জাতীয়

যুদ্ধ কেন লাগে, কারা কলকাঠি নাড়ে?

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
যুদ্ধ কেন লাগে, কারা কলকাঠি নাড়ে?
যুদ্ধ কেন লাগে, কারা কলকাঠি নাড়ে?

রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সাড়ে ৪ বছর পার হলো। এরই মধ্যে সম্প্রতি দেখা গেল ইরান যুদ্ধ এবং এর আগে গাজায় ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধও দেখল বিশ্ব। এইসব যুদ্ধের পেছনে অস্ত্র ব্যবসা ও জ্বালানি বাণিজ্য কতটা ভূমিকা রাখছে তা নিয়ে লিখেছেন আলতাফ পারভেজ  

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ৫৪ মাস পার হলো সম্প্রতি। একই সময়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ও ছয় মাস পেরিয়েছে। এর মাঝের সময়ে বহু দেনদরবার হলো; থামে থামে মনে হলেও যুদ্ধ চলছেই।

উভয় যুদ্ধ ফেব্রুয়ারিতে শুরু। আবহাওয়াবিদ্যায় ফেব্রুয়ারিকে বসন্ত আসার আগের ‘শেষ কষ্টকর মাস’ বলা হয়। চার্লস ডিকেন্স অবশ্য মোলায়েম করে বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারি জানায়, উষ্ণ দিনগুলো বেশি দূরে নেই। তবে ফেব্রুয়ারি নিজেও উষ্ণ হতে পারে। ২০২২–এর ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৬–এর ফেব্রুয়ারি বিশ্বের অনেক সংস্থার কোষাগারে অচিন্তনীয় উষ্ণতার সূচনা ঘটিয়েছে।

আবুধাবির এজ গ্রুপের কথাই ধরা যাক। ২০১৯–এ প্রতিষ্ঠার পর নিজ দেশ ও আশপাশের অঞ্চলে সীমিত পরিসরে অস্ত্রের ব্যবসা করত তারা। কিন্তু বিশ্বের দুই প্রান্তের সাম্প্রতিক দুই যুদ্ধে ‘এজ’ অস্ত্রপাতির বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তারা পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করেছে। অর্ডার পেয়েছে আরও ২৫ বিলিয়ন ডলারের।

চাহিদামতো অত্যাধুনিক অস্ত্রের উদ্ভাবন ও জোগানে হিমশিম খাচ্ছে এখন এজ। তাদের জন্য এ মুহূর্তে সুবিধার দিক হলো, উদ্ভাবনের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারছে। যেসব অস্ত্রের ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর অর্ডার আসছে তাৎক্ষণিক। অস্ত্রের গায়ে ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ সিল থাকা মানে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা।

উপসাগরীয় প্রতিটি দেশ আকাশ প্রতিরক্ষায় বড় অঙ্কে বাজেট বাড়াচ্ছে। এ বছর কেবল আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আট বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনেছে। অস্ত্র উৎপাদক কোম্পানিগুলোর জন্য মধ্যপ্রাচ্য এখন সোনার ডিম পাড়া হাঁসের মতো।

যুদ্ধে সব দেশ যে লকহিড মার্টিন বা আরটিএক্সের থার্ড সিস্টেম বা প্যাট্রিয়ট সিস্টেম কিনছে, তা নয়। মাঝারি ও ছোট সামর্থ্যের দেশগুলো আকাশ প্রতিরক্ষায় সস্তা ড্রোন দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে। এজ এ রকম ড্রোনের কারবারে সফলতা পেয়েছে। তার চোখে এখন বিশ্বের প্রধান ১০ অস্ত্র উৎপাদক কোম্পানির তালিকায় নিজেদের দেখার বাসনা। গত জুনে এজ প্যারিসে ইউরোপীয় অফিস খুলেছে। ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের উসকানিদাতাদের কাছে এজের মতো কোম্পানিগুলোর নীরব কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।

বিশ্বে অস্ত্র কেনাবেচার খবরের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত রাখে স্টকহোমভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)। এ বছরের ৯ মার্চ প্রকাশিত তাদের হিসাবে চলতি দশকের প্রথম চার বছরে আগের দশকের শেষ চার বছর থেকে বিভিন্ন দেশের অস্ত্র সংগ্রহ ১০ শতাংশ বেড়েছে।

