দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না: রিজভী
রিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক এবং মাউশির উপসচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
একুশে বিজনেস || বিপ্লব কুমার রায়-সিইও, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেড।
হিন্দু ধর্মের মেলার আয়োজনকে কেন্দ্র করে শাহী মসজিদের একটি অংশ সরিয়ে সড়ক প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়, আর তা নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, মেলার সময় বাড়তি যানবাহনের চাপ ও ভক্তদের যাতায়াত সহজ করার জন্য ওই সড়ক প্রশস্ত করা জরুরি।
সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট প্যাকেটজাতে সংশোধন বিধি জারি করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নির্দেশ নাঅনুযায়ী, কোনো প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান আমিষজাত না নিরামিষজাত, তা প্যাকেটের গায়ে নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে জানাতে হবে।
কক্সবাজারে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) চলন্ত অবস্থায় চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে সীমা আক্তার নামে এক নারী পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামকে তার এলাকার ‘বড় ভাই’ পরিচয় দিয়ে এএসআই ইলিয়াস হোসাইন থানার কার্যক্রম ও তদন্তকাজে প্রভাব খাটান। তবে এ অভিযোগের সত্যতাও আলাদাভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই ফ্লাইটে সহকর্মীর ওপর হামলা ও বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত কো-পাইলট সম্ভবত একাই এই কাজ করেছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে রবিবার সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালক মো. ফয়েজ আহাম্মদকে (৪৩) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
চারদিকে শুধু সাদা আর সাদা। তুষারের ঘন পর্দা ভেদ করে কয়েক মিটারের বেশি সামনে দেখা যাচ্ছিল না। হিমশীতল বাতাস শরীরের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল ঝড়ের গতিতে। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে হাঁটুসমান নরম বরফে ডুবে যাচ্ছিল।
টরন্টো শহরের শীতের আলাদা এক ভাষা আছে।সেই ভাষা শব্দে নয়, তুষারে লেখা। জানালার ওপারে নিরবচ্ছিন্ন সাদা ঝরনা নেমে আসে, রাস্তার আলো কুয়াশা আর বরফের ভেতর ম্লান হয়ে যায়, আর মানুষ বুঝতে শেখে, পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর নীরবতাও কখনো কখনো খুব জোরে কথা বলে।সেদিনও তেমনই এক সন্ধ্যা।বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রি। ফায়ারপ্লেসে জ্বলতে থাকা আগুনের লালচে আলো ঘরের দেয়ালে ছায়া এঁকে দিচ্ছিল। হাতে ধোঁয়া ওঠা কফির মগ। আমরা তিনজন বসে গল্প করছিলাম।সায়েম ভাই, আমাদের কোম্পানির সিনিয়র লিড ইঞ্জিনিয়ার। প্রবাসে এসে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়, যাদের ঘরে ঢুকলেই মনে হয় বহুদিন পর নিজের বাড়িতে ফিরেছি। ভাবিও ঠিক তেমনই। তার আন্তরিকতা কখনো অতিথিপরায়ণতা বলে মনে হয় না; মনে হয় বড় বোনের মমতা।কফির কাপ নামিয়ে ভাবি হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন।—নীল, একটা কথা বলব?মৃদু হেসে বললাম,—বলুন, ভাবি।—রাগ করবে না তো?—আপনার ওপর রাগ করার সাহস আমার নেই।তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—এত বছর হয়ে গেল। ক্যারিয়ার হয়েছে, নিজের অবস্থান হয়েছে। কিন্তু নিজের জন্য কী করলে? একা একা আর কত দিন? বিয়ে করার কথা কখনো ভাবো না?আমি হেসে বিষয়টা এড়িয়ে যেতে চাইলাম।—সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় নাকি, ভাবি?সায়েম ভাই চশমাটা খুলে টেবিলে রাখলেন।—তোমার এই কথাটাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়। সারা দিন অফিসে তোমাকে দেখি। কাজে মন, বইয়ে মন, গিটার বাজাও, ভ্রমণ করো। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয়, জীবন একেবারে গুছিয়ে নিয়েছ। অথচ দিনের শেষে তুমি একাই ফিরে যাও।একটু থেমে তিনি আবার বললেন,—কখনো কি কাউকে ভালোবেসেছিলে?ঘরটা হঠাৎ যেন নিস্তব্ধ হয়ে গেল।ফায়ারপ্লেসের কাঠে আগুন ফেটে ছোট্ট একটা শব্দ হলো।আমি উত্তর দিলাম না।জানালার ওপারে তাকিয়ে রইলাম। সাদা তুষারের ভেতর হঠাৎ ভেসে উঠল বহু বছরের পুরোনো আরেকটা আকাশ। অনেক দূরের একটা বিকেল। আমি ধীরে বললাম,—মানুষ কখনো কখনো একটা গল্প কাউকে বলে না। কারণ, গল্পটা বললে সে আবার সেই সময়ে ফিরে যায়।ভাবি মৃদুস্বরে বললেন,—আজ ফিরে যাও। আমরা শুনব।আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। কফির মগটা টেবিলে রেখে বললাম,—জানেন ভাবি, পৃথিবীর সব ভালোবাসা মিলনের গল্প নয়। কিছু ভালোবাসা শুধু নীরবে মানুষের ভেতরে বেঁচে থাকে। কারও কাছে কোনো দাবি করে না, কোনো অধিকারও চায় না। শুধু মানুষটাকে সারা জীবন বদলে দেয়। আমার গল্পটাও তেমন।আজ থেকে প্রায় দশ বছর আগের কথা। তখন ঢাকার উত্তরায় থাকতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। বাবার পক্ষে নিয়মিত টাকা পাঠানো সম্ভব হতো না। টিউশনি করে নিজের পড়াশোনা, বাসাভাড়া আর খরচ চালাতাম। উত্তরার একটা পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠার ছোট্ট ঘর ছিল আমার ঠিকানা। ঘরটা বড় ছিল না। একটা খাট, একটা পড়ার টেবিল, বইয়ের তাক আর জানালার পাশে রাখা পুরোনো একটা গিটার। কিন্তু আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ছিল ছাদ।সন্ধ্যা নামার আগে পড়ন্ত রোদ যখন আকাশজুড়ে লালচে রং ছড়িয়ে দিত, আমি গিটার হাতে ছাদে উঠে যেতাম। কখনো বাজাতাম। কখনো বই পড়তাম। কখনো কিছুই করতাম না। শুধু আকাশ দেখতাম। হয়তো মানুষ একা থাকলে আকাশের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি কথা বলে।ঠিক এমনই এক বিকেলে প্রথম তাকে দেখি। আমাদের পাশের ছয়তলা বাড়ির একটি বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। অদ্ভুত শান্ত একটি মেয়ে। তার হাতে কোনো মোবাইল ছিল না। কোনো বইও নয়। সে শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। বাতাসে তার চুল উড়ছিল।