জাতীয়

জীবনের মূল্যায়ন যেভাবে করতে বলে ইসলাম

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
জীবনের মূল্যায়ন যেভাবে করতে বলে ইসলাম
জীবনের মূল্যায়ন যেভাবে করতে বলে ইসলাম

মানুষের সামগ্রিক জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ কী? বাহ্যিক দৃষ্টিতে অনেকেই হয়তো অর্থবিত্ত, প্রভাব-প্রতিপত্তি, পদমর্যাদা কিংবা পার্থিব খ্যাতিকে বড় মনে করতে পারেন; কিন্তু বাস্তবতার বিচারে মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ ও অপূরণীয় সম্পদ হলো তার জীবন এবং জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত—তথা সময়।

হারানো ধনসম্পদ কঠোর পরিশ্রমে আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব, নষ্ট হওয়া স্বাস্থ্য চিকিৎসার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করা যায়; কিন্তু জীবন থেকে যে একটি মুহূর্ত একবার খসে পড়ে, পৃথিবীর সব ধনভান্ডার একত্র করলেও সেই মুহূর্তটিকে আর কখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

ইসলামের মৌলিক দর্শনে জীবন নিছক ভোগবিলাস কিংবা বল্গাহীন বিচরণের জন্য পাওয়া কোনো অবকাশ নয়; এটি মহান রবের পক্ষ থেকে বান্দাকে দেওয়া এক পবিত্র ও সীমিত আমানত।

আল্লাহ–তাআলা মানুষকে পৃথিবীতে যে জীবন দান করেছেন, পরকালে তার প্রতিটি সেকেন্ড ও মিনিট সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ জবাবদিহি করতে হবে। তাই জীবনের কদর করার প্রকৃত অর্থ কেবল দীর্ঘায়ু কামনা করা নয়; বরং প্রাপ্ত প্রতিটি নিশ্বাস ও মুহূর্তকে অর্থবহ ও কল্যাণকর করে গড়ে তোলা।

কোরআন আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে জীবনের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজের খেয়ালখুশি কিংবা সাময়িক আবেগ নয়; বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশকেই চূড়ান্ত অগ্রাধিকার দিতে হবে।

কোরআনি শিষ্টাচার

একজন মুমিনের সময় ও জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে নবীজির পবিত্র সুন্নাহর অনুসরণ অপরিহার্য। কোরআনুল কারিম আমাদের শিক্ষা দিয়েছে যে জীবনের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজের খেয়ালখুশি কিংবা সাময়িক আবেগ নয়; বরং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশকেই চূড়ান্ত অগ্রাধিকার দিতে হবে।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সামনে অগ্রবর্তী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় করো; নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। হে মুমিনগণ, তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের ওপর নিজেদের কণ্ঠস্বর উঁচু কোরো না এবং পরস্পরের সঙ্গে যেভাবে উচ্চ স্বরে কথা বলো, তাঁর সঙ্গে সেভাবে উচ্চ স্বরে কথা বোলো না; এতে তোমাদের সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে অথচ তোমরা তা উপলব্ধিও করতে পারবে না।’ (সুরা হুজুরাত, আয়াত: ১-২)

নবীজির জীবদ্দশায় সাহাবিরা এই আদব ও শিষ্টাচার রক্ষায় কতটা সজাগ ছিলেন, তার অনন্য দৃষ্টান্ত হলেন দ্বিতীয় খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)।

এই আয়াত নাজিল হওয়ার পর নবীজির সামনে তিনি এত নিচু ও অনুচ্চ কণ্ঠে কথা বলতেন যে নবীজিকে অনেক সময় কথা বুঝতে না পেরে আবার জিজ্ঞেস করতে হতো: ‘ওমর, তুমি কী বললে?’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৮৪৫)

এই ঘটনা আধুনিক মুমিনকে এক গভীর শিক্ষা দেয়—আমাদের প্রাত্যহিক চিন্তা, অভ্যাস, রুচি ও জীবনপদ্ধতি যেন কোনোভাবেই নববি শিক্ষার চেয়ে বড় হয়ে না দাঁড়ায়; বরং সুন্নতের সামনে নিজেদের বিনম্র সমর্পণ করাই জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য।

অনর্থক কাজ থেকে মোহমুক্তি

আজকের আধুনিক যুগে মানুষের সময় চুরির সবচেয়ে বড় ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে অনিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার মোহ। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিজে কোনো ক্ষতিকর বিষয় নয়; ক্ষতিকর হলো এর লক্ষ্যহীন ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার।

মানুষ একটি প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধান করতে বসে অবচেতনভাবেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অ্যালগরিদমের ফাঁদে পড়ে অপ্রয়োজনীয় ভিডিও ও কনটেন্টের গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাচ্ছে।

