জাতীয়

প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘বন ভয়াজ’: এক টেবিলে বিশ্বের স্বাদ

News সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ 0
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘বন ভয়াজ’: এক টেবিলে বিশ্বের স্বাদ
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘বন ভয়াজ’: এক টেবিলে বিশ্বের স্বাদ

বিশ্ব পর্যটন দিবস সামনে রেখে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় এমনই এক স্বাদভ্রমণের আয়োজন করেছে। ‘বন ভয়াজ: আ টেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ নামের বিশেষ ডিনার বুফেতে একই ছাদের নিচে জায়গা পেয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খাবার ও রান্নার ঐতিহ্য।

ভ্রমণ মানেই সব সময় বিমানে চড়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছুটে যাওয়া নয়। কখনো কখনো কোনো খাবারের স্বাদও আমাদের নিয়ে যেতে পারে বহু দূরের কোনো দেশ, তার মানুষ, সংস্কৃতি আর ইতিহাসের কাছে। কোনো রেস্তোরাঁর টেবিলে বসে ইতালির পাস্তা, ইরানের কাবাব, জাপানের ইয়াকিতোরি কিংবা মেক্সিকোর ভিন্ন স্বাদের খাবার চেখে দেখার অভিজ্ঞতাও তাই একধরনের ভ্রমণ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা

আর এই আবহ উপভোগ করা যায় প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকার চলমান আয়োজনে। যেখানে ইতালি, ফ্রান্স, জাপান, চীন, মেক্সিকো, স্পেন, ভারত, ইরান, বাংলাদেশ, ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশের খাবার সাজানো হয়েছে আলাদা আলাদা স্টেশনে। ফলে পুরো আয়োজনকে শুধু বুফে বললে কিছুটা কম বলা হয়। খাবারের স্টেশন ধরে এগোতে এগোতে মনে হয়, এক সন্ধ্যায়ই যেন কয়েকটি দেশের রান্নাঘরে ঘুরে আসা হচ্ছে।
‘বন ভয়াজ: আ টেস্ট অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ শিরোনামের এ উৎসব শুরু হয়েছে ১৬ সেপ্টেম্বর। হোটেলের ক্যাফে বাজার রেস্তোরাঁয় এ আয়োজন চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল পাঁচটা থেকে। এ জন্য জনপ্রতি দিতে হবে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

খাবারের টেবিলেই এক বিশ্বভ্রমণ

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের পক্ষ থেকে অতিথিদের স্বাগত জানানো হয়। হোটেল কর্তৃপক্ষের ভাবনাটিও বেশ সুন্দর। খাবার শুধু স্বাদের বিষয় নয়, একটি দেশের খাবারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনযাপন। সেই বৈচিত্র্য খাবারের মাধ্যমে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

সজ্জাতেও ছিল সেই আবহ

বিভিন্ন দেশের খাবারকে আলাদা করে তুলে ধরতে ক্যাফে বাজারে সাজানো হয়েছে বেশ কয়েকটি স্টেশন। কন্টিনেন্টাল ক্ল্যাসিক, বাংলাদেশি হেরিটেজ, লাইভ সালাদ বার, সাব্রেসো ডি মেক্সিকো, স্প্যানিশ স্প্লেন্ডার, মুঘল দরবার, চায়নিজ স্টেশন, জাপানিজ কর্নার এবং পার্সিয়ান ডেলিকেসি। নামের মধ্যেই যেন প্রতিটি স্টেশনের নিজস্ব গল্প।
সব দেশ বিমানে চড়ে ঘুরে দেখা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু খাবারের মাধ্যমে সেই দেশের স্বাদ ও খাদ্য সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে খুব সহজেই। ‘বন ভয়াজ’ সেই অভিজ্ঞতাটিই দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

স্যুপ দিয়ে শুরু

মরোক্কান স্টাইলে ল্যাম্ব হারিসা স্যুপ এবং ফরাসি রন্ধনশৈলীর রোস্টেড পাম্পকিন স্যুপ ছিল শুরুতেই মনোযোগ কাড়ার মতো।

