জাতীয়

চীন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায়

News সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ 0
চীন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায়
চীন যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরিয়ে দিতে চায়

চলতি বছর চীনের কূটনৈতিক দিনপঞ্জির দিকে তাকালেই তাদের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক প্রভাবের চিত্রটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, জর্ডানসহ বিশ্বের প্রভাবশালী অনেক দেশের শীর্ষ নেতারাই বেইজিং সফর করেছেন।

সম্প্রতি কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি বেইজিং সফর করেন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলও চীন সফর করেছে। এসব সফর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে বেইজিংয়ের প্রভাব ও পরিধি বৃদ্ধির বিষয়টিই নিশ্চিত করে।

ঐতিহাসিকভাবে অঞ্চলটি সব সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা বজায় রেখে চলেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুই পরাশক্তির মধ্যে এই অঞ্চলে প্রতিযোগিতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। প্রতিযোগিতা বাড়ার অর্থ এই নয় যে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ প্রতিস্থাপিত করতে চাইছে। বেইজিং মূলত বাণিজ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর অংশীদারত্বের মাধ্যমে এগোচ্ছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর নিজস্ব অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক স্বার্থের সঙ্গে একদম মানানসই।

চীন কি মার্কিন মডেল অনুসরণ করতে চায়

উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব এখনো সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে সামরিক দিক থেকে। ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব, গোয়েন্দা তথ্যের আদান-প্রদান, অস্ত্র সরবরাহ, নৌশক্তি এবং সামরিক উপস্থিতি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার মূল স্তম্ভ হিসেবে রয়ে গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তির মাপকাঠিতে চীনের সঙ্গে নিজের ক্ষমতার তুলনা করে আসছে। সে হিসেবে দেখলে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাওয়া চীনের জন্য এখনো সুদূরপরাহত। তবে কৌশলী সাফল্যের পরিমাপের জন্য এটি ভুল মাপকাঠি।

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে চীনের বিশেষ আগ্রহ দেখা যায়নি। কারণ, এ অঞ্চলে ওয়াশিংটন যে নিরাপত্তাবলয় তৈরি করে রেখেছে, চীন মূলত তার প্রত্যক্ষ সুবিধা ভোগ করেছে।

কয়েক দশক ধরে মার্কিন নৌবাহিনী যে সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রেখেছে, সেই পথ দিয়েই উপসাগরীয় জ্বালানি এশিয়ার বাজারে পৌঁছেছে। মার্কিন সামরিক শক্তির ফলে এই অঞ্চলে যে স্থিতিশীলতা বজায় ছিল, তারই সুযোগ নিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো নিশ্চিন্তে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণ ও জ্বালানি কেনাবেচা করতে পেরেছে।

চীনের দৃষ্টিকোণ থেকে এ এক চমৎকার ব্যবস্থা—খরচ সামান্য, কিন্তু লাভ বিপুল। যুক্তরাষ্ট্রের জায়গায় নিজেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী হিসেবে বসাতে গেলে চীনকে বিশাল রাজনৈতিক, আর্থিক ও সামরিক ঝুঁকি নিতে হতো, যা দেশটির স্বার্থের সঙ্গে মেলে না।

তাই চীন সামরিক খাতের দিকে না গিয়ে সেসব জায়গায় দৃষ্টি দিয়েছে, যেখানে তারা নিজেদের অর্থনৈতিক প্রভাব শক্ত করতে পারে। তারা চায়, নিরাপত্তা খাতের জন্য ওয়াশিংটন যতটা অপরিহার্য, অর্থনৈতিক খাতের জন্য বেইজিং যেন ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আজ উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবকাঠামো ও বন্দরগুলোতে চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্ব তৈরি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বন্দরের সিএসপি আবুধাবি টার্মিনাল পরিচালনাকারী যৌথ উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণকারী মালিকানা রয়েছে চীনের সিওএসসিও শিপিং পোর্টসের।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ, ম্যানুফ্যাকচারিং, লজিস্টিকস, ইলেকট্রিক যানবাহন ও ডিজিটাল অবকাঠামোর মতো যেসব খাত এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে, চীনা কোম্পানিগুলো সেগুলোতেও দ্রুত নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে।

বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে চীন-আরব দেশগুলোর সহযোগিতা ফোরামে সম্মেলন। ৩০ মে, ২০২৪

