জাতীয়

শুধু অক্ষরজ্ঞান নয়, চাই আর্থিক সাক্ষরতাও

News সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ 0
শুধু অক্ষরজ্ঞান নয়, চাই আর্থিক সাক্ষরতাও
শুধু অক্ষরজ্ঞান নয়, চাই আর্থিক সাক্ষরতাও

আজ ৮ সেপ্টেম্বর। বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ইউনেসকো ১৯৬৬ সালে দিবসটি প্রবর্তন করে, আর ২০২৬ সালে এই আয়োজন পা রাখছে ষাট বছরে। এবারের প্রতিপাদ্য—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’।

প্রতিপাদ্যটি স্পষ্ট বার্তা দেয়: সাক্ষরতা কেবল পড়তে-লিখতে পারার দক্ষতা নয়, এটি একটি জাতির অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ, টেকসই উন্নয়ন ও জীবিকার সুযোগ বিস্তারের হাতিয়ার।

২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নের শেষ ধাপে দাঁড়িয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় এখন হিসাব কষছে—গত এক দশকে সাক্ষরতার অগ্রগতি কতখানি হলো, আর কতখানি বাকি রয়ে গেল।

এই হিসাবের মধ্যে একটি প্রশ্ন প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়। তা হলো, শুধু পড়তে-লিখতে জানাই কি যথেষ্ট, নাকি নিজের উপার্জিত অর্থ বুদ্ধিদীপ্তভাবে ব্যবস্থাপনা করার সক্ষমতাও সমান জরুরি?

দিবসটি ঘিরে তাই সময় এসেছে সাক্ষরতা ও আর্থিক সাক্ষরতাকে একসঙ্গে বিচার করার।

বৈশ্বিক পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালে বিশ্বে ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার প্রায় ৮৮ শতাংশ, ২০১৫ সালের ৮৬ শতাংশ থেকে যা সামান্য বেড়েছে।

তারপরও প্রায় ৭৪০ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ এখনো মৌলিক সাক্ষরতা থেকে বঞ্চিত, যাদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের বাস সাব-সাহারান আফ্রিকা ও মধ্য-দক্ষিণ এশিয়ায়।

এশিয়া মহাদেশের চিত্র এক নয়। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রায় সর্বজনীন সাক্ষরতার কাছাকাছি পৌঁছেছে, অথচ মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া এখনো পিছিয়ে, যদিও এই অঞ্চল ২০১৫ সালের ৭২ শতাংশ থেকে ২০২৪ সালে ৭৭ শতাংশে পৌঁছে সবচেয়ে দ্রুত অগ্রগতির স্বাক্ষর রেখেছে।

দক্ষিণ এশিয়াতেই এখনো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি (প্রায় সাড়ে তিন কোটির বেশি) নিরক্ষর মানুষের বাস।

পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৮১ সালে দেশের সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ৪০ শতাংশের কাছাকাছি।

চার দশকের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় ২০২২ সালে তা ৮১ শতাংশে ওঠে, যদিও সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে—বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে—হারটি কখনো ৭৬, কখনো ৭৮ শতাংশের ঘরে ওঠানামা করেছে, যা প্রশ্ন তোলে পরিমাপ পদ্ধতি ও ধারাবাহিকতা নিয়ে।

বিগত দুই দশকে অগ্রগতি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু গতি প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। এর পেছনে কাজ করছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী, স্কুল-বহির্ভূত শিশু, প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা-অবকাঠামোর ঘাটতি এবং নারী-পুরুষ সাক্ষরতার ব্যবধান—বর্তমানে যা প্রায় চার শতাংশ পয়েন্টের।

ফলে এখনো দেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মানুষ মৌলিক সাক্ষরতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন।

এই ঘাটতি সরাসরি প্রভাব ফেলছে আর্থিক সাক্ষরতায়। যিনি স্বাক্ষর দিতে পারেন না, তিনি ব্যাংক ফরম বুঝবেন কীভাবে, ঋণচুক্তির শর্ত পড়বেন কীভাবে, কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এসএমএস বার্তা যাচাই করবেন কীভাবে?

গত এক দশকে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির গতি নজরকাড়া—মোবাইল আর্থিক সেবার গ্রাহক এখন প্রায় ২৪ কোটি, ব্যাংক হিসাবধারীর হারও অর্ধেকের বেশি। কিন্তু অ্যাকাউন্ট থাকা মানেই ব্যবহারে দক্ষতা নয়।

বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ ব্যবহারকারী শুধু টাকা পাঠানো বা রিচার্জের বাইরে যেতে পারেন না; ক্ষুদ্রবিমা, সঞ্চয়পত্র, ডিজিটাল ডিপিএস বা মিউচুয়াল ফান্ডের মতো ধারণা তাঁদের কাছে এখনো অচেনা।

সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সচিবালয়ে।

যিনি বর্ণ চেনেন না, তিনি প্রতারণামূলক এমএলএম প্রকল্প বা ই-কমার্স স্ক্যামের ফাঁদও ঠিক ততটাই সহজে চিনবেন না—আর বাস্তবে প্রতিবছর সাধারণ মানুষের সঞ্চয় খোয়া যাওয়ার যেসব খবর গণমাধ্যমে আসে, তার মূলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই থাকে এই দ্বিমুখী অজ্ঞতা।

নারী-পুরুষ ব্যবধানও লক্ষণীয়; দেশের অর্থনীতিতে নারীর অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও পারিবারিক আর্থিক সিদ্ধান্তে তাঁদের কণ্ঠস্বর এখনো সীমিত, আর তার একটি বড় কারণ শিক্ষা-সাক্ষরতায় থেকে যাওয়া লিঙ্গবৈষম্য।

তাই আর্থিক সাক্ষরতার ঘাটতি মেটাতে চাইলে মৌলিক সাক্ষরতার ভিত মজবুত করা ছাড়া উপায় নেই।

এটি ধাপে ধাপে এগোনোর বিষয়—আগে বর্ণ চেনা, পড়া-লেখা রপ্ত করা, তারপরই সংখ্যাজ্ঞান ও আর্থিক ধারণা বোঝার সক্ষমতা তৈরি হয়।

যেসব দেশ শিক্ষার প্রাথমিক স্তরেই বিনিয়োগ করেছে, তারাই পরবর্তীতে দ্রুত আর্থিক সাক্ষরতায় এগিয়ে গেছে।

উদাহরণ হিসেবে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর কথা বলা যায়—যেখানে সর্বজনীন সাক্ষরতার পাশাপাশি স্কুলপাঠ্যক্রমেই বাজেট, সঞ্চয়, কর ও ঋণ ব্যবস্থাপনা শেখানো হয়।

জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরেও শিশুরা প্রাথমিক স্তর থেকেই অর্থ ব্যবস্থাপনার পাঠ পায়। আঞ্চলিকভাবে শ্রীলঙ্কাও একটি দৃষ্টান্ত।

তুলনামূলক উঁচু সাক্ষরতার হার দেশটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ আর্থিক সাক্ষরতার আসনে পৌঁছে দিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য তাই করণীয় স্পষ্ট।

প্রথমত, বাংলাদেশ ব্যাংক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিএসইসি ও আইডিআরএ-কে সমন্বয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় আর্থিক সাক্ষরতা কৌশলপত্র প্রণয়ন করা দরকার, যার ভিত্তি হবে মৌলিক সাক্ষরতা কর্মসূচির সঙ্গে সংযুক্তি।

দ্বিতীয়ত, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে বাজেট, ব্যাংকিং ও সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত বাস্তবভিত্তিক বিষয় যুক্ত করা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সাক্ষরতা কার্যক্রমের সঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সচেতনতা কর্মসূচি সংযুক্ত করলে একই সঙ্গে দুই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

চতুর্থত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিংয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর কথাও আলাদাভাবে ভাবতে হবে, যে প্রসঙ্গে আরও একটু বিস্তারিত বলা দরকার।

পঞ্চমত, ডিজিটাল গেমিফিকেশনের মাধ্যমে তরুণদের জন্য এমন অ্যাপ তৈরি করা যেতে পারে, যেখানে অনুকরণীয় বিনিয়োগ বা বাজেট পরিকল্পনা অনুশীলন করা যায়।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) হিসাব অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী প্রাপ্তবয়স্কদের মৌলিক সাক্ষরতার হার মাত্র ৩ শতাংশ, আর প্রতিবন্ধী নারীদের ক্ষেত্রে তা নেমে দাঁড়ায় মাত্র ১ শতাংশে—সাধারণ জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার তুলনায় যা প্রায় কল্পনাতীত রকম কম।

ষষ্ঠত, ঋণগ্রহীতাদের জন্য বাধ্যতামূলক আর্থিক পরামর্শ কার্যক্রম চালু করা দরকার, যাতে তাঁরা ঋণফাঁদ এড়িয়ে অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করতে পারেন।

সপ্তমত, তৃণমূলে বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য ‘কমিউনিটি ফাইন্যান্সিয়াল ক্লিনিক’ গড়ে তোলা যায়, যেখানে স্থানীয় ব্যাংক শাখা ও এনজিও যৌথভাবে কাজ করবে; জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলও নিয়মিত ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করে এই আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে পারে।

এই প্রসঙ্গে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কথা আলাদাভাবে না বললে আলোচনাটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) হিসাব অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে প্রতিবন্ধী প্রাপ্তবয়স্কদের মৌলিক সাক্ষরতার হার মাত্র ৩ শতাংশ, আর প্রতিবন্ধী নারীদের ক্ষেত্রে তা নেমে দাঁড়ায় মাত্র ১ শতাংশে—সাধারণ জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার তুলনায় যা প্রায় কল্পনাতীত রকম কম।

