জাতীয়

এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কত হওয়া উচিত

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কত হওয়া উচিত
এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার কত হওয়া উচিত

বাংলাদেশের এসএসসি পরীক্ষার গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে পাসের হারে অস্বাভাবিক রকম ওঠানামা দেখা যায়। ১৯৯০ সালে ছিল সর্বনিম্ন ৩১ দশমিক ২৩ শতাংশ আর ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। বিএনপি সরকারের আগের দুই মেয়াদে পাসের হার ছিল যথাক্রমে ৬১–৭৩ শতাংশ এবং ৩৫–৫৩ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের চার মেয়াদে পাসের হার যথাক্রমে ৪২–৫৫, ৬৮–৮৯, ৭৮–৯৩, ৮০–৯৪ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে। আবার এক-এগারোর সময় পাসের হার ৫৭–৭১ শতাংশের মধ্যে ওঠানামা করেছে। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসএসসিতে পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫।

ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০০০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পাসের হার ক্রমে বেড়েছে। বিপরীতে বিগত পাঁচ বছরে তিনটি সরকারের সময় মিলিয়ে পাসের হার ক্রমে কমছে।

কেন পাসের হারের এই ব্যাপক ওঠানামা

প্রথমত, ফলাফল প্রকাশের সময়ের সরকারগুলোর কথাবার্তা থেকে বোঝা যায়, পাসের হারের ওঠানামায় তাদের গুরুতর প্রভাব রয়েছে। কেন একটা জাতীয় পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কারণের বাইরে সরকারগুলোর দলীয় চরিত্রের পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করবে?

একাডেমিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা শিক্ষার ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে বড় প্রশ্নের অবতারণা করে। এটা ন্যায্যতারও প্রশ্ন। একই রকমের একজন ছাত্র এ বছরে পাস, কিন্তু একই রকমের অন্য একজন ছাত্র পরের বছরে অকৃতকার্য হতে পারে। এতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল আদৌ ভরসাযোগ্য কি না, সে প্রশ্ন ওঠে।

এভাবে পাসের হার নিয়ে নানা রকম খেলা করা একাডেমিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে আগেই যেমন বলা হয়েছে, শুধু এভাবে পাসের হারে বড় ধরনের ওঠানামা ঘটানো কঠিন।

পাসের হারের ওঠানামার সঙ্গে অবশ্য শিক্ষাক্রম, প্রশ্নের ধরন, মূল্যায়ন ও গ্রেডিং পদ্ধতির বড় পরিবর্তনও জড়িত। ১৯৯২ সাল থেকে এমসিকিউ এবং ২০০১ সাল থেকে জিপিএ পদ্ধতি এসেছে। শিক্ষাক্রমও ১৯৯৫–২০১১ সময়ের বিষয়বস্তু ও তথ্যভিত্তিক ধারা থেকে ২০১২–২০২২ সময়ে শিখনফল ও সৃজনশীল চিন্তাভিত্তিক, পরে ২০২৩–২৪ সালে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক হয়েছে।

বিস্তারিত বর্ণনা না করেও বলা যায়, বৈশিষ্ট্যগত কারণে এসব পরিবর্তন পাসের হারের ঊর্ধ্বমুখী যাত্রায় ভূমিকা রেখেছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয়, বিশেষ করে বিগত দুই বছরে, পাসের হার কমার কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। পাসের হার কম দেখিয়ে রাতারাতি শিক্ষার মান বেড়েছে—এমন একটা ধারণা তৈরি করে রাজনৈতিক স্কোরিং তার একটি।

আরেকটি হতে পারে মাঝপথে শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়নের পদ্ধতির পরিবর্তন। আবার শিক্ষার্থীদের কিছুটা রাজনীতিমুখিতাও একটি কারণ হতে পারে। এগুলোর একাধিক কারণ একসঙ্গেও কাজ করে থাকতে পারে।

ফলাফলের পর শিক্ষার্থীদের উল্লাস

কেবল বেশি নম্বর দিয়ে পাসের হার কতটা বাড়ানো যায়

২০০০ সালের পর থেকে পাসের হারে যে দীর্ঘ ঊর্ধ্বযাত্রা দেখা যায়, বিশেষ করে ২০১৪ সালের মধ্যে তা যে উচ্চতায় পৌঁছে যায় এবং ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ হয়, তার কতটা কেবল বেশি নম্বর দেওয়ার ফল হতে পারে?