একটি সংবাদ পড়তে গিয়ে স্ক্রল করতে করতে নষ্ট হচ্ছে সৃজনশীল চিন্তা; আর কোনো সাধারণ মন্তব্যের ঘরে জড়িয়ে পড়ছে অন্তহীন ও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে। এতে শুধু বহুমূল্য সময়ই নষ্ট হচ্ছে না, বরং অন্তরের প্রশান্তি ও মানসিক সুস্থতাও ধ্বংস হচ্ছে।

এই আত্মিক ও সামাজিক অপচয় থেকে বাঁচার জন্য রাসুল (সা.)  এক চিরন্তন মূলনীতি দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তির ইসলামের অনন্য সৌন্দর্য হলো—সে এমন সমস্ত বিষয় সম্পূর্ণ বর্জন করে চলে, যা তার কোনো উপকারে আসে না (অর্থহীন ও অনর্থক)।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩১৭)

এই একটি হাদিস আধুনিক সময়ের প্রতিটি মানুষের জন্য আত্মপর্যালোচনার এক অনন্য মানদণ্ড। কোনো কাজে হাত দেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করা প্রয়োজন—এই কাজের দ্বারা আমার ধর্ম, ইমান, স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ, কর্মজীবন কিংবা সমাজের কোনো উপকার হচ্ছে কি না? উত্তর যদি ‘না’ হয়, তবে তাৎক্ষণিক সেখান থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমত্তা ও ইমানের দাবি।

নেয়ামত হারানোর পূর্বসতর্কতা

সুস্থতা, নিরাপত্তা, অবসর, পিতা-মাতা, পরিবার-পরিজন—এ সবই মহান আল্লাহর দেওয়া অমূল্য নিয়ামত। মানবপ্রকৃতির একটি বড় দুর্বলতা হলো, কোনো নিয়ামত যতক্ষণ হাতের নাগালে থাকে, মানুষ ততক্ষণ তার প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে পারে না; বরং তা হারিয়ে যাওয়ার পরই কেবল তার গুরুত্ব হাড়ে হাড়ে টের পায়।

সুস্থতার মূল্য কেবল একজন শয্যাশায়ী অসুস্থ মানুষ বোঝে; নিরাপত্তার গুরুত্ব বোঝে যুদ্ধ ও সংঘাতগ্রস্ত জনপদের আতঙ্কিত মানুষ; আর অবসর সময়ের সদ্ব্যবহারের মূল্য কেবল কাজের চাপে পিষ্ট একজন মানুষই অনুধাবন করতে পারে।

রাসুল (সা.) সতর্ক করে বলেছেন, ‘দুটি এমন নেয়ামত রয়েছে, যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্ত—সুস্থতা এবং অবসর।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪১২)

এ কারণেই রাসুল (সা.) সব সময় আল্লাহর নেয়ামতের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্য দোয়া করতেন, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি আপনার নেয়ামত বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া থেকে, আপনার দেওয়া সুস্থতা ও নিরাপত্তার পরিবর্তন ঘটে যাওয়া থেকে, আপনার আকস্মিক আজাব ও শাস্তি থেকে এবং আপনার যাবতীয় অসন্তুষ্টি থেকে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৩৯)

সময় ব্যবস্থাপনার প্রায়োগিক রূপরেখা ও অগ্রাধিকার জীবনকে সুশৃঙ্খল ও উৎপাদনশীল করার অন্যতম কার্যকর কৌশল হলো সময়ের অগ্রাধিকারভিত্তিক বণ্টন।

একটি সুস্পষ্ট দৈনিক পরিকল্পনা না থাকলে কাজ জমতে থাকে, জরুরি কাজ অবহেলিত হয় এবং মনস্তাত্ত্বিক অস্থিরতা জন্ম নেয়। অথচ সামান্য সচেতনতা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ মানুষের জীবনকে দারুণভাবে গুছিয়ে দিতে পারে।

প্রতিদিনের রুটিনে যেসব কাজ আবশ্যিক, সেগুলোকে সবার আগে সুনির্দিষ্ট সময়ে স্থান দিতে হবে। জামাতে নামাজ আদায়, নিয়মিত কোরআন পাঠ ও জিকির, জীবিকার জন্য পেশাগত দায়িত্ব পালন, পরিবারকে কোয়ালিটি সময় দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর আহার ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম—এসবের জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা থাকা উচিত।

পর্যায়ক্রমিক দীর্ঘমেয়াদি কাজ

প্রতিদিনের রুটিনের পাশাপাশি সাপ্তাহিক, মাসিক বা বার্ষিক কাজগুলোকে আলাদাভাবে বিন্যস্ত করতে হবে। যেমন সপ্তাহে এক দিন নিকটাত্মীয়দের খোঁজ নেওয়া, অসুস্থদের সেবা করা, প্রতি মাসের পারিবারিক বাজেট ও আয়-ব্যয়ের হিসাব চূড়ান্ত করা, নিয়মিত সদকা করা এবং ব্যক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নে সময় ব্যয় করা।

