জাতীয়

প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় অর্ধেক কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন

News সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ 0
প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় অর্ধেক কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন
প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় অর্ধেক কৃষক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন

ধানের খেত, সবজির খেত কিংবা ফলের বাগান; সবখানেই পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে এখন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ফসল রক্ষার এই রাসায়নিক উপাদানগুলো কৃষকের নিজেদের জন্যই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর বিশ্বের প্রায় ৪৬ শতাংশ কৃষক ও কৃষিশ্রমিক অনিচ্ছাকৃতভাবে তীব্র কীটনাশক বিষক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন।

বাংলাদেশেও গত কয়েক দশকে কীটনাশকের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে। ১৯৭২ সালে দেশে বছরে প্রায় ৪ হাজার টন কীটনাশক ব্যবহার করা হতো। ২০২২ সালে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪০ হাজার টনে! অর্থাৎ পাঁচ দশকে এর ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। সাম্প্রতিক সময়েও এই বৃদ্ধির হার বেশ উদ্বেগজনক। ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০২৩ সালে দেশে প্রায় ৩৯ হাজার ১৫৭ টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। ধান, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনেই এসব কীটনাশক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশে গত কয়েক দশকে কীটনাশকের ব্যবহার বহুগুণ বেড়েছে

কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর বাজারও বড় হচ্ছে। বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে কীটনাশকের বাজারের আকার প্রায় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল বাজারের বড় অংশই আবার আমদানিনির্ভর। দেশের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ কীটনাশকই বিদেশ থেকে আসে, যেখানে স্থানীয় উৎপাদনকারীদের অংশ খুবই সামান্য।

এইসব কীটনাশক কৃষকের জন্য ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। অনেক সময় কৃষকেরা জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের সময় মাস্ক, গ্লাভসের মতো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসামগ্রী ব্যবহার করেন না। ফলে জমিতে কীটনাশক ছিটানোর সময় তাঁরা সরাসরি এই বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসেন।

১৯৭২ সালে দেশে বছরে প্রায় ৪ হাজার টন কীটনাশক ব্যবহার করা হতো। ২০২২ সালে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪০ হাজার টনে! অর্থাৎ পাঁচ দশকে এর ব্যবহার বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ।

নতুন গবেষণায় কীটনাশকের প্রভাব

বাংলাদেশের এই বিপৎজনক চিত্রের সঙ্গে পুরো বিশ্বের পরিস্থিতিই মিলে যায়। ২০০৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পাওয়া বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণা করা হয়েছে। এই গবেষণাটি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক নামে একটি আন্তর্জাতিক জোট। বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশে এই জোট কাজ করে। এদের সঙ্গে যুক্ত আছে ৬০০-এরও বেশি এনজিও, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি।

গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, প্রতিবছর বিশ্বের কৃষক ও কৃষিশ্রমিকদের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অনিচ্ছাকৃতভাবে তীব্র কীটনাশক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন। বিশ্বে মোট কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৯৩ কোটি ৪০ লাখ ধরে হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতিবছর প্রায় ৪৬ শতাংশ কৃষকই এই বিষক্রিয়ার শিকার হচ্ছেন! এখানে ‘তীব্র কীটনাশক বিষক্রিয়া’ বলতে কীটনাশকের সংস্পর্শে আসার অল্প সময়ের মধ্যে দেখা দেওয়া যেকোনো অসুস্থতা বা শারীরিক সমস্যাকে বোঝানো হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে আমাদের এই দক্ষিণ এশিয়ায়। এরপরই রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পূর্ব আফ্রিকা। একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি কৃষক ও কৃষিশ্রমিক কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোয়। সেখানকার প্রায় ৮৪ শতাংশ কৃষক ও কৃষিশ্রমিকই এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন।

গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, প্রতিবছর বিশ্বের কৃষক ও কৃষিশ্রমিকদের মধ্যে প্রায় ৪০ কোটি ২০ লাখ থেকে ৪৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অনিচ্ছাকৃতভাবে তীব্র কীটনাশক বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন।