উদারভাবে নম্বর দিলে কিছু শিক্ষার্থী অবশ্যই পাস করতে পারে, কিন্তু এরও একটা সীমা আছে। পাস নম্বর ৩৩ হলে ৩০, ৩১ বা ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীকে কয়েক নম্বর দিয়ে পাসের গ্রেডে নেওয়া এক ব্যাপার, আর ১০, ১৫ বা ২০ পাওয়া শিক্ষার্থীকে ৩৩ করা আরেক ব্যাপার।

এমনকি ২৫ পর্যন্ত পাওয়া শিক্ষার্থীদেরও টেনে ৩৩-এ নেওয়া হবে ধরে নিলে মোট শিক্ষার্থীর কত শতাংশ আসলে ২৫ থেকে ৩২-এর মধ্যে থাকতে পারে? বিশেষ করে পাসের হার যখন এমনিতেই অনেক বেশি, তখন এই সীমার মধ্যে থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুব বেশি হওয়ার সুযোগ নেই। কাজেই বেশি নম্বর দিয়ে পাসের হার কয়েক শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হলেও শুধু সেটা দিয়ে এই দীর্ঘমেয়াদি ও বড় মাত্রার বৃদ্ধি ব্যাখ্যা করা কঠিন।

তার ওপর পাস নম্বরের কাছাকাছি একটা ধূসর এলাকা থাকেই। একই পরীক্ষক একই খাতা ভিন্ন সময়ে দেখলে কিছুটা ভিন্ন নম্বর দিতে পারেন; দুই পরীক্ষকের নম্বরেও পার্থক্য হতে পারে। কাজেই ৩০, ৩১ বা ৩২ পাওয়া একজন শিক্ষার্থীর অর্জন যে নিশ্চিতভাবেই ৩৩-এর মানে পৌঁছায়নি, সেটা বলা কঠিন। এটা দয়াদাক্ষিণ্যের ব্যাপার নয়, মূল্যায়নের পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা।

পাসের হার কি আসল চিত্র দেখায়

এসএসসির যে পাসের হারের কথা আমরা বলছি, সেটা আসলে মূল সমস্যাটাকেই আড়াল করে। একটি স্কুলে দশম শ্রেণিতে ৫০ জন শিক্ষার্থী থাকলে আসল প্রশ্ন হওয়া উচিত, তাদের কতজন শেষ পর্যন্ত এসএসসি পাস করল। টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে ৩০ জনকে বাদ দিয়ে বাকি ২০ জনকে এসএসসি দিতে পাঠালে সেই ২০ জনই পাস করে শতভাগ পাসের হার অর্জন করতে পারে।

কিন্তু এটা একটা কৃত্রিম অর্জন। ওই ৩০ জন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে শতভাগ পাসের হারের তৃপ্তির ঢেকুর তোলা আসলে জাতির জন্য কল্যাণকর কিছু নয়। জাতিগতভাবে এগোতে হলে তাদেরও আমাদের তৈরি করতে হবে।

অন্যদিকে পাসের হার কয়েক শতাংশ বাড়ানো-কমানো তেমন কঠিন নয়। টেস্ট পরীক্ষা শিথিল বা কঠোর করে মূল পরীক্ষায় কারা অংশ নেবে, সেটা নিয়ন্ত্রণ করলে পাসের হারে দৃশ্যমান প্রভাব পড়তে পারে। আবার খাতা দেখার সময় একটু সহজ বা কঠিন করে পাসের হার কয়েক শতাংশ উঠিয়ে বা নামিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এর জন্য দরকার কেবল প্রশাসনের ওপরের দিক থেকে ইশারা।

কিন্তু এসব প্রক্রিয়ায় অন্যায়ভাবে ভাগ্য বদলে যেতে পারে অনেক শিক্ষার্থীর। এভাবে পাসের হার নিয়ে নানা রকম খেলা করা একাডেমিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে আগেই যেমন বলা হয়েছে, শুধু এভাবে পাসের হারে বড় ধরনের ওঠানামা ঘটানো কঠিন।

আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা

পাসের হারে বেশি ওঠানামা কেন গোলমেলে

এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিবছর ১৮ থেকে ২২ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এত বড় জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে শিক্ষাক্রম, পরীক্ষার বিষয়বস্তু, প্রশ্নের কঠিনতা ও মূল্যায়নের পদ্ধতি মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলে বছরভেদে পাসের হারেও বড় ওঠানামা হওয়ার কথা নয়। নিছক পরিসংখ্যানগত বৈচিত্র্য দিয়ে এ রকম বড় ব্যবধান ব্যাখ্যা করা কঠিন। তারপরও বাস্তবে বড় ব্যবধান দেখা গেলে পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন বা গুরুতর অসামঞ্জস্যের প্রশ্ন আসে।

দেশভেদে পরীক্ষা ও পাসের সংজ্ঞা এক নয়, কাজেই সরাসরি তুলনা নিয়ে বিতর্কের সুযোগ আছে। তারপরও মোটামুটি ধারণা পেতে তুলনাটা কাজে লাগে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শ্রীলঙ্কার পাসের হার ৭৩ থেকে ৭৬ শতাংশের মধ্যে বেশ স্থিতিশীল, ইংল্যান্ডে কোভিডকাল ছাড়া প্রায় ৬৭ শতাংশের আশপাশে, আর মালয়েশিয়ার হার ৯০ শতাংশের ওপরে গেছে।

কোভিডকাল বাদ দিলে ভারতেও বছরভেদে পার্থক্য তুলনামূলক কম। কোভিডের সময়ে আবার একাধিক দেশেই পাসের হার অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চিত্রটা ভিন্ন। পাসের হার একটা মোটামুটি স্থিতিশীল পর্যায়ে থাকার বদলে বছরভেদে বড় ওঠানামা করেছে, আর বিগত পাঁচ বছরে ক্রমে নিচের দিকে যাচ্ছে।

লক্ষ্য শতভাগ পাস করানোও নয়, আবার কম পাসের হার দেখিয়ে শিক্ষার মান প্রমাণ করাও নয়। লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি অর্থবহ শিক্ষাক্রম, মোটামুটি স্থিতিশীল পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পদ্ধতি এবং এমন একটি গ্রহণযোগ্য পাসের হার, যা শিক্ষার্থীর প্রকৃত যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাংলাদেশে পাসের হার কত হওয়া উচিত

আদর্শভাবে এসএসসি যদি মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে একজন শিক্ষার্থীর ন্যূনতম প্রয়োজনীয় যোগ্যতা বা কম্পিটেন্সি অর্জনের স্বীকৃতি হয়, তাহলে যে সেই যোগ্যতা অর্জন করবে, তারই পাস করা উচিত। পাসের হার আগে থেকে ঠিক করার প্রয়োজন নেই। আর একটি ভালো শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্যও হওয়া উচিত যত বেশি সম্ভব শিক্ষার্থীকে সেই যোগ্যতায় পৌঁছে দেওয়া।

এ আলোচনায় কেবল পাসের হার নির্ধারণই মুখ্য নয়; এখানে শিক্ষাক্রমের উদ্দেশ্যও গুরুত্বপূর্ণ। আমার দৃষ্টিতে এসএসসি পর্যায়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কম্পিটেন্সি। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করা।

এইচএসসিতে এর সঙ্গে এক্সিলেন্স বা উৎকর্ষের পার্থক্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ, সেখান থেকে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন পথে শিক্ষার্থী যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার নির্দিষ্ট লার্নিং আউটকাম অর্জন হবে শিক্ষার মূল মাপকাঠি।

সমস্যা হলো আমাদের বর্তমান এসএসসি পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পদ্ধতি সেই যোগ্যতা নিখুঁতভাবে মাপে না। প্রশ্নের কঠিনতা বছরভেদে বদলায়, পরীক্ষকভেদে মূল্যায়নে পার্থক্য হয়, শিক্ষাক্রম ও প্রশ্নের ধরনও পরিবর্তিত হয়। সরকার বদল হলে শিথিলতা-কঠোরতাও আসতে পারে। ফলে এক বছরের ৩৩ আর অন্য বছরের ৩৩ যে ঠিক একই যোগ্যতা নির্দেশ করে, সেটা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