কিন্তু আমাকে থামিয়ে দিয়েছিল তার চোখ। কিছু কিছু চোখ থাকে, যেগুলোকে সুন্দর বলা যায় না। কারণ, সুন্দর শব্দটা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।সেই চোখ দুটো যেন নিজের ভেতর একটা বিকেল লুকিয়ে রেখেছিল। আমি তার নাম জানতাম না। কখনো জানার চেষ্টাও করিনি। নিজের মনেই একটা নাম দিয়েছিলাম—‘সুনয়না’।নামটা শুধু আমার ছিল। আমার কল্পনার। আমার নীরবতার। তার বাস্তব নাম কী ছিল, তখনো জানতাম না।তার পর থেকে প্রতিদিন বিকেলে আমি অপেক্ষায় থাকতাম। ছাদে উঠতাম। আর কিছুক্ষণ পর সে এসে দাঁড়াত সেই বারান্দায়।আমাদের মধ্যে কখনো কথা হয়নি। চোখাচোখিও খুব কম। তবু মনে হতো, বিকেল নামার সঙ্গে সঙ্গে দুজনের জীবন অদৃশ্য কোনো সেতুতে এসে মিলেছে।কখনো তাকে অনুসরণ করিনি। তার সম্পর্কে খোঁজ নিইনি। কারণ, দূরত্বেরও একটা সৌন্দর্য আছে। সব মানুষকে কাছে গিয়েই জানতে হয় না। কিছু মানুষ দূর থেকেই হৃদয়ের ভেতর জায়গা করে নেয়।এভাবেই কেটে গেল কয়েক মাস। একদিন বিকেলে ছাদে উঠে দেখলাম, বারান্দাটা ফাঁকা। ভাবলাম, হয়তো কোথাও গেছে।পরদিনও এল না।তারপর আরও এক দিন।এক সপ্তাহ।এক মাস।ঋতু বদলে গেল।আকাশের রং বদলে গেল। কিন্তু সেই বারান্দায় আর কাউকে দেখা গেল না। বুঝলাম, কিছু অপেক্ষার কোনো উত্তর হয় না।তারপর ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষ এসে গেল। পড়াশোনা, প্রজেক্ট, ইন্টারভিউ—জীবন অন্যদিকে মোড় নিতে শুরু করল। তবু মাঝেমধ্যে বিকেলের আকাশ দেখলে মনে হতো, কোথাও যেন একটা বারান্দা এখনো খালি দাঁড়িয়ে আছে। আর সেখানে কেউ একজন আর কখনো ফিরে আসবে না।অফিসে যোগ দেওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় প্রথমবার তার সঙ্গে কথা হলো।সেদিন দুপুরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। কাচঘেরা অফিসের জানালায় বৃষ্টির ফোঁটাগুলো লম্বা দাগ টেনে নিচে নেমে আসছিল। ক্যাফেটেরিয়ায় বসে এক কাপ কফি হাতে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশে এসে কেউ বলল,—এই সিটটা খালি?মুখ তুলে তাকাতেই বুকের ভেতরটা অকারণ ধক করে উঠল।সে।উত্তরার সেই বারান্দার মেয়েটি।আমি সামান্য হাসলাম।—অবশ্যই।সে বসে কফির কাপ নামিয়ে বলল,—আমি নতুন। এখনো কাউকে তেমন চিনি না।—আমিও খুব পুরোনো নই।সেদিনের কথোপকথন ছিল খুব সাধারণ। অফিস, কাজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকার যানজট; এর বেশি কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয়, কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলতে কোনো আয়োজন লাগে না। যেন বহুদিনের চেনা।তার নাম জানলাম, সুস্মিতা।আমি নামটা মনে রাখলাম। তবু নিজের ভেতরে সে রয়ে গেল অন্য নামে—‘সুনয়না’।এরপর ধীরে ধীরে পরিচয় বাড়ল।অফিস শেষে মাঝেমধ্যে সবাই মিলে চা খেতে যেতাম। কোনো প্রজেক্ট শেষ হলে পুরো টিম রাত পর্যন্ত কাজ করত। সেই সব দীর্ঘ সন্ধ্যায় সুস্মিতাকে নতুন করে চিনতে শুরু করলাম।সে খুব কম কথা বলত। অকারণ হাসত না। তবে কেউ সমস্যায় পড়লে সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিত।একদিন জানতে পারলাম, সে রবীন্দ্রসংগীত শেখে।আরেক দিন শুনলাম, অবসরে জলরঙে ছবি আঁকে।আমি অবাক হয়ে ভাবলাম, মানুষকে দূর থেকে দেখলে তার সৌন্দর্য দেখা যায়; কাছে এলে দেখা যায় তার নীরবতা। আর নীরবতাই একজন মানুষকে সবচেয়ে আলাদা করে।সেদিন অফিস থেকে বেরোতে বেরোতে সন্ধ্যা নেমে এসেছে। বৃষ্টি থেমেছে। রাস্তার বাতিগুলো ভেজা ডামারের ওপর হলুদ আলো ফেলছে। আমি বললাম,—কফি খাবেন?সে একটু ভেবে মৃদু হেসে বলল,—আজ খাওয়া যেতে পারে।ছোট্ট একটি ক্যাফেতে আমরা জানালার পাশে বসলাম। বাইরে গাড়ির আলো ভেজা রাস্তায় ভেঙে পড়ছিল।অনেকক্ষণ গল্প হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি, বই, সিনেমা, ভ্রমণ, প্রিয় ঋতু। কথার ফাঁকে হঠাৎ সে জিজ্ঞেস করল,—আপনি এত চুপচাপ কেন?আমি হেসে বললাম,—সবাই সব কথা বলতে পারে না।সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল,—আমার মনে হয়, যারা কম কথা বলে, তাদের ভেতরে অনেক গল্প জমে থাকে।আমি উত্তর দিলাম না। সত্যিই আমার ভেতরে একটি গল্প ছিল। যার শুরু হয়েছিল উত্তরার এক ছাদের বিকেলে।বহুবার ভেবেছি, আজ বলব। বলব, কয়েক বছর আগে প্রতিদিন বিকেলে আমি এক অচেনা মেয়েকে আকাশ দেখতে দেখতাম। বলব, তার জন্যই আমি সন্ধ্যার অপেক্ষা করতাম। বলব, তাকে না জেনেই একটা নাম দিয়েছিলাম।কিন্তু মানুষের জীবনে কিছু মুহূর্ত আসে, যখন সত্যি কথাটাই সবচেয়ে কঠিন হয়ে ওঠে। আমি পারলাম না। শুধু কফির কাপে আঙুল ঘুরিয়ে যেতে লাগলাম।ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে তার মুখে খুব কোমল একটা হাসি ফুটে উঠল। সে ফোন ধরল। নরম গলায় বলল,—হ্যাঁ... আমি বের হচ্ছি... আর পাঁচ মিনিট।ফোন রেখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—আমাকে উঠতে হবে।আমি শুধু মাথা নাড়লাম।ক্যাফের দরজার বাইরে এসে দেখি, একটা গাড়ি ধীরে ধীরে এসে থামল। গাড়ি থেকে একজন নেমে ছাতা খুলে তার দিকে এগিয়ে এল। সুস্মিতার মুখে যে হাসি ফুটে উঠল, তাতে কোনো দ্বিধা ছিল না, কোনো অভিনয়ও নয়। সে মানুষটিকে এমন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে দেখল, যেমন মানুষ নিজের আপনজনকে দেখে। বিদায় নেওয়ার আগে সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,—কাল দেখা হবে।আমি বললাম,—ভালো থাকবেন।গাড়িটা ধীরে ধীরে দূরে মিলিয়ে গেল।আমি অনেকক্ষণ একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলাম। বৃষ্টি আবার শুরু হয়েছে। ভেজা শহরের মাঝখানে দাঁড়িয়ে হঠাৎ মনে হলো, কিছু স্বপ্ন ভাঙার শব্দ বাইরে শোনা যায় না। সেগুলো শুধু মানুষের ভেতরেই প্রতিধ্বনি তোলে।সেদিন রাতেই প্রথম বুঝেছিলাম, ভালোবাসা সব সময় কাউকে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো সময়মতো কিছু না বলার নামও ভালোবাসা।পরদিন অফিসে গিয়ে সুস্মিতাকে দেখলাম না। ভাবলাম, হয়তো ছুটিতে আছে।পরদিনও এল না।এরপর আরও কয়েক দিন কেটে গেল।কাজের ব্যস্ততা আমাকে ডেস্কে আটকে রাখলেও মনটা বারবার করিডরের দিকে চলে যেত। এক বিকেলে সাহস করে মানবসম্পদ বিভাগের এক সহকর্মীকে জিজ্ঞেস করলাম,—সুস্মিতা কি ছুটিতে?তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—জানেন না? ওর স্বামীকে সিঙ্গাপুরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। তাড়াহুড়ো করেই ও চাকরিটা ছেড়ে দিয়েছে। যাওয়ার আগেই সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়েছে। আপনি সেদিন ক্লায়েন্ট মিটিংয়ে ছিলেন, তাই হয়তো দেখা হয়নি।আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। অদ্ভুতভাবে বুকের ভেতর কোনো বিস্ফোরণ ঘটল না। শুধু একটা নিঃশব্দ শূন্যতা নেমে এল, যেন বহু বছর আগে উত্তরার সেই বারান্দাটা আবার একবার খালি হয়ে গেল।এরপর জীবন খুব দ্রুত বদলে গেল। কাজের চাপ বাড়ল। পদোন্নতি হলো। নতুন শহর, নতুন দায়িত্ব, নতুন দেশ। একসময় কানাডার একটা সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব গ্রহণ করলাম। বন্ধুরা বলেছিল,—স্বপ্নপূরণ হয়ে গেল!হয়তো সত্যিই হয়েছিল। কিন্তু মানুষ বুঝতে শেখে, সব স্বপ্নের সঙ্গে সব আনন্দ আসে না। কিছু সাফল্য খুব নিঃসঙ্গও হয়।টরন্টোতে আসার পর প্রথম শীতেই আমি বুঝলাম, তুষার শুধু শহর ঢেকে দেয় না, মানুষের স্মৃতিকেও সাদা করে দিতে চায়। কিন্তু সব স্মৃতি ঢেকে যায় না। কখনো কখনো কোনো কফির গন্ধ, কোনো বিকেলের আলো কিংবা কোনো বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা একাকী মানুষের ছায়া হঠাৎ বহু বছর আগের দরজা খুলে দেয়। সেই দরজার ওপাশে এখনো দাঁড়িয়ে আছে উত্তরার সেই বিকেল।আর একটি নাম, যে নাম পৃথিবীর কেউ জানত না। শুধু আমি।সুনয়না।’ফায়ারপ্লেসের আগুন তখন ধীরে ধীরে নিভে আসছে। কথা শেষ করতেই ঘরজুড়ে দীর্ঘ নীরবতা নেমে এল। ভাবি কফির ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সায়েম ভাই উঠে এসে আমার পাশে দাঁড়ালেন। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,—তাহলে তুমি তাকে কোনো দিন জানাওনি?আমি মৃদু হেসে মাথা নাড়ালাম।—না।—আফসোস হয় না?জানালার বাইরে তাকালাম। তুষার পড়ছে। প্রতিটি সাদা কণা নিঃশব্দে মাটিতে মিশে যাচ্ছে। আমি ধীরে বললাম,—আফসোস হয় সেই ভালোবাসার জন্য, যেটা কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের করতে হয়। আমার গল্পে তেমন কিছু ছিল না। সে তার জীবন নিয়ে সুখী ছিল। আমি কেন আমার অনুভূতির ভার তার কাঁধে চাপিয়ে দিতাম?ভাবি খুব আস্তে বললেন,—কিন্তু তুমি তো একা রয়ে গেলে।আমি হেসে উত্তর দিলাম,—মানুষ সব সময় কারও অভাবে একা থাকে না। কখনো কখনো একটি সুন্দর স্মৃতির সঙ্গেও সারা জীবন কাটিয়ে দেওয়া যায়।ঘড়ির কাঁটা তখন রাত বারোটা ছুঁয়েছে। বাইরে তুষারপাত আরও ঘন হয়েছে। বিদায় নিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াতেই সায়েম ভাই আমার কাঁধে হাত রাখলেন।—নীল...—জি?—জীবনে যদি আবার কোনো বিকেল এসে দাঁড়ায়, এবার যেন চুপ করে থেকো না।আমি কোনো উত্তর দিলাম না। শুধু মৃদু হাসলাম।বাড়ি ফেরার পথে গাড়ির জানালার বাইরে অসংখ্য তুষারকণা উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, মানুষ আসলে কাউকে ভুলে যায় না। সে শুধু স্মৃতির সঙ্গে বসবাস করতে শিখে যায়।সেদিন রাতে ঘরে ফিরে বহুদিন পর জানালার পাশে দাঁড়ালাম। দূরে বরফে ঢাকা শহর ঘুমিয়ে আছে।অন্ধকার কাচে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে মনে হলো, সময় আমার চুলে রুপালি রং ছড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু উত্তরার সেই একফালি আকাশ এখনো কোথাও রয়ে গেছে।আমি চোখ বন্ধ করলাম। কল্পনায় আবার একটি বারান্দা ভেসে উঠল। সেখানে একটি মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার মুখ আজও স্পষ্ট নয়। শুধু চোখ দুটো স্পষ্ট। আমি নিঃশব্দে বললাম,—ভালো থেকো, সুনয়না।জানালার ওপারে তুষার পড়তেই থাকল। আর আমি বুঝলাম, কিছু ভালোবাসার শেষ অধ্যায় মিলনে লেখা হয় না। সেগুলো লেখা থাকে নীরবতায়।উত্তরা, ঢাকা
মেকআপ মানেই যেন অনেকগুলো প্রোডাক্ট, ঘন্টার পর ঘন্টা প্রস্তুতি। কিন্তু বলিউড তারকা জাহ্নবী কাপুর সাম্প্রতি তার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন নিজের বিউটি লুক তৈরির পেছনের গল্প। যেখানে তিনি বলেছেন মাত্র তিনটি ধাপে তার সাজ হয়ে উঠেছে পরিপাটি, ফ্রেশ ও নেচারাল।প্রতিদিনের মেকআপে খুব বেশি কিছু না করেও কীভাবে ফ্রেশ ও গোছানো দেখানো যায়, জাহ্নবীর এই রুটিন তারই সহজ উদাহরণ। আরও মজার বিষয়, মেকআপ ব্রাশ বা স্পঞ্জের ওপর খুব বেশি নির্ভর না করে আঙুল দিয়েই তিনি বেশির ভাগ প্রোডাক্ট ব্লেন্ড করেছেন। ফলে পুরো সাজটি যেমন দ্রুত করা যায়, তেমনি এর ফিনিশও থাকে বেশ স্বাভাবিক। তার সাজের মূল তিনটি বিষয় হচ্ছে সতেজ বেস, নরম গোলাপি ব্লাশ আর নিউড-পিঙ্ক ঠোঁট। View this post on Instagram A post shared by Janhvi Kapoor (@janhvikapoor) ভারী বেস নয়, শুরু হোক কনসিলার দিয়েজাহ্নবীর রুটিনের প্রথম ধাপ কনসিলার। পুরো মুখে ভারী ফাউন্ডেশন লাগানোর বদলে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করছেন তিনি। চোখের নিচে সরাসরি অ্যাপ্লিকেটর দিয়ে অল্প প্রোডাক্ট নিয়ে আঙুলের সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে ত্বকের রং কিছুটা সমান দেখালেও মুখ ভারী হয়ে যাচ্ছে না। এই ধরনের মেকআপে ব্লেন্ড করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্তর বাড়ানো যায়, এমন কনসিলারই ভালো। একবারে বেশি না দিয়ে অল্প অল্প করে লাগানোই মূল কৌশল।গালে নরম গোলাপি আভাবেসের পর জাহ্নবী ব্যবহার করছেন সফট পিঙ্ক লিকুইড ব্লাশ। গালে সরাসরি অল্প ব্লাশ নিয়ে আঙুল দিয়ে ট্যাপ করে ব্লেন্ড করেছেন তিনি। ফলে গালে ভারী রঙের বদলে এসেছে হালকা, সতেজ আভা। এই লুকের জন্য ক্রিম বা লিকুইড ব্লাশ বেশ কার্যকর। কারণ অল্প অল্প করে রং বাড়ানো যায়, ফলে মুখে ব্লাশের দাগও স্পষ্ট থাকে না।ঠোঁটে নিউড-পিঙ্কজাহ্নবীর পুরো মেকআপের সঙ্গে ঠোঁটের রংও বেশ নরম। শেষ ধাপে তিনি ব্যবহার করেছেন নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। গালের গোলাপি আভা আর ঠোঁটের একই পরিবারের রং পুরো লুকটিকে করেছে আরও গোছানো। খুব ফ্যাকাশে বেইজ নিউডের বদলে গোলাপি, রোজি বা হালকা ব্রাউন আন্ডারটোনের নিউড বেছে নিলে ঠোঁট আরও স্বাভাবিক দেখাবে। দিনের সাজে লিপস্টিক পুরো ঠোঁটে না দিয়ে মাঝখানে অল্প লাগিয়ে আঙুল দিয়ে ছড়িয়ে দিলেও পাওয়া যাবে আরও নরম ফিনিশ।