জাতীয়

গর্ভে থাকতেই দাম ঠিক, জন্মের পর হস্তান্তর

News সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ 0
গর্ভে থাকতেই দাম ঠিক, জন্মের পর হস্তান্তর
গর্ভে থাকতেই দাম ঠিক, জন্মের পর হস্তান্তর

 

গর্ভে থাকা অবস্থাতেই ঠিক করা হয় সন্তানের দাম। জন্মের পর টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হয় নবজাতককে। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে।

স্থানীয়দের দাবি, গত তিন বছরে ওই গ্রামের অন্তত চার পরিবারে কয়েকটি শিশুকে ৬০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত দামে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এক নবজাতককে ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

তবে শিশু বিক্রির অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন

লিবিয়ায় নির্যাতনে মৃত্যু / ‘আমার ছেলেও গেল, আমরাও শেষ হয়ে গেলাম’

স্বামী-স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সবশেষ ঘটনাটি ঘিরে সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে জাকির মিয়া ও ফারজানা আক্তার দম্পতিকে নিয়ে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, এই দম্পতির আগে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর তাদের আরেকটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, জন্মের পর নবজাতকটিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মঠখোলা এলাকায় ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ৬ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শিশুটির বাবা জাকির মিয়া।

জাকিরের দাবি, তার অজান্তে স্ত্রী ফারজানা, শাশুড়ি ও আরও দুজনের মাধ্যমে শিশুটিকে অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছে। পরে তিনি জানতে পারেন, শিশুটিকে ৬০ হাজার টাকায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জাকির বলেন, তিনি পরে কথিত গ্রহীতার বাড়িতে গিয়ে শিশুটিকে আর পাননি। তার আশঙ্কা, শিশুটিকে আরও বেশি টাকায় অন্য কোথাও দিয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

তবে জাকিরের এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার।

ফারজানার দাবি, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। সংসারের সংকটের জন্য তিনিই দায়ী। তার ভাষ্য, সন্তান হস্তান্তরের বিষয়ে জাকিরেরও সম্মতি ছিল। পরে তাকে ফাঁসাতে অন্য কারো প্ররোচনায় থানায় অভিযোগ করেছেন জাকির।

ফারজানার আরও দাবি, তিনি যখন হাসপাতালে ছিলেন, তখন তার স্বামীই সন্তান বিক্রির জন্য লোক খুঁজছিলেন এবং প্রতিবেশী মঙ্গলা বেগম একজন সম্ভাব্য গ্রহীতার সন্ধান দেন।

আরও পড়ুন

পরিবারে ফেরার আকুতি / ৩২ বছর পর পরিবারের সন্ধান পেলেন পাকিস্তানে পাচার হওয়া আছিয়া

অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা মঙ্গলা বেগম পেশায় ভিক্ষুক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

‘চারটি শিশুর’ তথ্য দিচ্ছেন স্থানীয়রা

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু জাকির-ফারজানার নবজাতক নয়, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে গত কয়েক বছরে আরও কয়েকটি শিশুকে টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দার দাবি, জাকির-ফারজানার নবজাতক ৬০ হাজার টাকায়, সাদ্দাম হোসেনের এক সন্তান দেড় লাখ টাকায় এবং জাকির হোসেন ও আসাদ মিয়ার দুটি সন্তান দুই লাখ টাকা করে অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছে। এগুলো এক বছর থেকে তিন বছর আগে।

অন্যদিকে স্থানীয়দের দেওয়া আরেক বর্ণনায় কয়েকটি শিশুর ক্ষেত্রে ভিন্ন অঙ্কের টাকার কথা বলা হয়েছে। ফলে কতটি শিশু, কখন এবং ঠিক কত টাকার বিনিময়ে হস্তান্তর করা হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়েই তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের প্রায় সবাই একমত, গ্রামে শিশুদের অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার একাধিক ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, গত তিন বছরে এলাকায় চারটি শিশুকে টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন। সবশেষ ঘটনায় জাকিরের নবজাতক সন্তানকে ৬০ হাজার টাকায় দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

জালালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদিন দাবি করেন, শিশু বিক্রির বিষয়ে স্থানীয়ভাবে চারটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম বলেন, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকের ছোবল রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে চারটি শিশু সন্তান অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক ও প্রশাসনিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন।

‘গর্ভে থাকতেই সন্তান বিক্রির কথা ছড়িয়েছিল’

স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ মিয়ার দাবি, জাকিরের স্ত্রী ফারজানা সন্তান জন্মের আগেই শিশুটিকে অন্যের কাছে দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

তিনি বলেন, গর্ভে থাকা অবস্থাতেই সন্তান দেওয়ার বিষয়ে এলাকায় আলোচনা হয়েছিল। তখন কিছু টাকা নেওয়ার কথাও শুনেছিলেন তিনি। পরে সন্তান জন্মের পর সেটি অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পারেন।

ভিন্ন কথা বলছেন জনপ্রতিনিধি

স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, উত্তর চরপুক্ষিয়া এলাকায় মাদকের বিস্তার ভয়াবহ। তাদের দাবি, মাদক কেনার টাকা জোগাড় করতে কয়েকটি পরিবার সন্তানদের অন্যের কাছে তুলে দিয়েছে। তবে এই দাবির সঙ্গে ভিন্নমতও রয়েছে।

জালালপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মতিউর রহমান বলেন, একটি পরিবারের সন্তান অন্যের কাছে দেওয়ার ঘটনার পেছনে অর্থনৈতিক সংকট দায়ী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সন্তান গ্রহীতার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল এবং খুশি হয়ে কিছু অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মাদকের টাকার জন্য সন্তান বিক্রির অভিযোগ ওই পরিবার অস্বীকার করেছে।

অর্থাৎ শিশু হস্তান্তরের পেছনে মাদক, দারিদ্র্য, পারিবারিক সিদ্ধান্ত নাকি অন্য কোনো কারণ কাজ করেছে, সেটিই এখন তদন্তের বড় প্রশ্ন।

‘চার শিশুর বর্তমান অবস্থান নিয়েও উদ্বেগ’

স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে যেসব পরিবারের কাছে শিশুদের দেওয়া হয়েছিল, তাদের কেউ কেউ পরবর্তীতে আরও বেশি টাকার বিনিময়ে অন্যত্র শিশুগুলো দিয়ে দিয়েছেন এমনও মনে করছেন অনেকে। এমন অভিযোগ সত্য হলে শিশুদের বর্তমান অবস্থান, নিরাপত্তা এবং আইনগত অভিভাবকত্ব নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরেকজন বলেন, তারা জানেন না কথিতভাবে অন্যের কাছে দেওয়া শিশুদের এখন কোথায় রাখা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে শিশুদের অবস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়া / বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বাংলাদেশিদের জিম্মি করে অর্থ আদায়, আটক ১০

মাদকাসক্ত পরিবারে ঝুঁকিতে শিশুরা

স্থানীয় বাসিন্দা বকুল মিয়া, বাবুল মিয়া, জামাল মিয়া ও গ্রাম পুলিশ দুলাল মিয়াসহ কয়েকজনের অভিযোগ, এলাকায় মাদকের বিস্তার অনেক পরিবারকে বিপর্যস্ত করেছে।

তাদের দাবি, কিছু বাড়িতে পরিবারের একাধিক সদস্য মাদক সেবন করেন। এমনকি শিশুদের মাদকের সংস্পর্শে আনার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে অনেকে ভয় পান। ফলে অনেক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে না।

বিচার দাবি পরিবারের সদস্যের

জাকির হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ রাসেল বলেন, তার ভাই আগে বিড়ি-সিগারেটও খেতেন না। প্রবাস থেকে ফিরে তিনি ভাইয়ের মাদকাসক্ত হওয়ার কথা জানতে পারেন।

রাসেল বলেন, ‘আমার ভাই হোক বা যেই হোক, আমি তার বিচার চাই। সুস্থ বিবেক থাকলে কেউ নিজের সন্তান অন্যের হাতে তুলে দিতে পারে না।’

