জাতীয়

প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত?

News সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ 0
প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত?
প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত?

ব্যস্ত জীবনে কাপড় ধোয়ার ঝামেলা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে ওয়াশিং মেশিন। কয়েক ঘণ্টার কাজ এখন অনেকটাই সহজ হয়ে যায় একটি মেশিনের সাহায্যে। তবে নিয়মিত ব্যবহার করার কারণে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসের বিদ্যুৎ বিলে কতটা প্রভাব পড়ে? বিশেষ করে এক ঘণ্টা মেশিন চললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, সেটি জানলে মাসিক খরচের একটা ধারণা পাওয়া যায়।

আসলে সব ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ খরচ এক রকম নয়। মেশিনের ক্ষমতা, মডেল, ওয়াশিং মোড, পানির তাপমাত্রা এবং একটি সাইকেলে কতক্ষণ কোন অংশ কাজ করছে এসবের ওপর মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ নির্ভর করে। তাই শুধু ‘এক ঘণ্টা চালানো হয়েছে’ বলেই সবার জন্য একই খরচ ধরা ঠিক নয়।

৫০০ ওয়াটের মেশিন এক ঘণ্টায় কত ইউনিট খরচ করে?

ধরা যাক, আপনার ওয়াশিং মেশিনের রেটেড পাওয়ার ৫০০ ওয়াট। ৫০০ ওয়াট অর্থ ০.৫ কিলোওয়াট। মেশিনটি যদি পুরো এক ঘণ্টা গড়ে ৫০০ ওয়াট ক্ষমতায় বিদ্যুৎ নেয়, তাহলে খরচ হবে প্রায় ০.৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ০.৫ ইউনিট।

আরও পড়ুন

ব্যবহারের যেসব ভুলে দ্রুত নষ্ট হয় ওয়াশিং মেশিন

এবার বাংলাদেশের আবাসিক বিদ্যুতের হিসাব ধরলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। ২০২৪ সালের ট্যারিফ অনুযায়ী আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী আলাদা স্ল্যাব রয়েছে। প্রথম ৫০ ইউনিটের জন্য প্রতি ইউনিট ৪ টাকা ৬৩ পয়সা এবং ৫১-৭৫ ইউনিটের জন্য ৫ টাকা ২৬ পয়সা হারে চার্জ প্রযোজ্য।

সুতরাং কোনো পরিবারের ব্যবহারের প্রথম স্ল্যাবের মধ্যে ০.৫ ইউনিট অতিরিক্ত খরচ হলে শুধু এনার্জি চার্জ হিসেবে খরচ হবে আনুমানিক ২ টাকা ৩২ পয়সা। আর ৫ টাকা ২৬ পয়সা ইউনিটের স্ল্যাবে হলে একই ০.৫ ইউনিটের খরচ হবে প্রায় ২ টাকা ৬৩ পয়সা।

তবে এটি একটি সরল হিসাব। প্রকৃত বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ, মিটার বা অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জ এবং ভ্যাট যুক্ত হতে পারে। তাই শুধু ওয়াশিং মেশিনের ০.৫ ইউনিটকে আলাদা করে পুরো বিলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক হবে না।

প্রতিটি ওয়াশ সাইকেলে কি একই পরিমাণ বিদ্যুৎ লাগে?

না। ওয়াশিং মেশিনের একটি সম্পূর্ণ সাইকেলে কখনো মোটর, কখনো পাম্প, আবার কখনো স্পিন সিস্টেম কাজ করে। ফলে মেশিন এক ঘণ্টা চালু থাকলেও পুরো সময় একই হারে বিদ্যুৎ খরচ নাও হতে পারে।

অন্যদিকে মেশিনে যদি পানি গরম করার হিটার থাকে, তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। কারণ কাপড় ধোয়ার সময় পানি গরম করার কাজ সাধারণ মোটর চালানোর তুলনায় বেশি শক্তি নিতে পারে।

তাই ওয়াশিং মেশিনের গায়ে লেখা ৫০০ বা ৭০০ ওয়াট দেখে পুরো ওয়াশ সাইকেলের সঠিক বিদ্যুৎ খরচ সবসময় নির্ধারণ করা যায় না। সবচেয়ে নির্ভুল তথ্যের জন্য মেশিনের এনার্জি লেবেল, ব্যবহারবিধি বা নির্মাতার দেওয়া প্রতি সাইকেলের বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য দেখা ভালো।

মাসে ২০ বার মেশিন চালালে কত খরচ?

সহজ উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোনো মেশিনে একটি ব্যবহারে গড়ে ০.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। মাসে ২০ বার কাপড় ধুলে মোট ব্যবহার হবে প্রায় ১০ ইউনিট। এই ১০ ইউনিট যদি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা প্রতি ইউনিটের প্রথম স্ল্যাবের মধ্যে থাকে, তাহলে এনার্জি চার্জ হিসেবে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৪৬ টাকা ৩০ পয়সা।

অবশ্য বাস্তবে আপনার মোট মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫০ ইউনিটের বেশি হলে ওয়াশিং মেশিনের ব্যবহৃত ইউনিটও সংশ্লিষ্ট উচ্চ স্ল্যাবের হিসাবের মধ্যে পড়তে পারে। তাই একই মেশিনের জন্য দুই পরিবারের বিদ্যুৎ বিলের প্রভাব এক নাও হতে পারে।

গরম পানিতে কাপড় ধুলে খরচ বাড়তে পারে

ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো পানি গরম করার ব্যবহার। আপনার মেশিনে হিটিং ফিচার থাকলে এবং প্রয়োজন ছাড়া গরম পানির সাইকেল চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

ওয়াশিং মেশিন দীর্ঘদিন ভালো রাখতে কীভাবে যত্ন নেবেন?