ল্যাম্ব হারিসায় ছিল মাংস ও মসলার গভীর স্বাদ, আর রোস্টেড পাম্পকিন স্যুপ ছিল তুলনামূলক নরম, মোলায়েম ও ক্রিমি। ক্রিমি সুপের সঙ্গে সামান্য বাটার যোগ করলে এর স্বাদ আরও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। যাঁরা মোলায়েম ও আরামদায়ক স্বাদের স্যুপ পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি বেশ উপভোগ্য হতে পারে।

স্যুপের পর অবশ্য আর থামার সুযোগ নেই। সামনে তখন একের পর এক নানা দেশের খাবার।

ব্রিটিশ ডিশ বিফ ওয়েলিংটন

লাইভ স্টেশনের সামনে গিয়ে প্রথমেই চোখ আটকে যায় ব্রিটিশ ডেলিকেসি বিফ ওয়েলিংটনে। খাবারটির নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাসও। বিফ ওয়েলিংটন নামটি ১৮১৫ সালের ওয়াটারলু যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে পরাজিত করা ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলি, প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটনের নাম থেকে এসেছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়।

বিফ ওয়েলিংটন

তবে এর নামকরণ নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। কারও মতে, এটি ডিউক অব ওয়েলিংটনের পছন্দের খাবার ছিল। আবার কেউ মনে করেন, খাবারটির সোনালি বাদামি আবরণ দেখতে ওয়েলিংটন বুটের মতো হওয়ায় এমন নাম। আরেকটি মত হলো, ফরাসি খাবার ফিলে দ্য বফ আঁ ক্রুত থেকে ব্রিটিশ পরিচয়ে ‘বিফ ওয়েলিংটন’ নামটির প্রচলন।

ক্ল্যাসিক বিফ ওয়েলিংটনে নরম টেন্ডারলয়েনের মাঝের অংশে মাস্টার্ড মাখিয়ে তার চারপাশে মাশরুমের ডিউক্সেল ও প্রসিউটো জড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর পুরো মাংসকে সোনালি পাফ পেস্ট্রি শিটে মুড়িয়ে বেক করা হয়।

প্লেটে নেওয়ার পর প্রথম কাটেই বাইরের পেস্ট্রির খসখসে স্তর আর ভেতরের কোমল মাংসের পার্থক্য বোঝা যায়। সঙ্গে ছিল ক্রিমি প্যাপ্রিকর্ন সস। সব মিলিয়ে এটি এমন একটি পদ, যার স্বাদ মুখে থাকার পাশাপাশি খাবারের টেবিলে একটি আলাদা আনন্দও তৈরি করে।

পেকিং ডাক

এরপর উপভোগ্য হতে পারে চীনের ক্ল্যাসিক পেকিং স্টাইল রোস্টেড ডাক। হাঁসের মাংসের নিজস্ব স্বাদ ও রোস্ট করার ধরনটি বেশ ভালো লেগেছে।

মাটনের পায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের স্বাদ

কাওয়ারা

পাশেই ছিল মাটন পায়া। আমাদের পরিচিত এই পদটির মধ্যপ্রাচ্যেও নিজস্ব পরিচয় রয়েছে। সেখানে এটি কাওয়ারা বা কাওয়ারেহ নামে পরিচিত।
ঘি, আদা, পেঁয়াজের বেরেস্তা আর মাটনের হাড়ের ভেতরের নরম মজ্জা। এই কয়েকটি উপাদান একসঙ্গে মিশে যে গভীর স্বাদ তৈরি করে, সেটি সহজে ভোলার নয়। যাঁরা মাটনের পায়া পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে এই পদটি আলাদা করে ভালো লাগতে পারে।

মিসরীয় দোলমায় আর আলী সাহেবের স্মৃতি

মিসরীয় দোলমা সামনে আসতেই আমার মনে পড়ে যায় প্রিয় লেখক, খাদ্যরসিক ও পরিব্রাজক সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘জলে ডাঙায়’ ভ্রমণকাহিনির একটি খাবারের বর্ণনা।
মিসরে খাবারের অভিজ্ঞতা লিখতে গিয়ে তিনি বর্ণনা করেছিলেন এমন একধরনের ভরা শসার কথা। শসার ভেতরে ছিল পোলাও, কিমা, টমেটো ও দেশি পনির। তাঁর চোখে সেটি হয়ে উঠেছিল একসঙ্গে কয়েক স্বাদের অসাধারণ খাবার। আমাদের মাছ কিংবা পটোলের দোলমার সঙ্গে যার মূল ভাবনার মিল রয়েছে।