দায়িত্ব বণ্টন ও কার্যকর নেতৃত্ব সময় ব্যবস্থাপনার আরেকটি বড় মূলনীতি হলো—সব কাজ একা করার অসুস্থ প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা। যে কাজ সহযোগীদের মাধ্যমে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের দ্বারা সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব, সেখানে উপযুক্ত ব্যক্তিদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রকৃত নেতৃত্ব হলো নিজে সবকিছু কুক্ষিগত করে রাখা নয়; বরং সঠিক কাজের জন্য সঠিক মানুষকে নির্বাচন করে সম্মিলিতভাবে একটি কাজ সুন্দর ও সুচারুভাবে সফল করা।

সব কাজ নিজের কাঁধে চাপিয়ে রাখলে সময় যেমন নষ্ট হয়, তেমনি কাজের গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপরপক্ষে দায়িত্ব বণ্টন করলে অন্যের ভেতরে আস্থা, আত্মবিশ্বাস ও কাজের দক্ষতা তৈরি হয়।

প্রকৃত নেতৃত্ব হলো নিজে সবকিছু কুক্ষিগত করে রাখা নয়; বরং সঠিক কাজের জন্য সঠিক মানুষকে নির্বাচন করে সম্মিলিতভাবে একটি কাজ সুন্দর ও সুচারুভাবে সফল করা।

জীবন মূলত সময়েরই এক খণ্ডিত সমষ্টি। প্রতিটি দিনের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত আমাদের জীবনপুঁজি থেকে একটি করে দিন চিরতরে মাইনাস করে নিয়ে যাচ্ছে। তাই গভীর চিত্তে ভাবা প্রয়োজন—আমরা প্রতিদিন আমাদের এই মহার্ঘ সময় ব্যয় করে কী রেখে যাচ্ছি? কেবল কিছু সাময়িক বিনোদন, অহেতুক তর্ক আর ক্ষণিকের স্মৃতি?

নাকি জ্ঞানচর্চা, একনিষ্ঠ ইবাদত, সৃষ্টির সেবা ও মানবিক সম্পর্কের এমন এক স্থায়ী উত্তরাধিকার, যা দুনিয়ায় মানুষের কল্যাণে আসবে এবং আখেরাতে চিরস্থায়ী মুক্তির উপায় হবে?

মানুষের নিশ্বাস একসময় থেমে যাবে; কিন্তু তার রেখে যাওয়া কল্যাণমুখী কর্ম প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকে। তাই সময়কে নিছক বয়ে যেতে না দিয়ে সময়ের প্রতিটি কণাকে সঠিক অর্থে কাজে লাগানোই পরম প্রজ্ঞা। যে মানুষ সময়ের মূল্য বুঝতে শিখেছে, সে প্রকৃতপক্ষে নিজের অস্তিত্ব ও জীবনেরই যথার্থ মূল্যায়ন করতে শিখেছে।

  • আহমাদ সাব্বির : প্রাবন্ধিক ও গবেষক

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের
সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইরানপন্থি এই গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করায় এই হামলা চালানো হলো।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহতের দাবি

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর হামলায় ৭০০ হুথি যোদ্ধা নিহতের দাবি

আড়াই লাখ কোটি টাকায় ৬৪ কিলোমিটার মেট্রোরেলে ভাড়া কত?

আড়াই লাখ কোটি টাকায় ৬৪ কিলোমিটার মেট্রোরেলে ভাড়া কত?

হামলা চলবে, বিদেশি কূটনীতিকদের ইউক্রেন ছাড়ার তাগিদ রাশিয়ার

হামলা চলবে, বিদেশি কূটনীতিকদের ইউক্রেন ছাড়ার তাগিদ রাশিয়ার

বিএনপির ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই: বাবুল
বিএনপির ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নেই: বাবুল

বিএনপির ব্যর্থ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
অটোরিকশার চাকায় ঘোরে টাকা, লাভ কার?

অটোরিকশার চাকায় ঘোরে টাকা, লাভ কার?

ফাঁদে পাখি, বিপন্ন প্রকৃতি

ফাঁদে পাখি, বিপন্ন প্রকৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে নারীর মৃত্যু 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সৎ ছেলের ছুরিকাঘাতে নারীর মৃত্যু 

ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে: ট্রাম্প
ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অষ্টম মাসে এসে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের যেকোনো পরিকল্পনা ইরান ‘প্রায় ছেড়েই দিয়েছে’। প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল এই পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা। 

News অক্টোবর ৪, ২০২৬ 0
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকের ধাক্কা, এসআরবি কর্মকর্তার মৃত্যু

চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকের ধাক্কা, এসআরবি কর্মকর্তার মৃত্যু

সেতু আছে, পথ হলো না

সেতু আছে, পথ হলো না

0 Comments