জাতীয়

অ্যাসিস্ট্যান্ট/ডেপুটি ম্যানেজার নিয়োগ দেবে আরএফএল গ্রুপ

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
অ্যাসিস্ট্যান্ট/ডেপুটি ম্যানেজার নিয়োগ দেবে আরএফএল গ্রুপ
অ্যাসিস্ট্যান্ট/ডেপুটি ম্যানেজার নিয়োগ দেবে আরএফএল গ্রুপ

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপ ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট/ডেপুটি ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীকে অবশ্যই বিএসসি অথবা এমএসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে।

এক নজরে আরএফএল গ্রুপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

তথ্যের ধরন বিবরণ
প্রতিষ্ঠানের নাম আরএফএল গ্রুপ
বিভাগের নাম অপারেশন/প্রোডাকশন
পদের নাম অ্যাসিস্ট্যান্ট/ডেপুটি ম্যানেজার
পদসংখ্যা ৫ জন
চাকরির ধরন বেসরকারি, ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি অথবা এমএসসি
অভিজ্ঞতা ২ বছর
বেতন ও অন্যান্য সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে
বয়সসীমা সর্বনিম্ন ২৬ বছর
সূত্র বিডিজবস ডটকম

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • আবেদন শুরু: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
  • কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন আরএফএল গ্রুপ

এমআইএইচ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ফরিদপুর মেডিকেলে অবৈধ পার্কিং, ভোগান্তিতে রোগীরা
ফরিদপুর মেডিকেলে অবৈধ পার্কিং, ভোগান্তিতে রোগীরা

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল চত্বরের ভেতর এখন অটো-অ্যাম্বুলেন্সের দখলে। জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে বহির্বিভাগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের সামনের ফাঁকা জায়গা দখল করে প্রতিনিয়ত দাঁড়িয়ে থাকে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক ও অ্যাম্বুলেন্স। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের হাসপাতালের ভেতরে চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন গুরুতর অসুস্থ ও জরুরি রোগীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের নতুন ও পুরোনো ভবনের নিচের ফাঁকা জায়গার বড় একটি অংশ বিভিন্ন যানবাহনের দখলে রয়েছে। রোগী নামানো বা ওঠানোর পরও অনেক চালক দীর্ঘসময় ধরে হাসপাতাল চত্বরেই অবস্থান করছেন। হাসপাতাল থেকে বের হওয়া রোগী কিংবা স্বজনদের সম্ভাব্য যাত্রী হিসেবে পাওয়ার আশায় তারা সেখানে অপেক্ষা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জরুরি বিভাগের সামনের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। সংকটাপন্ন রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশের সময় সামনে থাকা রিকশা, ইজিবাইক ও অন্যান্য যানবাহনের কারণে প্রায়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে রোগীকে দ্রুত জরুরি বিভাগে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। ফলে কখনো কখনো যানবাহনের ভিড় এড়িয়ে স্বজনদের স্ট্রেচারে করে কিংবা কোলে তুলে রোগীকে হাসপাতালের ভেতরে নেওয়া হয়। শুধু যানবাহনের জট নয়, হাসপাতাল চত্বরে অপ্রয়োজনীয় হর্ন, চালকদের উচ্চস্বরে যাত্রী ডাকাডাকির কারণে চিকিৎসার পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের। মো. রফিকুল ইসলাম নামে একজন রোগী বলেন, ‘হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এখানে এসে একটু শান্তিতে বিশ্রাম নেব, তার উপায় নেই। দিন-রাত গাড়ির হর্ন বাজে, চালকেরা চিৎকার করে ডাকাডাকি করেন। এতে মাথা ধরে যায়, বুক আরও ধড়ফড় করে।’ আক্কাস শেখ নামে একজন রোগীর স্বজন বলেন, ‘শিশু, বয়স্ক ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য এই শব্দদূষণ বাড়তি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসাধীন রোগীদের বিশ্রাম ও স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও হাসপাতালের ভেতরে যদি সারাক্ষণ যানবাহনের জট আর তীব্র শব্দ থাকে, তাহলে রোগীরা কীভাবে সুস্থ হয়ে উঠবেন।’ নাজমা বেগম নামে আরেক রোগীর স্বজন বলেন, ‘রোগী নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশের প্রথমেই গাড়ির জটের মুখে পড়তে হয়। রোগী যদি গুরুতর হয়, তখন কয়েক মিনিটও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়। অথচ হাসপাতালের গেট থেকে জরুরি বিভাগ পর্যন্ত যেতে যদি গাড়ির ভিড় সামলাতে হয়। এটা চরম ভোগান্তি আর বিরক্তিকর।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আনসার সদস্য জানান, অটো-এম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে আসার পর বেশিরভাগ চালক গাড়ি নিয়ে আর বের হতে চান না। হাসপাতাল থেকে বের হওয়া রোগী বা স্বজনদের যাত্রী হিসেবে পাওয়ার আশায় তারা হাসপাতাল চত্বরে দাঁড়িয়ে থাকেন। গাড়ি সরাতে বললে অনেক সময় আমাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি বালা বলেন, ‘একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল চত্বর হওয়া উচিত জরুরি রোগীর দ্রুত চলাচল, চিকিৎসকদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং রোগীদের শান্তিপূর্ণ চিকিৎসার পরিবেশ নিশ্চিত করার জায়গা। সেখানে যদি অটো-ইজিবাইক, অ্যাম্বুলেন্সের জট আর হর্ন-হাকডাকই নিয়মিত চিত্র হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগীদের ভোগান্তিও বাড়তে থাকবে সব সময়।’ এ ব্যাপারে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মানস কৃষ্ণ কুন্ডু জানান, হাসপাতালের বিষয় নিয়ে আমাদের পরিচালক স্যারের সঙ্গে কথা বললেই ভালো হবে। মাসিক আইন-শৃঙ্খলা মিটিংয়ে আমরা বরাবরই বিষয়গুলো তুলে ধরি, মাঝেমধ্যে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। যেহেতু আবার নতুন করে হাসপাতাল চত্বরে ইজিবাইক এবং মাইক্রোবাস পার্কিং শুরু, সেক্ষেত্রে এ বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুমায়ুন কবিরের মোবাইলে একাধিক বার কল করা হলেও, তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। এন কে বি নয়ন/কেজে/জেআইএম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
দিল্লিতে থাকলেও মোদীর ভোজে অংশ নেননি শি জিনপিং