সাম্প্রতিক যুদ্ধ অনেক বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে

এর মধ্যে ২০২১ থেকে পরবর্তী চার বছরে বিশ্বে অস্ত্র হস্তান্তরের ৪২ শতাংশ হিস্যা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। আগের চার বছরে যা ছিল ৩৬ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত চলমান থাকায় এ রকম হিস্যা আরও বাড়বে তাদের।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা জিইয়ে রাখতে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের বড় এক সহযোগী। যুদ্ধে তেল আবিবের আগ্রহের জায়গাও কেবল ধর্মীয় বা জাতিগত নয়, যেমনটি মনে করা হয়। সিপ্রির হিসাবে গত এক দশকে অস্ত্র ব্যবসার ‘টপ টেনে’ ইসরায়েল যুক্তরাজ্যের ওপরে উঠে গেছে।

এসব তথ্য থেকে যুদ্ধের ফল এবং যুদ্ধে কারা লাভবান হচ্ছে, সেটা স্পষ্ট। ইউক্রেনে উত্তেজনা তৈরি করে ২০২১-২৫–এ ইউরোপের দেশগুলোকে বিপুল অস্ত্র কেনানো হয়েছে। ২০২১–এর আগের চার বছরের তুলনায় পরের চার বছরে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি ২১৭ শতাংশ বেড়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের বড় লক্ষ্য ছিল ইউরোপে ভীতি তৈরি। সেটা সফল হয়েছে। জেলেনস্কির মতো ভালো বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র বহু দশকে পায়নি।

বিশ্বের অন্যত্রও জেলেনস্কিদের খোঁজ চলতে থাকবে সামনের দিনগুলোতে। ইতিমধ্যে ভূরাজনৈতিক ভাষ্যকারদের মধ্যে পরবর্তী বিশ্ব–উত্তেজনার লক্ষ্যস্থল নিয়ে আঁচ-অনুমান চলছে এবং তাতে দক্ষিণ এশিয়ার নামও আসছে। মক্কা চুক্তি হঠাৎ করে আন্তর্জাতিক সামরিক সাহিত্যে দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে আলোচনা বাড়িয়েছে। এ অঞ্চলের একাধিক দেশের নীতিনির্ধারকদের তাতে বেশ উৎসাহের সঙ্গে সাড়া দিতে দেখা যাচ্ছে।

পাকিস্তান-ভারত বহুকাল ১০ প্রধান অস্ত্র ক্রেতার তালিকায় আছে। আন্তর্জাতিক অস্ত্র উৎপাদকদের কাছে এই দুই দেশ প্রাচুর্যের বড় এক ভবিষ্যৎ প্রতীক। ফলে এই দুই দেশের মধ্যে কোনো ধরনের শান্তি আলোচনা সফল হতে না দেওয়ার আশঙ্কাই বেশি। বরং তাদের দিয়ে আশপাশের অঞ্চলেও কীভাবে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করা যায়, বহু পক্ষের সেই চেষ্টা থাকবে। সেই চেষ্টায় অনেক স্থানীয় চিন্তক ও রাজনীতিবিদকেও শরিক হতে দেখা যাবে।

কেবল অস্ত্র উৎপাদকেরা নয়, যুদ্ধ থেকে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় যুক্ত আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোও বিপুল লাভ করেছে সম্প্রতি। হরমুজ প্রণালির সমস্যায় কোনো কোনো কোম্পানি অসুবিধায় পড়েছে বটে, কিন্তু সবাই নয়। সবার ব্যবসা ওই প্রণালিতে সীমাবদ্ধ নয়।

গত দুই মাসের প্রতিবেদনগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে, জ্বালানিবাজারের বড় শক্তি হিসেবে শেভরন, শেল, বিপি, কনকোফিলিপ্স, এক্সনমবিল, টোটালএনার্জি পুরোনো মজুত বিক্রি থেকে ব্যাপকভাবে লাভবান হলো। ২০২৬–এর প্রথম দুই ত্রৈমাসিকে এসব কোম্পানির প্রতিটির মুনাফা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় কোম্পানি এক্সনমবিল জানিয়েছে, এ বছর তাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে মুনাফা (১৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার) প্রথম ত্রৈমাসিকের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে। এটা গত চার বছরে যেকোনো ত্রৈমাসিকের চেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বড় তেল কোম্পানি শেভরনেরও রাজস্ব বেড়েছে ৫৬ শতাংশ। তাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আয় ছিল (১২ বিলিয়ন ডলার) গত ছয় বছরের মধ্যে বেশি।

ইউরোপের বেলায় ছয়টি বড় তেল কোম্পানির প্রথম ত্রৈমাসিকে সম্মিলিত মুনাফা ২২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি। (পিবিএস নিউজ, ৩১ জুলাই)। গত ৩১ জুলাই নিউইয়র্ক টাইমসে একটা শিরোনাম ছিল: ইরান ওয়্যার ড্রাইভস অয়েল প্রফিটস টু হায়েস্ট লেভেলস ইন ইয়ারস।