চোখে শুধু এক কোট মাসকারাজাহ্নবী যে তিনটি মূল ধাপ দেখিয়েছেন, সেখানে মাসকারা ছিল না। তাই এটি মূল রুটিনের অংশ নয়; চাইলে বাড়তি সংযোজন হিসেবে রাখা যায়। বিশেষ করে দিনের সাজ সন্ধ্যার দিকে নিতে চাইলে এক বা দুই কোট মাসকারাই যথেষ্ট। এতে চোখ কিছুটা বেশি স্পষ্ট হবে, কিন্তু পুরো মেকআপের স্বাভাবিক মেজাজ নষ্ট হবে না।ভ্রু থাকুক নেচারালএই লুকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভ্রু। খুব গাঢ় করে আঁকার বদলে যেখানে ফাঁকা আছে, শুধু সেখানে হালকা করে ভরাট করাই যথেষ্ট। এরপর স্পুলি দিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিলে রংটা নরম হয়ে যাবে। এ জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষ্য হবে ভ্রুকে স্পষ্ট করে আঁকা নয়, বরং একটু গোছানো দেখানো।ত্বক যেন ত্বকের মতোই দেখায়জাহ্নবীর মেকআপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এটাই। নিজের ত্বকের রং পুরোপুরি ঢেকে ফেলার চেষ্টা নেই। ভারী ফাউন্ডেশনের বদলে প্রয়োজনমতো কনসিলার ব্যবহার করায় ত্বকের স্বাভাবিক টেক্সচারও দেখা যায়। এই লুক করতে গিয়ে সবচেয়ে সহজ ভুল হতে পারে বারবার কভারেজ বাড়ানো। যেখানে প্রয়োজন শুধু সেখানেই কনসিলার ব্যবহার করে থেমে যাওয়াই ভালো। এতে মেকআপ থাকবে হালকা, আর মুখও দেখাবে আরও স্বাভাবিক।ব্রাশ নয়, আঙুলেই ব্লেন্ডজাহ্নবীর রুটিন থেকে সবচেয়ে সহজে নেওয়া যায় যে কৌশল, সেটি হলো আঙুল দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করা। কনসিলার ও ব্লাশের মতো লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট অল্প করে আঙুলে নিয়ে ত্বকে ট্যাপ করে লাগালে দ্রুত কাজ হয় এবং প্রোডাক্টের পরিমাণও সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিশেষ করে ব্যস্ত সকালে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধাজনক। একগাদা ব্রাশ বের করার দরকার নেই, আবার অতিরিক্ত মেকআপ করার ঝুঁকিও কমে।জাহ্নবীর তিন ধাপের সহজ রুটিনপুরো রুটিনকে একেবারে সহজ করে বললে, কনসিলার, ব্লাশ, নিউড লিপ। প্রথমে অল্প কনসিলার দিয়ে ত্বকের প্রয়োজনীয় অংশ সমান করুন। এরপর গালে নরম গোলাপি আভা দিন। সবশেষে নিউড-পিঙ্ক লিপ কালার। সব প্রোডাক্টই হালকা হাতে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করতে হবে। এর সঙ্গে আরও একটু সাজানো লুক চাইলে যোগ করা যায় মাসকারা ও হালকা ভ্রু ডেফিনিশন। তবে মূল সৌন্দর্যটা থাকবে কম প্রোডাক্টে, হালকা হাতে এবং ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় রাখায়।জাহ্নবী কাপুরের সাম্প্রতিক মেকআপ রুটিন শেষ পর্যন্ত খুব সাধারণ একটি কথাই মনে করিয়ে দেয়। দৈনন্দিন গ্ল্যামের জন্য সবসময় অনেক কিছু দরকার হয় না। ত্বককে সমান করা, গালে একটু রং আর ঠোঁটে সামান্য উষ্ণতা এই তিনটিই যথেষ্ট হতে পারে। আসল কৌশল হলো মেকআপের স্তর হালকা রাখা এবং ত্বককে ত্বকের মতোই থাকতে দেওয়া।
ফ্যাশনের দুনিয়ায় কিয়ারা আদভানির সবচেয়ে বড় শক্তি তার বহুমুখী স্টাইল সেন্স। রেড কার্পেটের ঝলমলে গ্ল্যামার, ফটোশুট লুক কিংবা দৈনন্দিন পোশাক-প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের মতো করে স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে জানেন এই অভিনেত্রী। কখনো শাড়ি বা অন্য কোনো ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাকে তিনি হয়ে ওঠেন মোহময়ী, আবার কখনো পশ্চিমা পোশাকে ফুটিয়ে তোলেন আধুনিকতার ছাপ। তার সাম্প্রতিক ফটোশুটের লুকটিও সেই বহুমুখী ফ্যাশন ভাবনারই আরেকটি উদাহরণ। এবার কিয়ারার পছন্দ ছিল স্ট্রাকচার্ড পাওয়ার স্যুট। ক্যামেল-বেইজের একরঙা এই সাজে ছিল টেইলারিংয়ের নিখুঁত ছাপ, পুরুষালি পোশাকের অনুপ্রেরণা এবং নারীর আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি-সবকিছুর সুন্দর সমন্বয়। পুরো লুকটি যেন দেখিয়ে দিল, পাওয়ার ড্রেসিং মানেই শুধু কঠোর বা ফরমাল হওয়া নয়, সঠিক কাট, রং ও স্টাইলিংয়ের মাধ্যমে সেটিই হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত গ্ল্যামারাস। কিয়ারার স্যুটের অন্যতম আকর্ষণ ছিল স্ট্রাকচার্ড ওয়েস্টকোট। শরীরের উপরের অংশের সঙ্গে সুন্দরভাবে মানানসই এই ওয়েস্টকোটে ছিল গভীর ভি-নেকলাইন। সামনে একই ক্যামেল-বেইজ রঙের ছোট ছোট বোতামের সারি পোশাকটিতে এনে দিয়েছে পরিপাটি ফিনিশিং। ওয়েস্টকোটের ভেতরে কিয়ারা পরেছিলেন দুই রঙের বেইজ ও সাদা শার্ট। শার্টটির উষ্ণ বেইজ রঙের মূল অংশ ওয়েস্টকোটের সঙ্গে মিশে গেলেও নজর কেড়েছে এর ওভারসাইজড সাদা কলার। সঙ্গে ছিল স্টাইলিশ ফ্রেঞ্চ কাফ, যা পুরো পোশাকে এনে দিয়েছে খানিকটা ক্লাসিক ফরমাল আবহ। এর ওপর ছিল একই রঙের একটি স্ট্রাকচার্ড জ্যাকেট। টেইলারড শোল্ডার, পরিষ্কার ল্যাপেল এবং নিখুঁত কাটিংয়ের কারণে জ্যাকেটটি কিয়ারার সিলুয়েটকে আরও সুস্পষ্ট করে তুলেছে। নিচে ছিল একই ক্যামেল-বেইজ শেডের হাই-ওয়েস্টেড ওয়াইড-লেগ ট্রাউজার্স। প্যান্টের বাড়তি ভলিউম একদিকে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, অন্যদিকে পুরো পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও বিলাসবহুল আবহ। প্রচলিত টাইয়ের বদলে কিয়ারার গলায় দেখা গেছে চিকন বেইজ নেকটাই। কলারের নিচে পরিপাটি করে গুঁজে রাখা এই টাই পুরুষদের ক্লাসিক টেইলারিংয়ের ছোঁয়া এনে দিয়েছে নারীর পাওয়ার স্যুটে। পুরো পোশাকে থাকা সূক্ষ্ম প্লেড প্যাটার্নও লুকটিকে একঘেয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। জুতার ক্ষেত্রেও টোনাল স্টাইলিংয়ের পথেই হেঁটেছেন কিয়ারা। পায়ে ছিল উটের রঙের পয়েন্টেড স্টিলেটো পাম্প। সূচালো অগ্রভাগের এই জুতা তার পায়ের রেখাকে আরও দীর্ঘ দেখিয়েছে এবং মাথা থেকে পা পর্যন্ত একরঙা বিন্যাসটিও অটুট রেখেছে। অ্যাক্সেসরিজে রেখেছিলেন একবারে ছিমছাম । একজোড়া সোনালি স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং মানানসই একটি আংটিতেই নজর কেড়েছেন। এর সঙ্গে এভিয়েটর সানগ্লাস যোগ করে কিয়ারা পুরো লুকে এনেছেন আরও দৃঢ় ভাব। সানগ্লাসের উপস্থিতিই আত্মবিশ্বাসী বার্তাটিকে আরও জোরালো করেছে। চুল ও মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। পোশাকের কাটিং ও টেইলারিংকে লুকের মূল আকর্ষণ করে তুলতে কিয়ারা তার লম্বা, ঘন বাদামি চুল হালকা ঢেউ খেলানো এবং কিছুটা স্বাভাবিক ভঙ্গিতে রেখেছেন। মেকআপে ছিল সফট-গ্ল্যাম আবহ- সুবিন্যস্ত ভ্রু, উষ্ণ টোনের আইশ্যাডো এবং নুড-গোলাপি লিপস্টিক। কিয়ারার এই লুকটি প্রমাণ করে, পাওয়ার ড্রেসিংয়ের আসল শক্তি পোশাকে যতটা, তার চেয়েও বেশি আত্মবিশ্বাসে। ক্যামেল-বেইজের শান্ত রং, নিখুঁত টেইলারিং, পুরুষালি টেইলারিংয়ের অনুপ্রেরণা এই লুকে কিয়ারা তৈরি করেছেন এমন এক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট, যা একই সঙ্গে স্মার্ট, আধুনিক ও নজরকাড়া। এসএকেওয়াই
