জাতীয়

ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার
ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার

সারাদিন ঘরের ভেতরেই কাটছে সময়। সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালা খোলা, রান্নাঘরের ব্যস্ততা, ঘরে নতুন আসবাব যোগ করা কিংবা দীর্ঘ সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে থাকা, সবকিছুতেই আমরা ঘরের পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিই। মেঝে পরিষ্কার করি, আসবাব মুছি, বিছানার চাদর বদলাই, ঘরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে রাখি, কিন্তু ঘরের বাতাস কতটা পরিষ্কার, সেই প্রশ্নটি অনেক সময় আমাদের ভাবনাতেই আসে না।

রং,কাঠের আসবাব, কার্পেট, আঠা, বার্নিশ, পরিষ্কার করার বিভিন্ন উপকরণসহ ঘরের নানা জিনিস থেকে বাতাসে ছড়াতে পারে উদ্বায়ী জৈব যৌগ বা ভিওসি। এর মধ্যে ফরমালডিহাইডের মতো রাসায়নিকও থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, অনেক উদ্বায়ী জৈব যৌগের মাত্রা বাইরের তুলনায় ঘরের ভেতরে বেশি থাকতে পারে এবং এসব যৌগের কিছু স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। শুধু রাসায়নিকই নয়, ঘরের বাতাসে থাকতে পারে ধুলা, পরাগকণা, ছত্রাকের স্পোর, ধূলিকীট ও অন্যান্য জৈব দূষকও।

ঘরের বাতাসে থাকতে পারে ধুলা, পরাগকণা, ছত্রাকের স্পোর, ধূলিকীট ও অন্যান্য জৈব দূষকও।

বিশেষ করে ঘরের কোনো জায়গা দীর্ঘদিন স্যাঁতসেঁতে থাকলে সেখানে ছত্রাক জন্মানোর আশঙ্কা বাড়ে। রান্না, গোসল কিংবা ঘরে কাপড় শুকানোর মতো দৈনন্দিন কাজেও ঘরের আর্দ্রতা বেড়ে যেতে পারে। পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকলে এই আর্দ্র পরিবেশ ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণুর বৃদ্ধির অনুকূল হয়ে উঠতে পারে। এ কারণেই ঘরের সবুজ গাছ শুধু সৌন্দর্য বাড়ানোর উপাদান নয়, ঘরের পরিবেশ নিয়েও ভাবার একটি সুন্দর উপলক্ষ হতে পারে।

তেমনই একটি পরিচিত ইনডোর প্ল্যান্ট হলো স্পাইডার প্ল্যান্ট। আমরা অনেকেই জানিনা, ঘরের এক কোণে যত্ন ছাড়াই বেড়ে ওঠা এই গাছটি হতে পারে প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার।স্পাইডার প্ল্যান্ট দেখতে খুব সাধারণ। লম্বা সরু সবুজ পাতা, পাতার মাঝখানে সাদা বা হালকা রঙের রেখা এবং দ্রুত নতুন চারা তৈরির স্বভাব এই গাছটিকে ঘর সাজানোর জন্য জনপ্রিয় করেছে। ঝুলন্ত টবেও এটি বেশ সুন্দর দেখায়। খুব বেশি জায়গার প্রয়োজন হয় না বলে ছোট অ্যাপার্টমেন্ট, বারান্দা কিংবা কাজের টেবিলের পাশেও রাখা যায় এর যত্নও তুলনামূলক সহজ।

স্পাইডার প্ল্যান্ট দেখতে খুব সাধারণ। লম্বা সরু সবুজ পাতা, পাতার মাঝখানে সাদা বা হালকা রঙের রেখা ।

খুব তীব্র সরাসরি রোদ না পেলেও এটি অনেকটা মানিয়ে নিতে পারে। অতিরিক্ত পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই, বরং টবের মাটি শুকিয়ে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দেওয়াই ভালো। অর্থাৎ যারা গাছ ভালোবাসেন কিন্তু নিয়মিত পরিচর্যার জন্য খুব বেশি সময় দিতে পারেন না, তাদের জন্যও এটি সহজ একটি পছন্দ।