মিশরিয় দোলমা

সোনারগাঁওয়ের দোলমা অবশ্য শসা দিয়ে নয়, বেবি ক্যাবেজ দিয়ে তৈরি। ফলে পরিচিত দোলমার সঙ্গে এর পার্থক্য বেশ স্পষ্ট। ভেতরের পুর আর সবজির মেলবন্ধনে এটি ছিল আলাদা ধরনের একটি পদ, যা স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি খাবারের সংস্কৃতির বৈচিত্র্য নিয়েও ভাবায়।

এক টেবিলে মেক্সিকো থেকে ইতালি

স্প্যানিশ স্টাইল গার্লিক প্রন, মেক্সিকান রাইস, বিফ ফাহিতাস, ইতালীয় চিকেন মিলানেজ, জিরা রাইস, পেনে পাস্তা আরাবিয়াতা এবং বিফ লাজানিয়া—নানা স্বাদের সম্ভার।

স্প্যানিশ গার্লিক প্রন

ফরাসি খাবারের মধ্যে ছিল Coq au Vin, অর্থাৎ ওয়াইনে রান্না করা চিকেন। ইতালীয় খাবারের তালিকায় ছিল গ্রাতিন দফিনোয়া। চীনা স্টেশনে কুং পাও চিকেন ও সুইট অ্যান্ড সাওয়ার চিকেন, জাপানিজ কর্নারে চিকেন ইয়াকিতোরি, টেরিয়াকি ভেটকি ও চিকেন গয়োজা ছিল উল্লেখযোগ্য।

বিফ ফাহিতাস

প্রতিটি খাবারের স্বাদ এক রকম নয়, সেটিই স্বাভাবিক। বরং এ আয়োজনের সৌন্দর্য এখানেই যে একই টেবিলে দাঁড়িয়ে স্বাদের এত বৈচিত্র্যের মুখোমুখি হওয়া যায়। কোথাও মসলার ঝাঁজ, কোথাও সসের মিষ্টি ও টক স্বাদ, কোথাও আবার মাংসের নিজস্ব স্বাদকে সামনে রাখা হয়েছে।
এই বিশাল আয়োজনের পেছনে স্যু শেফ আরশাদ আলীর নেতৃত্বে রান্নাঘরের পুরো দলটির পরিশ্রমের কথা বলতেই হয়। এতগুলো দেশের খাবারকে একই আয়োজনে তুলে ধরা নিঃসন্দেহে বড় একটি কাজ।

পার্সিয়ান ডেলিকেসির আকর্ষণ

পার্সিয়ান ডেলিকেসির আছে আলাদা আকর্ষণ। ইরানের খাদ্য সংস্কৃতির ইতিহাস দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ। সেই ঐতিহ্যের কিছু স্বাদ পাওয়া যায় কাবাব কোবিদেহ, কাবাব সোলতানি ও জোজেহ কাবাবের মতো পদে। তিন ধরনের কাবাবের স্বাদেই মেলে আলাদা বৈশিষ্ট্য।
এর সঙ্গে ছিল বিভিন্ন ধরনের ভাত, হার্ব, জলপাই তেল ও সবজির পরিবেশন। মসলার পরিমিত ব্যবহারেই, স্বাদে ছিল গভীরতা। ইরানি রান্নার সৌন্দর্য অনেকটা এখানেই। খুব বেশি উপকরণ দিয়ে স্বাদকে ভারী না করে, কয়েকটি উপাদানকে নিজেদের স্বাদে কথা বলতে দেওয়া।

পারস্যের কাবাব

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরান দূতাবাসের প্রথম কাউন্সেলর ও উপপ্রধান মিশন ইসরাফিল আমির এ আয়োজনে ইরানি খাবার অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে কাবাব সোলতানি নিয়ে নিজের আগ্রহের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