ঘুম শরীর ও মনের পুনরুদ্ধারের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের ভেতরে শুরু হয় নানা জটিলতা, যা ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনেকেই ঘুমকে অবহেলা করেন, অথচ সুস্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে ভালো ঘুম। যখন ঘুম ঠিকমতো হয় না, তখন শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। এর ফলে সহজেই সর্দি-কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুমের ঘাটতি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়, যা অতিরিক্ত খাওয়া ও ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। শুধু তাই নয়, নিয়মিত কম ঘুম মানে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বেড়ে যাওয়া। মানসিক স্বাস্থ্যের দিক থেকেও এর প্রভাব ভয়াবহ। ঘুম কম হলে মন খারাপ লাগে, মনোযোগে ঘাটতি আসে, কাজের উদ্যম কমে যায়। অনেক সময় হতাশা, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা তৈরি হয়। শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীদের ক্ষেত্রে এটি সরাসরি কর্মদক্ষতা কমিয়ে দেয়। তবে সুস্থ থাকার জন্য ঘুম ঠিক রাখার কিছু সহজ উপায় অনুসরণ করা যায়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং জেগে ওঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা উচিত — মোবাইল, টিভি বা ল্যাপটপের আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের ক্ষরণে বাধা দেয়। শোবার ঘরকে ঠান্ডা, অন্ধকার ও শান্ত রাখা ঘুমের মান বাড়ায়। কফি বা চা রাতের বেলা এড়িয়ে চলাই ভালো। দিনের বেলা হালকা ব্যায়াম ও সকালের রোদে কিছুক্ষণ সময় কাটানো ঘুমে সহায়তা করে। আর ঘুমানোর আগে ভারী খাবার না খাওয়াও জরুরি। ঘুমকে যদি গুরুত্ব না দেওয়া হয়, তাহলে শরীর একসময় সিগন্যাল দিতে শুরু করবে — মাথা ভার, মেজাজ খারাপ, স্মৃতিশক্তি দুর্বল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা দেখা দেবে। তাই সুস্থ থাকতে হলে শুধু খাদ্য, ব্যায়াম বা ওষুধ নয় — একটি পরিপূর্ণ ঘুমই হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে আবারও শুরু হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের নতুন সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা শহরে একটানা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, এমনকি হাসপাতালের রোগীরাও অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তীব্র গরম ও অসহনীয় তাপদাহের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই ভুগছেন। শহরাঞ্চলে ফ্যান, এসি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে পানির পাম্প চলতে না পারায় পানির সংকটও দেখা দিয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, দিনে প্রায় ৬-৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আর ফিরে আসছে না। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ছোট কারখানাগুলো এই বিদ্যুৎ সংকটে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছোট দোকানদাররা জানাচ্ছেন, দীর্ঘ সময় ফ্রিজ বন্ধ থাকায় খাবারদাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আইটি ও অনলাইনভিত্তিক কাজেও সমস্যা হচ্ছে, কারণ ইন্টারনেট রাউটার, কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি চালাতে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। এতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং আয়-রোজগারে বড় ধাক্কা লাগছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্রে জানা গেছে, গ্রীষ্ম মৌসুমে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে জেনারেশন ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাস সংকটের কারণে পুরো উৎপাদন করতে পারছে না। অন্যদিকে আমদানি নির্ভর কয়লা ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যয় সামাল দিতে গিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কমে আসবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কতদিন এমন দুর্ভোগ চলবে? বিশেষ করে যেসব এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না, তাদের জন্য এ আশ্বাস কতটা কার্যকর হবে — তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এবং এর সমাধানে স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন। বিকল্প জ্বালানি উৎস যেমন সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে গুরুত্ব না দিলে প্রতি বছরই এ ধরনের সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে। এ অবস্থায় মানুষ চায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও দ্রুত সমাধান। বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন আর এক নিত্যকার দুর্ভোগে পরিণত না হয় — সেই প্রত্যাশাই করছে সারাদেশ।