এ বাস্তবতায় যোগ্যতা এবং পার্সেন্টাইল বা শতকমান ধারণার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে মোটামুটি ৭৫ শতাংশকে কেন্দ্র ধরে ৬৭ থেকে ৮০ শতাংশ পাসের হারকে একটি গ্রহণযোগ্য রেফারেন্স ধরা যেতে পারে। ফলাফল এই সীমার মধ্যে থাকলে যেমন হয়েছে, তেমনই গ্রহণ করা যায়।

এর অনেক বাইরে গেলে প্রশ্ন অস্বাভাবিক সহজ বা কঠিন হয়েছে কি না, কিংবা মূল্যায়নে অসামঞ্জস্য হয়েছে কি না, অথবা অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেগুলো বিবেচনা করে ফলাফল প্রকাশের আগে গ্রেড বাউন্ডারি সমন্বয়ের মতো পাসের নম্বর ৩০ বা ৩৬ বা কাছাকাছি কোনো নম্বরে সমন্বয় করা যেতে পারে।

তবে ৬৭ থেকে ৮০ শতাংশ কোনো চিরস্থায়ী সংখ্যা নয়। একই মান ও মূল্যায়নের পদ্ধতিতে কয়েক বছর ধরে পাসের হার যদি ক্রমে বাড়তে থাকে, সেটা শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়ার লক্ষণও হতে পারে, বিশেষ করে যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষার ক্ষেত্রে।

তখন পাসের হার কৃত্রিমভাবে নামিয়ে না রেখে শিক্ষাক্রম ও পরীক্ষার মান আরও উঁচুতে নেওয়া যেতে পারে। আবার ধারাবাহিকভাবে খুব কম পাসের হারও শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতার চেয়ে শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার প্রশ্ন তুলবে।

কাজেই লক্ষ্য শতভাগ পাস করানোও নয়, আবার কম পাসের হার দেখিয়ে শিক্ষার মান প্রমাণ করাও নয়। লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি অর্থবহ শিক্ষাক্রম, মোটামুটি স্থিতিশীল পরীক্ষা ও মূল্যায়নের পদ্ধতি এবং এমন একটি গ্রহণযোগ্য পাসের হার, যা শিক্ষার্থীর প্রকৃত যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

  • মু. আ. হাকিম নিউটন, নিউক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া; মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

    * মতামত লেখকদের নিজস্ব

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ডায়মন্ড প্লে বাটন সিএমভির ঘরে
ডায়মন্ড প্লে বাটন সিএমভির ঘরে

বাংলাদেশি নাটক দেশ-বিদেশে দর্শক চাহিদার শীর্ষে। বৈচিত্র্যপূর্ণ গল্প, বাস্তবিক ও দৃষ্টিনন্দন উপস্থাপনা, বড় বাজেট- সব মিলিয়ে বাড়ছে দর্শক, আসছে রেভিনিউ।

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0
ভিনির ভারতে ফেরার রাতে দাপুটে জয় চায় ব্রাজিল

ভিনির ভারতে ফেরার রাতে দাপুটে জয় চায় ব্রাজিল

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

শিক্ষকদের পেনশনের টাকা লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করতে হবে: ইশরাক হোসেন

শিক্ষকদের পেনশনের টাকা লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করতে হবে: ইশরাক হোসেন

দেশে গত ৫ বছরে কমেছে ইলিশ উৎপাদন, বাড়ছে শঙ্কা
দেশে গত ৫ বছরে কমেছে ইলিশ উৎপাদন, বাড়ছে শঙ্কা

২০২০-২১ অর্থবছরে সারাদেশে ইলিশ উৎপাদন হয় ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন। একই অর্থবছরে শুধু চাঁদপুরে ইলিশ উৎপাদন হয় ৩৩ হাজার ৯৯২ মেট্রিক টন।

News অক্টোবর ৩, ২০২৬ 0
জেমস ভাইয়ের সঙ্গে স্মৃতিগুলো জীবনের অন্যতম সেরা সম্পদ: হাসান

জেমস ভাইয়ের সঙ্গে স্মৃতিগুলো জীবনের অন্যতম সেরা সম্পদ: হাসান

আখতারুজ্জামানের ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

আখতারুজ্জামানের ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

পশ্চিমবঙ্গে বাম নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ বিজেপির ‍বিরুদ্ধে

পশ্চিমবঙ্গে বাম নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ বিজেপির ‍বিরুদ্ধে

0 Comments