জাতীয়

ইউক্রেনে পুতিনের এ কেমন তাণ্ডব, কে থামাবে?

News সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 0
ইউক্রেনে পুতিনের এ কেমন তাণ্ডব, কে থামাবে?
ইউক্রেনে পুতিনের এ কেমন তাণ্ডব, কে থামাবে?

ইউক্রেনের জনগণ এক নারকীয় শীতের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। যুদ্ধক্ষেত্রে থমকে গিয়ে রাশিয়া এখন প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, তাদের ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল আর বেঁচে থাকার রসদগুলোর ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ জোরদার করেছে।

কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে দিনদুপুরে প্রাণঘাতী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোনের একের পর এক তাণ্ডবে গুঁড়িয়ে যাচ্ছে সুপারমার্কেটের সরবরাহকেন্দ্র, ওষুধ ও চিকিৎসাকেন্দ্র এবং পণ্য রাখার গুদামগুলো।

এর ফলে হু হু করে বাড়ছে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা, দেখা দিচ্ছে খাবার ও নিত্যপণ্যের তীব্র সংকট। হাড়কাঁপানো শীত যখন কড়া নাড়ছে, তখন ইউক্রেনের পানি সরবরাহ আর বিদ্যুৎ গ্রিড গুঁড়িয়ে দিয়ে লাখ লাখ মানুষকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়ার পথ বেছে নিয়েছে রাশিয়া।

এটি যেন ভ্লাদিমির পুতিনের এক নৃশংস রূপ। হার মেনে নেওয়ার চেয়ে তিনি বরং ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাওয়াই শ্রেয় মনে করছেন।

রুশ প্রধান নাকি সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, তাঁর এই ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ একদম পরিকল্পনামতোই এগোচ্ছে। ট্রাম্প হয়তো তাঁর কথা বিশ্বাস করতে পারেন, কিন্তু পশ্চিমা বিশ্লেষকেরা মোটেই তা করছেন না। সামরিক দিক থেকে সুবিধা করতে না পেরে এবং বিশালসংখ্যক সৈন্য হারিয়ে তাঁর সরকার এখন ভেতরে–ভেতরে তীব্র অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপের মুখে।

তা সত্ত্বেও পুতিনের ধারণা, শেষ একটা বড় ধাক্কা দিয়েই হয়তো ইউক্রেনের মনোবল ভেঙে দেওয়া সম্ভব। মাসের পর মাস হাত গুটিয়ে বসে থাকার পর ট্রাম্পের নতুন মধ্যস্থতার চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

তিনি তাঁর বিশেষ প্রতিনিধিদের মস্কো ও কিয়েভে পাঠিয়েছেন, যা ক্রেমলিনকে জয়ের কাল্পনিক আশ্বাসই জোগাচ্ছে। একদিকে আলোচনার টেবিল গরম করা হচ্ছে, আর অন্যদিকে প্রতিদিন ঝরছে নিরপরাধ মানুষের রক্ত। প্রতিদিনই ঘটছে মানবতাবিরোধী অপরাধ।

প্রতিদিনের এই গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, অনাহার আর লাখ লাখ মানুষের ঘরবাড়ি হারানোর এ চিত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তবে প্রশ্ন ওঠে, পশ্চিমা মিত্র ও ন্যাটো কেন এ তাণ্ডব থামাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না?

এর মূল কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অস্পষ্ট নীতি, যা ইউক্রেনকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ২০২২ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনীয়দের সাহায্যের আশ্বাস দিলেও পরে তাদের একপ্রকার ভাসিয়ে রেখে গেছেন। আর ট্রাম্প এসে যেন তাদের পুরোপুরি ডুবিয়ে মারার ব্যবস্থা করছেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

স্থলযুদ্ধে রাশিয়াকে রুখে দিলেও ইউক্রেন এখন বিমান হামলার মুখে চরম অসহায়। ট্রাম্প ইউক্রেনকে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে বাধা দেওয়া এবং অস্ত্র সরবরাহ স্থগিত করার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইউরোপও এ ঘাটতি পূরণ করতে পারছে না। পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের তোষামোদপূর্ণ সম্পর্ক এবং ইউক্রেনীয়দের ওপর তাঁর রাজনৈতিক চাপ পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তাকেই আজ ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

তবে ইউক্রেনের সাধারণ মানুষও দীর্ঘ যুদ্ধের কারণে ক্লান্ত। সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, ৬০ শতাংশ মানুষ জমি ছেড়ে দেওয়ার বিপক্ষে হলেও একটা বড় অংশই এখন স্থায়ী নিরাপত্তার শর্তে যুদ্ধবিরতি চায়। রাশিয়ার সাধারণ মানুষও এই সংঘাতের অবসান দেখতে চায়।

এই চিরন্তন যুদ্ধগুলোর জন্য শেষ পর্যন্ত দায়ী অযোগ্য ও নির্বোধ রাজনৈতিক নেতারা। যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাপতি বা জেনারেলরা ভুল করতে পারেন, পরিকল্পনা ভেস্তে যেতেই পারে। কিন্তু মূল সমস্যা হলো সেই রাজনীতিবিদদের নিয়ে, যাঁরা আকাশকুসুম প্রতিশ্রুতি দেন, শত্রুকে দুর্বল ভাবেন, শান্তির পথ এড়িয়ে যান এবং নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে মুখে স্পষ্ট মিথ্যা বলেন।