<p>দেশে টানা কয়েক মাস কমার পর উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি তেল জেট ফুয়েলের দাম তিন মাস ধরে বাড়ছে। এবার বাড়ানো হয়েছে প্রতি লিটারে ১৭ টাকা ৬ পয়সা। এর আগে গত মাসে বাড়ানো হয় ৬ টাকা ১৩ পয়সা।</p><p> আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জেট ফুয়েলের নতুন দর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দর আজ দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। গত বছরের মে মাস থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করছে তারা।</p><p>বিইআরসির নতুন দর বলছে, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটারের দাম ১.০৭৭০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১.১৮৮২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আর অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য জেট ফুয়েলের লিটারের দাম ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে; যা আগে ছিল ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে এ দাম ছিল ৯৫ টাকা ১২ পয়সা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চে দুই দফায় প্রতি লিটারে বেড়েছিল মোট ১০৭ টাকা।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানে আক্রমণের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সূত্রপাত। এরপর ইরান ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে হামলা শুরু করলে তেলসমৃদ্ধ ওই অঞ্চলের প্রায় পুরোটাজুড়ে যুদ্ধ বিস্তৃত হয়। দুই পক্ষের হামলায় লক্ষ্যবস্তু হয় জ্বালানি স্থাপনাগুলো। এতে জ্বালানির দাম অস্থির হয়ে ওঠে বিশ্ববাজারে। এরপর যুদ্ধবিরতি শুরু হলে দাম কমতে শুরু করে।</p><p>আগে জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে নির্বাহী আদেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণের ধারা অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করে দেয়। এরপর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বিইআরসিকে দেওয়া হয়।</p><p>প্রজ্ঞাপনের পর ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ প্রথমবারের মতো জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণে গণশুনানি গ্রহণ করে বিইআরসি। এর পর থেকে প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।</p>
গত মাসে বেক্সিমকো ফার্মা পর্ষদ থেকে বাদ পড়েন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তি সালমান এফ রহমান। এবার তিনি বেক্সিমকো গ্রুপের আরও দুই কোম্পানির পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন।
হত্যাকাণ্ডের পরই নজরুল ইসলাম আত্মগোপন করেন। অভিযান চালালেও চারবার পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে তিনি পালিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ঘটনার সাড়ে পাঁচ বছর পর তাঁকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা।
<p>নাসিরুদ্দিন হোজ্জা যেমন বুদ্ধিমান, তেমনি কৌতুকপ্রিয়। ১২ শতকে তুরস্কে জন্ম তাঁর। ছিলেন সুফি সাধক। জ্ঞানচর্চার প্রতি তাঁর অপরিসীম আগ্রহ ছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকেই তাঁর নামে নানা গল্প চালু হয়ে যায়। গল্পগুলো মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীন—সমগ্র এশিয়ায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ— কে না তাঁর ভক্ত। হোজ্জার বুদ্ধিদীপ্ত এসব কৌতুক খুব পছন্দ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নওশিন জাহানের। প্রথমা প্রকাশনের ‘নাসিরুদ্দিন হোজ্জার ১০০ গল্প’ বইটা নিয়ে গভীর মনোযোগ দিয়ে উল্টেপাল্টে দেখে সে। এরপর মায়ের কাছে আবদার করে বইটি কিনে দিতে। নাসিরুদ্দিনের বইটি কেনা হতেই একটু দূরে গিয়ে পড়াও শুরু করে দেয় সে। </p><p> চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে আজ বুধবার প্রথমা প্রকাশনের বই উৎসবে দেখা হয় নওশিনের সঙ্গে। সকাল সাড়ে সাতটায় আয়োজন শুরু হলেও জমে ওঠে দুপুর ১২টায় স্কুলের প্রভাতি শাখার ছুটির পর। নওশিনও ছুটির পরই সেখানে যায়। সে জানায়, নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প পেলেই পড়ে সে। বই উৎসব হচ্ছে শুনে হোজ্জার বই খুঁজতে এসেছিল সে। আর বইটা পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মাকে বলে কিনে নিল। </p><p>বই উৎসবে গল্প, বিজ্ঞান, কিশোর উপন্যাস, রহস্য, কমিকসসহ নানা বিষয়ের বই ছিল। সঙ্গে ছিল দুটি জনপ্রিয় সাময়িকী কিশোর আলো ও বিজ্ঞানচিন্তা। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে শিক্ষার্থীরা ছুটে আসছিল স্টলে। কেউ মলাট দেখেই পছন্দের বইটি হাতে তুলে নিচ্ছিল। কেউ উল্টেপাল্টে দেখছিল ভেতরের পাতা। শিক্ষার্থীদের বই নিয়ে এমন ব্যস্ততা চলে বেলা দুইটা পর্যন্ত।</p><p>অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান খুঁজছিল কিশোর থ্রিলার। একের পর এক বই হাতে নিয়ে মলাট দেখছিল, পাতা উল্টে পড়ছিল কয়েক লাইন। এরপর রকিব হাসানের দুটি থ্রিলার বই পেয়েই কিনে নেয় সে। নুসরাত জানায়, থ্রিলার পড়তে তার ভালো লাগে। মেলায় এসে পছন্দের অনেক বই একসঙ্গে দেখার সুযোগ পেয়েছে সে।</p><p>তবে অনেক শিক্ষার্থীকে দেখা গেল বিজ্ঞানবিষয়ক বই, সায়েন্স ফিকশন আর অ্যাডভেঞ্চারের বইয়ের খোঁজ করতে। কেউ কিনছিল কমিকস আবার কেউ কিশোর উপন্যাস। বোঝা গেল, শিশু–কিশোরদের পছন্দের তালিকা মোটেও ছোট নয়।</p><p>উৎসব নিয়ে কথা হয় ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আহমেদ শাহীম আল রাজির সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। মানুষ জন্মের পর থেকে যে জ্ঞান অর্জন করেছে, মানবসভ্যতার যে অগ্রগতি হয়েছে, এর পেছনে বইয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে। এখন হয়তো আমরা বলছি, তথ্যপ্রযুক্তির যুগ আসছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ আসছে। কিন্তু এসবের পেছনেও বইয়ের জ্ঞান রয়েছে।’</p><p>শাহীম আল রাজি আরও বলেন, এ ধরনের বইমেলার আয়োজন অবশ্যই একটি সুন্দর উদ্যোগ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বাইরেও বিভিন্ন ধরনের বই সম্পর্কে ধারণা অর্জন করতে পারবে। বিজ্ঞান, গল্প, ইতিহাসসহ নানা বিষয়ের বইয়ের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি হবে। তাদের কৌতূহলও মেটাতে পারবে।</p>
