমার সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে
যে ৩ বাউন্ডারি আমার সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করেছে

<p>একাধিকবার মন ভাঙার পর একটি সম্পর্কে কীভাবে থিতু হলেন, তা–ই নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলেন ‘ভ্যারাইটি’ ম্যাগাজিনের ক্যালিগ্রাফার ও ডিজাইনার <strong>এরিকা টি</strong>। সেখানে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তিনটি বিষয়ে সীমারেখা টানার কথা বলেছেন তিনি। <strong>তারেক হাসান সরকার</strong>–এর সংক্ষিপ্ত অনুবাদে সেগুলো জেনে নিই চলুন। </p><p>গভীরভাবে কারও প্রেমে পড়ে গেলে সম্পর্কের মধ্যে সীমারেখা (বাউন্ডারি) টানাটা হয়তো অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। বরং মনে হবে, ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে যত বেশি সময় কাটানো যায়, ততই ভালো। কিন্তু নতুন একটি সম্পর্ককে সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী করতে কখনো কখনো একটু দূরত্ব, ব্যক্তিগত সময় এবং সচেতন কিছু নিয়মই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। </p><p>এক বন্ধুর নতুন বাড়িতে ওঠার পার্টিতে পলের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা। শুরুতেই তার উজ্জ্বল নীল চোখ আমার নজর কাড়ে। পার্টির বেশির ভাগ সময় স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করলেও মনের অজান্তেই তাকে খুঁজছিলাম। পার্টির শেষ দিকে সবাই যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, দেখলাম পল বাইরে একা বসে আছে। বন্ধুদের বললাম, তোরা চলে যা, আমি পরে আসছি। পলের সঙ্গে কথা না বলে সেদিন কেন যেন চলে যেতে পারিনি। </p><p>কথা শুরু করার পর কখন যে এক ঘণ্টা কেটে গেল, বুঝতেই পারিনি। তখনই মনে হলো, খুব সহজেই এই মানুষটির প্রেমে পড়ে যেতে পারি। কারণ, প্রেমে পড়ে যাওয়া আমার জন্য নতুন কিছু নয়। সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়—আগের প্রতিটি সম্পর্কের শুরুতে খুব দ্রুত ও তীব্রভাবে জড়িয়ে পড়ি, তারপর ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। পলের সঙ্গে একটা পাকাপোক্ত সম্পর্ক গড়তে চেয়েছি। যে কারণে এবার পুরোনো অভ্যাসে ফিরতে চাইনি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-07/69xo3mta/IMG_9600.jpg"><figcaption>সুস্থ সম্পর্কের জন্য সীমারেখা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ</figcaption></figure><p>পলের সঙ্গে প্রথম ডেটেই আমরা নিজেদের পুরোনো সম্পর্কগুলোর ভুলগুলো নিয়ে কথা বললাম। দুজনেই চাইছিলাম, সম্পর্কটা টিকুক। তাই ধীরে–সুস্থে শক্ত ভিত্তির ওপর সম্পর্কটি গড়তে চেয়েছি। সেই আলোচনা থেকেই এল ‘সীমারেখা’ টানার প্রসঙ্গ।</p><p>আগে শব্দটি আমার কাছে কিছুটা কঠিন মনে হলেও পরে বুঝলাম, সুস্থ সম্পর্কের জন্য সীমারেখা আসলে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত থেরাপিস্ট জ্যাক ব্রিটলের ভাষায়, সীমারেখা একটি সম্পর্ককে ‘নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা’ দেয়। সেই ধারণা থেকেই আমরা নিজেদের সম্পর্কের জন্য তিনটি সীমারেখা ঠিক করেছিলাম।