সৌন্দর্যের বাইরে এই পরিচিত গাছটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য নিয়েও গবেষণা হয়েছে যেখানে দেখা গেছে বায়ু শোধনে এর আছে ভূমিকা। ঘরের বাতাসে থাকা কিছু রাসায়নিক শোষণে উদ্ভিদের ভূমিকা নিয়ে গবেষণা নতুন নয়। নাসার ১৯৮০-এর দশকের গবেষণায় স্পাইডার প্ল্যান্টসহ বিভিন্ন ইনডোর উদ্ভিদকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরীক্ষা করা হয়েছিল। গবেষণায় ফরমালডিহাইড, বেঞ্জিন ও ট্রাইক্লোরোইথিলিনের মতো কিছু উদ্বায়ী রাসায়নিক কমানোর ক্ষেত্রে উদ্ভিদের সম্ভাবনা দেখা হয়। গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল শুধু গাছের পাতা নয়, গাছের শিকড়, মাটি এবং মাটির সঙ্গে থাকা অণুজীবের ভূমিকাও।

সৌন্দর্যের বাইরে এই পরিচিত গাছটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য নিয়েও গবেষণা হয়েছে যেখানে দেখা গেছে বায়ু শোধনে এর আছে ভূমিকা।

উদ্ভিদের পাতা বাতাস থেকে কিছু গ্যাসীয় পদার্থ গ্রহণ করতে পারে, আবার শিকড় ও মাটির অণুজীবও কিছু রাসায়নিক ভাঙতে ভূমিকা রাখতে পারে। নাসার গবেষণায় এই সম্মিলিত প্রক্রিয়াটিকে ঘরের বাতাসের কিছু দূষক কমানোর সম্ভাবনাময় পদ্ধতি হিসেবে দেখা হয়েছিল।  নাসার এই গবেষণাগুলো মূলত ছোট ও নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষাগারে করা হয়েছিল। বাস্তব একটি বাসা বা অফিসে একই মাত্রায় বাতাস পরিশোধন হবে, এমন নিশ্চয়তা গবেষণাগুলো দেয় না।

পরবর্তী সময়ে এই বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত নানা দাবি ছড়িয়েছে, যার মধ্যে একটি হলো একটি নির্দিষ্ট আকারের ঘরে একটি গাছ ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ শতাংশ দূষণ সরিয়ে ফেলতে পারে। এমন নির্দিষ্ট দাবিকে বাস্তব ঘরের জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  স্পাইডার প্ল্যান্টকে ঘরের বাতাস পরিষ্কারের প্রধান ব্যবস্থা না ভেবে বরং একটি সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সহায়ক হিসেবে দেখা বেশি যুক্তিযুক্ত

একটি নির্দিষ্ট আকারের ঘরে একটি গাছ ২৪ ঘণ্টায় ৯৫ শতাংশ দূষণ সরিয়ে ফেলতে পারে।

তাহলে ঘরে গাছ রাখার লাভ কী

ঘরে গাছ রাখার সবচেয়ে সহজ লাভটি চোখেই দেখা যায়। চারপাশে সবুজ থাকলে ঘর একটু প্রাণবন্ত লাগে। সাদা দেয়াল, কাঠের আসবাব আর কৃত্রিম সাজসজ্জার মাঝে একটি জীবন্ত গাছ ঘরের পরিবেশে আলাদা অনুভূতি তৈরি করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার অভিজ্ঞতা। সকালে জানালার পাশে নতুন পাতা দেখা, কয়েক দিন পর টব থেকে ছোট চারা বের হতে দেখা কিংবা শুকিয়ে যাওয়া একটি পাতা যত্ন করে সরিয়ে দেওয়া, এসব ছোট অভ্যাসও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এক ধরনের প্রশান্তি আনতে পারে। বিশেষ করে যারা দীর্ঘ সময় ঘরে বসে কাজ করেন, তাদের কর্মস্থলের পাশে একটি ছোট সবুজ গাছ ঘরের দৃশ্যটিকে বদলে দিতে পারে। তবে গাছ রাখার জায়গা নির্বাচন করার সময় আলো, বাতাস চলাচল ও পানির প্রয়োজনের বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার

শুধু গাছ নয়, বাতাসের যত্নও জরুরি

ঘরের বাতাস ভালো রাখতে একটি স্পাইডার প্ল্যান্টের ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয়। বরং কয়েকটি অভ্যাস একসঙ্গে কাজে লাগানো বেশি কার্যকর। ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা জরুরি। রান্নার সময় চুলার ধোঁয়া ও বাষ্প বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা ভালো। নতুন আসবাব, রং বা রাসায়নিকযুক্ত কোনো পণ্য ব্যবহারের পর ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা উচিত। পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থাও উদ্বায়ী জৈব যৌগের সংস্পর্শ কমাতে উৎস নিয়ন্ত্রণ ও পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের পরামর্শ দেয়।