কিন্তু জনগণের এই চাওয়ার কোনো মূল্য পুতিন বা ট্রাম্প কারোর কাছেই নেই। একনায়কতান্ত্রিক মনোভাবের নেতাদের এই উদাসীনতাই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধগুলোকে টিকিয়ে রাখে। ইউক্রেন, গাজা কিংবা অন্য অঞ্চল—সবখানেই সাধারণ মানুষ আজ শুধুই অসহায় দর্শক। দীর্ঘদিনের সহিংসতার দৃশ্য দেখতে দেখতে মানুষের অনুভূতিগুলোও যেন এখন বোবা হয়ে গেছে।

কার্যকর ও নিরপেক্ষ কোনো শান্তিপ্রক্রিয়া না থাকাটাই ইউক্রেনের মতো ইরান ও ফিলিস্তিনের সংঘাতগুলো থামানোর ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই শূন্যতাই মূলত আধুনিক যুগের দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতগুলোকে উসকে দিচ্ছের

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন-রাশিয়া বিতর্কে আনাড়ির মতো নাক গলিয়েছেন এবং একটি পক্ষকে স্পষ্টতই সমর্থন দিয়েছেন। পুতিনের নিজ থেকে বেছে নেওয়া এই যুদ্ধের নীতি-নৈতিকতা নিয়ে তিনি কখনোই ভাবেননি। জীবন বাঁচানো নয়, বরং ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য ছিল নোবেল শান্তি পুরস্কার বাগানো এবং রাশিয়ার লাভজনক জ্বালানিচুক্তি হাসিল করা।

একইভাবে ট্রাম্পের স্বার্থান্বেষী মনোভাব গাজার বেসামরিক মানুষদের ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাসের হাত থেকে রক্ষা করার আশাগুলোকে নস্যাৎ করে দিয়েছে। তাঁর গঠিত ‘শান্তি বোর্ড’ এবং ২০ দফার পরিকল্পনা মূলত তাঁর ব্যক্তিগত অহংকার ও লোভ মেটানোর মাধ্যম, রাজনৈতিক বা মানবিক সংকট থেকে বের হওয়ার কোনো বাস্তবসম্মত পথ এটি নয়।

অন্যদিকে ইরান সংকট সমাধানের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যেই আগ্রহ হারিয়েছেন। পুতিনের মতো তিনিও নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করতে বা তেহরানের সঙ্গে কোনো আপসে যেতে নারাজ। তাঁর এই জেদ মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারী এবং উপসাগরীয় মিত্রদের অবস্থানকে দুর্বল করছে, যাঁরা আশঙ্কা করছেন এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে সত্যি যা প্রয়োজন, তা হলো জাতিসংঘের ক্ষমতায়নপ্রাপ্ত নিরপেক্ষ শান্তিদূত, যিনি সব পক্ষকে টেবিলে বসাতে পারবেন।

১৯৪৫–পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি—আইনের শাসন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আদালতের (আইসিজে ও আইসিসি) তদারকিকে ট্রাম্প, পুতিন ও নেতানিয়াহুর মতো নেতারা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। বিশ্বজনীন আইনি কাঠামো মেনে না চলার এই মানসিকতাই যুদ্ধগুলোকে আরও দীর্ঘায়িত করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

একবার নিয়ম ভেঙে গেলে যেকোনো অপরাধই যেন বৈধতা পেয়ে যায়। আর এর ফলেই ঘটে চলেছে একের পর এক নৃশংস যুদ্ধাপরাধ—যেমনটা গাজায়, ইউক্রেনের বুচা ও মারিউপোলে, কিংবা দক্ষিণ ইরানের মিনাবে ঘটেছে, যেখানে মার্কিন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় শতাধিক স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। এটি যেন আইনি বৈধতা পাওয়া এক চিরন্তন নৈরাজ্য।

এই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধগুলোর আরেকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো স্বাধীন গণমাধ্যম ও জাতিসংঘের তদন্তে বাধা সৃষ্টি করা। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশ কঠোরভাবে সীমিত করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। সাহসী সাংবাদিকদের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সেখানকার প্রকৃত চিত্র আড়াল করা হচ্ছে।

একইভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইরান–সম্পর্কিত সামরিক অভিযানের খুব সামান্য তথ্যই প্রকাশ করছেন। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের সফল হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির খবর অনেকটাই চাপা পড়ে গেছে।

ওদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রকৃত তথ্য সেন্সর করছে। রুশ জনগণের একটি বড় অংশই জানে না, তাদের সামরিক বাহিনীর পরিস্থিতি কতটা শোচনীয়। মূলত সাধারণ মানুষের অসচেতনতাই এসব অপরাধ ও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