দিল্লিতে থাকলেও মোদীর ভোজে অংশ নেননি শি জিনপিং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌকাডুবি: উদ্ধারের পর ১০ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করল বিএসএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌকাডুবি: উদ্ধারের পর ১০ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করল বিএসএফ

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল পল্লি চিকিৎসকের

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল পল্লি চিকিৎসকের

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই

  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সেই সঙ্গে বলেছেন, প্রার্থীদের বয়সের বিষয়েও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি‌ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এসময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কয়েকদিন ধরে অনেক আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটা বিষয় একটু স্পষ্ট করতে চাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বিভিন্ন বিষয় ঘুরে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয় নিয়ে। আমাদের স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটি আইন আছে, এর মধ্যে কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই।’ ‘অতএব, যারা আগামীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তাদের অনুরোধ করবো, এটা নিয়ে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। আমি আবারও বলছি, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নাই। ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর—এসব পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নাই বা প্রয়োজন হবে না,’ যোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন এমপিও শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সিদ্ধান্ত দেবে ইসি একই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো প্রয়োজন নাই। এমপিদেরই তো নাই। আমি যে এমপি হয়েছি, আমারই তো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি ফর্মে।’ তিনি জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ আইনে নাই তো, সংবিধানে নাই তো এবং যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার প্রশ্ন ওঠে না, তাই স্থানীয় সরকারের যে পাঁচটা আইন করেছি, ওখানেও আমরা রাখিনি। কারণ এটাতে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। কারণ একজন সমাজসেবক তো লেখাপড়া নাও করতে পারেন, স্বশিক্ষিত হতে পারেন।’ ‘আনুষ্ঠানিক, মানে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া না করেও তিনি স্বশিক্ষিত হতে পারেন। অথবা কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাননি কিন্তু তিনি মেধাবী, আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান তার মধ্যে রয়েছে। তার তো জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা আছে,’ যোগ করেন মীর শাহে আলম। সেই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা বয়সের বাধ্যবাধকতাও নেই। ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে। আরএমএম/একিউএফ

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধ চেয়ে রিট

প্রেমভিত্তিক নাটক-সিনেমা বন্ধ চেয়ে রিট

রাউটারে এত অ্যান্টেনা কেন, আসলে কতটি প্রয়োজন?

রাউটারে এত অ্যান্টেনা কেন, আসলে কতটি প্রয়োজন?

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে ফিফটির রেকর্ড রুটের

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে ফিফটির রেকর্ড রুটের

ফরিদপুরে একজনকে কুপিয়ে হত্যা, আড়াই মাস আগে একইভাবে খুন হন তাঁর ভাতিজা
ফরিদপুরে একজনকে কুপিয়ে হত্যা, আড়াই মাস আগে একইভাবে খুন হন তাঁর ভাতিজা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় রবিউল ইসলাম শেখ ওরফে রবি (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আড়াই মাস আগে তাঁর ভাতিজা কলেজছাত্র সুমন শেখকেও (২৪) এভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার রবিউল আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাশের গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা সদর বাজারে চায়ের দোকান চালাতেন।এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রবিউলের সঙ্গে থাকা একই এলাকার মোক্তার বিশ্বাস (৫৫), হৃদয় শেখ (২১) ও লিটন খান (৪০)। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে কাশিয়ানী সদর বাজারের চায়ের দোকান বন্ধ করে রবিউল তিনজনের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তাঁরা কাশিয়ানী-আলফাডাঙ্গা সড়কের মালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর আঘাত করে। এতে রবিউল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হামলায় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও তিনজন আহত হন।এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মাসুদুজ্জামান বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কেন এ ঘটনা ঘটল, এর কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে আলফাডাঙ্গার বড়ভাগ গ্রামে স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে হুসাইন শেখের সঙ্গে সুমন শেখের পরিবারের বিরোধ চলে আসছিল। এর আগেও বেশ কয়েকবার তাঁদের মধ্যে ঝগড়া ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।এর মধ্যে গত ২৭ জুন বিকেলে কাশিয়ানী থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে রবিউলের ভাতিজা সুমন শেখকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: আরও ৪০ জন গ্রেপ্তার

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল: আরও ৪০ জন গ্রেপ্তার

সন্তান আসার পর বদলে গেছে দাম্পত্য, রোমান্স ফেরানোর সহজ উপায়

সন্তান আসার পর বদলে গেছে দাম্পত্য, রোমান্স ফেরানোর সহজ উপায়

প্রথমবার বাংলাদেশে আসলো ‘স্বাদ-গন্ধহীন’ গুজরাটি ইলিশ

প্রথমবার বাংলাদেশে আসলো ‘স্বাদ-গন্ধহীন’ গুজরাটি ইলিশ

0 Comments