জাতীয়

যেভাবে ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
যেভাবে ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়
যেভাবে ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়

ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে চরম পাষাণ হৃদয় মোমের মতো গলেছে, শত্রু পরিণত হয়েছে বন্ধুতে এবং অন্ধকারের যাত্রী খুঁজে পেয়েছে হেদায়েতের অমল আলো।

সাহাবি সুমামা ইবনে উসাল (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা এমনই এক ঐতিহাসিক ও বিস্ময়কর অধ্যায়। একসময় যিনি ছিলেন ইসলামের ঘোরতর বিরোধী এবং নবীজির প্রতি যাঁর অন্তরে ছিল অন্ধ বিদ্বেষ, তিনিই পরবর্তী সময়ে নবীজির প্রেমে আত্মহারা একনিষ্ঠ অনুসারীতে পরিণত হন।

তাঁর অন্তরের পর্বতসম ঘৃণার জায়গা দখল করে নিয়েছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা; আর বৈরিতার জায়গায় জন্ম নিয়েছিল ইস্পাতকঠিন ইমান। এই রূপান্তরের পেছনে কোনো সামরিক শক্তি বা জোরজবরদস্তি ছিল না; এর পেছনে কাজ করেছিল নবীজির অনুপম চরিত্রমাধুর্য, বন্দীর প্রতি মানবিক আচরণ ও অতুলনীয় ক্ষমার শক্তি।

রাসুল (সা.) মসজিদে প্রবেশ করে বন্দীর দিকে তাকাতেই তাঁকে চিনতে পারলেন। তিনি সাহাবিদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কি জানো, কাকে বন্দী করে এনেছ?’

ইয়ামামার প্রতাপশালী নেতা

হিজরি ষষ্ঠ সন। ইসলামের শান্তির দাওয়াত তখন মক্কা ও মদিনার গণ্ডি পেরিয়ে সমগ্র আরব উপদ্বীপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) সমকালীন বিভিন্ন রাজা, গোত্রপ্রধান ও পরাশক্তির কাছে ইসলামের আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠাচ্ছিলেন।

বর্তমান রিয়াদের পার্শ্ববর্তী উর্বর ইয়ামামা অঞ্চলে বাস করত প্রভাবশালী বনু হানিফা গোত্র। সেই গোত্রের অবিসংবাদিত নেতা ও প্রতাপশালী শাসক ছিলেন সুমামা ইবনে উছাল।

নবীজির দাওয়াত সুমামার কাছেও পৌঁছেছিল; কিন্তু বংশীয় অহংকার ও ক্ষমতার দম্ভে তিনি সত্যকে অস্বীকার করেন। তাঁর অন্তরে ইসলামের প্রতি তীব্র বিদ্বেষ জন্ম নেয়।

তিনি এতটাই উদ্ধত হয়ে উঠেছিলেন যে গোপনে স্বয়ং নবীজিকে হত্যার চক্রান্ত পর্যন্ত করেছিলেন; এমনকি কয়েকজন সাহাবিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলেন। তবে মহান আল্লাহ তাঁর হাবিবকে শত্রুর যাবতীয় ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করেন।

মসজিদে নববির খুঁটিতে বন্দী

কিছুদিন পর নজদের দিকে পরিচালিত এক সামরিক অভিযান শেষে মদিনার অশ্বারোহী সাহাবিদের একটি দল ফেরার পথে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে। সাহাবিরা তাঁর আসল পরিচয় জানতেন না।

তাঁকে বন্দী অবস্থায় মদিনায় নিয়ে আসা হয় এবং মসজিদে নববির একটি পিলারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

রাসুল (সা.) মসজিদে প্রবেশ করে বন্দীর দিকে তাকাতেই তাঁকে চিনতে পারলেন। তিনি সাহাবিদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কি জানো, কাকে বন্দী করে এনেছ?’

সাহাবিরা অজ্ঞতা প্রকাশ করলে নবীজি (সা.) বললেন, ‘ইনি ইয়ামামার গোত্রনেতা সুমামা ইবনে উসাল!’ এরপর তিনি সাহাবিদের নির্দেশ দিলেন, ‘তোমরা তাঁর সঙ্গে ভালো আচরণ করো।’

যে ব্যক্তি রক্তপিপাসু শত্রু হিসেবে মদিনায় প্রবেশ করেছিল, সে কোনো অন্ধকার কারাগারে নয়, বরং মুসলমানদের প্রধান কেন্দ্র মসজিদে নববিতে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে সাহাবিদের নামাজ, কোরআন পাঠ, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও নবীজির পবিত্র মজলিস প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পেল।

বন্দিশালায় মেহমানদারি

শত্রুর প্রতি নবীজির ব্যবহার ছিল এক অলৌকিক শিক্ষা। তিনি নিজের বাড়ি থেকে সুমামার জন্য বিশেষ খাবার পাঠাতেন এবং সকালে ও সন্ধ্যায় তাঁর উটনীর দুধ দোহন করে সুমামাকে পান করাতেন।

