জাতীয়

দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারানো শাফি এখন চাকরি করেন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে, তাঁকে দেখা যায় স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চেও

News সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ 0
দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারানো শাফি এখন  চাকরি করেন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে, তাঁকে দেখা যায় স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চেও
দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারানো শাফি এখন চাকরি করেন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে, তাঁকে দেখা যায় স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চেও

দুর্ঘটনায় দুচোখের আলো হারিয়েছেন শাফায়াত-ই-রাব্বি ওয়াজেদ। তবে থেমে থাকেননি। একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির পাশাপাশি এখন তাঁকে দেখা যায় স্ট্যান্ড-আপ কমেডির মঞ্চেও। কৌতুকের মধ্য দিয়ে মানুষকে হাসানো শাফির গল্প শোনাচ্ছেন জাওয়াদুল আলম

মোহাম্মদপুরে শাফির বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিছুক্ষণ পর সাদা ছড়ি হাতে এক তরুণকে একা হেঁটে আসতে দেখলাম। চোখে কালো চশমা। পকেট থেকে মুঠোফোন বের করলেন। হয়তো আমাকে ফোন করতে চাচ্ছিলেন। তার আগেই নিজের পরিচয় দিলাম।

এই সেই শাফি, যাঁকে ফেসবুকে কালো চশমা পরে স্ট্যান্ডআপ কমেডি করতে দেখেছিলাম। নিজেকে ‘অন্ধ’ দাবি করে মঞ্চে কৌতুক করছিলেন। প্রথমে ভেবেছিলাম, কৌতুকের অংশ হিসেবেই হয়তো এমনটা করছেন। কিন্তু একের পর এক ভিডিও দেখেও নিশ্চিত হতে পারিনি। সত্যিই কি তিনি দৃষ্টিহীন? হলে কীভাবে চাকরি করেন? কীভাবে একা চলাফেরা করেন?

সেই কৌতূহল থেকেই যোগাযোগ। জানা গেল, শাফির পুরো নাম শাফায়াত-ই-রাব্বি ওয়াজেদ। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই চোখে গুরুতর আঘাত পান তিনি। প্রায় ১২ দিন চিকিৎসার পর জানতে পারেন, আর কখনোই দেখতে পাবেন না।

তবে দৃষ্টিশক্তি হারালেও থেমে যায়নি তাঁর জীবন। বরং নতুন বাস্তবতায় নিজেকে মানিয়ে নিয়ে আবার শুরু করেছেন। এখন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশে অপারেশনস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেন। অফিস করেন নিয়মিত। একাই যাতায়াত করেন। স্মার্টফোন ও কম্পিউটার ব্যবহার করেন। আর অবসরে মঞ্চে উঠে মানুষকে হাসান।

সাদা ছড়ি হাতে একা পথ চলেন শাফি

আবার শুরু

বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে সকালে খেতে বের হয়েছিলেন শাফি। মালিবাগ রেলক্রসিংয়ের কাছে হঠাৎ গাড়ির চাকা পাংচার হয়। ধাক্কা লাগে ফ্লাইওভারের পিলারে। স্টিয়ারিংয়ে মাথা লেগে মারত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন শাফি। অন্য এক বন্ধুও আহত হন। তবে পেছনে বসা বন্ধুরা বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। দুর্ঘটনার পর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে মিলিয়ে তিন সপ্তাহের বেশি ভর্তি ছিলেন শাফি। দুর্ঘটনার পরের প্রায় দেড় মাসের কোনো স্মৃতি নেই তাঁর। হাসপাতালে থাকা এবং বাড়ি ফেরার পরের প্রথম কয়েক দিনের কথা পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেই শুনেছেন।

বাড়িতে ফেরার পর যখন ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করলেন কী হয়েছে, তখন জীবন তাঁর কাছে অন্য রকম হয়ে গেল। স্বাভাবিকভাবেই বিষণ্ন ছিলেন। কিন্তু নিজের ওপর নির্ভর করার অভ্যাসটা ছাড়তে চাননি।

শাফি বলেন, ‘দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছি বলে আমি কারও জন্য বোঝা হতে চাইনি। তখন পরিকল্পনা ছিল, ডিজিটাল মার্কেটিং অথবা কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ করব। যদি সেটা সম্ভব না হয়, তাহলে কল সেন্টারে চাকরি করব। তবুও ঘরে বসে থাকব না।’

দুর্ঘটনার সময় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন শাফি। শুধু ইন্টার্নশিপ বাকি ছিল। বড় ভাই হাসনাতের সহযোগিতায় বাড়িতে বসে আবার শুরু করলেন মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ব্যবহার শেখা। টাইপিং, ইন্টারনেট ব্রাউজিং—এক এক করে আয়ত্ত করতে লাগলেন।