ঘরের বাতাস ভালো রাখতে একটি স্পাইডার প্ল্যান্টের ওপর নির্ভর করাই যথেষ্ট নয়।

একইভাবে স্যাঁতসেঁতে জায়গা অবহেলা করা ঠিক নয়। দেয়ালে কালো বা সবুজ ছোপ দেখা দিলে শুধু গাছ এনে সমস্যাটি ঢেকে রাখার বদলে পানির উৎস বা আর্দ্রতার কারণ খুঁজে বের করতে হবে। কারণ ছত্রাক নিয়ন্ত্রণের মূল বিষয় হলো আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা। ঘরের আর্দ্রতা খুব বেশি হলে ছত্রাক ও ধূলিকীটের বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বাড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী জানালা খোলা, বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ

ঘরকে সুন্দর ও আরামদায়ক করে তোলার জন্য আমরা অনেক কিছুই করি। দামি আসবাব কিনি, দেয়ালে ছবি লাগাই, সুগন্ধি ব্যবহার করি, নতুন পর্দা বদলাই। সেই তালিকায় একটি ছোট সবুজ গাছ যোগ করা তাই নিছক সাজসজ্জা নয়।  স্পাইডার প্ল্যান্ট ঘরের বাতাসের সব দূষণ দূর করে দেবে, এমন দাবি করার সুযোগ নেই। কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে ঘরের একটি ছোট সংযোগ তৈরি করতে পারে এই গাছ।

ঘরের বাতাসকে সত্যিকার অর্থে ভালো রাখতে গাছের পাশাপাশি প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা

আর ঘরের বাতাসকে সত্যিকার অর্থে ভালো রাখতে গাছের পাশাপাশি প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল এবং দূষণের উৎস কমানোর অভ্যাস
সুস্থ ঘর তৈরি হয় একটি মাত্র উপাদানে নয়, বরং আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট সচেতনতা অভ্যাস থেকে। জানালার পাশে রাখা একটি সবুজ স্পাইডার প্ল্যান্ট সেই সচেতনতারই সুন্দর শুরু হতে পারে।

দ্যা কনভার্সেশন ডট কম

ছবি পেক্সেলস ডট কম

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

এর আগে, এদিন দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী আন্তনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭২০) লাউয়াছড়া এলাকায় চলার সময় হুক ছিঁড়ে ট্রেনটির পেছনের ছয়টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে ইঞ্জিনসহ সামনের অংশ নিয়ে ট্রেনটি শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে স্টেশনে চলে যায়।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
শুক্রবার রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি

শুক্রবার রাতেই আসছে রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি

অন্য মরতে না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলট

অন্য মরতে না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলট

রংপুর অঞ্চলে শিল্পকারখানায় ৭ শতাংশ সুদে ঋণের ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর

রংপুর অঞ্চলে শিল্পকারখানায় ৭ শতাংশ সুদে ঋণের ঘোষণা ত্রাণমন্ত্রীর

সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ, জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান রঞ্জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
কুড়িগ্রামে তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ১

কুড়িগ্রামে তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ১

সিলেটে মাজার-মসজিদ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত

সিলেটে মাজার-মসজিদ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে যুবক নিহত

শেরপুরে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

শেরপুরে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের হুক ছিঁড়ে ছয়টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বগিগুলো লাউয়াছড়া বনের ভেতরে রেখে ট্রেনের অপর অংশ শ্রীমঙ্গল রেল স্টেশনে চলে গেছে। এতে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
শেরপুর সীমান্তে সাড়ে ১১ লাখ টাকার কসমেটিক জব্দ

শেরপুর সীমান্তে সাড়ে ১১ লাখ টাকার কসমেটিক জব্দ

সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হুইপ

সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হুইপ

ফ্লাইদুবাইয়ের ঘটনায় ইরান জড়িত থাকলে কঠোর হামলা: ট্রাম্প

ফ্লাইদুবাইয়ের ঘটনায় ইরান জড়িত থাকলে কঠোর হামলা: ট্রাম্প

0 Comments