গবেষণাটি সম্প্রতি ফ্রন্টিয়ার্স ইন পাবলিক হেলথ বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় বিশ্বে আনুমানিক ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এর প্রায় ৬০ শতাংশ মৃত্যুই ঘটে প্রতিবেশী দেশ ভারতে।

পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক জয়কুমার চেলাটন বলেন, ‘এই গবেষণা এমন এক সংকটের চিত্র সামনে এনেছে, যাকে আর উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।’ গবেষণাপত্রের লেখকেরা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো, জাতিসংঘের একটি সুপারিশ বাস্তবায়ন করা। ওই সুপারিশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশকের ব্যবহার ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিবছর কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় বিশ্বে আনুমানিক ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এর প্রায় ৬০ শতাংশ মৃত্যুই ঘটে প্রতিবেশী দেশ ভারতে।

কমছে না কীটনাশকের ব্যবহার

বিশ্বজুড়ে কীটনাশকের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে বহু বছর ধরেই সতর্ক করা হচ্ছে। তারপরও এর ব্যবহার তো কমেইনি, বরং নিয়মিত হারে বেড়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বে প্রায় ৩৮ লাখ টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৯০ সালের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ!

পেস্টিসাইড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক ইউকের আন্তর্জাতিক কর্মসূচির প্রধান শিলা উইলিস বলেন, ‘এখন কৃষকদের জন্য নিরাপদ বিকল্প ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে হবে। কীটনাশকের কারণে কৃষকদের দুর্ভোগের যে বড় চিত্রটি এই গবেষণায় উঠে এসেছে, এরপর আর একমুহূর্ত দেরি করা উচিত নয়। কৃষকদের স্বাস্থ্য যেমন রক্ষা করতে হবে, তেমনি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত রাখতে হবে।’

তবে এই গবেষণারও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন, কৃষিতে কাজ করা প্রায় ৮ কোটি ৪০ লাখ শিশুর কীটনাশকের সংস্পর্শে আসার বিষয়টি এতে বিবেচনা করা হয়নি। এ ছাড়া মানবদেহে কীটনাশকের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়েও এই গবেষণায় বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়নি।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বে প্রায় ৩৮ লাখ টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৯০ সালের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ!

কীভাবে বিষক্রিয়ার শিকার হন কৃষকেরা

কৃষক ও কৃষিশ্রমিকেরা বিভিন্নভাবেই কীটনাশকের সংস্পর্শে আসেন। কীটনাশক প্রস্তুত ও জমিতে প্রয়োগ করার সময় তাঁদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। এ ছাড়া কীটনাশক দেওয়া ফসল খালি হাতে ধরার সময়ও শরীরে বিষাক্ত রাসায়নিক ঢুকতে পারে। এমনকি দূষিত কৃষিযন্ত্রপাতি বা পোশাক থেকেও কৃষকেরা কীটনাশকের সংস্পর্শে আসতে পারেন।

কীটনাশক প্রস্তুত ও জমিতে প্রয়োগ করার সময় কৃষকদের কীটনাশকের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে

কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক বিষক্রিয়ার মধ্যেই আটকে নেই। দীর্ঘদিন কীটনাশকের সংস্পর্শে থাকার সঙ্গে বিভিন্ন জটিল রোগের সম্পর্ক নিয়েও এখন গবেষণা চলছে। পারকিনসন্স ইউরোপের মহাপরিচালক হেলেন নিকোরার মতে, ‘পারকিনসন্স রোগের সঙ্গে পরিবেশগত কারণের সম্পর্ক থাকার পক্ষে এখন অনেক প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। কীটনাশকের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে পারকিনসন্স রোগ হওয়ার সম্পর্কটিও ধীরে ধীরে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।’

নেদারল্যান্ডসের এক কৃষক রেন্ডার্ট আলগ্রাও মনে করেন, তাঁর পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে কৃষিকাজের সময় কীটনাশক ব্যবহারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

