বিএনপি গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে: নাহিদ ইসলাম
শুরুতে দুই উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও ফিরে যান দ্রুত। সেখান থেকে আর কোনো বিপদ হতে দেননি তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “বিএনপি গায়ের জোরে ক্ষমতায় আছে। তবে, বেশিদিন গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। অতীতেও গায়ের জোরে অনেকে...
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তারা আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন। শুক্রবার কাতারি...
একসময় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হারিয়ে যেতে বসেছিল সাহিত্য সম্রাটের সমাধিস্থল। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘কথামালা’ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে একটি হৃদয়স্পর্শী প্রতিবেদন প্রচারিত হলে বিষয়টি সংস্কৃতি মন্ত্রণা...
জামায়াতে ইসলামীর পিরোজপুর জেলা শাখার নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা আব্দুর রব। সংগঠনের সদস্যদের (রুকন) গোপন ভোটে তিনি ২০২৭-২০২৮ সেশনের জন্য জেলা আমির নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি জেলা জামায়াতের নায়েব...
জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত করা, গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন এবং মানুষের কথা বলা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম
ইউরোপের সর্বোচ্চ শিখর মাউন্ট এলব্রুস জয় করে পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল দেশের জাতীয় পতাকা প্রত্যর্পণ করেছেন।
সকাল ৫টায় শুরু হওয়া এই পরিশ্রম শেষ হয় রাত ১১টায়। দিন শেষে মজুরি পান ৪০০ টাকা।
<p>ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়ির সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল বৃহস্পতিবার মস্কোয় এ বৈঠক হয়। এতে তাঁরা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার সমর্থন নিয়েও কথা হয়।</p><p> ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি চিঠি পুতিনের হাতে তুলে দেন রেজায়ি।</p><p> বৈঠকের পর রেজায়ি বলেন, পুতিনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।</p><p> আলোচনায় জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়া থেকে ইরানে গ্যাসের পাইপলাইন নির্মাণ। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের গ্যাসসংকট মোকাবিলার পাশাপাশি দেশটির প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।</p><p> রেজায়ি বলেন, খামেনি তাঁকে যত দ্রুত সম্ভব পুতিনের কাছে বার্তাটি পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় এক মাস আগেই তাঁর মস্কো সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ‘অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিদিনের আলোচনা’র কারণে সফর পিছিয়ে যায়। খামেনির চিঠিতে কী বলা হয়েছে, তা অবশ্য জানাননি তিনি।</p><p> গত বুধবার এক লিখিত বিবৃতিতে খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণের সামান্যতম মনোভাবও ইরানের থাকা উচিত নয়। চূড়ান্ত প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে ইরানকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বানও জানান তিনি।</p><h3>সাত শর্ত </h3><p>পুতিনের সঙ্গে রেজায়ির বৈঠকের সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছিল কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারও হামলা চালানো হতে পারে, এমন আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।</p><p>গত মঙ্গলবারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণেই পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।</p><p>যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ অবস্থান, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং তেহরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা। এ ছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আবারও আলোচনা শুরুর বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-06/o3398oqm/Putin-meets-Iranian.jpg"><figcaption>বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়ি। রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ক্রেমলিনে, ৫ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><p>গতকাল বৃহস্পতিবার রেজায়ি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের সাতটি দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসবে না তেহরান।