খাবারের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ

আয়োজনের অংশীদারদের মধ্যেও খাবার ও সংস্কৃতির এই সম্পর্কের কথাই উঠে এসেছে। এনসিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, খাবার ও পর্যটন মানুষের সঙ্গে মানুষের, সংস্কৃতির সঙ্গে সংস্কৃতির এবং দেশের সঙ্গে দেশের যোগাযোগ তৈরি করে। ভ্রমণের পাশাপাশি খাবারের মাধ্যমেও বিভিন্ন সংস্কৃতিকে কাছ থেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়।
মাংস সরবরাহ সহযোগী হিসেবে রয়েছে কোয়ালিটি ইন্টেগ্রেটেড অ্যাগ্রো। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজায়ার হাফিজ নিরাপদ ও মানসম্মত মাংস সরবরাহকে তাঁদের কাজের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
আয়োজনের অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে এনসিসি ব্যাংক, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং কোয়ালিটি ইন্টেগ্রেটেড অ্যাগ্রো।
এ আয়োজনে কেবল স্বাদ উপভোগ নয়, মালদ্বীপ ভ্রমণের সুযোগও আছে। দুজন বিজয়ী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে পাবেন ঢাকা-মালদ্বীপ-ঢাকার বিমান টিকিট।

শেষটায় মিষ্টিমুখ

যেকোনো আয়োজনেরই শেষ হয় মিষ্টিতে। এ যাত্রায়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বরং শেষটাও একটা গল্প দিয়েই হতে পারে।
নানা ধরনের মিষ্টির পদ সামনে সাজানো। আর সেখানেই আবার মনে পড়ে গেল সৈয়দ মুজতবা আলীর কথা। ‘জলে ডাঙায়’ তিনি বাঙালির খাবারের স্বাদ নিয়ে লিখেছিলেন, ‘আমাদের খাবারে তেতো, নোনতা, ঝাল, টক ও মিষ্টি—এই পাঁচ ধরনের স্বাদের উপস্থিতি রয়েছে। ইংরেজদের খাবারে ঝাল ও টকের ব্যবহার কম, তেতো স্বাদেরও তেমন প্রচলন নেই বলে তিনি রসিকতার সঙ্গে ইংরেজি রান্নাকে বাঙালির চোখে কিছুটা পানসে বলে বর্ণনা করেছেন। তবে কেক, পেস্ট্রি ও পুডিংয়ের ক্ষেত্রে ইংরেজদের দক্ষতার কথাও স্বীকার করেন তিনি।

নানা স্বাদের মিষ্টি

খাবার নিয়ে এমন লেখাই আসলে খাবারকে শুধু খাবার থাকতে দেয় না। একটি পদ থেকে চলে যাওয়া যায় একটি দেশ, একটি সংস্কৃতি কিংবা একটি পুরোনো গল্পের কাছে।
শেষ পর্যন্ত ‘বন ভয়াজ’ কেমন?
এক সন্ধ্যায় পৃথিবীর এতগুলো দেশের খাবারের স্বাদ–অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে অনন্য। তবে এ আয়োজনের সবচেয়ে ভালো লাগার জায়গা শুধু খাবারের সংখ্যা নয়; বরং প্রতিটি স্টেশন মনে করিয়ে দেয় খাবারেরও আছে ভ্রমণকাহিনি।

ছবি: হাল ফ্যাশন

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
ছুটির দিনে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ছুটির দিনে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে আকাশ ছিল মেঘলা।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
কে পাচ্ছেন মেসির ১০ নম্বর জার্সি

কে পাচ্ছেন মেসির ১০ নম্বর জার্সি

কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু

কারাগারে খাবার গলায় আটকে হাজতির মৃত্যু

মাছ ধরা নিয়ে বিরোধে মিঠামইনে সংঘর্ষ, আহত ৩০

মাছ ধরা নিয়ে বিরোধে মিঠামইনে সংঘর্ষ, আহত ৩০

বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিক আঘাতের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বদলাতে হবে নগর পরিকল্পনার ধরন: বিআইপি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বদলাতে হবে নগর পরিকল্পনার ধরন: বিআইপি

এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী

এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী

গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 
পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 

এদিকে ক্রমাগত এই শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশের সামাজিক জীবন চরম নির্মমতা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের দিকে চলে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গবেষক ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন এসব শিশু টিকে থাকার লড়াই কিংবা অপরাধী চক্রের প্ররোচনায় চুরি, ছিনতাই, ভিক্ষাবৃত্তিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে সামাজিক জীবনে মানুষকে নানামুখী হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

0 Comments