বন্দিদশায় কোনো প্রকার শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন তো দূরের কথা, তাঁর নেতৃত্বের আত্মমর্যাদায় সামান্য আঘাতও দেওয়া হয়নি।

আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘ভালো ও মন্দ কখনো সমান হতে পারে না। তুমি মন্দকে এমন সুন্দর পন্থায় প্রতিহত করো, যা সর্বোৎকৃষ্ট; ফলে তোমার সঙ্গে যার চরম শত্রুতা ছিল, সেও যেন তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়ে যাবে।’ (সুরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩৪)

মসজিদে নববির খুঁটিতে দাঁড়িয়ে অহংকারী সুমামা ইসলামের এই রূপ প্রত্যক্ষ করছিলেন।

বন্দিদশায় কোনো প্রকার শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন তো দূরের কথা, তাঁর নেতৃত্বের আত্মমর্যাদায় সামান্য আঘাতও দেওয়া হয়নি।

নিঃশর্ত মুক্তি

রাসুল (সা.) প্রতিদিন সুমামার কাছে আসতেন এবং পরম স্নেহে তাঁর খোঁজ নিতেন।

প্রথম দিন: নবীজি (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে সুমামা! তোমার মনের অবস্থা কী?’ সুমামা আত্মমর্যাদা নিয়ে উত্তর দিলেন, ‘হে মুহাম্মদ! আমার ধারণা ভালো। আপনি যদি আমাকে হত্যা করেন, তবে একজন রক্তপরাধীকেই হত্যা করবেন (যেহেতু আমি রক্ত ঝরিয়েছি); আর যদি অনুগ্রহ করে মুক্তি দেন, তবে একজন কৃতজ্ঞ মানুষকেই দয়া করবেন। আর যদি সম্পদ চান, তবে বলুন—আপনি যা চাইবেন আমি তা-ই দিতে প্রস্তুত।’

নবীজি (সা.) কোনো মন্তব্য না করে চলে গেলেন।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন: পরদিন এবং তার পরের দিনও রাসুলুল্লাহ (সা.) একই প্রশ্ন করলেন এবং সুমামাও তাঁর আগের বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তি করলেন।

তৃতীয় দিন আলোচনা শেষে রাসুল (সা.) তাঁর কোনো মুক্তিপণ দাবি করলেন না, কোনো শর্তও আরোপ করলেন না। তিনি শুধু সাহাবিদের দিকে তাকিয়ে এক ঐতিহাসিক নির্দেশ দিলেন, ‘সুমামাকে বাঁধনমুক্ত করে দাও!’

ঘৃণা রূপ নিল ভালোবাসায়

শর্তহীনভাবে মুক্তি পেয়ে সুমামা ইচ্ছে করলেই নিজের রাজ্য ইয়ামামায় ফিরে যেতে পারতেন। কিন্তু নবীজির এই আকাশসম ক্ষমা ও উদারতা তাঁর অন্তরের সমস্ত অহংকারকে চূর্ণ করে দিয়েছিল।

তিনি মুক্ত হয়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে সোজা চলে গেলেন মসজিদের অদূরে এক খেজুরবাগানে। সেখানে গিয়ে কূপের শীতল পানিতে সুন্দরভাবে গোসল করলেন। এরপর ধীর পায়ে পুনরায় মসজিদে নববিতে ফিরে এলেন।

নবীজির সামনে বিনীতভাবে দাঁড়িয়ে তিনি সমস্বরে পাঠ করলেন, ‘আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু’ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসুল)।

এরপর নবদীক্ষিত এই সাহাবি নবীজির হাত ধরে আবেগরুদ্ধ কণ্ঠে ঐতিহাসিক এক স্বীকারোক্তি দিলেন, ‘এই পৃথিবীর বুকে আপনার চেহারার চেয়ে ঘৃণিত কোনো চেহারা আমার কাছে ছিল না; অথচ আজ আপনার পবিত্রমুখই আমার কাছে সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়, আল্লাহর শপথ, আপনার ধর্মের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো ধর্ম আমার কাছে ছিল না; কিন্তু আজ এই ধর্মই আমার কাছে পৃথিবীর সবকিছুর চেয়ে ভালোবাসার ধন। আপনার শহরের চেয়ে অপছন্দের কোনো জনপদ আমার কাছে ছিল না; অথচ আজ এই শহরই আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ভূমি। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৩৭২)

এর আগে প্রকাশ্যে কোনো মুসলমান তালবিয়া পাঠ করার সাহস পায়নি। কোরাইশরা ছুটে এসে তাঁকে ঘিরে ফেলল এবং ক্ষোভের সঙ্গে বলল, ‘সুমামা! তুমিও কি পৈতৃক ধর্ম ত্যাগ করে বেইমান হয়ে গেলে?’