</p><h3>১. গভীর রাত পর্যন্ত ফোনে কথা নয়</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-10-01/w7abz0rl/MG8681.jpg"><figcaption>অনেক রাত জেগে ফোনকল বা ভিডিওতে আড্ডা দিলে তার প্রভাব পড়বে পরের দিনের কাজে </figcaption></figure><p>সম্পর্কের শুরুতে আমরা প্রায় প্রতিদিন দিবাগত রাত একটা পর্যন্ত ফোনে কথা বলতাম। একে অপরকে জানার আগ্রহ থেকেই এত দীর্ঘ কথোপকথন। কিন্তু এর প্রভাব আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পড়তে শুরু করে। সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হতো, ব্যায়াম ও অন্যান্য নিয়মিত কাজ বাদ পড়ে যেত, কর্মক্ষেত্রেও ক্লান্ত লাগত। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, দীর্ঘ সময় ফোনে কথা হবে সপ্তাহে এক দিন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর ফোন রেখে দিতে হবে। এতে কথা বলা কমেনি; বরং যখন কথা বলি, সময়টুকু আরও উপভোগ করি।</p><h3>২. সপ্তাহে কতবার দেখা করব, তা–ও সীমিত রাখা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/9f3a3eac-16a6-44b0-a1ab-a14fe9067227/IMG_4633.jpg"><figcaption>বেশি বেশি দেখা করলেই সম্পর্ক শক্তিশালী হবে ভাবা ঠিক না</figcaption></figure><p>আগের সম্পর্কগুলোয় প্রেমিকের সঙ্গে যতটা সম্ভব বেশি সময় কাটাতে চাইতাম। মনে হতো, সম্পর্কটি হয়তো বেশি দিন টিকবে না, তাই সুযোগ থাকতেই সবটুকু সময় একসঙ্গে কাটিয়ে নেওয়া দরকার। কিন্তু অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা শেষ পর্যন্ত সম্পর্ককে পলকা করে তুলত। এবার আমরা সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট দিন দেখা করার সিদ্ধান্ত নিলাম। এতে নিজেদের কাজ, বন্ধুবান্ধব ও ব্যক্তিগত সময়েরও সুযোগ থাকল। ফলে যখন আমরা একসঙ্গে থাকি, তখন সেই সময়টুকু আরও মনোযোগ দিয়ে উপভোগ করতে পারি।</p><h3>৩. শুধু দেখা নয়, পরিকল্পনা করে ডেটে যাওয়া</h3><p>দুজনেই কর্মজীবী হওয়ায় অবসর সময়ে ক্লান্ত থাকতাম। তাই সহজেই বলা হতো, এসো, একসঙ্গে বসে থাকি। কিন্তু এতে কাঙ্ক্ষিত ঘনিষ্ঠতা তৈরি হচ্ছিল না।<br>তাই আমরা দেখা করার সময়টাকে আরও অর্থবহ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আগে থেকেই ডেটের পরিকল্পনা করতাম—নতুন কোথাও যাওয়া, নতুন কিছু করা কিংবা একসঙ্গে ভালো সময় কাটানো। এতে শুধু সময় কাটানো নয়, বরং একে অপরকে জানা এবং নতুন অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো। </p><p>শেষ পর্যন্ত বুঝেছি, ভালোবাসার সম্পর্কে সীমারেখা মানে দূরত্ব তৈরি করা নয়; বরং এটি ব্যক্তিগত জীবন, সময় ও স্বাধীনতাকে সম্মান করার পাশাপাশি সম্পর্কটিকেও সুস্থ রাখার একটি উপায়।</p><p>সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয়, যখন সেটি আমাদের স্বাভাবিক জীবন কেড়ে না নিয়ে বরং নিজেদের সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করে। তাই কখনো কখনো ভালোবাসাকে শক্ত করে ধরে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাকে একটু জায়গা দেওয়া।</p><p><sup>সুত্র: ভ্যারাইটি অনলাইন</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/74o720e9w6">কে প্রথম ব্লক করেছিলেন—দেব নাকি শুভশ্রী</a></aside>

অক্টোবর ৭, ২০২৬
‘জাদুকর’–এ শুরু, বিচ্ছেদে শেষ; প্রীতম–শেহতাজের মধ্যে কী ঘটেছিল
‘জাদুকর’–এ শুরু, বিচ্ছেদে শেষ; প্রীতম–শেহতাজের মধ্যে কী ঘটেছিল

প্রীতম-শেহতাজ ২০১৭ সালে ‘জাদুকর’ গানে পরিচিত হয়ে প্রেম ও বিয়ের পর ২০২৬ সালে সম্পর্ক শেষ করেন।

অক্টোবর ৭, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন