kobita

আরেকটা ‘আমি’!

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
আরেকটা ‘আমি’!
আরেকটা ‘আমি’!
ইদানীংকালে লক্ষ করছি—বেশ কিছুদিন ধরে দেখতে যমজ আরেকটা ‘আমি’ আমারই সঙ্গে ঘোরে। যেখানেই যাই, যেদিকেই চাই, ডাইনে কিংবা বামে আমি ছুটলেই দৌড়ায় সে, আমি থামলেই থামে।

Prothomalo

View more
এইচএসসি ২০২৬: ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, শূন্য পাস ২৯৩টিতে
এইচএসসি ২০২৬: ১৩৯ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস, শূন্য পাস ২৯৩টিতে

<p>২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেননি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে মাত্র ১৩৯টি প্রতিষ্ঠান। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure></figure>

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা
আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট থেকে উচ্ছেদের মুখে শিক্ষার্থীরা। ফাইনাল পরীক্ষার আগে বাসা ও নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছাত্রীরা।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রোবট দিয়ে অস্ত্রোপচার কীভাবে হয়
রোবট দিয়ে অস্ত্রোপচার কীভাবে হয়

রোবোটিক সার্জারির প্রাথমিক ধারণা আসে ১৯৭০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের নাসা ও প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডারপার হাত ধরে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
মিরপুরের ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলে কী কী আছে, কেন যাবেন
মিরপুরের ব্যতিক্রমী বিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম হলে কী কী আছে, কেন যাবেন

<p>ওয়াওজা এন্টারটেইনমেন্ট<strong> </strong>মিউজিয়াম হলেও এতে আছে নানা ধরনের গেম ও অ্যাক্টিভিটি সেগমেন্ট, যা একে অন্য যেকোনো বিনোদনকেন্দ্র থেকে আলাদা করে তুলেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/1zdloja8/040A4278.jpg"><figcaption>এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম ওয়াওজা ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে</figcaption></figure><p>ধরুন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন, কিন্তু আপনার পায়ের নিচের মাটি নিজ থেকেই সরে যাচ্ছে, মনে হতে পারে এ কী করে সম্ভব? এই ভেবে যখন দু কদম যাবেন, ঠিক তখনই নিজেকে আবিষ্কার করলেন চাঁদের মাটিতে। </p><p>এখানেই শেষ নয়! আরেকটু সামনে গিয়ে দেখতে পেলেন আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে হুবহু আরও কয়েকখানা আপনি। কিন্তু তা কীভাবে হয়? মনে হতেই পারে আপনি হয়তো স্বপ্ন দেখছেন, ঘুমটা বুঝি এখনই ভাঙল। কিন্তু না! এটা কোনো স্বপ্ন নয়। এমন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে মিরপুর ১২ নম্বরে অবস্থিত সদ্য চালু হওয়া চিত্তবিনোদনকেন্দ্র ওয়াওজা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/travel/4c2zkbf38p">৯ বছর পর খুলে দেওয়া ওসমানী উদ্যানে দর্শনার্থীদের জন্য কী কী আছে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/k8f7unea/040A4383.jpg"><figcaption>ওয়াওজা এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে যেকোনো বয়সের মানুষ এসে উপভোগ করতে পারবেন</figcaption></figure><h3>ওয়াওজা কী</h3><p>ওয়াওজা নিজেকে বলছে বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ইলুশন ও ইমারসিভ এন্টারটেইনমেন্ট মিউজিয়াম। অপটিক্যাল ইলুশনকে কাজে লাগিয়ে ছোট-বড় সব বয়সীর জন্য সাজানো হয়েছে এই বিনোদনকেন্দ্র। আছে তাদের নিজস্ব ক্যারেক্টার উজি। উদ্বোধনের মাত্র তিন মাসের মাথায় ইতিমধ্যে ওয়াওজা রাজধানীবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।  </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/ux6g9kzm/040A4444.jpg"><figcaption>অপটিক্যাল ইলুশনকে কাজে লাগিয়ে ছোট-বড় সব বয়সীর জন্য সাজানো হয়েছে এই বিনোদনকেন্দ্র</figcaption></figure><h3>পেছনের গল্প</h3><p>বেশ কয়েকজন তরুণের সম্মিলিত উদ্যোগ এই ওয়াওজা। ঘোরাঘুরি কিংবা ব্যবসার কাজে কোনো দেশ ভ্রমণে গেলে প্রথমেই যে কেউ সেখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে চান। এই তরুণদের গল্পও একই। থাইল্যান্ড, নেপালের মতো দেশগুলোতে গিয়ে তাঁরা দেখলেন প্রতিটি দেশেই থ্রিডি আর্ট গ্যালারি কিংবা অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম আছে। তবে বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে থাকবে? এমন নানা উদ্যোগ এখন দেশে দেখা গেলেও এই তরুণদের মতে, ওয়াওজা সেসব থেকে আলাদা। </p><p>এ ব্যাপারে কথা হচ্ছিল ওয়াওজার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হৃদয় চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি জানান, ‘ওয়াওজা এমন একটি উদ্যোগ, যেখানে দুই-তিন বছরের শিশু থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এসে উপভোগ করতে পারবে। সবার কথা মাথায় রেখে আমরা পুরো জায়গাটিকে অপটিক্যাল ইলুশন মিউজিয়াম, পারস্পেকটিভ আর্ট এবং গেমিং জোন—এমন বিভিন্ন সেগমেন্টে ভাগ করেছি।’</p><h3>কী কী আছে</h3><p>‘এক্সপেরিয়েন্স দ্য আনরিয়েল’ স্লোগানকে ঘিরে গড়ে ওঠা ওয়াওজাতে আছে নানা আকর্ষণ। তবে কয়েকটির কথা বলতে হয় আলাদা করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/xxbl7t5b/040A4306.jpg"><figcaption>সুড়ঙ্গের চারদিকে লাল-নীল আলোর খেলা</figcaption></figure><h3>১. ভর্টেক্স টানেল</h3><p>বোধ হয় এটিই ওয়াওজার মূল আকর্ষণ। পর্দাঘেরা অন্ধকার একটি ঘর। মাঝে লম্বা এক সুড়ঙ্গ। সুড়ঙ্গের চারদিকে লাল-নীল আলোর খেলা। সুড়ঙ্গে পা দিলেই মনে হয় নড়ছে পায়ের নিচের মাটি, গোল গোল ঘুরছে পুরো সুড়ঙ্গ। </p><p>এভাবেই পার হতে হবে পথ। যেতে হবে সুড়ঙ্গের অন্য পারে। এ যেন অন্য এক জগৎ। অপটিক্যাল ইলুশন আর সঙ্গে আলোছায়ার খেলাকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভিন্নধর্মী এই ভর্টেক্স টানেল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/fuly512m/040A4377.jpg"><figcaption>এখানে পছন্দের ক্যারেক্টারটি আপনার অঙ্গভঙ্গিকে হুবহু অনুকরণ করবে </figcaption></figure><h3>২. মোশন প্লে রুম—শ্যাডো ড্যান্স</h3><p>ওয়াওজার আরেক আকর্ষণ এই শ্যাডো ড্যান্স। প্রথমেই বড় স্ক্রিনে বেছে নিতে হবে মাইকেল জ্যাকসন, হাল্কের মতো আপনার পছন্দের ক্যারেক্টার। দেওয়া হবে ৩০ সেকেন্ড সময়। </p><p>এই সময়ে আপনার অঙ্গভঙ্গিকে হুবহু অনুকরণ করবে সেই ক্যারেক্টার। তা আবার স্ক্রিনে দেখা যাবে। উদ্যোক্তাদের মতে, এটি ইতিমধ্যে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/mjl2wxqj2q">এআই–নির্ভর ভবিষ্যতের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/7bsoyrqo/040A4365.jpg"><figcaption>চাঁদের মাটিতে নিজেকে আবিষ্কারের অনুভূতি মিলবে </figcaption></figure><h3>৩. টিল্ট রুম</h3><p>ওই যে বলছিলাম চাঁদের মাটিতে নিজেকে আবিষ্কারের কথা, এটিই সেই টিল্ট রুম। কিছুটা বাঁকানো এই ঘরে অবিকল চাঁদে পা রাখার মতো অনুভূতি পাবেন। অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তব করে তুলতে শিগগিরই আনা হবে নভোচারীদের পোশাক, এমনটাই জানিয়েছে ওয়াওজা কর্তৃপক্ষ।  </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/tinmm5v3/040A4432.jpg"><figcaption>দৃষ্টিভ্রমের খেলা দেখাবে অ্যামস রুম</figcaption></figure><h3>৪. অ্যামস রুম</h3><p>একই ঘরের দুই কোণে দাঁড়ালে একজনকে লাগবে দৈত্যের মতো বড় আর আরেকজনকে লাগবে ছোট—এমনই দৃষ্টিভ্রমের খেলা দেখায় এই অ্যামস রুম। মা–বাবা, ভাই-বোন কিংবা দম্পতি—ছবির জন্য সবার পছন্দ এই ঘর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/zs5wmuvq/040A4413.jpg"><figcaption>ক্যামোফ্লাজ রুমে খুঁজে পাওয়া যাবে শুধু আপনার মুখখানা</figcaption></figure><h3>৫. ক্যামোফ্লাজ রুম  </h3><p>এটি এমন এক ঘর যেখানে নিমেষেই আপনি অদৃশ্য হয়ে যাবেন। শুধু খুঁজে পাওয়া যাবে আপনার মুখখানা। এর নাম ক্যামোফ্লাজ রুম। মূলত দেয়ালের মতো হুবহু দেখতে একটি পোশাক আছে এই জাদুর পেছনে, সঙ্গে চোখের ধোঁকা। শুধু তাই নয়, অন্যদিকে তাকালে আয়নার জাদুতে আপনি পরিণত হবেন কয়েক খানায়। এমন অদ্ভুত এক ঘর ক্যামোফ্লাজ রুম।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/6xss5fql/040A4265.jpg"><figcaption>নানা ধরনের থ্রিডি এবং পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের সঙ্গে আছে ছবি তোলার বিশেষ ব্যবস্থা</figcaption></figure><h3>৬. থ্রিডি এবং পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টস</h3><p>ওয়াওজার ভেতরে ঢুকলে জায়গায় জায়গায় দেখতে পাবেন নানা ধরনের থ্রিডি এবং পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টস। এগুলোর সঙ্গে ছবি তোলার জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা, সাহায্যের জন্য থাকছেন ওয়াওজার কর্মীরা। এই থ্রিডি, পারস্পেকটিভ ওয়াল আর্টসের মধ্যে আপনাকে সবচেয়ে বেশি ধাঁধায় ফেলবে রঙিন এক শহরের দৃশ্য। দূর থেকে দেখলে মনে হবে জীবন্ত এক শহর, আপনার সঙ্গেই যা হাঁটছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/yb9517jecn">সাদা কো–অর্ডে পূজা চেরীর স্নিগ্ধ লুক, দেখুন ৮টি ছবি</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/9bjkyc54/040A4475.jpg"><figcaption>মিরর মেইজ</figcaption></figure><h3>৭. মিরর মেইজ</h3><p>প্রশ্ন আসতে পারে, মিরর মেইজ আর নতুন কী? সত্যি বলতে এখানেও ভিন্নতা এনেছে ওয়াওজা। এই মিরর মেইজে ঢুকলে শত শত আপনার মাঝে তো হারাবেনই, সেই সঙ্গে দেখতে পাবেন বিরাট এক সূর্যমুখীর বাগান। সঙ্গে আলোর খেলা তো আছেই। সব মিলিয়ে অন্য এক জগতে হারিয়ে যাওয়ার অনুভূতি দেবে ওয়াওজার মিরর মেইজ।  </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/y803rkbh/040A4239.jpg"><figcaption>ওয়াওজায় আছে নানা ধরনের ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস</figcaption></figure><h3>৮. ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস</h3><p>এই তো গেল অ্যাক্টিভিটির আলাপ। এবার গেমসে আসা যাক। ওয়াওজায় আছে নানা ধরনের ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমস। অংশ নিচ্ছে ছোট-বড় সবাই। আছে লাল-নীল ব্লকের খেলা, নাটাই দিয়ে ঘুড়ি ওড়ানোর ভিডিও গেম। এক কথায় আউটডোর থেকে শুরু করে ইনডোর—এক ছাদের নিচেই পাচ্ছেন সব রকম গেমসের অনুভূতি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/yqj2c534/040A4494.jpg"><figcaption>প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকছে ওয়াওজা</figcaption></figure><h3>টিকিটের মূল্য</h3><p>ওয়াওজাতে একজনের ঢুকতে গুনতে হবে ৫০০ টাকা, সেই সঙ্গে আছে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। প্রতিটি পাসের জন্য সময় থাকে এক ঘণ্টা। এটি মূলত স্লটভিত্তিক টিকিট সিস্টেম। এই এক ঘণ্টায় আপনি যেকোনো অ্যাকটিভিটি ও গেম যতবার ইচ্ছা উপভোগ করতে পারবেন। তবে সিঙ্গেল পাসের পাশাপাশি নানা ধরনের প্যাকেজের ব্যবস্থাও আছে এখানে।</p><h3>কখন যাবেন</h3><p>প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকছে ওয়াওজা। মিরপুর ১২-এ অবস্থিত হাজী কুজরাত আলী মোল্লা মার্কেটের ৪র্থ তলায় ওয়াওজার অবস্থান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/shopping/vihcdzr61s">বাজার থেকে পেঁপে কিনে ঠকছেন? জেনে নিন, মিষ্টি পেঁপে কেনার ৭টি কৌশল</a></aside>