এরপর বাড়িতে বসেই অনলাইনে ইন্টার্নশিপ করেন। ওই সময়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ইংরেজির প্রভাষক সুমাইয়া তাসনিম হক তাঁকে বিভিন্নভাবে উৎসাহ দেন। শাফি জানান, সুমাইয়া তাসনিমও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতা জয় করে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর শাফি বুঝলেন, শুধু কম্পিউটার চালাতে পারলেই হবে না। একা চলাফেরাও শিখতে হবে। মোহাম্মদপুরের ভিজ্যুয়ালি ইম্পেয়ার্ড পিপলস সোসাইটিতে (ভিপস) ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নিলেন। শিখলেন কম্পিউটার ব্যবহার, সাদা ছড়ি দিয়ে চলাফেরার কৌশলসহ প্রয়োজনীয় নানা বিষয়।

স্মার্টফোন ও কম্পিউটারে শাফি ব্যবহার করেন স্ক্রিন রিডিং সফটওয়্যার। স্ক্রিনে যা লেখা থাকে, সফটওয়্যার তা পড়ে শোনায়। এভাবেই মুঠোফোন ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টাইপিং, মাইক্রোসফট অফিস—সবই করেন তিনি।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ইউনিলিভার বাংলাদেশে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পান শাফি। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও অনগ্রসর তরুণ-তরুণীদের জন্য বিশেষ এই ইন্টার্নশিপ ছিল হাইব্রিড। চার মাস পর আসে পূর্ণকালীন চাকরির প্রস্তাব।

কিন্তু নতুন চাকরির সঙ্গে নতুন চিন্তাও এল—প্রতিদিন অফিসে যাবেন কীভাবে?

পরিবারের সবাই কিছুটা চিন্তিত ছিলেন। শাফি অবশ্য নিজের মতো করে সমাধান বের করে ফেললেন। রাইড শেয়ারিং বাইকে প্রতিদিন অফিস যাতায়াত শুরু করলেন।

স্ট্যান্ডআপ কমেডি শাফিকে দিয়েছে অন্য রকম একটি জায়গা

মঞ্চে উঠে

বরাবরই মানুষকে হাসাতে পছন্দ করেন শাফি। বিশেষ করে নিজেকে নিয়েই কৌতুক করতে তাঁর ভালো লাগে। কিন্তু দুর্ঘটনার আগে মঞ্চে উঠে স্ট্যান্ডআপ কমেডি করার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না।

এর মধ্যে ভারতের রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়াজ গট লেটেন্ট’-এর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী প্রতিযোগী ভাব্য শাহের স্ট্যান্ডআপ কমেডি তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। বন্ধুদের উৎসাহও ছিল। শেষ পর্যন্ত স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান দুই বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করে গুলশানের নাভিদ’স কমেডি ক্লাবের দুটি ওপেন সেশনে অংশ নেন।

প্রথম দুই অনুষ্ঠানেই ভালো সাড়া পান। কয়েক দিনের মধ্যেই ক্লাবের নিয়মিত কমেডিয়ানদের সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো শুরু হয়।

এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৮ মে দিনটি শাফির মনে বিশেষভাবে জায়গা করে নিয়েছে।

‘প্রায় ৭০ জন মানুষ টিকিট কেটে আমার অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলেন। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। অনুষ্ঠান শেষে অনেকেই আমার প্রশংসা করলেন। অনেকে আবার আমার সঙ্গে ছবি তুললেন,’ বলছিলেন শাফি।

এখন পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও কমেডি ক্লাবে ১৭টি শো করেছেন তিনি।

নিয়মিত অফিসে যাতায়াতের অভিজ্ঞতা তাঁর স্ট্যান্ডআপ কমেডিরও বিষয় হয়ে উঠেছে। রাস্তায় চলতে গিয়ে মানুষের নানা প্রশ্ন, অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি—সবকিছুর মধ্যেই খুঁজে নেন হাসির উপাদান।

হাসতে হাসতে নিজের জীবনের গল্প নিজেই বলতে চান শাফি

‘শাফি আনসিন’

মঞ্চের কৌতুকগুলো শুধু মঞ্চে সীমাবদ্ধ না রাখার কথাও ভাবলেন শাফি। মনে হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও দিলে আরও মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে। সেই ভাবনা থেকেই গত বছরের আগস্টে ‘শাফি আনসিন’ নামে ফেসবুক পেজে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ শুরু করেন।

ভিডিও সম্পাদনা ও আপলোডের কাজে বন্ধু ও কমেডিয়ান তাশদীদ তাঁকে সহযোগিতা করেন। তবে পেজের কাজের সবটাই অন্যের ওপর নির্ভর করে করেন না শাফি। নিজেই ভিডিও আপলোড করেন। কমেন্ট ও মেসেজের উত্তরও দেন।

