জাতীয়

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কথা বলবেন আসিফ মাহমুদ, করবেন জরুরি সংবাদ সম্মেলন

News সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ 0
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কথা বলবেন আসিফ মাহমুদ, করবেন জরুরি সংবাদ সম্মেলন
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কথা বলবেন আসিফ মাহমুদ, করবেন জরুরি সংবাদ সম্মেলন

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন হবে। এতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পদায়ন ও বদলিসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরবেন আসিফ মাহমুদ।

অভিযোগের প্রেক্ষাপট, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধারাবাহিকতা এবং এ বিষয়ে দুদকের মুখপাত্রের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে তথ্য ও নথিপত্র উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিপি।

আরও পড়ুন

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু

দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে জড়িয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও বক্তব্যে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তার প্রকৃত তথ্য ও ঘটনাপ্রবাহ জনসম্মুখে তুলে ধরতেই এই বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এসময় একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে অভিযোগগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন এনসিপির মুখপাত্র। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি।

এনসিপির মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের সদস্য, অধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এনএস/একিউএফ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
দেবরের অভিযোগ তার ভাবি ডাইনি, টিজারেই চমক
দেবরের অভিযোগ তার ভাবি ডাইনি, টিজারেই চমক

ভারতীয় অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমকে এবার দেখা যাবে একেবারেই ভিন্ন এক চরিত্রে। ফ্যান্টাসি ও পারিবারিক বিনোদনের গল্প নিয়ে নির্মিত নতুন সিনেমা ‘নয়ি নাভেল্লি’র টিজার প্রকাশ পেয়েছে। টিজারে ইয়ামির চরিত্রকে ঘিরে শুরু থেকেই তৈরি হয়েছে রহস্য ও নানা অদ্ভুত পরিস্থিতি। টিজারের শুরুতে দেখা যায় একটি সাধারণ পরিবারের পরিবেশ। এর মধ্যেই পরিবারের নতুন সদস্য ইয়ামির চরিত্রকে নিয়ে তার দেবর অভিযোগ তোলে তার ভাবি ডাইনি। এরপরই একের পর এক অদ্ভুত চরিত্র ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় গল্পের ঝলক। ‘নয়ি নাভেল্লি’তে ইয়ামি গৌতমকে এমন এক চরিত্রে দেখা যাবে, যা এর আগে তার অভিনীত চরিত্রগুলোর তুলনায় সম্পূর্ণ আলাদা। নির্মাতাদের ভাষ্য, সিনেমাটিতে দর্শক ইয়ামিকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন বালাজি মোহন। চিত্রনাট্য লিখেছেন হিমাংশু শর্মা ও দিব্য নিধি শর্মা। সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন জি ভি প্রকাশ কুমার। আনন্দ এল রাই ও শর্মা কালার ইয়েলো ব্যানারের অধীনে সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন। এতে ইয়ামির সঙ্গে অভিনয় করেছেন আদিনাথ এম কোঠারে, অনুরাগ ঠাকুর, সুনীতা রাজওয়ার, মিতা বশিষ্ঠ, আদিত্য কুলশ্রেষ্ঠ, সুশ্মিতা মুখার্জি, সোনাল ঝা, সুনীল সিনহাসহ আরও অনেকে। ভারতে আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘নয়ি নাভেল্লি’। দশেরার উৎসবকে সামনে রেখে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ইয়ামি গৌতমকে সর্বশেষ ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’-এ অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে। এর আগে ‘হক’ ও ‘আর্টিকেল ৩৭০’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।   এলআইএ

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
পাচারের সময় উদ্ধার, তিন প্রজাতির ১০৩টি টিয়া উড়ল মুক্ত আকাশে

পাচারের সময় উদ্ধার, তিন প্রজাতির ১০৩টি টিয়া উড়ল মুক্ত আকাশে

খেলতে গিয়ে কক্ষের ছিটকিনি দিয়ে আটকা দুই বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস

খেলতে গিয়ে কক্ষের ছিটকিনি দিয়ে আটকা দুই বছরের শিশু, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস

নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত: জামায়াত

নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত: জামায়াত

অভিবাসী ভেবে পাকিস্তানের যুব ক্রিকেটারদের ঘিরে বিক্ষোভ!
অভিবাসী ভেবে পাকিস্তানের যুব ক্রিকেটারদের ঘিরে বিক্ষোভ!