পুলিশের তদন্তে যা বেরিয়ে এল

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে দারিদ্র্য ও মাদকের টাকা জোগাড় করতে সন্তানদের টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে তুলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে মাদকের টাকা জোগাড় করতে সন্তান বিক্রি করা হয়েছে, নাকি দত্তক হিসেবে শিশুদের অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছে, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাকির নামে যে ব্যক্তি থানায় অভিযোগ করেছেন, তার নবজাতক সন্তানকে টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদক নির্মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা যা বলছেন

কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এ.এম. সাজ্জাদুল হক বলেন, অর্থের বিনিময়ে শিশু অন্যের কাছে হস্তান্তর বা পাচারের ঘটনা প্রমাণিত হলে তা মানবপাচার আইনের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হতে পারে। মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২-এর ৬(২) ধারায় এ অপরাধের জন্য কমপক্ষে পাঁচ বছর এবং সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। আর সংঘবদ্ধভাবে মানবপাচারের ঘটনা ঘটলে ৭ ধারায় মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কমপক্ষে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মানবাধিকারকর্মী সালাহ উদ্দিন বলেন, নিজের সন্তানকে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা জঘন্যতম অপরাধ। শুধু আইন প্রয়োগ করে নয়, ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনতা তৈরির মাধ্যমেও আমাদের এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে। শিশুদের সুরক্ষা এবং একটি মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে আমরা নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে স্থানীয়দের অভিযোগ সত্য হলে, গত কয়েক বছরে একের পর এক শিশু কীভাবে পরিবারের কাছ থেকে অন্যের হাতে চলে গেল? কে বা কারা মধ্যস্থতা করেছে? শিশুদের কোথায় নেওয়া হয়েছে? তাদের কেউ আবার অন্যত্র হস্তান্তর করেছে কি না? আর এসবের পেছনে মাদক, দারিদ্র্য, নাকি শিশু কেনাবেচার কোনো চক্র কাজ করছে? এসব প্রশ্নের উত্তর এখন পুলিশের তদন্তের ওপরই নির্ভর করছে।

এফএ

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
৩ নভেম্বরের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র
৩ নভেম্বরের আগে ইরানে কোনো হামলা চালাবে না যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে এবং নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী কংগ্রেসনাল নির্বাচনের আগে দেশটির ওপর আর কোনো হামলা চালানো হবে না। বৃহস্পতিবার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেছেন।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হতে হবে

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হতে হবে

গাজীপুরে হঠাৎ ১৩০ শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানায় উত্তেজনা

গাজীপুরে হঠাৎ ১৩০ শ্রমিক ছাঁটাই, কারখানায় উত্তেজনা

সৃজনশীল অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

সৃজনশীল অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু
খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৯২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
ফেঁসে যা‌চ্ছেন বশেমুরবিপ্রবির সাবেক ভি‌সিসহ ১২ জন‌

ফেঁসে যা‌চ্ছেন বশেমুরবিপ্রবির সাবেক ভি‌সিসহ ১২ জন‌

ধলেশ্বরী নদীতে ১ লাখ পোনা অবমুক্ত 

ধলেশ্বরী নদীতে ১ লাখ পোনা অবমুক্ত 

বিপর্যস্ত হচ্ছে সৌদি আরব

বিপর্যস্ত হচ্ছে সৌদি আরব

কেরানীগঞ্জে আবুল কাশেম মার্কেটে আগুন, এক ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
কেরানীগঞ্জে আবুল কাশেম মার্কেটে আগুন, এক ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিগঞ্জ জোড়া ব্রিজ সংলগ্ন আবুল কাশেম মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে গার্মেন্ট পল্লীর মসজিদ মার্কেটসংলগ্ন ওই মার্কেটে আগুন লাগে।

News অক্টোবর ৮, ২০২৬ 0
সাবেক এমপি রেজাউল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সাবেক এমপি রেজাউল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিএনপির নেতার বক্তব্যের মধ্যে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

বিএনপির নেতার বক্তব্যের মধ্যে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা পছন্দের নয়: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা পছন্দের নয়: ট্রাম্প

0 Comments