ফাইন্যান্সিং, চুক্তি ও বাণিজ্যের মাধ্যমে এই ব্যবস্থাগুলো যখন একবার জড়িয়ে যায়, তখন সেখান থেকে নাম প্রত্যাহার করা বেশ কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। যুদ্ধজাহাজ সহজেই বন্দর ছেড়ে চলে যেতে পারে কিংবা সৈন্যসংখ্যা কমিয়ে আনা যায়; কিন্তু বন্দর, কারখানা, টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ও সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া স্বার্থ এত সহজে ছেঁটে ফেলা সম্ভব নয়।

চীনের এই কৌশলে উপসাগরীয় সরকারগুলোকে সম্পূর্ণ চীনপন্থী হতে হয় না। বেইজিংয়ের চাওয়া কেবল একটাই—কোনো দেশ যেন তাদের বিরোধী অবস্থান না নেয়। কারণ, সে অবস্থান নেওয়ার অর্থনৈতিক মূল্য হবে অত্যন্ত চড়া।

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের এখন ভেবে দেখা উচিত, তাঁরা কীভাবে তাঁদের আন্তর্জাতিক প্রভাবের পরিমাপ করবেন। এখন মূল প্রশ্ন এটি নয় যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে কোনো দেশের কটি সামরিক ঘাঁটি আছে; বরং প্রশ্ন হলো, আঞ্চলিক ব্যবস্থা থেকে সেই দেশকে সরিয়ে দেওয়া কতটা কঠিন।

উপসাগরীয় দেশগুলোর নিজস্ব কৌশল

উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য দুই পরাশক্তির সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখার মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার একদিকে যেমন মার্কিন নিরাপত্তা সহযোগিতা ও উন্নত পশ্চিমা প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে চায়, অন্যদিকে চীনের বাজার, শিল্প উৎপাদন সক্ষমতা, বিনিয়োগ ও এশীয় অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চায়।

তাদের মূল লক্ষ্য হলো কোনো একটি শক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর না থাকা। বহুমেরুর বৈশ্বিক ব্যবস্থায় নিজেদের অবস্থান অক্ষুণ্ন রাখতে তারা অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ ও কৌশলগত স্বাতন্ত্র্যের পথ বেছে নিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে নানা উত্তেজনার ফলে প্রণালিগুলোতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়া কিংবা কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিসহ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তাহীনতা দেখিয়ে দিয়েছে, কেন এই ভারসাম্যমূলক কৌশল এত গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট কোনো একটি নিরাপত্তা প্রদানকারী দেশ, রপ্তানিবাজার, পরিবহনপথ, প্রযুক্তি কিংবা মূলধনের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা যেকোনো দেশের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্যকে ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা দেখা গেছে

উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য ও অংশীদারত্বের এই বহুমুখীকরণ মূলত কোনো পছন্দ নয়; বরং একধরনের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা। তারা এমন এক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি গুরুত্বপূর্ণ হলেও অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাবের ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনই শেষ কথা নয়।

জ্বালানি খাতের বাইরে নিজেদের অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), উন্নত উৎপাদন খাত, নবায়নযোগ্য শক্তি ও লজিস্টিকসের ওপর জোর দিচ্ছে।

সৌদি আরবের ‘হুমেইন’ কিংবা আমিরাতের ‘জি৪২’-এর মতো উদ্যোগগুলো এআই প্রযুক্তিতে তাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এসব প্রযুক্তি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন বিশ্বমানের চিপ, ডেটা সেন্টার, জ্বালানি, কম্পিউটিং অবকাঠামো, মূলধন ও দক্ষ মানবসম্পদ।

এই বৈচিত্র্যময় অর্থনীতি গড়ার পথে যারা প্রয়োজনীয় মূলধন, প্রযুক্তি ও শিল্প অংশীদারত্ব দিতে পারবে, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের সঙ্গেই হাত মেলাচ্ছে।

উপস্থিতি আর প্রভাব এক কথা নয়

মার্কিন নীতিনির্ধারকদের এখন ভেবে দেখা উচিত, তাঁরা কীভাবে তাঁদের আন্তর্জাতিক প্রভাবের পরিমাপ করবেন। এখন মূল প্রশ্ন এটি নয় যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে কোনো দেশের কটি সামরিক ঘাঁটি আছে; বরং প্রশ্ন হলো, আঞ্চলিক ব্যবস্থা থেকে সেই দেশকে সরিয়ে দেওয়া কতটা কঠিন।

নিরাপত্তাচুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ও কূটনৈতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এখনো উপসাগরীয় অঞ্চলে গভীরভাবে গেঁথে আছে।