পারকিনসন্স হলো ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা একটি স্নায়বিক রোগ। এতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কিছু অংশ ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে চলাফেরা ও শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশ্বজুড়েই পারকিনসন্স রোগের প্রকোপ বাড়ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি ইতিমধ্যে কৃষকদের ক্ষেত্রে পারকিনসন্সকে একটি পেশাগত রোগ হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের এক কৃষক রেন্ডার্ট আলগ্রাও মনে করেন, তাঁর পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে কৃষিকাজের সময় কীটনাশক ব্যবহারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। বছরের শুরুতে ফ্রেন্ডস অব দ্য আর্থ ইউরোপ আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানান। পরিবারের খামারে কাজ করার সময় বেশ কয়েক বছর ধরে তাঁকেই জমিতে কীটনাশক ছিটানোর কাজ করতে হতো। পরিবারের বড় ছেলে হওয়ায় এই দায়িত্ব তাঁর ওপরই পড়েছিল বলে জানান আলগ্রা।

বিশ্বজুড়েই পারকিনসন্স রোগের প্রকোপ বাড়ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালি ইতিমধ্যে কৃষকদের ক্ষেত্রে পারকিনসন্সকে একটি পেশাগত রোগ হিসেবে স্বীকৃতিও দিয়েছে।

পুরো চিত্র কি জানা যাচ্ছে

কীটনাশকের বিষক্রিয়ার যে ভয়াবহ চিত্র নতুন এই গবেষণায় উঠে এসেছে, তা বেশ বড় হলেও পুরো চিত্রটি হয়তো এখনো আমাদের অজানা। গবেষকেরা বলছেন, এখন পর্যন্ত করা গবেষণাগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বিস্তৃত ও নির্ভরযোগ্য। তারপরও কীটনাশকের বিষক্রিয়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে পরিমাণ তথ্য পাওয়া যায়, তা মোটেও যথেষ্ট নয়।

কোথায় কত মানুষ কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তা নিখুঁতভাবে জানার জন্য আরও নিবিড় অনুসন্ধান দরকার। গবেষণাপত্রের লেখকেরা তাই বিশ্বের সব দেশে একই ধরনের তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন তৈরির ব্যবস্থা চালুর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। এতে কীটনাশকের কারণে হওয়া বিষক্রিয়ার তথ্য আরও নির্ভরযোগ্য হবে।

প্রতিবছর কোটি কোটি কৃষক ফসল ফলাতে গিয়ে কীটনাশকের সংস্পর্শে আসছেন

একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতিও পরস্পরের সঙ্গে তুলনা করা সহজ হবে। কারণ, প্রতিবছর কোটি কোটি কৃষক ফসল ফলাতে গিয়ে কীটনাশকের সংস্পর্শে আসছেন। তাঁদের মধ্যে ঠিক কতজন অসুস্থ হচ্ছেন, কতজন দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ক্ষতির শিকার হচ্ছেন—তার পুরো চিত্র এখনো আমাদের সামনে নেই। এটি জানা গেলে হয়তো কৃষকদের সুরক্ষায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

লেখক: আহমাদ মুদ্দাসসের, জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক, কিশোর আলো

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও প্রথম আলো

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
‘চীনের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি আছে?’, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশ্ন উত্তর কোরিয়ার
‘চীনের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি আছে?’, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশ্ন উত্তর কোরিয়ার

তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি ও সামরিক সহায়তা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-এর বিশ্লেষণমূলক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলছে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
ছোট পর্দায় অভিষেক নীহা চৌধুরীর

ছোট পর্দায় অভিষেক নীহা চৌধুরীর

হাম ও উপসর্গে একদিনে মৃত্যু ৬

হাম ও উপসর্গে একদিনে মৃত্যু ৬

অণুর আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্ব-অনুঘটন গবেষণায় রসায়নে নোবেল পেলেন ২ জন

অণুর আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্ব-অনুঘটন গবেষণায় রসায়নে নোবেল পেলেন ২ জন

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত যবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ শিক্ষার্থী ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
র‍্যাংকিংয়ে সেরা দশে মাহাদী ও নাসুম

র‍্যাংকিংয়ে সেরা দশে মাহাদী ও নাসুম

গণমাধ্যমের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি বিএনসিইউ’র

গণমাধ্যমের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি বিএনসিইউ’র

কুবির ১৬ শিক্ষার্থী পেলেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

কুবির ১৬ শিক্ষার্থী পেলেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

0 Comments