মক্কায় প্রথম প্রকাশ্য তালবিয়া

ইসলাম গ্রহণের পর সুমামা (রা.) বললেন, ‘আমি ওমরাহ করার জন্য বের হয়েছিলাম, কিন্তু পথিমধ্যে আপনার সাহাবিরা আমাকে নিয়ে এসেছেন। এখন আমার কী করণীয়?’ নবীজি (সা.) তাঁকে মোবারকবাদ জানিয়ে ইসলামের নিয়মানুযায়ী ওমরাহ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিলেন।

তিনি মক্কায় প্রবেশ করে কাফেলা নিয়ে প্রকাশ্যে উচ্চকণ্ঠে তালবিয়া পাঠ করতে লাগলেন: ‘লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...’।

এর আগে প্রকাশ্যে কোনো মুসলমান তালবিয়া পাঠ করার সাহস পায়নি। কোরাইশরা ছুটে এসে তাঁকে ঘিরে ফেলল এবং ক্ষোভের সঙ্গে বলল, ‘সুমামা! তুমিও কি পৈতৃক ধর্ম ত্যাগ করে বেইমান হয়ে গেলে?’

সুমামা (রা.) নির্ভীক কণ্ঠে ঘোষণা করলেন, ‘কখনোই নয়! বরং আমি মুহাম্মাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছি। আর শুনে রাখো—আল্লাহর শপথ, ইয়ামামা থেকে মক্কায় গমের একটি দানাও আর আসবে না, যতক্ষণ না আল্লাহর নবী নিজে অনুমতি দেন!’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৩৭২)

সুমামা ইয়ামামায় ফিরে গিয়ে খাদ্য সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিলেন। তৎকালীন মক্কার খাদ্যশস্যের সিংহভাগ আসত উর্বর ইয়ামামা থেকে। খাদ্য আমদানির পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মক্কায় তীব্র দুর্ভিক্ষ ও খাদ্যাভাব দেখা দিল।

নিরুপায় হয়ে কোরাইশ নেতারা নবীজির কাছে আত্মীয়তার দোহাই দিয়ে চিঠি লিখল—তিনি যেন সুমামাকে খাদ্য সরবরাহ চালুর নির্দেশ দেন। নবীজি অনুমতি দিলেন। (ইবনে হিশাম, আস-সিরাতুন্নববিয়্যাহ, ২/৬৩৮-৬৩৯)।

  • মাহমুদ হাসান ফাহিম: শিক্ষক, বাইতুল আকরাম মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, গাজীপুর

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঢাবি শিক্ষার্থীদের জন্য ঢামেকে বিশেষ চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ
ঢাবি শিক্ষার্থীদের জন্য ঢামেকে বিশেষ চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসাসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
খুলছে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার, ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানোর সিদ্ধান্ত: শ্রমমন্ত্রী

খুলছে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার, ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানোর সিদ্ধান্ত: শ্রমমন্ত্রী

শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান

শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান

১০০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার কৃষকদল নেতা 

১০০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার কৃষকদল নেতা 

‘শেয়ারবাজারে অনিয়ম শনাক্তে ডিজিটাইজেশনের বিকল্প নেই’
‘শেয়ারবাজারে অনিয়ম শনাক্তে ডিজিটাইজেশনের বিকল্প নেই’

শেয়ারবাজারে জালিয়াতি ও অনিয়ম শনাক্ত করতে ডিজিটাইজেশনের কোনো বিকল্প নেই। স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকেও প্রায়ই জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত করতে না পারার বিষয়টি উঠে এসেছে।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
টেকনাফে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলি, আহত ২

টেকনাফে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলি, আহত ২

একযোগে ৭২ শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি-পদায়ন

একযোগে ৭২ শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি-পদায়ন

মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

মীমাংসার জন্য ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

এনআইডি সংশোধনের ২০২৪ পর্যন্ত আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি
এনআইডি সংশোধনের ২০২৪ পর্যন্ত আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ইসি

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে অনলাইনে এনআইডি সংশোধনের কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৫ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের মধ্যে সবচেয়ে জটিল হিসেবে বিবেচিত হয় মহাপরিচালক পর্যায়ের ‘ঘ’ ক্যাটাগরির আবেদন। এ ধরনের আবেদনে তথ্য যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার নির্দেশ

ব্যাংক খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে স্পষ্ট তথ্য দেওয়ার নির্দেশ

অনুমোদন ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ববির নাম-লোগো ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

অনুমোদন ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় ববির নাম-লোগো ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

পিরোজপুরে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার, মালামাল লুট

পিরোজপুরে নিজ ঘর থেকে গৃহবধূর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার, মালামাল লুট

0 Comments