</p><p>ইরানের নিরাপত্তাপ্রধানের ভাষ্য, ‘কূটনীতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আমরা সাতটি শর্ত দিয়েছি। তারা এগুলো মেনে না নেওয়া পর্যন্ত আমরা হরমুজ প্রণালি খুলব না, আলোচনাতেও বসব না।’</p><p>রেজায়ি আরও বলেন, যুদ্ধ বন্ধে সহায়তা করতে রাশিয়া পুরোপুরি প্রস্তুত বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন পুতিন। গত মাসে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকেও পুতিন বলেছিলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে রাশিয়া তার সাধ্যমতো সবকিছু করবে।</p><h3>আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা </h3><p>অক্টোবরের শেষ দিকে তেহরানে ইরান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকের বিষয়েও পুতিনকে জানিয়েছেন রেজায়ি। রুশ প্রেসিডেন্ট ওই বৈঠককে স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।</p><p>রেজায়ি বলেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে আঞ্চলিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়ে আমরা আমাদের চীনা বন্ধুদের সঙ্গে একমত। এ ক্ষেত্রে বাইরের দেশগুলোর হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।’</p><p>রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, মস্কোর সিনেট প্যালেসে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বিষয়ে ক্রেমলিন তাৎক্ষণিকভাবে নিজেদের কোনো বিবৃতি প্রকাশ করেনি।</p><p>এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, তুরস্ক ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব আলোচনায় আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা গুরুত্ব পেয়েছে।</p><p>পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা ইরান ও রাশিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক জোরদার করেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দেশ দুটি একটি সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা রয়েছে এতে। একই বছরের অক্টোবরে চুক্তিটি কার্যকর হয়। তবে এতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার কোনো ধারা নেই।</p><p>গত শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা এসইউ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাওয়ার আশা করছে তেহরান। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিমানগুলো সরবরাহ করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/uttray-ceena-nagrikera-ken-laiv-kren</figure>
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় পাখি শিকারে বাধা দেওয়ায় শহিদুল ইসলাম নামের এক যুবককে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে এক শিকারির বিরুদ্ধে।
<p>সাতজন ফরোয়ার্ড আছেন দলে। তাঁদের চারজনেরই সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তারপরও গতকাল ভুটানের বিপক্ষে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে আক্রমণভাগের কেন্দ্রে দেখা গেল একজন ডিফেন্ডারকে। রাইটব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষকে বানিয়ে দেওয়া হলো দলের নাম্বার নাইন!</p><p>গোল করার দায়িত্ব যাঁদের, তাঁদের রেখে একজন ডিফেন্ডারকে কেন গোলের খোঁজে পাঠালেন কোচ? বাংলাদেশের ফুটবলে কি সত্যিই স্ট্রাইকারের এত অভাব? নাকি যাঁরা আছেন, তাঁদের তৈরি করা কিংবা ব্যবহার করার ক্ষেত্রেই ঘাটতি? প্রশ্নগুলো উঠেছে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের পর।</p><p>জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই সেন্টার ফরোয়ার্ডের ভূমিকায় খেলেছেন বিশ্বনাথ। ৬৫ মিনিট ছিলেন এই পজিশনে। অথচ জাতীয় দলে তাঁর পরিচিতি রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে। ক্লাব ক্যারিয়ারেও সাতটি পজিশনে খেলেছেন। কিন্তু সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে কখনো নয়।</p> <p>কোচ টমাস ডুলির ভাবনা ছিল, বিশ্বনাথের গতি, শারীরিক শক্তি ও নিরন্তর দৌড় প্রতিপক্ষের রক্ষণে অস্বস্তি তৈরি করবে। কিন্তু গোল করার জায়গায় সেই পরিকল্পনা কাজে আসেনি। তিনবার সুযোগ পেয়েছিলেন বিশ্বনাথ। তিনবারই ব্যর্থ। ১৮ মিনিটে রাকিবের ক্রস থেকে দূরের পোস্টে হেড করেছিলেন। কিন্তু বল রাখতে পারেননি লক্ষ্যে। ২৫ মিনিটে প্রায় ফাঁকা গোল পেয়েও পারেননি। ৩৯ মিনিটে সামনে শুধু ভুটানের গোলকিপারকে পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন। তিনটি সুযোগ, তিনটিই হাতছাড়া।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/28ohh4f8/WhatsApp-Image-2026-11-05-at-8.10.25-PM.jpeg"><figcaption>ভুটানের বিপক্ষে বিশ্বনাথ খেলেছেন স্ট্রাইকার হিসেবে।