২০২৫–এর দ্বিতীয় প্রান্তিকে অপরিশোধিত পেট্রোলিয়ামের ব্যারেলপ্রতি দাম ছিল ৬৭ ডলার। ২০২৬–এর দ্বিতীয় প্রান্তিকে সেটা অন্তত ব্যারেলপ্রতি ৩০ ডলার বাড়ে। মাঝের সময়ে ইরানে আগ্রাসনের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরা। এ রকম ‘রিপাবলিকান নীতিনির্ধারক’দের জন্য ‘অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ’ গত নির্বাচনে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল বলে দাবি করেছে ওই দেশেরই পত্রিকা ফোর্বস এ বছরের ৫ জানুয়ারি তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে।

অস্ত্র ও তেল খাতের এসব বিবরণ জানাচ্ছে, যুদ্ধ কেন লাগে, কারা কলকাঠি নাড়ে এবং কেন সেটা সহজে বন্ধ হয় না। কেন শক্তিধর দেশগুলো জাতিসংঘ বা এর মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলো অথর্ব ও অকার্যকর করেছে, তারও একটা ব্যাখ্যা ওপরের কাহিনি থেকে অনুমান করা কঠিন নয়। কেন প্রভাবশালী দেশগুলোর নীতিনির্ধারকদের প্রতি তেল ও আর্মস করপোরেটদের ব্যাপক সমর্থন, তারও ইঙ্গিত দেয় যুদ্ধ-সিদ্ধান্তের ঘটনাবলি।

অস্ত্র উৎপাদক ও ব্যবসায়ীরা মুখিয়ে থাকে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য। সেটা করতে হলে আবার প্রতিটি দেশে ঘৃণা-বিদ্বেষের চাষাবাদ বাড়াতে হয়। হতে পারে সেটা জাতিগত বা ধর্মীয় ঘৃণা।

ঘৃণার প্রকোপ বাড়িয়েই মানুষের মধ্যে কল্পিত শত্রু এবং নিরাপত্তাহীনতার হরেক ভীতি বাড়িয়ে তুলতে হয়। এ রকম কাজে নিযুক্ত অগণিত ‘বিশেষজ্ঞ’ নিয়মিত সংবাদমাধ্যমে লিখে ও বলে যাচ্ছে। তাদের এ পরিশ্রম ধীরে ধীরে হলেও বেশ কাজ করে। তখন ‘জনসম্মতি’র আলোকে রাজনীতিবিদেরা দারিদ্র্য, অনুন্নয়ন, অপুষ্টির মধ্যেও মিসাইল, সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান কেনাকে অগ্রাধিকার দেয়।

কৌতুককর হলো, এ রকম সংবাদগুলো ওই সব দেশের দরিদ্র মানুষেরা তাৎক্ষণিকভাবে অনেক সময় বিস্তারিত পড়া বা শোনার সুযোগ পায় না। লোডশেডিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে, রুটিরুজির বাড়তি দৌড়াদৌড়ির ভেতর ‘নব অর্জনের’ কথা তারা একটু একটু করে জানতে পারে এবং আত্মশ্লাঘায় ভোগে! দারিদ্র্যকে পরাস্ত করার বদলে অন্য দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয় তারা তখন!

● আলতাফ পারভেজ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষক

* মতামত লেখকের নিজস্ব

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী
এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল-মতনির্বিশেষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠনটি গঠন করেছেন। সংবাদমাধ্যমে এই পরিবারের দুর্দশার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তাঁর পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে আমরা আজ এখানে এসেছি।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 

পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 

রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মাদকদ্রব্যসহ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

চাঁদপুরে ৫ বছরে কমেছে জেলের সংখ্যা

চাঁদপুরে ৫ বছরে কমেছে জেলের সংখ্যা

জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় মৎস্যজীবী নিহত

জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় মৎস্যজীবী নিহত

চা বেচে বাড়ি করেছেন টিটু মিয়া 
চা বেচে বাড়ি করেছেন টিটু মিয়া 

করোনা মহামারির সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে এখনো টিটু মিয়ার চোখে ভেসে ওঠে অনিশ্চয়তার ছবি। কাজ না থাকায় সংসার চালানোর মতো টাকাও ছিল না তার কাছে।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
বিমানবন্দরে একসঙ্গে পলক-ইব্রাহিম, ফের প্রেমের গুঞ্জন

বিমানবন্দরে একসঙ্গে পলক-ইব্রাহিম, ফের প্রেমের গুঞ্জন

দুর্গাপূজার ১০ দিন আগে থেকেই নিরাপত্তা চায় হিন্দু মহাজোট

দুর্গাপূজার ১০ দিন আগে থেকেই নিরাপত্তা চায় হিন্দু মহাজোট

মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে আহত ৩

মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে আহত ৩

0 Comments