বর্তমান হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা জন্ম নিয়েছিল ২০১০ সালের দিকে, যে সময়টায় ফ্রান্সে শিশু জন্মের হার শীর্ষে ছিল।
উচ্ছেদ অভিযানের আগে গত রোববার দিনভর সবজি চাষিদের চাষ করা সবজি সরিয়ে নিয়ে যেতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মাইকিং করা হয়।
<p>চা খাত নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত টাস্কফোর্সের সুপারিশে একে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি এই সুপারিশগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবগুলো বর্তমান সরকারের ঘোষিত নীতির সঙ্গে বড় ধরনের স্ববিরোধিতা। এটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।</p><p> ‘চা–শিল্পের পুনর্গঠন ও চা–শ্রমিকদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব’ বিষয়ে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এ কথা বলেন খ্যাতনামা এই অর্থনীতিবিদ। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ পরামর্শ সভা হয়। এ সভার আয়োজক ছিল পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি), সোসাইটি ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট (সেড) ও ব্রাত্যজন রিসোর্স সেন্টার (বিআরসি)।</p><p> গত জুলাই মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স ১০টি সুপারিশ দেয়। এর মধ্যে ‘চা’কে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করে চা–বাগানগুলো যাতে কম সুদে ঋণ পায়, তার ব্যবস্থা করা, ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা ইত্যাদি সুপারিশ রয়েছে।</p><p>আজ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, চা–শিল্পের সমস্যা কেবল বাণিজ্যিক সংকটের নয়, এখানে উৎপাদনশীলতারও বড় ঘাটতি রয়েছে। সব কোম্পানি এক নয়—কেউ উৎপাদনশীল ও শ্রমিকবান্ধব, আবার কেউ চরম অব্যবস্থাপনায় চলছে। তাই সবাইকে এক পাল্লায় না মেপে মূল আলোচনাটা হওয়া উচিত পুরো খাতের টেকসই বিকাশ নিয়ে।</p><p>চা মূলত কৃষি ও শিল্পের এক মিলিত রূপ। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালের ‘টি ইন্ডাস্ট্রি ইন বাংলাদেশ: আ ভায়াবিলিটি স্টাডি শীর্ষক প্রতিবেদনে ‘কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক খাত’ বা ‘কৃষি-শিল্প খাত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর মাধ্যমে চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত দুই ধরনের কাজের মিশ্রণকে তুলে ধরা হয়। ব্যাংকের ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা’ অনুযায়ী, চা উৎপাদন দুটি ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ কৃষি এবং ৪০ শতাংশ শিল্প।</p><p>এসব বিষয় উল্লেখ করে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বর্তমান প্রস্তাবে সরকারের ঘোষিত নীতির সঙ্গেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এসব সুপারিশের স্ববিরোধিতা স্পষ্ট। সরকার সংস্কারের কথা বলছে। অথচ সংকীর্ণ স্বার্থে চা–এর পরিচয় বদলের চেষ্টা চলছে। খাতের টেকসই সংস্কারের বদলে সস্তা সুবিধার জন্য একে নতুন রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।</p><p>সরকার যেখানে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির কথা বলছে, সেখানে এই পরিকল্পনায় চা–শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার ও জীবনমান পুরোপুরি উপেক্ষিত।</p><p>হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বর্তমান রাজস্ব সংকটের সময়ে মালিকদের নিজস্ব দায়—যেমন বাগানের স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের খরচ সরকারের কাঁধে চাপানোর পাঁয়তারা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।</p><p>হোসেন জিল্লুর বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি উপেক্ষা করে চা খাতের সংস্কারে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটিতে দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বদলে বিদেশি পরামর্শকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা অত্যন্ত হতাশাজনক। মনে রাখতে হবে, চা কেবল একটি অর্থকরী ফসল নয়; এর একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত (হেরিটেজ) মূল্য রয়েছে। সেই বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করে তড়িঘড়ি করে খাতের চরিত্র পরিবর্তনের যেকোনো সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী হবে।</p><p>পরামর্শ সভায় ‘বাংলাদেশের চা–শিল্প পুনর্গঠন: চা–শ্রমিকের ওপর এর প্রভাব’ শীর্ষক আলোচনাপত্র বা অবস্থানপত্র উপস্থাপন করেন সেড-এর পরিচালক ফিলিপ গাইন। পরামর্শ সভার পটভূমি ও আলোচনাপত্র উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, সরকার চা–শিল্প পুনর্গঠনে যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তার মধ্যে চা–শ্রমিক বা তাঁদের প্রতিনিধিত্বকারী ট্রেড ইউনিয়নের কোনো প্রতিনিধিত্ব বা অংশগ্রহণ নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যে টাস্কফোর্স এবং পরবর্তী সময়ে যে মনিটরিং ও এডভাইজরি কমিটি গঠন করেছে, তার মধ্যে সরকারের বাইরে কেবল চা–বাগানমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশি চা সংসদের প্রতিনিধি আছে।</p><p>ফিলিপ গাইন বলেন, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬০টি চা–বাগানের মধ্যে ৭০-এর অধিক চা–বাগান দুর্বল ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহির সমস্যা, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, কারখানা চালানোর অদক্ষতা ইত্যাদি কারণে লোকসানে চলে এবং মাঝেমধ্যে বন্ধ থাকে। এ জন্য অনেক সময় শ্রমিকের বেতন পরিশোধে অনিয়ম দেখা যায়।</p><p>সেড-এর চেয়ারপারসন এবং নিজেরা করি–এর সমন্বয়কারী খুশী কবির বলেন চা–শিল্পকে অন্য শিল্পের মতো চিন্তা করার সুযোগ নেই। কারণ, চা–শ্রমিকেরা চা–বাগানের ভেতরেই থাকেন। এই শিল্প নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চা–শ্রমিকদের সম্পৃক্ত করা জরুরি।</p><p>টাস্কফোর্স কমিটিকে ‘বণিকতান্ত্রিক’ কমিটি হিসেবে উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তানজিমউদ্দিন খান প্রশ্ন করেন, ‘কমিটির বেশির ভাগ সদস্য কোন বিবেচনায় নির্বাচিত হলো? বিষয়টা খতিয়ে দেখা উচিত।’