জাতীয়

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম, ভর্তির বিস্তারিত জেনে নিন

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন স্কুল বা অনুষদের অধীনে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য যোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

বিভিন্ন স্কুল ও অনুষদভিত্তিক ভর্তির বিষয়সমূহের মধ্যে স্কুল অব এডুকেশনে শিক্ষাবিজ্ঞান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষণ, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষণ, সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষণ এবং বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষণ।

সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ইংরেজি, ইসলামিক স্টাডিজ, ইতিহাস, দর্শন, সমাজতত্ত্ব, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ এবং অর্থনীতি।

ওপেন স্কুলে ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ইংরেজি, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং এবং উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ।

স্কুল অব বিজনেসে ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং, ইকোনমিকস, ফাইন্যান্স এবং মার্কেটিং। কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলে কৃষিতত্ত্ব, কীটতত্ত্ব, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা, অ্যাকুয়াকালচার, পোলট্রি সায়েন্স এবং কৃষি পরিবেশ।

স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে বায়ো অ্যাকটিভ ন্যাচারাল প্রোডাক্টস, ডায়েট অ্যান্ড ডিজিস, ফুড সেফটি এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। সিএসইর অধীন রয়েছে এআই ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি অ্যাপ্লিকেশনস, লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলস বা এলএলএম অ্যান্ড জেনারেটিভ এআই এবং ট্রাস্টওয়ার্দি অ্যান্ড রেসপনসিবল এআই।

ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা

স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম চার বছরমেয়াদি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীগণ বাউবির এমফিল এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন।

প্রার্থীকে অবশ্যই এসএসসি বা সমমান থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সব পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বরসহ দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ/সিজিপিএ ৫-এর মধ্যে ৩.৫ এবং ৪-এর মধ্যে ৩ পেতে হবে।

স্বাস্থ্য পেশাজীবী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্পর্কিত পেশাগত ডিগ্রিতে পাস মার্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া এমফিল ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য রাখা হয়েছে।

আবেদন ফি

এমফিল প্রোগ্রামের জন্য ১৫০০ টাকা, পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য ২০০০ টাকা আবেদন ফি জনতা ব্যাংক পিএলসির যেকোনো শাখায় জমা দেওয়া যাবে।

আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

নির্ধারিত আবেদনপত্র আবশ্যিকভাবে কম্পিউটারে কম্পোজ করে জমা দিতে হবে, কোনো অবস্থাতেই হাতে লেখা আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য নয়। আবেদনপত্রের সঙ্গে বিশেষ কিছু কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। বাউবির নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত এবং প্রস্তাবিত গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও সহ-তত্ত্বাবধায়কের (যদি থাকে) স্বাক্ষরসহ এক কপি গবেষণা প্রস্তাব যুক্ত করতে হবে।

সব একাডেমিক নম্বরপত্র ও সনদের সত্যায়িত অনুলিপি, পিয়ার রিভিউড স্বীকৃত গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধের অনুলিপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) জমা দিতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি, ব্যাংকে টাকা জমার মূল রসিদ, জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি জমা দিতে হবে।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য আবেদন আহ্বান মেয়াদ ২ নভেম্বর ২০২৬।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও যোগাযোগের ঠিকানা

আবেদন প্রেরণের শেষ সময় ২ নভেম্বর ২০২৬। অসম্পূর্ণ কিংবা নির্ধারিত সময়ের পরে প্রাপ্ত আবেদনপত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে। আবেদন পাঠানোর ঠিকানা সংশ্লিষ্ট স্কুলের কার্যালয়ে সরাসরি অথবা কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। প্রয়োজনে ০১৭১২৫৫১৫৯৭, ০১৯২৬০০১৭৪৩ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

*বিস্তারিত তথ্যের জন্য বাউবির ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
হামে আরো ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪২৮
হামে আরো ৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪২৮

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ৪০ শিশু। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ১০৪ শিশু।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
নিরাপদ পানি সরবরাহে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

নিরাপদ পানি সরবরাহে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

রমজানে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মুনাফা বরদাশত নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

রমজানে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মুনাফা বরদাশত নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়াল তৃতীয় সপ্তাহে

ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গড়াল তৃতীয় সপ্তাহে

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য খুবির ১২ শিক্ষার্থী মনোনীত
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য খুবির ১২ শিক্ষার্থী মনোনীত

উচ্চশিক্ষায় কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ১২ শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে পাহাড়ে বসছে দুই সেনা ক্যাম্প

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে পাহাড়ে বসছে দুই সেনা ক্যাম্প

বিনামূল্যে ১০ লাখ ছানি অপারেশন করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিনামূল্যে ১০ লাখ ছানি অপারেশন করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

পুতিনের জন্মদিনে ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৩২

পুতিনের জন্মদিনে ইউক্রেনে ভয়াবহ হামলা, নিহত ৩২

ফ্যাসিবাদী আমলে না লিখলেও পাস করাতে বাধ্য করা হতো
ফ্যাসিবাদী আমলে না লিখলেও পাস করাতে বাধ্য করা হতো

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে চরমভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
১৫ অক্টোবর থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

১৫ অক্টোবর থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন ন্যাশনাল ব্যাংকের গ্রাহকরা

আমি অবশ্যই অভিনয়ে ফিরতে চাই: তানিয়া বৃষ্টি

আমি অবশ্যই অভিনয়ে ফিরতে চাই: তানিয়া বৃষ্টি

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৮ গ্রেপ্তার

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৮ গ্রেপ্তার

0 Comments