ইউনেসকোর এশিয়া-প্যাসিফিক বিশ্লেষণ বলছে, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী নারীরা গড়ে দুই বছরেরও কম সময় বিদ্যালয়ে কাটান, যেখানে সার্বিক জনগোষ্ঠীর গড় শিক্ষাবর্ষ তার চেয়ে অনেক বেশি।

ইউনিসেফর সহায়তায় বিবিএস পরিচালিত জাতীয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তি জরিপ (এনএসপিডি) ২০২১ বলছে, দেশের প্রতিবন্ধী শিশুদের মধ্যে মাত্র ৬৫ শতাংশ প্রাথমিক ও ৩৫ শতাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নথিভুক্ত—অর্থাৎ প্রতি দশজনে ছয়জন প্রতিবন্ধী শিশুই এখনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী দেশে অন্তত এক ধরনের প্রতিবন্ধিতাসম্পন্ন মানুষের হার মোট জনসংখ্যার ১.৪৩ শতাংশ, সংখ্যায় যা প্রায় ২৪ লাখ; সমাজসেবা অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা এখন প্রায় ৩৮ লাখে পৌঁছেছে।

এই বিপুল জনগোষ্ঠী মূলধারার শিক্ষা ও আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে থেকে গেলে জাতীয় সাক্ষরতা কিংবা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি—কোনোটিই প্রকৃত অর্থে সম্পূর্ণ হবে না।

তাদের আর্থিক সাক্ষরতায় সক্ষম করে তুলতে হলে প্রথম ধাপেই দরকার প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী উপযোগী মৌলিক সাক্ষরতা উপকরণ তৈরি করা—দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল ও অডিও বই, শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ভিডিও, আর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বা অটিজম-আক্রান্তদের জন্য সহজবোধ্য চিত্রনির্ভর শিক্ষা উপকরণ।

এখানে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত প্রাইম ব্যাংক—দেশের ব্যাংকিং খাতে প্রথমবারের মতো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিং বিষয়ক ব্রেইল বই প্রকাশ করেছে, যা বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে, পাশাপাশি সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ভিডিও সংস্করণও যুক্ত হয়েছে।

এই মডেল দেশের অন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও অনুসরণ করতে পারে। পাশাপাশি প্রতিটি শাখায় প্রতিবন্ধী-বান্ধব কাউন্টার, স্ক্রিন-রিডার সহায়ক মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ এবং বিশেষায়িত স্কুল-কেন্দ্রিক আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা চালু করা প্রয়োজন।

বিশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিবন্ধী অধিকার সংগঠন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে পাঠ্যক্রম তৈরি করলে মৌলিক সাক্ষরতা অর্জনের সঙ্গে সঙ্গেই বাজেট, সঞ্চয় ও নিরাপদ লেনদেনের ধারণাও একই সঙ্গে শেখানো সম্ভব।

এভাবেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা কেবল সাক্ষরই নন, বরং আর্থিকভাবে স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন।

সবশেষে বলা যায়, চ্যালেঞ্জ যত বড়ই হোক, বাংলাদেশের অর্জনও কম নয়। চার দশক আগে যে দেশে দশজনের মধ্যে ছয়জনই ছিলেন নিরক্ষর, সেই দেশ আজ সাক্ষরতার হারে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যম সারিতে দাঁড়িয়েছে।

মোবাইল ও ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্ময়কর সম্প্রসারণ প্রমাণ করে, বাংলাদেশের মানুষ নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে পিছপা হয় না—প্রয়োজন শুধু সঠিক দিকনির্দেশনা ও ধারাবাহিক বিনিয়োগ।

সাক্ষরতা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বর্ণ চেনা থেকে শুরু হওয়া যাত্রাটির প্রকৃত গন্তব্য হলো একজন মানুষের অর্থনৈতিক আত্মমর্যাদা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।

সেই যাত্রা দীর্ঘ হলেও অসম্ভব নয়—বরং প্রতিটি নতুন উদ্যোগ, প্রতিটি ব্রেইল বই বা পাঠ্যক্রম সংস্কার আমাদের সেই আলোকিত ভবিষ্যতের কাছাকাছি নিয়ে যায়, যেখানে সাক্ষরতা ও সচ্ছলতা একসঙ্গে হাঁটবে।

  • এম এম মাহবুব হাসান, ব্যাংকার, উন্নয়ন গবেষক ও লেখক।

* মতামত লেখকের নিজস্ব।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকছেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী
ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকছেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে চ্যান্সেলর হিসেবে সভাপতিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার 

মাদকসেবী অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার 

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট একাই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত

ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

ভাইয়ের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

0 Comments