</p><p>টাস্কফোর্সে শ্রমিক প্রতিনিধি বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের কোনো প্রতিনিধি নেই, টাস্কফোর্সের গঠন নিয়ে এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, ‘চা–শ্রমিকের মতো ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর বেলায় জমির মালিকানার মতো মৌলিক বিষয় উপেক্ষা করে চা–শিল্পের যে পুনর্গঠন, তা মানা যায় না।’</p><p>চা–শ্রমিক খায়রুন আকতার বলেন, আগের সরকারের আমলে কেবল মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সরকার চা–শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করে। এখনকার সরকারও কেবল মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে চা খাত নিয়ে এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে চা–শ্রমিক বলতে গর্ব বোধ করি। আমি কখনোই নিজেকে কৃষিশ্রমিক বলতে রাজি নই।’</p><p>অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ এম হাসেমী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের (বিসিএসইউ) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, চট্টগ্রাম জেলার বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি তপন দত্ত এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফি রতন। সভায় চা–বাগানের ২০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।</p>
‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে সারা দেশের ৬৪টি জেলায় প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় এসএসসিতে জিপিএ–৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশে আসন্ন দুর্গাপুজায় টানা তিনদিন সরকারি ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে তাদের জন্য এই সপ্তাহের একদিনের ছুটি কমছে। বিস্তারিত বিবিসি বাংলা লাইভ পাতায়...
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাষ্কর্যে জুতার মালা পরানোর ঘটনা সামনে আসার পর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ভাঙচুরের শিকার মুক্তিযুদ্ধের স্থাপনা ও ভাষ্কর্যের রক্ষা বা সংস্কারে বর্তমান সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলে অবস্থিত ‘আপনজন’ নামক একটি বাংলাদেশি এলজিবিটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত পৃথক পৃথক ভুয়া দাবির অভিযোগে মঙ্গলবার ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে জাল প্রমাণ তৈরিতে সাহায্যের জন্য সাড়ে চার হাজার পাউন্ড পর্যন্ত অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
নেহা বোরার রাজনৈতিক উত্থানের শুরুটা হয় ২০২৬ সালের জুলাই মাসে। ভারতের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশনরত অভিজিৎ দীপকে ও সোনম ওয়াংচুকের পাশাপাশি তিনিও একটি পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।
যে মামলাটি বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত খুনি দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে গিয়ে টেনেসির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কয়েকদিন অচেতন অবস্থায় থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের জ্ঞান ফিরেছে। তার সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা। তাদের অনেকে বলছেন যে, প্রাণঘাতী ইনজেকশন থেকে বেঁচে যাওয়া একমাত্র ব্যক্তি তিনিই।
৭৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিবিদের জীবনটা খুব সহজ নয়, বরং বড় উত্থান-পতনে ঘেরা। বলা চলে, তিনি ছিলেন সেই 'রাজপুত্র' যিনি সবকিছু হারিয়েছিলেন। ‘প্রতিবিপ্লবী’ হিসেবে চিহ্নিত একজন ব্যক্তির পুত্র হওয়ায় কিশোর শি-কে জোর করে একটি পুনঃশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল।
ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার জানিয়েছে, গত চৌঠা অক্টোবর সৌদির আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আল খুরাইস এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনায় হুথিদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ সজিব হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। কে এই সজিব ? কী জানা যাচ্ছে তার সম্পর্কে?
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “আবরার ফাহাদের চেতনাকে যদি আমরা ধারণ করতে চাই তাহলে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে, সমতার ভিত্তিতে পুনঃস্থাপন করতে হবে। পানির হিস্যায় আমরা এক চুল পরিমাণ ছাড় দেব না।”
ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে স্টান গ্রেনেড ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে এই গ্রেনেডের আঘাতে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
মাদক কারবারি, দুষ্কৃতকারী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে খুলনা জেলা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
মা ইলিশ রক্ষা ও নিরাপদ প্রজনন সুনিশ্চিত করতে বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে শুরু হচ্ছে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা।
দেশবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত ও আগ্রাসী শক্তির কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি কখনো আত্মসমর্পণ করবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত থাকতে হবে। এ ছাড়া জিসিই ও লেভেল ও এ লেভেল অথবা আইবি এমওয়াইপি ও ডিপিতে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত থাকতে হবে।
রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচন চলাকালে দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পুলিশি ‘হেনস্থা’ ও আটকের শিকার হয়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ঘোষণা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ হুমায়ুন কবীর। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এ সময় ইলিশ মাছ বিপণন, পরিবহন, বিক্রি বন্ধ থাকবে।