ইংল্যান্ডে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই ঘটে গেল অদ্ভুত এক ঘটনা। দেশটিতে আশ্রয়প্রার্থী ভেবে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের থাকার হোটেলের সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। পরে জানা যায়, যাদের নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল, তারা আসলে পাকিস্তানের কিশোর ক্রিকেটার। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথ শহরে। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটাররা তখন শহরের কসামের একটি ম্যারিয়ট হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় হোটেলের সামনে প্রায় ৩০ জন অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভকারী জড়ো হন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি কোচে একদল তরুণ এশীয় ব্যক্তিকে ওই হোটেলের কাছে দেখা যাওয়ার খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পরই বিক্ষোভকারীরা সেখানে জড়ো হন। তাদের ধারণা ছিল, ওই ব্যক্তিরা সম্ভবত আশ্রয়প্রার্থী বা অভিবাসী। পরে ঘটনাস্থলে যান অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক দল রিফর্ম ইউকের একজন কাউন্সিলর। বিষয়টি যাচাই করে তিনি নিশ্চিত হন, হোটেলে থাকা তরুণরা কোনো আশ্রয়প্রার্থী নন; তারা পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের সদস্য। এরপর তিনি বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে চলে যেতে সহায়তা করেন। হ্যাম্পশায়ার পুলিশও ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে। তবে পুলিশ সরাসরি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বিক্ষোভের লক্ষ্যবস্তু বলা হয়নি বলে উল্লেখ করেছে। পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হোটেলের কাছে একদল মানুষ জড়ো হওয়ার খবর পেয়ে কর্মকর্তারা সেখানে যান। সেখানে উপস্থিত লোকজন একটি কোচকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন। পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলে জানায়, তাদের আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। পরে প্রায় ৩০ জনের ওই দলটি অল্প সময়ের মধ্যেই সেখান থেকে চলে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন যুক্তরাজ্যে অভিবাসন ও আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা তীব্র। ইউরোপের মূল ভূখণ্ড থেকে ছোট নৌকায় করে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করে আশ্রয় চাওয়ার বিষয়টি দেশটির রাজনীতিতে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে, যার কয়েকটিতে সহিংসতাও দেখা গেছে। পোর্টসমাউথেও মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে অভিবাসীদের একটি দল শহরের কাছে পৌঁছানোর পর তাদের নামতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। ঘটনাটি ব্যাপকভাবে নিন্দিত হয়েছিল। এর মধ্যেই পাকিস্তানের কিশোর ক্রিকেটারদের আশ্রয়প্রার্থী ভেবে হোটেলের সামনে বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। বর্ণবাদবিরোধী সংগঠন স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজমের জাতীয় সংগঠক মাইকেল ব্র্যাডলি ঘটনাটির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার মতে, শরণার্থী ও অভিবাসীদের ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর প্রবণতা সমাজে কতটা বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, এই ঘটনা তারই উদাহরণ। ব্র্যাডলি বলেন, পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের মতো একটি দলকে শুধুমাত্র তারা অভিবাসী হতে পারে- এমন ধারণা থেকে বিক্ষোভের মুখে পড়ার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার আশঙ্কা, এর ফলে যুক্তরাজ্যে কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয় জনগোষ্ঠীর যে কোনো মানুষই উগ্র ডানপন্থীদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারেন। তার ভাষায়, এই ধরনের পরিস্থিতির পরিণতি শেষ পর্যন্ত বর্ণবাদী হামলা ও আরও সহিংসতার দিকে যেতে পারে। ঘটনাটির আরেকটি কৌতূহলোদ্দীপক দিক হলো, একই সময়ে পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট দলও ইংল্যান্ডে অবস্থান করছে। পাকিস্তানের সিনিয়র দল তখন বার্মিংহামের এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলছিল। অন্যদিকে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ইংল্যান্ড সফরে নিজেদের ক্রিকেট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। ফলে ক্রিকেটের কারণে ইংল্যান্ডে থাকা পাকিস্তানি তরুণদের এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে শুধু তাদের চেহারা ও পরিচয় নিয়ে তৈরি ভুল ধারণার কারণে। আইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
৮০-র দশকে সবার চুল কি কোকড়া ছিল? এআইয়ের ছবির রহস্য কী

৮০-র দশকে সবার চুল কি কোকড়া ছিল? এআইয়ের ছবির রহস্য কী

খাদ্যে ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ মৌলভীবাজার কেন অন্য জেলার ভরসায়?

খাদ্যে ‘স্বয়ংসম্পূর্ণ’ মৌলভীবাজার কেন অন্য জেলার ভরসায়?

৭ জন বাদ, ডুলির দলে টিকে রইলেন দুই প্রবাসী ফুটবলার

৭ জন বাদ, ডুলির দলে টিকে রইলেন দুই প্রবাসী ফুটবলার

আমাকে সংসদে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা
আমাকে সংসদে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, এই সংসদে ডিসেন্ট ওয়েজ নেই। গতকাল (বুধবার) সংসদে যে আচরণ লক্ষ করেছি তা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক রীতি হতে পারে না। তিনি বলেন, আমার বক্তব্য শেষে কেউ পাল্টা বক্তব্য দিতে পারেন। কিন্তু গতকাল সংসদে আমার আশপাশ থেকে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে। এটা সংসদীয় রীতিনীতির মধ্যে পড়ে না। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিলের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আরও পড়ুন রুমিন ফারহানার বক্তব্যে সংসদে উত্তাপ রুমিন ফারহানা বলেন, একটা সংসদে সরকারি দল, বিরোধীদল, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য থাকেন। একেক জনের এক ধরনের মত থাকবে। এই সংসদে যখন আমি একা দাঁড়িয়ে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলেছি তখন আমি জঘন্যভাবে মুখোমুখি হয়েছি। সংসদে শুধু না এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য বিরোধীদল সেজে বসে থাকার কোনো মানে দেখছি না। রুমিন ফারহানা গতকালে বলেছেন, এত অসহিষ্ণু সংসদ, মনে হয় যেন একবারে আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি আমরা। আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম তখন তারাও হট্টগোল করত। এখন বিএনপির একই ধরনের আচরণ করছে।’ এমওএস/এমআইএইচএস/

News সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ 0
ফটিকছড়িতে বিয়ের মেহেদি অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধার মৃত্যু

ফটিকছড়িতে বিয়ের মেহেদি অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধার মৃত্যু

বাড়ির আঙ্গিনায় মশার প্রজনন হলে জেল: ডিএসসিসি প্রশাসক

বাড়ির আঙ্গিনায় মশার প্রজনন হলে জেল: ডিএসসিসি প্রশাসক

খাতা চ্যালেঞ্জের পরও ফেল, ফাঁস নিলো শিক্ষার্থী

খাতা চ্যালেঞ্জের পরও ফেল, ফাঁস নিলো শিক্ষার্থী

0 Comments