</figcaption></figure> <p>শেষ পর্যন্ত বদলি হিসেবে নামা মোহাম্মদ ইব্রাহিমের গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। সাফে শুরুটা হয়েছে জয় দিয়ে। কিন্তু বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে। কেন বিশ্বনাথ? কোচ ডুলির ব্যাখ্যা, ‘আমাদের নাম্বার নাইন নেই। কাউকে না কাউকে তো তৈরি করতে হবে। আমার কাছে মনে হয়েছে বিশ্বনাথ সে জায়গায় ভালো করবে। তাঁর আক্রমণাত্মক মনোভাব, তীব্র চেষ্টা, বল পাওয়ার ক্ষুধা দলের জন্য ইতিবাচক।’</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/nxs8hj3mon">কেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলালেন ডুলি </a></aside><p>অর্থাৎ নম্বর নাইন খুঁজতে গিয়ে বিশ্বনাথকে দিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন কোচ। বিশ্বনাথ নিজেও জানেন, স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলাটা তাঁর স্বাভাবিক দায়িত্ব নয়। প্রথম আলোকে মুঠোফোনে তিনি বলেছেন, ‘আসলে এটা কোচের সিদ্ধান্ত। দলের প্রয়োজনে কোচ আমাকে যেখানে বলবে, সেখানেই তো খেলতে হবে। এটা ঠিক, আমার স্বাভাবিক পজিশন ডিফেন্ডারই। অন্য পজিশনে ভালোও করতে পারি, আবার খারাপও করতে পারি। সেটার নিশ্চয়তা দিতে পারব না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-01/cy4cx3pl/WhatsApp-Image-2026-09-25-at-3.53.43-PM-1.jpeg"><figcaption>ডাগআউটে টমাস ডুলি</figcaption></figure> <p>ক্লাব ক্যারিয়ারে বিশ্বনাথ রাইটব্যাক হিসেবে খেলেছেন ৬৩ ম্যাচ, সেন্টারব্যাকে ৩৪, লেফটব্যাকে ৯ এবং লেফট উইঙ্গারে ২ ম্যাচ। সেন্ট্রাল মিডফিল্ড, রাইট মিডফিল্ড ও রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলেছেন একটি করে ম্যাচ। কিন্তু সেন্টার ফরোয়ার্ড? সেখানে শূন্য অভিজ্ঞতা।</p><p>ওদিকে জাতীয় দলের জার্সিতে ১৮ ম্যাচ সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেছেন রাকিব হোসেন। এই পজিশনে তাঁর গোল ৫টি, অ্যাসিস্ট ২টি। মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ফয়সাল আহমেদ ও ফাহামিদুল ইসলামেরও সেন্টার ফরোয়ার্ডে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। তাঁদের কাউকে শুরু থেকে খেলানো হলো না। রাকিব অবশ্য কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান না। তাঁর কথা, ‘কোচ কখন কাকে কোথায় খেলাবেন, সেটা তাঁর সিদ্ধান্ত। আমি সেন্টার ফরোয়ার্ডে খেলতেও প্রস্তুত।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-05/degn2hhu/WhatsApp_Image_2026_11_05_at_8_44_07_PM.jpeg"><figcaption>বাংলাদেশের গোল মিস, বিশ্বনাথের মাথায় হাত</figcaption></figure> <p>বিশ্ব ফুটবলে পজিশন বদলে সফল হওয়ার উদাহরণ আছে। ওয়েলসের গ্যারেথ বেল যেমন ডিফেন্ডার থেকে নিজের সময়ের সেরা ফরোয়ার্ডদের একজন হয়েছেন। তবে এটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। শুধু গতি কিংবা শারীরিক শক্তি থাকলেই ভালো স্ট্রাইকার হওয়া যায় না। গোল করার সহজাত দক্ষতা, সঠিক জায়গায় পৌঁছানো এবং সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষমতাও থাকতে হয়।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-06/eea0d234-da3e-45c0-b602-a67e27b03308/MSC_Football_team_Coach_Manik__1.jpg"><figcaption>জাতীয় দলের সাবেক কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক</figcaption></figure><p>জাতীয় দলের সাবেক কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক অবশ্য পজিশন বদলে খেলানোকে অস্বাভাবিক মনে করেন না। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেছেন, ‘পজিশন বদলে খেলানো কোচদের জন্য নতুন কিছু নয়। আমি নিজেও রাইটব্যাক থেকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেছি। ব্রাদার্স ইউনিয়নে খেলার সময় ডিফেন্ডার টুটুল ভাইকেও পজিশন বদলে মাঠে নামান কোচ। আমি নিজেও এমন পরীক্ষা করেছি। কোচরা কার মধ্যে কী সম্ভাবনা আছে, সেটা মাঝেমধ্যে দেখতে চান।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/8dosu0vm/ALFAZ-Of-Mohamedan-football-Coach2.jpg"><figcaption>আলফাজ আহমেদ</figcaption></figure> <p>২০০৩ সালের সাফজয়ী দলের সদস্য ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাবেক কোচ আলফাজ আহমেদের প্রশ্নটা একটু অন্য রকম। পরীক্ষা যদি করতেই হয়, স্থানীয় ফরোয়ার্ডদের দিয়ে নয় কেন? তাঁর কথায়, ‘স্থানীয় ফরোয়ার্ড অনেকেই ছিলেন যাঁরা স্ট্রাইকার হিসেবেও খেলতে পারেন। তাদের নিয়ে পরীক্ষা চালানো যেত।’</p><p>সাবেক কোচ হাসানুজ্জামান বাবলুর মতে, সমস্যার শিকড় শুধু জাতীয় দলে নয়, ঘরোয়া ফুটবলে। দেশের লিগে ক্লাবগুলো স্ট্রাইকার পজিশনে বিদেশি খেলোয়াড়দের বেশি প্রাধান্য দেয়। ফলে স্থানীয় ফরোয়ার্ডদের অনেকেই বেঞ্চে বসে থাকেন। কেউ কেউ পর্যাপ্ত খেলার সুযোগই পান না। বাবলুর প্রশ্ন, ‘নিয়মিত স্ট্রাইকার পজিশনে স্থানীয়রা খেলার সুযোগ না পেলে গোল করার অভিজ্ঞতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে কীভাবে?’