জাতীয়

ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল দুই বন্ধু আসলে দুই বোন

D HASAN সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ 0
মিনাল টিসেন ও মিনা গেলটিঙ্ক

নেদারল্যান্ডসের মিনা গেলটিঙ্ক ও মিনাল টিসেনের জীবনের গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়। কিশোরী বয়সে এক অনুষ্ঠানে তাঁদের প্রথম পরিচয় হয়। প্রথম দেখায় দুজনই পরস্পরের প্রতি অদ্ভুত এক টান অনুভব করেন। টেলিফোন নম্বর ও ঠিকানা বিনিময় করেন। দীর্ঘ সময় একজন আরেকজনকে চিঠি লেখেন; হয়ে ওঠেন একে অপরের প্রিয় বন্ধু।

বয়স বাড়তে থাকে, সঙ্গে ব্যস্ততাও। ধীরে ধীরে যোগাযোগে ভাটা পড়ে। একপর্যায়ে দুজন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তাঁদের যে আবারও যোগাযোগ হবে, দেখা হবে এবং জীবনের এত বড় সত্যের মুখোমুখি হতে হবে—তা হয়তো তাঁরা কখনো কল্পনাও করেননি।

মিনা ও মিনাল দুজনের জন্ম ভারতের মুম্বাইয়ে, ১৯৮০–এর দশকে। যখন বয়স মাত্র কয়েক মাস, মুম্বাইয়ের দুটি আলাদা এতিমখানা থেকে তাঁদের দত্তক নেয় নেদারল্যান্ডসের দুটি পরিবার।

কৈশোরে প্রথম দেখার সেই অনুষ্ঠানে মিনা ও মিনাল নিজেদের চেহারা ও অঙ্গভঙ্গিতে অদ্ভুত মিল দেখে খুবই বিস্মিত হয়েছিলেন।

৪৩ বছরের মিনা সেদিনের কথা মনে করে বলেন, ‘বন্ধুরা আমাদের দেখে বলেছিল, “তোমরা আয়নায় নিজেদের দেখো।” এবং আয়নায় দেখার পর আমার মনে হলো, হে ঈশ্বর, ওর কাছে তো দেখি আমার নাকটা! আমাদের হাসিও এক।’

কিন্তু প্রায় ১৫ বছর আগে তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মিনাল নেদারল্যান্ডস ছেড়ে চলে যান ফ্রান্সে।

ভারত থেকে শিশু বয়সে দত্তক আনা হয়েছে, এমন ব্যক্তিদের এক অনুষ্ঠানে ডিএনএ পরীক্ষার কথা জানতে পারেন মিনা এবং নিজের পরীক্ষা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেটা ২০১৭ সালের কথা। তবে কারও সঙ্গে তাঁর ডিএনএর কোনো মিল খুঁজে পাননি। একসময় তিনি ডিএনএ শনাক্তের অ্যাপটিও ফোন থেকে মুছে দেন। কারণ, ফোনের স্টোরেজও ভরে গিয়েছিল।

গত ২০ মে ফেসবুকে মিনালের কাছ থেকে একটি বার্তা পান মিনা—‘আমাকে মনে আছে?’ এই বার্তাই মিনাকে আবার অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করতে উৎসাহী করে। তবে তিনি এতটাই নার্ভাস হয়ে পড়েছিলেন যে ১০ বার পাসওয়ার্ড ভুল করেন। শেষ পর্যন্ত অ্যাপটি খোলার পর সেখানে একটি ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। একজনের সঙ্গে তাঁর ডিএনএ ১০০ ভাগ মিলে গেছে। তিনি আর কেউ নন, ৪৪ বছর বয়সী মিনাল।

গত আগস্টে এই দুই বন্ধুর প্রথমবার দুই বোন হিসেবে দেখা হয়।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

সেতু আছে, পথ হলো না

মো. কায়সার নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, “যে জায়গা দিয়ে সংযোগ সড়ক হওয়ার কথা, সেটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি। সেখানে কিছু মানুষ বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। তাই জমির বিষয়টি যেন সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতার কারণ না হয়, সেটিই স্থানীয়দের প্রত্যাশা।”

পোশাকের ট্যাবু ভেঙে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তায় যবিপ্রবিতে ‘লুঙ্গি প্যারেড’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আনন্দ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী ‘লুঙ্গি প্যারেড’।

জাতীয়

View more
প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব
প্রযুক্তি কেড়ে নিয়েছে আবেগ, এইচএসসির ফল প্রকাশের পরও ক্যাম্পাসে উৎসব

সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও নির্ধারিত সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফল। তবে, ফল প্রকাশের দিনেও নগরীর কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে দেখা যায়নি চিরচেনা উৎসব। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, বন্ধুদের সঙ্গে ফল জানার অপেক্ষা কিংবা আনন্দ-হতাশা ভাগাভাগির সেই দৃশ্য যেন হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের ব্যবধানে। প্রযুক্তির কল্যাণে ঘরে বসেই ফল জানার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বদলে গেছে ফল প্রকাশের দিনের চেনা চিত্র।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুবসমাজ জাতির অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

সিলেট টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন, বাদ পড়লেন কে?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দেওয়ার হার বেড়েছে

গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক
গাজীপুরে ৬ ঘণ্টার অবরোধ-সংঘর্ষের পর যান চলাচল স্বাভাবিক

ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা বিষয়ে পাকিস্তান ‘সতর্ক আশাবাদী’

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত 

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী

২৫ কর্মকর্তাকে ‘দ্য রাইজিং স্ট্যান্ডার্ড’ সম্মাননা দিলো স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক
২৫ কর্মকর্তাকে ‘দ্য রাইজিং স্ট্যান্ডার্ড’ সম্মাননা দিলো স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক

কাজের মান উন্নয়ন এবং ব্যাংকের স্ট্যান্ডার্ডকে ক্রমাগত উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অসাধারণ কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ২৫ জন কর্মকর্তাকে ‘দ্য রাইজিং স্ট্যান্ডার্ড’ সম্মাননা দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটি ১০০ দিনে ৩ হাজার কোটি টাকা আমানত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।

D HASAN অক্টোবর ৩১, ২০২৬ 0
হত্যার পর এআই দিয়ে জীবিত দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায়, সেই শিক্ষার্থী পেল জিপিএ-৫

হত্যার পর এআই দিয়ে জীবিত দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায়, সেই শিক্ষার্থী পেল জিপিএ-৫

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে প্রয়োজনে ১ দফার ডাক: ডা. শফিকুর

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে প্রয়োজনে ১ দফার ডাক: ডা. শফিকুর

ইয়েমেনে নতুন যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত প্রায় ৩ লাখ মানুষ

ইয়েমেনে নতুন যুদ্ধে বাস্তুচ্যুত প্রায় ৩ লাখ মানুষ

0 Comments