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, 
জিপিএ-৫ পেলেন ৮৮৬ জন
কারিগরিতে পাসের হার ৪৯.৪৩%, জিপিএ-৫ পেলেন ৮৮৬ জন

এ বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি ভোকেশনাল ও এইচএসসি ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে সাংস্কৃতিক উৎসব, থাকবে বাউল গান–ব্যান্ড সংগীত: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে সাংস্কৃতিক উৎসব, থাকবে বাউল গান–ব্যান্ড সংগীত: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের সংস্কৃতি এখন সংকটময় সময় পার করছে। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সংগীত, নৃত্য, কবিতা ও লোকজ সংস্কৃতির অনেক উপাদান বিকশিত হতে পারছে না।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
এইচএসসিতে পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে, জিপিএ–৫ এ পিছিয়ে
এইচএসসিতে পাসের হারে ছাত্রীরা এগিয়ে, জিপিএ–৫ এ পিছিয়ে

১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হারে এগিয়ে আছেন ছাত্রীরা।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী কী জানা দরকার
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী কী জানা দরকার

এ নির্বাচনকে শুধু আইনপ্রণেতা বেছে নেওয়ার ভোট হিসেবে দেখা হয় না। সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের কাজের ওপর নাগরিকেরা সন্তুষ্ট কি না, তা–ও এতে প্রকাশ পায়।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
অতৃপ্ত আত্মা, ভ্যাম্পায়ার আর পেত্নী: ভয় দেখিয়েই বাজিমাত করেছেন বলিউডের ৮ হরর কুইন
অতৃপ্ত আত্মা, ভ্যাম্পায়ার আর পেত্নী: ভয় দেখিয়েই বাজিমাত করেছেন বলিউডের ৮ হরর কুইন

বলিউডে হরর সিনেমার কদর সবসময়ই আছে। তবে আজকাল বিটাউনের অতৃপ্ত আত্মা, ভ্যাম্পায়ার আর পেত্নীরা একটু বেশিই আকর্ষণীয় হয়ে উঠছেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।