</p> <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/2m1c795wsf">সুযোগ নষ্টের পর ইব্রাহিমের গোল: বাংলাদেশ–ভুটান ম্যাচের শুরু থেকে শেষ</a></aside><p>প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, গোল করার অভ্যাস এক দিনে তৈরি হয় না। নিয়মিত ম্যাচ খেলতে হয়। গোলের সুযোগ পেতে হয়। ব্যর্থ হতে হয়। সেই ব্যর্থতা থেকে শিখে আবার গোল করতে হয়। অথচ স্থানীয় ফরোয়ার্ডদের সেই সুযোগই যদি না থাকে, তাহলে জাতীয় দলের জন্য নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার তৈরি হবে কীভাবে? ক্লাব ফুটবলে স্থানীয়দের নিয়মিত সুযোগ না পাওয়া, পজিশনভিত্তিক দক্ষতা গড়ে না ওঠা এবং জাতীয় দলে পরীক্ষিত বিকল্পের অভাব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে এই সংকট।</p><p>সাতজন ফরোয়ার্ডের দলে একজন ডিফেন্ডারকে নম্বর নাইন বানানোর সিদ্ধান্ত তাই কেবল একজন কোচের পরীক্ষা নয়। বাংলাদেশের ফুটবলে স্ট্রাইকার তৈরির দীর্ঘদিনের ব্যর্থতারও একটা প্রতিচ্ছবি।</p><p>ফরোয়ার্ডের অভাব যতটা, তার চেয়ে বড় অভাব হয়তো তৈরি করার।</p>
<p>রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লাইভ ভিডিও করছেন চীনা নাগরিকেরা। এসব ভিডিওতে উত্তরাকে ভারতের নয়াদিল্লি বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রা নিয়েও নানা মন্তব্য করছেন কেউ কেউ। বিস্তারিত ভিডিওতে... </p><figure></figure>
<p>কক্সবাজারের চকরিয়ায় রুমা আকতার (৩২) নামের এক গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামী মোহাম্মদ মানিককে (৩৬) আটক করে পুলিশের কাছে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। তবে পুলিশ বলছে, গৃহবধূর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।</p><p> গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের মাঝের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পাওয়ার পর আজ শুক্রবার সকালে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গৃহবধূ রুমা আকতার ওই গ্রামের বাহাদুর আলমের মেয়ে। তাঁর স্বামী মানিকও একই এলাকার বাসিন্দা।</p><p>চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গৃহবধূ হত্যার শিকার হয়েছেন কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর স্বামীকে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</p><p>স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুমা আকতার কয়েক বছর ধরে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল সকালে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বামী মানিক তাঁকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। দুপুরের দিকে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে আবারও তাঁকে একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দেন।</p><p>স্থানীয় লোকজন আরও জানান, রাত ১০টার দিকে মানিক স্ত্রীকে আবার বাড়ি নিয়ে যান। টাকা জোগাড় করে দিবাগত রাত দুইটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে চট্টগ্রামে নেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। পথে লোহাগাড়ার আজিজনগর এলাকায় পৌঁছালে রুমার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন মানিক।</p><p>স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, রুমা ও মানিকের মধ্যে অন্তত তিন বছর ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। মানিক মাদক সেবন করতেন। সেবনের পর বাড়ি ফিরে তিনি স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিসও হয়েছে।</p><p>স্থানীয়ভাবে সালিসে যুক্ত ছিলেন আবদুর রহিম নামের এক ব্যক্তি। জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মাদক সেবন করে মানিক রুমার ওপর নির্যাতন চালাতেন, এটি সত্য। তবে মৃত্যুর আগের দিন মানিকই রুমাকে দুবার হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। রাতে অ্যাম্বুলেন্সে চট্টগ্রামেও নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে তিনি কীভাবে রুমাকে হত্যা করেছেন, তা বুঝতে পারছেন না।</p><p>রুমার বাবা বাহাদুর আলমের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়ের স্বামী ও তাঁর মায়ের বিচার চান তিনি।</p><p>লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রশিদ আহমদ বলেন, রুমা ও মানিকের মধ্যে পারিবারিক কলহ ছিল। তবে গতকাল রুমা বেশ অসুস্থ ছিলেন। মানিক তাঁকে দুবার হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। গতকাল তাঁকে মারধরের কোনো প্রমাণ স্থানীয়ভাবে পাওয়া যায়নি।</p>