পেজের অনুসারীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি নয়। তবে কয়েকটি কমেডি ভিডিওর ভিউ ইতিমধ্যে দুই লাখ ছাড়িয়েছে।

ফেসবুকে তাঁর ভিডিও দেখে কেউ হয়তো প্রথমে তাঁর কথাগুলোকে শুধু কৌতুক হিসেবেই নেন। কিন্তু সেই কৌতুকের ভেতরেই আছে প্রতিদিনের জীবনের গল্প—একজন দৃষ্টিহীন মানুষের চলাফেরা, কাজ করা, মানুষের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া, কখনো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়া, আবার সেখান থেকেই হাসির উপাদান খুঁজে নেওয়া।

শাফি নিজের অভিজ্ঞতার কথাই বলতে চান। তবে একটু অন্যভাবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আশপাশে যাঁরা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ আছেন, তাঁরা বরাবরই উপেক্ষিত। তাঁরাও যে সৃজনশীল কোনো কাজ করতে পারেন, এটা হয়তো অনেকেই জানেন না। আমাদের জীবনের গল্প, প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে খুব বেশি জানার সুযোগ নেই। গল্প, সিনেমা বা নাটকেও আমরা উপেক্ষিত থাকি।’

তাই নিজের জীবনের গল্প নিজেই বলতে চান শাফি। হাসতে হাসতে।

থামবেন না

নিজেকে নিয়ে খুব দূরের কোনো পরিকল্পনা করতে চান না শাফি। আপাতত যে কাজ করছেন, সেটিই ভালোভাবে করে যেতে চান। অনেক প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ইউনিলিভারের মতো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়াকে তিনি নিজের জন্য বড় পাওয়া মনে করেন।

আর স্ট্যান্ডআপ কমেডি তাঁকে দিয়েছে অন্য রকম একটি জায়গা। মঞ্চে উঠে নিজের গল্প বলার সুযোগ, মানুষের হাসি, প্রশংসা, পরিচিতি—সব মিলিয়ে নতুন একটি জগৎ তৈরি হয়েছে তাঁর জন্য।

একসময় যে তরুণকে মনে হয়েছিল, কালো চশমার আড়ালে হয়তো কৌতুকের অভিনয় করছেন, তিনি এখন নিজের জীবনটাই মঞ্চে তুলে ধরেন। সাদা ছড়ি হাতে একা পথ চলেন, মুঠোফোনে কাজ করেন, কম্পিউটারে অফিসের কাজ করেন, রাইড শেয়ারিং বাইকে চড়ে অফিসে যান। আর সুযোগ পেলেই মঞ্চে উঠে মানুষকে হাসান।

দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর শাফির জীবনে অনেক কিছুই বদলে গেছে। বদলায়নি শুধু একটি বিষয়—সামনে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা।

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী
এক মাসের ব্যবধানে বাবা-মাকে হারানো ৫ কন্যার পাশে প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল-মতনির্বিশেষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠনটি গঠন করেছেন। সংবাদমাধ্যমে এই পরিবারের দুর্দশার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে এবং তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তাঁর পক্ষ থেকে সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা নিয়ে আমরা আজ এখানে এসেছি।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

গুলশানে মদের গুদাম সিলগালা

পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 

পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন, সরকার নিয়েছে ৪২০ কোটি টাকার উদ্যোগ 

রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

রোনালদোকে খোঁচা দিয়ে পর্তুগালের কোচ এ কি বললেন

খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
খুবিতে মাদকসহ আটক ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মাদকদ্রব্যসহ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, নিহত ৭ 

চাঁদপুরে ৫ বছরে কমেছে জেলের সংখ্যা

চাঁদপুরে ৫ বছরে কমেছে জেলের সংখ্যা

জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় মৎস্যজীবী নিহত

জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় মৎস্যজীবী নিহত

চা বেচে বাড়ি করেছেন টিটু মিয়া 
চা বেচে বাড়ি করেছেন টিটু মিয়া 

করোনা মহামারির সেই দিনগুলোর কথা মনে হলে এখনো টিটু মিয়ার চোখে ভেসে ওঠে অনিশ্চয়তার ছবি। কাজ না থাকায় সংসার চালানোর মতো টাকাও ছিল না তার কাছে।

News অক্টোবর ২, ২০২৬ 0
বিমানবন্দরে একসঙ্গে পলক-ইব্রাহিম, ফের প্রেমের গুঞ্জন

বিমানবন্দরে একসঙ্গে পলক-ইব্রাহিম, ফের প্রেমের গুঞ্জন

দুর্গাপূজার ১০ দিন আগে থেকেই নিরাপত্তা চায় হিন্দু মহাজোট

দুর্গাপূজার ১০ দিন আগে থেকেই নিরাপত্তা চায় হিন্দু মহাজোট

মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে আহত ৩

মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে আহত ৩

0 Comments