চীন সেখানে ভিন্ন ধাঁচের একটি ভিত্তি তৈরি করছে। বাণিজ্য, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে এমন দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে উঠছে, যা সাধারণ বাজার পরিস্থিতি বজায় রেখেও গভীর রাজনৈতিক প্রভাবে রূপ নিতে পারে।

সব খাতেই উপসাগরীয় দেশগুলোকে চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো একজনকে বেছে নিতে বাধ্য করার প্রয়োজন যুক্তরাষ্ট্রের নেই। অবশ্য উন্নত সেমিকন্ডাক্টর, এআই, টেলিযোগাযোগ, স্পর্শকাতর তথ্য ও দ্বিমুখী ব্যবহারের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বৈধ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ রয়েই যায়। সেসব খাতে স্পষ্ট সুরক্ষাকবচ থাকা প্রয়োজন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে চীনের সঙ্গে সামরিক নয়; বরং গঠনমূলক প্রতিযোগিতা করা। উন্নত প্রযুক্তি, বিশ্বাসযোগ্য অর্থায়ন এবং শক্তিশালী শিল্প অংশীদারত্বের প্রস্তাব নিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক রূপান্তরে বড় ভূমিকা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের উচিত।
নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা আর সব খাতেই আধিপত্য বজায় রাখার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেয় না।

  • খালিদ আল-জাবের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘মিডল ইস্ট কাউন্সিল অন গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স’-এর নির্বাহী পরিচালক। আল–জাজিরা থেকে সংক্ষেপে অনূদিত

Popular post
কাজীরহাটে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের অভিযোগ

শরীয়তপুরের কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মাস্টার মোস্তফা কাজীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, প্রভাব খাটানো ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে আসছেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুত হন মোস্তফা কাজী। এরপর থেকে এলাকায় বিভিন্ন জমি দখল ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৬ সালের রোজার ঈদকে কেন্দ্র করে কাজীরহাট বাজারের দোকানপ্রতি ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হয়, যার নেতৃত্বে ছিলেন মোস্তফা কাজী। এছাড়া কয়েক মাস আগে কাজীরহাটে একটি দোকান ক্রয়ের সময় ব্যবসায়ী সুমন তপাদারের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী আরও জানান, বি. কে. নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলামের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন মানুষকে জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ফেলে হয়রানি করার অভিযোগও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। স্থানীয়দের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন মোস্তফা কাজী। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপির ব্যানারে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। এছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এমনকি নিজ ভগ্নিপতি সিদ্দিক দেওয়ানের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা কাজীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

জাতীয়

View more
৩১ অক্টোবর সাত দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ 
৩১ অক্টোবর সাত দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ 

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণসহ সাত দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
গরমে শরীরের ওপর চাপ বাড়ায় যেসব অভ্যাস

গরমে শরীরের ওপর চাপ বাড়ায় যেসব অভ্যাস

মানুষ যখন বিয়ে করে, তখন বিচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত থাকে না: শেফালি শাহ

মানুষ যখন বিয়ে করে, তখন বিচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত থাকে না: শেফালি শাহ

টাইগারদের প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র

টাইগারদের প্রস্তুতি ম্যাচ ড্র

গ্যাস ও নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৪২ জেলায় ১১৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
গ্যাস ও নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, ৪২ জেলায় ১১৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

News অক্টোবর ৬, ২০২৬ 0
মিরসরাইয়ে ১৯.৬৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে র‍্যানকন লুব্রিকেন্টস

মিরসরাইয়ে ১৯.৬৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে র‍্যানকন লুব্রিকেন্টস

শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা

নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবা সহজ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী

নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ ও সেবা সহজ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিল্পমন্ত্রী

স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন-সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব
স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন-সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব

সঠিক অডিট, স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন-সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর শেয়ারবাজারে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হিসাববিদদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

News অক্টোবর ৫, ২০২৬ 0
রামেক হাসপাতালে এবার স্যালাইন সংকট

রামেক হাসপাতালে এবার স্যালাইন সংকট

আপত্তির মুখে দিরাইয়ে মহিলা প্রীতিম্যাচ স্থগিত

আপত্তির মুখে দিরাইয়ে মহিলা প্রীতিম্যাচ স্থগিত

ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার দেড় মাস পর বাবাকে গুলি করে হত্যা

ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার দেড় মাস পর বাবাকে গুলি করে হত্যা

0 Comments