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মেট্রোরেলের ফিডার সার্ভিস হিসেবে কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি বিকল্প রুটের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
<figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/nirwacne-ripablikander-vradubir-pr-tramp-prsasne-rdbdler-gunjn</figure>
ইরান তার অন্তত দুটি প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নতুন নির্মাণকাজ চালাচ্ছে এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো মেরামত করছে- স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণ থেকে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচনী দৌড়ে লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র ক্যারেন বাসকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট নিথ্যা রমন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন নাগরিকের জয় ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের হতবাক করেছে। নির্বাচনী লাড়াইয়ের প্রথম দিকে একজন দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচন শুরু করেছিলেন তিনি।
স্থানীয় জেলেরা বলছেন ৫ই অগাস্টের পর থেকেই সুন্দরবনে দস্যুবৃত্তি বেড়েছে। অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করলে দস্যুরা অনেকে আত্মসমর্পণ করেছিল।
যে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে, তার ভিত্তি হলো ১৯৬০ সালের ৪ঠা নভেম্বর মার্কিন বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী সায়েন্স-এ তিনজন গবেষকের প্রকাশিত একটি গবেষণা, যার চাঞ্চল্যকর শিরোনাম ছিল- "ডুমসডে: ফ্রাইডে, নভেম্বর ১৩"। যার মানে দাঁড়ায়- ১৩ই নভেম্বর, শুক্রবার, মহাপ্রলয় বা কেয়ামতের দিন।
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প প্রশাসনে রদবদল হতে পারে বলে নানা আলোচনা রয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। কী বলছে হোয়াইট হাউজ?
বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চায় ভারত; সরকারবিরোধী লোকজনের কাছে পুলিশের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ; প্রার্থী বাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি- এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
বেশিরভাগ শ্রমিকেরই বক্তব্য হচ্ছে, মাত্র এক বছরেই তাদের জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে প্রায় দেড়গুন। কিন্তু তার বিপরীতে আয় বাড়েনি। একবাক্যে শ্রমিকদের প্রায় সবার বক্তব্যই ছিল, গত কয়েক মাসে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম। যা তাদের খরচের হিসাব- নিকাশই বদলে দিয়েছে।
বাংলাদেশে নিজস্ব ভাষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মডেল তৈরির বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যে বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো সক্ষমতা প্রয়োজন সেটি বাংলাদেশের আছে কিনা- সেই প্রশ্নটি সামনে আসছে।
‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ (ট্রেন নম্বর ৮০৮) প্রতিদিন সকাল ৮টায় পাবনা থেকে ছেড়ে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। অন্যদিকে, ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’ (ট্রেন নম্বর ৮০৭) প্রতিদিন বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে রাত ৯টা ২০ মিনিটে পাবনায় পৌঁছাবে।
শিক্ষানবিশ লাইসেন্সধারীদের (শিক্ষানবিশ চালক) জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর পরিদর্শনকালে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে দেখতে গিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
গাইবান্ধা সদরে এক বৃদ্ধাকে (৬৫) গাছে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী সাদা মিয়ার বিরুদ্ধে। উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে বালাআটা গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রাজধানী ঢাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।
নওগাঁর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পর যমজ নবজাতকের একজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও অপর নবজাতকের কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা শান্ত ইসলাম। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে আর্থিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই বাবা।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের ঘটনায় জিয়াউর রহমান নেতৃত্ব না দিলে বাংলাদেশ তার বর্তমান অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারত না বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।