এই চিরন্তন যুদ্ধগুলোর জন্য শেষ পর্যন্ত দায়ী অযোগ্য ও নির্বোধ রাজনৈতিক নেতারা। যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাপতি বা জেনারেলরা ভুল করতে পারেন, পরিকল্পনা ভেস্তে যেতেই পারে। কিন্তু মূল সমস্যা হলো সেই রাজনীতিবিদদের নিয়ে, যাঁরা আকাশকুসুম প্রতিশ্রুতি দেন, শত্রুকে দুর্বল ভাবেন, শান্তির পথ এড়িয়ে যান এবং নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে মুখে স্পষ্ট মিথ্যা বলেন।

এটি এক দীর্ঘদিনের সমস্যা, যার রাতারাতি কোনো সমাধান নেই। তবে ইউক্রেনের মানুষ, যারা সামনে চরম নারকীয় সময়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, তাদের এখন জরুরি ভিত্তিতে সহায়তা প্রয়োজন।

পশ্চিমা গণতান্ত্রিক বিশ্ব এভাবে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। মস্কোর এই বর্বরতার বিরুদ্ধে ন্যাটোকে এবার আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিতেই হবে। সব ধরনের যুদ্ধাপরাধ বরদাশত না করার কঠোর বার্তা দিতে হবে এবং রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্রগুলোয় বিমান হামলার স্পষ্ট হুমকি দিতে হবে।

পুতিনের এই যুদ্ধ পুরো বিশ্বের যুদ্ধ হয়ে ওঠার আগেই তাকে থামতে বাধ্য করতে হবে।

  • সাইমন টিসডল দ্য গার্ডিয়ানের পররাষ্ট্রবিষয়ক কলামিস্ট। দ্য গার্ডিয়ান থেকে সংক্ষেপে অনূদিত।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
নতুন মায়েদের জন্য শুটিংয়ে ‘বাড়তি যত্ন’, জানালেন শ্রিয়া
নতুন মায়েদের জন্য শুটিংয়ে ‘বাড়তি যত্ন’, জানালেন শ্রিয়া

মা হওয়ার পর অভিনয়জীবনে সিনেমা বাছাইয়ের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে শ্রিয়া সরণের। তবে, এই পরিবর্তনের সময়ে ‘দৃশ্যম’ সিনেমার টিম যেভাবে তার পাশে দাঁড়িয়েছে, সেটিই অভিনেত্রীর কাছে বিশেষ হয়ে আছে।

News অক্টোবর ৭, ২০২৬ 0
কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ এসোসিয়েশনের প্রশাসক হলেন আতিকুর রহমান

কমিউনিটি হেলথ রিসার্চ এসোসিয়েশনের প্রশাসক হলেন আতিকুর রহমান

নেশার টাকার জন্য বাবাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

নেশার টাকার জন্য বাবাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

২২ বছর পর কারামুক্ত শ্রমিক নেতা নুরুল আমিন

২২ বছর পর কারামুক্ত শ্রমিক নেতা নুরুল আমিন

গৃহযুদ্ধ ও রাষ্ট্রীয় পতনের ঝুঁকিতে ইসরায়েল : সিআই-এর প্রতিবেদন
গৃহযুদ্ধ ও রাষ্ট্রীয় পতনের ঝুঁকিতে ইসরায়েল : সিআই-এর প্রতিবেদন

বিশেষ করে অতি-রক্ষণশীল ইহুদি সম্প্রদায়ের— যাদের ‘হারেদি’ বলা হয়— সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির বিষয়টি ইসরায়েলি সমাজে বড় ধরনের ক্ষোভ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একদিকে দীর্ঘ সময় ধরে রিজার্ভ সেনাদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, অন্যদিকে হারেদি পুরুষদের একটি বড় অংশ সামরিক সেবার বাইরে থাকায় ধর্মনিরপেক্ষ ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজন আরো তীব্র হচ্ছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃত্যু

বিশ্ব বসতি দিবসের মেলায় টেকসই আবাসনের প্রযুক্তি দেখাচ্ছে ওয়ালটন

বিশ্ব বসতি দিবসের মেলায় টেকসই আবাসনের প্রযুক্তি দেখাচ্ছে ওয়ালটন

২৬টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার: বর্ষসেরা রিপোর্টের খোঁজে ডিআরইউ

২৬টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার: বর্ষসেরা রিপোর্টের খোঁজে ডিআরইউ

ঘুষ নেওয়া নিয়ে মন্তব্য করা পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড
ঘুষ নেওয়া নিয়ে মন্তব্য করা পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

ঘুষ নেওয়াকে যৌক্তিক দাবি করে মন্তব্য করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইনকে ক্লোজড করা হয়েছে।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
নগরায়ণের সঙ্গে বাড়ছে লিফটের চাহিদা, উৎপাদনে জোর ওয়ালটনের

নগরায়ণের সঙ্গে বাড়ছে লিফটের চাহিদা, উৎপাদনে জোর ওয়ালটনের

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্যে জুতার মালা, নিন্দার ঝড়

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাস্কর্যে জুতার মালা, নিন্দার ঝড়

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ

0 Comments