কাপড়ের ধরন ও ডিটারজেন্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভব হলে ঠান্ডা বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে হিটার চালানোর প্রয়োজন কমবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

ওয়াশিং মেশিনে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবেন কীভাবে?

বিদ্যুৎ খরচ কমাতে প্রতিবার অল্প কয়েকটি কাপড় নিয়ে মেশিন চালানোর বদলে মেশিনের ধারণক্ষমতা ও প্রস্তুতকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত পরিমাণ কাপড় একসঙ্গে ধোয়া যেতে পারে। তবে মেশিনের নির্ধারিত সর্বোচ্চ ক্ষমতার চেয়ে বেশি কাপড় দেওয়া উচিত নয়।

প্রয়োজন না থাকলে গরম পানির মোড এড়িয়ে চলুন। একইভাবে অপ্রয়োজনে একাধিকবার ওয়াশ সাইকেল চালানো থেকেও বিরত থাকা ভালো। কাপড় ধোয়া হয়ে গেলে মেশিন বন্ধ করে দিন এবং নিয়মিত ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট অংশ পরিষ্কার রাখুন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওয়াশিং মেশিন কতক্ষণ চলছে তার চেয়ে সেটি প্রতি সাইকেলে আসলে কত বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে সেটিই বিদ্যুৎ বিলের হিসাবের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই মেশিন কেনার সময় শুধু দাম বা ধারণক্ষমতা নয়, এনার্জি ব্যবহারের তথ্যও দেখে নেওয়া উচিত।

কেএসকে

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
গত ৮ মাসেই বিএনপি অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে: সারজিস
গত ৮ মাসেই বিএনপি অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে: সারজিস

এনসিপিও এককভাবে নির্বাচন করবে। সেটি সামনে রেখেই ঢাকার দুই সিটিতে নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী ও আসিফ মাহমুদকে আমরা মেয়র প্রার্থী করেছি। তাদের কোনো ধরনের সমঝোতার জন্য প্রার্থী করা হয়নি। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমাদের লড়াই চালিয়ে যাব।

News অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
থাই রাজতন্ত্রের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ৩৪ বছরের কারাদণ্ড

থাই রাজতন্ত্রের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলায় ৩৪ বছরের কারাদণ্ড

মিরপুর টেস্টে ভারতীয় আম্পায়ার নীতিন মেননের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক

মিরপুর টেস্টে ভারতীয় আম্পায়ার নীতিন মেননের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক

শেয়ারবাজারের মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ

শেয়ারবাজারের মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ

পুরোনো ক্ষমতা-কাঠামো ভেঙে অংশীদারত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জেএসডির
পুরোনো ক্ষমতা-কাঠামো ভেঙে অংশীদারত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জেএসডির

জাতীয় প্রেসক্লাবে জেএসডির ৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘পুরোনো ক্ষমতা-কাঠামো বদলাও- অংশীদারত্বের গণতন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্র রূপান্তর করো’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব।

News অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
হ্যালোইনে কোথায় ঘুরলেন স্পর্শিয়া?

হ্যালোইনে কোথায় ঘুরলেন স্পর্শিয়া?

সাজেকে দুই আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলি

সাজেকে দুই আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে গোলাগুলি

ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে সড়ক অবরোধ পোশাক শ্রমিকদের

ন্যূনতম মজুরির দাবিতে মিরপুরে সড়ক অবরোধ পোশাক শ্রমিকদের

মধুমতির ভাঙনে নিঃস্ব আমডাঙ্গার মানুষ, চোখের সামনে নদীতে বিলীন মসজিদ
মধুমতির ভাঙনে নিঃস্ব আমডাঙ্গার মানুষ, চোখের সামনে নদীতে বিলীন মসজিদ

এ বছর নদীতে তার ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি সবকিছুই বিলীন হয়ে গেছে। ছেলে-মেয়ে নিয়ে খুব কষ্টে জীবনযাপন করছেন। গ্রামের একতলা মসজিদটি চোখের সামনে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে, কিন্তু তারা কিছুই করতে পারেননি। বর্তমানে এলাকায় নামাজ পড়ার মতো কোনো মসজিদ নেই।

News অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
আমাকে একাই কেন এই লজ্জা বয়ে বেড়াতে হবে, প্রশ্ন জাহ্নবীর

আমাকে একাই কেন এই লজ্জা বয়ে বেড়াতে হবে, প্রশ্ন জাহ্নবীর

আম্পায়দের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আম্পায়দের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক

কমরেড স্বদেশ ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শোক

0 Comments